ইউজার লগইন

অচেনা আমি'এর ব্লগ

কথোপকথন

- . তুমি ভেবো না তুমি সব হারিয়েছ । বরং তুমি অনেক কিছু পেয়েছ ! সময় টা একটু নিজেকে দাও । দেখবে সব ঠিক হয়ে গিয়েছে ।

- কিছু বুঝছি না কি করবো ?
যতই দূরে যেতে চাই । পারি না । কিছু একটা আকড়ে ধরে আছে মনে হচ্ছে । পারছি না যে সবকিছু থেকে সরে আসতে । নিজেকে সময় দিতে চাই ! নিজেকে ভালবাসতে চাই । একটু নিজেকে নিয়ে ভাবতে চাই । সেই দুনিয়া তে খালি আমি থাকবো । আর কেউ না ।
- কিন্তু তুমি বুঝছ না কেন তুমি যা চাও সেটা সবাই পারেনা । নিজেকে ভালবাসতে সবাই পারে না । তুমি একদম বোকা । তুমি যা চাও তা করো না কেন ?
- আমি জানিনা আমি কেন করতে পারছি না । সব কিছু তে অশান্তি । নিজেকে ভালবাসতে চেয়ে ও পারছি না । কিছু ভালো লাগেনা ।

বলছি না ভালবাসতে হবে

বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু চাই আমার কথা গুলো মন দিয়ে শুনো একটু
বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু চাই হাত দুটো শক্ত করে থাকলে চলবে
বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু চাই হাত ধরে রাস্তা টা পাড় করিয়ে দিলে চলবে
বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু কাঁধে মাথা টা রাখতে দিও !!
বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু একসাথে পথ টা পাড়ি দিলে হবে
বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু চাই সবসময় আমার পাশে থাকো
বলছি না ভালবাসতে হবে .......................

বাবা

................................. মেয়েটি অপেরেশন থিয়েটারে এর দিকে এগুতে থাকে। বাবা শক্ত করে মেয়েটির হাতটি ধরে রাখে । কিছুক্ষণ আগে ডাক্তারের সাথে ঝগড়া করে আসে তার বাবা । কেন বন্ড সই দিতে হবে ? বন্ড কাগজের মধ্যে লিখা থাকে - যদি মেয়ের কিছু হয়ে যায় তার জন্য কতৃপক্ষ দায়বদ্ধ থাকবে না । তার বাবা সেই বন্ড কাগজে সই করতে যেয়ে হাত কাঁপতে থাকে। কেন এ ধরনের লিখাতে সই করতে হবে ! তাও খুব কষ্ট হয় । তাও সই করতে হয় ।

বাবার হাতটা থরথর করে কাঁপতে থাকে। যদি মেয়েটা আর বেঁচে না ফিরে আসে! সেই ২০১৩ এর ফেব্রুয়ারী মাসের সাত তারিখের কথা । মেয়েটা সকাল সাড়ে নয় টায় অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে যায় । বাবা তাকে ঢুকিয়ে দিয়ে আসে । মেয়েটা যখন পিছনে ফিরে তাকায় তখন তার বাবা তাকে হাত নেড়ে দিয়ে বলছে -
- কিছু হবে না মা। শক্ত থাকবি ! ভয় পাবি না । ঠিক আছে ?

নো গেইন ইন 2014

........ আজকাল দিনগুলো কেমন জানো হয়ে যাচ্ছে । অলস হয়ে যাচ্ছে সময়গুলো। কিছুই যেন ভালো লাগেনা। আসলে দিন দিন খুব দুর্বল হয়ে পড়ছি। কাজ করছে মনের দুর্বলতা। দিন দিন নস্টালজিক হয়ে পড়ছি। কেন হচ্ছে কি কারন তার পেছনে কিছুই যেন বুঝে উঠতে পারছিনা। কিছুই লিখতে গিয়েও কিছু লিখতে পারছিনা। সবসময় কেমন জানো আতঙ্ক এর মধ্যে থাকছি। মাঝে মাঝে সাইকোলিগিস্ট এর কাছে গিয়ে কিছু পরামর্শ নিতে ইচ্ছা করে যে কেন এমন টা হচ্ছে আমার সাথে। গত বছর টা আসলেও খুব খারাপ গিয়েছে। আমি আমার দুইটা বন্ধু কে হারিয়েছি। আসলে গত বছর আমি কিছুই পাইনি। সব হারিয়েছি।

এরা মানুষ না

....... কিছুদিন আগে শুনলাম পাকিস্তনের এক যুবক কবর থেকে নারীদের বের করে ধর্ষণ করছে। আটচল্লিশ বার ধর্ষণ করার পর যখন পরের বার কোন এক যুবতীকে করতে গেলো তখন তার দাঁতগুলো বের হয়ে ছিল এবং তার চোখ জ্বলজ্বল করছিলো। সেই দৃশ্য দেখে যুবক ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়। হায়রে মানুষ ! আর যে কতটা নিম্ন পর্যায়ে নামবে।
ভাবতে অবাক লাগে যে পাকিস্তানের মতো একটা মুসলিম কান্ট্রি তে এইরকম নিম্নস্তরের মানুষ ও বসবাস করে।

ডিপ্রেরেশন

ডিপ্রেরেশন কি? কেন আমরা প্রায় ডিপ্রেরেশন নামক জিনিষ টার উপর ঝুঁকে পড়ি? ডিপ্রেশন থেকে বেড়ে যায় ফ্রাসট্রেশন টেনশন এবং একসময় সুইসাইড!!!!
দেখ দেখ -
মেয়েটা হারপিক খেয়েছে।

এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধু

এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর সাথে সকাল বিকেল বেলা
কত পুরনো নতুন পরিচিত গান গাইতাম খুলে গলা
কত এলোমেলো পথ হেঁটেছি দুজনে
হাত ছিল না হাতে
ছিল যে যার জীবনে দুটো মন
ছিল জড়াজড়ি এক সাথে
কত ঝগড়া বিবাদ সুখের স্মৃতিতে ভরে আছে শৈশব
তোকে স্মৃতিতে স্মৃতিতে এখনও তো ভালবাসছি অসম্ভব
কেন বাড়লে বয়স ছোটবেলার বন্ধু হারিয়ে যায়
কেন হারাচ্ছে সব বাড়াচ্ছে ভিড় হারানোর তালিকায়....

আজ কে যে কোথায় আছি, কোন খবর নেই তো কারো
অথচ তোর ঐ দুঃখগুলো তে অংশ ছিল আমার ও
এই চলতি জীবন ঘটনা বহুল দু এক ইঞ্চি ফাঁকে
তুই তো পাবিনা আমায়,আর আমিও খুঁজিনা তোকে
কত সুখ পাওয়া হয়ে গেল,তোকে ভুলে গেছি কতবার
তবু শৈশব থেকে তোর গান যেন ভেসে আসে বারবার..
আজ চলতে শিখে গেছি,তোকে নেই কিছু প্রয়োজন
তবু ভীষণ অপ্রয়োজনে তোকে খুঁজেছে আমার মন
তুই হয়তো ভালই আছিস আর আমিও মন্দ নেই

অপেক্ষা

রুদ্র এর সাথে মৃণালিনীর সম্পর্ক ৫ বছর হবে।
রুদ্র চাকরি খুঁজছে এই ব্যস্ত শহরে।কিন্তু মনমত একটা চাকরি ও হাতে পাচ্ছেনা।
কি করবে রুদ্র? মৃণালিনী কে ওর বিয়ে করতে হবে যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব। বিয়ের জন্য মৃণালিনীকে চাপ দেয়া হচ্ছে বাসা থেকে।একটা না একটা ব্যবস্থা তো করতেই হবে।না হলে তো মৃণালিনী কে জোর করে বাসা থেকে বিয়ে দিয়ে দেয়া হবে।অবশ্য যেন তেন চাকরি জোগাড় করলে হবেনা।একটা ভাল চাকরি পেতে হবে যে করেই হোক না কেন।না হলে মৃণালিনী এর বাবা মা এর সামনে কি করে মুখ দেখাবে? কি করে বলবে তার বাবাকে
- স্যার আমি মাইনে বিশ হাজার টাকা পাই।আমি মৃণালিনী কে বিয়ে করতে চাই।

শুভলং পাহাড় জয়

....... অনেক জায়গায় তো ঘোরা হল। কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন,টেকনাফ আরও কতো কি!! অনেক ছোট বেলা থেকে দেখে আসছি বাবা খুব ঘুরতে পছন্দ করেন। যখনই সময় পেতেন আমাদের কে নিয়ে বেড়িয়ে পড়তেন। আমরা তখন ছোট ছিলাম তাই পড়াশোনার চাপ ছিল কম।বাবা যেহেতু সরকারী চাকরি করতো তাই সময় পেত খুব কম।খুব অল্প সময় হাতে নিয়ে (যেমন ৩ থেকে ৪ দিন) আমাদের সাথে নিয়ে যেতেন কিন্তু ঐ মাত্র কয়েকটি দিনে আমাদের পুরো জেলা দেখা হয়ে যেত। দেখা যেত প্রত্যেক বছর না কিন্তু ২ অথবা ১ বছর পরপর ই আমাদের ঘোরাফেরা হতো। বছর এর শেষ দিকে এসে আমাদের প্ল্যান করা হতো। কিন্তু আমরা একা যেতাম না বাবার কোন বন্ধু বা বন্ধুর ফ্যামিলি এর সাথে যাওয়া হতো। একা একা গিয়ে কোথাও মজাও নেই।

I Love You দোস্ত

স্বাগতা তোর মনে আছে ঐ দিনের কথা?? আমরা এইচ এসসি পরীক্ষার হলে english 2nd পেপার এক্সাম দিচ্ছিলাম। আমি তখন তোকে পিছনে ঘুরে জিজ্ঞেস করি ---
দোস্ত ৮ এর বি কি হবে???
আগে আমাকে I love You বল, তারপর আন্সার বলব।
স্বাগতা ফাজলামি করিস না । আর ৫ মিনিট বাকি। ঘণ্টা দিয়ে দিবে।বল না!!!
না , আগে আমাকে I Love You বল।
যা বলব না Love You . লাগবে না তোর আন্সার।
কি পাগলামি করতি তুই !!
আমার এখন ও মনে আছে 2010 এ আমি আমার বার্থডে তে শর্মা আর কেক নিয়ে তোর বাসায় চলে যাই । সারাটা দিন তোর সাথে কাটাই । তুই আমাকে গিটারে কেলি ক্লার্কসন এর My life would suck without you গানটা শুনাই ছিলি। সিটি কলেজে আমরা কত মজা করতাম রে!!! নিরা কে তুই বড়লোক বড়লোক বলে চেতাতি !!!

Sorry বন্ধু তোকে বুঝতে পারিনি

মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে।
কি বললে??
যা শুনেছ তাই বলেছি।
কিন্তু কেন??
তা ভাল করে বলতে পারছি না।কিন্তু যা শুনলাম তাতে মনে হল কোন এক ছেলে এর জন্য।ছেলে টি তাকে কষ্ট দিয়েছে তাই মেয়েটি গলায় দড়ি দিয়েছে।

এটা কোন কথা হল!!! একটা সাধারণ বিষয় নিয়ে কষ্ট পেয়ে মেয়ে টা এভাবে নিজেকে শেষ করে দিল!!!

এটা কোন সাধারণ বিষয় না।খুব সিরিয়াস কোন বিষয় বলে মনে হচ্ছে। তা না হলে এভাবে এত বড় একটা কাজ করে ফেলতে পারেনা।
যতটুকু আমি জানি মেয়েটা খুব শক্ত ছিল।সবাই যা বলছে তাতে মনে হচ্ছে ঠিক মনে হচ্ছে না সত্যি টা হল ছেলেটা চিট করেছে। মেয়েটা কে ঘুরিয়েছে। কতটা খারাপ হতে পারে মানুষ।এমনকি মেয়েটা মারা গিয়েছে শুনে ঐ জানোয়ার টা বলেছে
যা হয়েছে ভাল ই হয়েছে। বেঁচে গেলাম আমি।
আসলে এসব জানোয়ারদের জন্য কেন যে মানুষ নিজের জীবন টা কে এতটা এভাবে শেষ করে দেয়!!! আমি বুঝতে পারিনা।