ইউজার লগইন
ব্লগ
মেহেরজান বিষয়ে আবর্জনামার্কা নির্বোধ দেশপ্রেমিকের সকাতর প্রকাশ- ওটাকে নিষিদ্ধ করে দাও
আজকের প্রথম আলো পত্রিকায় "মেহেরজান" চলচিত্র বিষয়ে
রোবায়েত ফেরদৌস, মাহমুদুজ্জামান বাবু কাবেরী গায়েন ও ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর লেখা প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়েছে "মেহেরজান মুক্তিযুদ্ধ ও নারীর প্রতি অবমাননার ছবি" শিরোণামে।
একই সাথে ছাপা হয়েছে 'মেহেরজান' ছবির পরিচালক রুবাইয়াত হোসেন এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া " ‘মেহেরজান’ যা বলতে চেয়েছে"
সম্পর্কের মূল্যহ্রাস
১৯৯০ সালের দিকের একটি ঘটনা। বড় বোন আর তার নতুন বর গেছে ঢাকায়। মধুচন্দ্রিমার মতো কোনো ব্যাপার নয়; উদ্দেশ্য শুধু দুটো দিন নতুন জীবনকে একটু ভিন্নভাবে উদযাপন করা, স্বপ্নের শহর ঢাকাকে দুজন মিলে দেখা। মধুচন্দ্রিমা শব্দটা আমাদের কাছে তখন স্বল্পপরিচিত। নিম্নমধ্যবিত্তের কাছে যা এক বিলাসী স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই ছিল না।
ঢাকায় তারা উঠেছিল বড়লোক মামার বাসায়। দুদিন পর গ্রামে এসে বড় বোনের সে কী কান্নাকাটি- লজ্জা- সংকোচ! এই অতি আপন আত্মীয়টি নতুন এই দম্পতিকে নানাভাবে অমর্যাদা দিয়েছে। মেঝেতে ঘুমাতে দিয়েছে, তাদের নেওয়া মিষ্টি পঁচা বলে উপহাস করেছে। বোনের প্রশ্ন- কেন উনারা আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ করলেন? আমরা তো পর নই। ছোটবেলায় বোনকে কত্তো কোলে নিয়েছে সেই মামাটি। মেলায় নিয়ে গিয়ে চিনিবাতাসা আর ভেঁপু কিনে দিয়েছে! এখন শহরের বাসিন্দা হয়েছে, কিছু টাকাপয়সা হয়েছে, তাই কি এত পরিবর্তন?
আজ ভারতের ৬২তম প্রজাতন্ত্র দিবস (রিপাবলিক ডে) ।
আজ ২৬শে জানুয়ারী সারা ভারতে ৬২তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হচ্ছে। প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাজধানী দিল্লী সহ নানা প্রদেশের কেন্দ্রে নানা রকম জাকঝমক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজ সহ নানা ধরনের সামরিক যন্ত্রপাতি সর্ব সাধারনের জানার জন্য উন্মুক্ত প্রদশিত হয়ে থাকে। আজকাল সারা ভারতে 'হেপী রিপাব্লিক ডে' বলে একজন নাগরিক অন্য নাগরিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকে। বছরের এইদিনে সারা ভারতের সরকারী অফিস আদালত, জেলখানা থেকে এতিমখানা সব জায়গাই একটা খুশির আমেজ দেখা যায়। ব্যক্তি উদ্দোগ্যে ভাল খাবার পরিবেশন করা হয় মহল্লায় মহল্লায়! সারা ভারতে এক অপরিসীম আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
নকশা কাব্যে জীবন তোমার
'।
জীবন হল-ঠাস বুননে, বিনি সুতোর নকশী কাঁথা।
রোজ যে তাতে ফোটাই কত, দুঃখ-সুখের কাব্যগাঁথা।
অপরূপ সে, অনবদ্য। হাজার রকম কারূকাজ
অলখে তার লুকিয়ে থাকে, গভীর গোপন ব্যাথার খাঁজ।
বাহারী জীবন-পুরোটা কেমন; ভাসিয়ে দেই, গভীর জলে-
নাওয়ের মত।
ঢেউয়ের ভাঁজে; আড়াল করি, এক জীবনের সবটা ক্ষত।
বাহারী নাও, যায় ভেসে যায়-সুতোয় তোলা নকশী পার।
কোথাও বাঁধন জমাট ভীষন, বাঁধন কোথাও আলগা তার।
তোমার হাতে সুঁই ও সুতো, সুতোর রং গভীর নীল।
জীবন ভরে- দাঁড়িয়ে দেখি,
তোমার আমার অন্তমিল।
চমকে গিয়ে; থমকে দেখি- কাজ থামিয়ে, গল্প গানে
অলস হাতে বুনছ কেবল, নকশা গুলোর নানান মানে।
তোমার হাতে উছলে পড়া-রঙ্গীন সুতোর উছল পথ,
সে পথ ধরে চলছ বুনে, রঙিন সুতোর ভবিষ্যৎ।
কার লাগিয়া গাথিঁরে মালা...
মাঝে মাঝে না, প্রায়ই এমন হয় সকালে উঠে যে গান শুনলাম সারাদিন মাথায় বাজতে থাকে সেটা। দেখা গেছে অফিসে পিসিতে সারাদিন সেইটাই শুনছি। শুনতে শুনতে যখন এমন হয় যে শুনলেই বিরক্তি আসে তখন বন্ধ হয় শোনা। যেমন গত কয়দিন এক নাগাড়ে শুনছি, আমি তোমার মনের ভিতর..।
মাঝে মাঝে ভাবি গ্রামের অর্ধ শিক্ষিত বাউল শিল্পীদের অপরিশীলিত গলায় না আছে সুর না মনন। ইনফ্যাক্ট গতকালই ভাবছিলাম কোথাও গান শুনে। সেই ধারণা যে কত বড় ভুল সকাল না হতেই টের পেলাম।
অনেক দিন আগে টিভিতে দেখা সাধক কালা শাহর মাজারে তার দৌহিত্রের দোতারা বাজিয়ে গাওয়া গান - নীরিখ বাইন্ধো রে দুই নয়নে, এখনো চোখে ভাসে মনে বাজে। প্রতি বছর কালু শাহর মাজারে ওরসে সারা রাত গান হয়। ভক্তরা সব্জি, ফল নিয়া আসে উপহার হিসাবে। আমি ঠিক করে রেখেছিলাম কালু শাহর ওরসে অবশ্য যাবো, সারা রাত গান শুনব বাউলদের। হায়, আমার অন্য সব ভালো ভালো ইচ্ছার মত এটারও উপায় হয় নাই।
স্বচ্ছ জলের কোলাহল পেরিয়ে পূর্বমুখী যাত্রাপথে
পূর্ব ঘটনা...... এক............দুই...........তিন
চার.
দেরী হয়ে গেছে অনেক। কুঁড়েতে গিয়ে ব্যাগটা নিয়ে আসতে অনেক সময় লেগে গেল। এক মাইল হাঁটতে এক ঘন্টা লাগে এখানে। তাড়াতাড়ি দাঁড় বাইতে শুরু করলো ধনু। বিকেলের হিম শীতল হাওয়া দিতে শুরু করেছে। সূর্যকে পেছনে রেখে নৌকা এগিয়ে চললো সামনে। আমি ছইয়ের নীচে হেলান দিয়ে ফোকর দিয়ে আকাশ দেখছি। আকাশের এই নীলটা শুধু এখানে না, সারা পৃথিবীতেই আছে। কিন্তু শংখ নদী ছাড়া দেশের অন্য কোন নদীতে এই নীলের এতটা স্ফটিকস্বচ্ছ বিচ্ছুরণ দেখিনি। পাহাড় চুড়া থেকে থেকে নদীটা দেখে মনে হয় সবুজ পাহাড়ের মাঝখানে কেউ আঁকাবাঁকা নীল আঁচল বিছিয়ে দিয়েছে।
শূন্য
খুব একা লাগে, শূন্যতায় ভরে যায় পৃথিবী
আমি ছুটে চলি আমার প্রার্থিত গন্তব্য ফেলে
জীবনের রাস্তায় কত গলি পথ, কত বাঁক পেরিয়ে
আমি বুঝতে পারি না কিভাবে বিবর্ণ হয়ে যায় জীবন ।
হয়তোবা প্রতিটি গলি আর বাঁকের বর্ননা করতে পারি,
পারি হৃদয়ে হীম শীতল স্রোতের অনুভূতি নিতে
সংজ্ঞাহীন একটা কিছু বেরিয়ে আসতে চায় ভেতর থেকে,
সামনে উপস্থিত প্রশ্ন বোধক চিহ্নটা সরাতে পারি না,
পরাজিত মানুষের কোন শক্তি থাকে না,
আমি আজ তাই, শূন্যে দাঁড়িয়ে থাকা তথা কথিত কেউ ।
অশ্রুহীন দু চোখে ক্লান্তির আঁধার নেমে আসে
মস্তিষ্কের তপ্ত চিন্তাগুলো বাড়িয়ে চলে শূন্যতা,
হৃদয়ের দু কূল ছাপানো হীম শীতল স্রোতে আমি ভেসে যাই।
আর কোমল কন্ঠের কবিতা শান্তি বিলাতে আসবেনা,
দেখা হবেনা এলোকেশী প্রতিমার মুখোবিম্ব
অর্জিত কোন প্রলম্বিত যন্ত্রনায় ডুবে যাবো আমি,
প্রত্যাবর্তনের পূর্বে বার বার ফিরে দেখার সাধে বিভোর থেকে।
তখন আমার বুকের রক্ত জমে যায়
একটি প্রথম দিন সম্পর্কে যদি কেউ আমাকে বলতে বলে তাহলে আমি তৃষার সঙ্গে প্রথমবার দেখা হওয়ার কথা বলবো। আমি দেখলাম আমার সামনের টেবিলে আগুনের মতো একটা মেয়ে এসে বসেছে। পেছনে বসার কারণে শুধু পিঠ, হাত আর ঘাড় দেখতে পাচ্ছিলাম। অবাক হয়ে খেয়াল করলাম সেগুলোও কথা বলে।
ক্লাস শেষ হওয়ার পর যেটা একটা ইনট্রোডাকটরী ক্লাস ছিলো ফার্স্ট ইয়ারের, আমি ওকে সামনা-সামনি দেখলাম। স্টাক শব্দটার বাংলা বোধহয় তব্দা খাওয়া হবে, পুরোপুরি দুইটা তব্দা খাইলাম। একটা খাইলাম, মনীষা কৈরালার মতো সামনের দুইটা দাত একটার ওপর একটা ওভারল্যাপ করেছে দেখে। হাসলে ঝর ঝর করে মুক্তো পড়ে। আরেকেটা তব্দা খাইলাম মেয়েটা সারাক্ষণ হাসছে, এটা দেখে।
সাধারণ কমলা বনাম কিনু কমলা
পরপর দুইদুই বার ধরা খেয়ে তবে এখন অভিজ্ঞ হয়েছি কিনু (কিংবা কেনু) বিষয়ে। কি লজ্জা! শাশুড়ি দেখেই চিনে ফেললেন। বললেন , মামুন এটাতো কমলা না এটা কেনু?
এখন আমি দেখলেই চিনি। চেনা আসলেই খুব সহজ, কিন্তু জানতে তো হবে। কয়জনা আমরা জানি!
না , কেনু প্রজাতির ফলটি খেতে কোন দোষ নেই। পুষ্টি গুনও কম না। একটু টক টক এই যা। আমার মত যারা টক পছন্দ করেন তাদের কাছে বরং ভালোই লাগবে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে আমাদের চিরপরিচিত কমলার স্বাদ ও গন্ধ কোনটাই কেনুর মধ্যে নেই।
ধরা খাবার পর থেকে ফলের দোকানে গিয়ে যে চকচকে সুন্দর বড় বড় আকারের গোটা গোটা কমলা দৃষ্টি আকর্ষন করে সেটাকে কেনু বলা হয়, এই জ্ঞান আহরণ করায় ফল বিক্রেতাকে বলি , এটাতো কেনু, কত করে?
কোনো ভিনগ্রহ
ছুটছি তো ছুটছি আমি অবিরাম
এ ছোটার নেই কোনো শেষ --
পেছনে ফেলে যাচ্ছি একে একে পথ
বাঁকের পর বাঁক
যেনো ট্রেন থেকে দেখা চলন্ত পরিবেশ;
পেছনে ছুটছে গাছপালা নদী পাখি
হারিয়ে যাচ্ছে দৃশ্যাবলী বাড়িঘর সব
হঠাৎ দেখি উধাও হয়ে যাচ্ছে
আমার চিরচেনা প্রিয় বাংলাদেশ!
একি কোনো নতুন ভূখন্ড আবার
নাকি ভিনগ্রহ অচেনা জগত?
যেদিকে তাকাই ঝাঁকঝাঁক শকুন চিল
ছিঁড়েছূঁড়ে খাচ্ছে সোল্লাসে
ফুলেল শিশুর পেলব শরীর।
কারা যেনো কামড়াচ্ছে জীবন্ত লাশ
তানিয়ার শরীরও খুবলে নিচ্ছে অদ্ভুত জীব!
হায়, এখানে বসন্ত নেই কলগুঞ্জন নেই
বয়ে চলেছে কোথাও কোথাও অশ্রনহর!!
দেখে তাই শিউরে উঠি, দেই পেছনছুট----
ছুটতে ছুটতে কবে পার হলো তিনযুগ
এখন খুঁজেও পাইনা আমার সেই সবুজ বাসর
একি মধ্যযুগ, এরা কি তবে ইয়াজুজ-মাজুজ?
সোহেল ভাই------------
মজনু ভাইয়ের চায়ের দোকানের সামনে অনেক দিন পর আজকে সবাই এসেছে, অবশ্য ফুল হাউস বলা যাবে না ফারুক আর নান্নু এখনও এসে পৌঁছায় নি, তবে সবারই আজকে আসবার কথা। কোনো উপলক্ষ্য নেই কিন্তু অনেক দিনের অদর্শণে সবার ভেতরেই একটা দুরত্ব তৈরি হয়েছে, সেই দুরত্ব ঘোচানোর একটা উপলক্ষ্য সোহেল ভাইয়ের নতুন চাকুরি, সোহেল ভাই অবশেষে বিসিএস পোষ্টিং পেয়েছে, সুদুর মাগুড়ায়, যদিও মাগুড়ায় সোহেল ভাইয়ের কোনো জ্ঞাতিগুষ্ঠি নেই, কিন্তু এবার বিসিএসে কোটায় মাগুড়ার চাকুরির পরিমাণ বেশী ছিলো, সে কারণেই সোহেল ভাই নিজের স্থায়ী ঠিকানা দিয়েছিলেন মাগুড়ার মুন্সী পাড়া। সোহেল ভাইয়ের ভালো পরীক্ষা না কি জেলা কোটায় কোন কারণে এটা সম্ভব হলো বলা কঠিন কিন্তু অবশেষে মাগুড়ায় সোহেল ভাইয়ের পোষ্টির হয়েছে, এসি(ল্যান্ড)। সোহেল ভাই উৎফুল্ল, এত দিনের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। মজনু ভাইও বেশ আনন্দিত, আমাদের সবাইকে অনেক দিন পর একসাথে দেখে।
কারখানা...(পাঁচ)
বারিস্তার কাঁচ ঘেরা লাউঞ্জে বসে সাদ অপেক্ষা করে নিরুপমার জন্য। তখন সন্ধ্যা প্রায় সমাগত। ক্যাফে’তে লোকজনের উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। বাইরে হালকা বৃষ্টি ঝরছে। সাদ কাঁচের দেয়ালে চোখ রেখে জলের গড়িয়ে পড়া দেখে। গ্রাফিতি’র উপর দিয়ে গেলে জলেরা যেনো অন্যরকম মুখোশ পরে। সাদ অপেক্ষা করে। তার পকেটে হোমিওপ্যাথির শিশি বোতলে ১৫০ গ্রাম থ্যালামিয়া লিকুইড। স্বাদ আর গন্ধহীন থ্যালামিয়া মানুষের রক্তের সাথে মিশে যেতে খানিকটা সময় নেয়। তাই সাথে সাথে অচেতন হওয়ার ঝুঁকিটা নেই। ধীরে ধীরে হয়তো শরীর বিবমিষা বোধ করবে, মাথা ঘুরবে, খাবারে অনীহা দেখা দেবে। তারপর সেই একই প্রতিক্রিয়া, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। মৃত্যু ঘটবে হঠাৎ করেই।
আমার প্রথম বই।

গল্প লিখছিলাম মনে মনে। ভাবছিলাম লেখব কি না। মনে মনেই গল্প জমাই না হয়। কিন্তু লেইখা ফেললাম। ব্লগ থাকায় সুবিধা বেশি হল। একই সাথে লেখা আর মতামত জমাইতে থাকলাম। ভাবতে থাকলাম। সমসাময়িক গল্প-উপন্যাস পড়তে থাকলাম। সময়রে বুঝতে থাকলাম। এই করতে করতে আইজ আমার বই প্রকাশের সংবাদ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারতেছি। বইয়ের ফ্ল্যাপ লিখছেন রুবাইয়াৎ আহমেদ।
---
প্রেম সাতবারই এসেছিল জীবনে- ১
রাজ্জাকের জীবনটাকে বর্ণাঢ্য বলাই যায়। এ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ প্রেম হয়েছে ৭টা। অর্ধাঙ্গ, সিকি-অঙ্গ অনেক। সেগুলো গণনার বাইরে। বেঁচে থাকলে ১৪টা পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম হবে আশা করা যায়। রাজ্জাক নিঃসন্দেহে একদিন হোমো এরশাদকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে।
তো আসুন, ৭ পর্বের প্রথম পর্বটা দেখে নিই।
ববিতা রাজ্জাকদের বাড়িতে আসত আত্মীয়তার সূত্রে। রাজের চোখ পড়ল ববির ওপর। যদিও ববি বছর দুয়েকের বড়ই হবে রাজের চেয়ে। তার ওপর মেয়েটা মারাত্মক দেমাগি। রাজ ঘুরঘুর করে। ববি পাত্তা দেয় না। এভাবে প্রতিবারই রাজের বুক খান খান করে দিয়ে ববি চলে যায়। মেওয়া ফলানোর জন্য রাজ সবুর করে। সবুর করে করে ফন্দি আঁটে।
একদিন মেয়েটা চলে যাবার পর রাজ সোজা গিয়ে হাজির হয় মেয়েটার বাড়ি। বাড়িতে শত্রু এলেও ভদ্রতা করা লাগে। ববি তাই রাজকে বসতে বলে। কথা বলতে চায়। কিন্তু আজ ঘটনা উল্টো। রাজ কথা বলে না। ববি অনুরোধ করে- কী হলো বসুন না, কী খবর বলুন?
দূরে কোথাও আছি বসে
কোন একসময় ভাবতাম, কবে বড় হবো?পড়াশোনা করতে হবে না,বাবা-মায়ের কড়া শাসন থাকবে না, ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াবো,প্রজাপতির মতো পাখা মেলে উড়বো।মনের ক্যানভাসে যত রং আছে, সব রং মেখে নিজেকে রাঙাবো।বড় হতে হতে বাবা-মায়ের সেই কড়া শাসন হারাতে গিয়ে টের পেলাম উচ্ছলতার যে পাখাটায় ভর করে উড়তে চাইতাম সেই পাখাটাই আমি হারিয়ে ফেলছি।আমার শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য সব পেছনে পড়ে যাচ্ছে।শৈশবের সময়টা মমতা মাখা, সেই সময়টায় মন ফিরে যায়, মন সিক্ত হয়।কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে আসার দিনগুলিতে যদি ফিরে যাওয়া যেতো! আমার বন্ধুরা, আমার উচ্ছলতা কোন চোরাবালিতে যে দূরে চলে গেলো! আমি দূরে কোথাও বসে হাত বাড়াই, ছুঁতে পারি না। সেই সময়ের সাথে যোজন যোজন দুরত্ব আমার।