ইউজার লগইন

জেবীন'এর ব্লগ

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)

কিছদিন আগে খবর এলো, এবছরের নভেম্বরের পর থেকে এমআরপি (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট) ছাড়া সব ম্যানুয়েল পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাবে। এখন আবার হজ্বের মৌসুম, এর উপর এমআরপি করার তাড়া, স্বভাবতই পাসপোর্ট অফিসে ভিড়ভাট্টা থাকারই কথা। ভেবেছিলাম না জানি কি যন্ত্রনা আর সময় লাগে এমআরপি করতে গিয়ে; কিন্তু কারুর সাহায্য ও পরামর্শ ছাড়া নিজেই আবেদনপত্র জমা দিয়ে মাত্র সাত কার্যদিবস মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পেয়ে গেলাম! হ্যাঁ, এটাই স্বাভাবিক; কিন্তু যত অনিয়ম-অস্বাভাবিক নিয়মতান্ত্রিকতার মাঝে এটুকু স্বাভাবিকত্বে যারপরনাই খুশিই হয়েছি।

"সংবাদ উপস্থাপনা কৌশল"

বর্তমানে 'সংবাদ উপস্থাপনা' বিষয়টির পরিসর বেড়েছে বহুগুনে, সেই সাথে এর আকর্ষনীয়তাও। একসময় বলা হতো, খবর পাঠক তোতাপাখির ন্যায় কেবল সুনির্দিষ্ট স্ক্রিপ্ট পড়ে যান। এখন আর একথা বলার জো নেই। খবর পড়ে যাওয়াতেই সীমাবদ্ধ নেই আজকের সংবাদ পাঠকের দায়িত্ব। খবর তৈরীর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকতে হয় তাদের, যাতে করে স্বতস্ফুর্তভাবে খবরের তাৎক্ষনিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হয়। তাই বর্তমানে কেবল সংবাদ পাঠক নন, তারা একেকজন সংবাদ উপস্থাপক বলা যায়।

হারায়ে খুঁজে ফিরি

ঝমঝম করে বৃষ্টি হচ্ছে এর মাঝে সব ভুলে কাথাঁমুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকার আমেজটা নিতে চাইতাম কত করে। কিন্তু বৃষ্টি আসার লক্ষনেই ছুটে গিয়ে উঠান থেকে কাপড় তোলো, পূব-দক্ষিনের জানালা টেনে দাও, বসার ঘরে কার্পেটটার কোনা বড় করে ভাঁজ করে দেও, ঘরে ঘরে বৃষ্টির পানি পড়া জায়গায় ফলস সিলিং সরিয়ে তার নীচ বরাবর ঘটিবাটি দেও, আল্লাহ আল্লাহ করো পশ্চিমের গাছটার ঝাপটায় যেন কাচঁ না ভেঙ্গে পড়ে প্রায় যেমনটা হয় - এমনি কতো, কতো কি যে ছুটাছুটি লেগে যেত এক বৃষ্টি এলেই!

ছবি চুরির মুল্লুক!

প্রতিটা শিল্পীর অক্লান্ত পরিশ্রম আর মেধার বহিঃপ্রকাশই যেকোন শিল্পকে বিমূর্ত করে তোলে। ফটোগ্রাফিও এমনই এক শিল্প যা ফটোগ্রাফারের ধৈর্য্য, মননশীলতার প্রতিচ্ছবি। যেকোন বিষয়, মূহুর্তকে ছবির মাধ্যমে অতি সহজেই উপস্থাপিত করতে আলোকচিত্র মূখ্য ভূমিকা পালন করে। আর সব শিল্প-সাহিত্যের মতোই প্রতিটি ছবির উপর থাকে আলোচিত্রীর একক সত্ত্বা। সারাবিশ্বেই যেকোন কাজে ব্যবহারকৃত ছবির কৃতজ্ঞতা প্রদানের মাধম্যেই সংশ্লিষ্ট আলোকচিত্রীর স্বীকৃতি দেয়া হয়ে থাকে। একজন আলোকচিত্রী কি পরিমান শ্রম, মেধা, সময়ক্ষেপন করে সাধারন একটি মূহুর্তকে অসাধারন রুপে ফ্রেমবন্দি করে সকলের কাছে আকর্ষনীয় এক ছবি উপস্থাপন করেন, তার ছবি ব্যবহারের সময় সে মানুষটার অনুমতি নেয়া অথবা তার প্রতি সামান্যতম কৃতজ্ঞতা প্রকাশেও অনীহা অনেকেরই। চৌর্য্যবৃত্তি সব শিল্প ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তবে বর্তমানে প্রযুক্তির সহজলভ্যতা যেন চৌর্য্যবৃত্তিকেই এক অনন্য শিল্পে প

১১৩৪ - সংখ্যা নয়, প্রাণ

বাংলাদেশের পোষাক শ্রমিকদের প্রাণ হারানো যেন নিত্যনৈমত্তিক বিষয়, দিনে দিনে বাড়ছে সেই বঞ্চনা নিপীড়নের গল্প। হ্যা, সব কিছু একসময় গল্পই হয়ে যায়! পোষাক কারখানার কষ্টকর জীবনযাপন তো চলছেই দিনমান, তবে পোষাক শ্রমিকদের প্রাণ হরণের যে যজ্ঞ শুরু হয়েছিল ২০১৩ সালের ২৪শে এপ্রিল, সেই অভিষপ্ত রানা প্লাজা'র কথা ভুলতে পারা যায় না। ১১৩৪ এর পরও অগুনিত প্রাণের আত্নাহুতি হয়েছিল মৃত্যুকূপ রানা প্লাজায়। এই ১১৩৪ কেবলি হাতে গোনা সংখ্যা নয়, এই গুনিতব্য সংখ্যার হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর সাথে জড়িয়ে ছিলো আরো হাজারো প্রানের আশা আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন। সেই হাজারো স্বপ্ন কি অবলীলায় চুরমার হয়ে গেল। বছর পেরিয়ে আসছে ভয়াবহ সেই দিন।

সুন্দরবন ভ্রমন ২০১৩ (পর্ব ৫)

সময় সুযোগ পেলে হরহামেশাই কক্সবাজার ঘুরে আসেন প্রায় সকলেই, কিন্তু সেই তুলনায় সুন্দরবন ঘুরতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা খুবই কম। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হলেও, সুন্দরবন বেড়াতে যাওয়ার নানান নিয়মকানুন আর অমূলক ভয়ের কারনেই অনেকের যাওয়া হয়ে ওঠে না । এই ক্ষেত্রে সুন্দরবন যেতে চাইলে ট্যুর কোম্পানী অথবা অভিজ্ঞ কারো সাথে যাওয়াই ভালো। সুন্দরবন ঢোকার ব্যাপারে হরেক রকমের বাধ্যবাধকতা আর নিয়মকানুনের ঝামেলা পোহাতে হবে না যদি কোন ট্যুর কোম্পানী কিবা অভিজ্ঞ কারুর সাথে যান। অনেকেই আবার বাঘের ভয়ে সুন্দরবন যেতে চাননা। কিন্তু বাঘের এই আকালের সময়ে বাঘের দেখা পেয়েছেন এমন কারুর দেখা মেলাই ভার! আর প্রকৃতির কোন কিছুকে বিরক্ত না করলে তাও নিশ্চয়ই বিরূপ হবে না মানুষের প্রতি। বাঘও বিরক্ত করেনা। তাই এইসবের চিন্তায় সুন্দরবনের যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য তা না দেখা থেকে নিজেকে বঞ্চিত করার মানেই হয় না।

সুন্দরবন ভ্রমন ২০১৩ (পর্ব ৪)

সকালের নাস্তা খেয়ে উঠতে না উঠতেই সবাইকে ট্রলারে চাপিয়ে আবারো বেড়িয়ে পড়া হলো কটকা বীচের উদ্দেশ্যে। কাদা, শ্বাসমূল এড়িয়ে চলার জন্যে কাঠের ব্রিজ তৈরী করা, কিছুদূর যেতেই কয়েকটা দেখা মিলে বনবিভাগের তৈরী করা কিছু কটেজ, লাল-শাপলায় পরিপূর্ন পুকুর। কয়েকগ্রুপে ভাগ হয়ে কেউ কটেজের দিকে, কেউ বাঘের আশায়, কেউ বীচের দিকে আগাতে থাকলাম। হাল্কা গাছের সারি পেরিয়ে গেলে গোলপাতা আর আরো নানান গাছেরসারির মাঝে দেখা মেলে সার সার হরিণের দল। চারদিনের ট্যুরে যত হরিণ দেখেছি এখানকার হরিণের পাল দেখতে বেশি আকর্ষনীয় লেগেছে। চঞ্চল নয় অপেক্ষাকৃত শান্ত, ছোটবড় অবাক হয়ে চেয়ে থাকা প্রানীগুলোর সৌন্দর্য্যতা মুগ্ধতা এনে দিবে যে কাউকেই নিঃসন্দেহে।

1_4.jpg

সুন্দরবন ভ্রমন ২০১৩ (পর্ব ৩)

সুন্দরবনে ভ্রমন ঠিক যতটা এডভেঞ্চারের ততটাই প্রশান্তিময়। একদিকে শহরের ধূলায়ভরা, কালো ধোয়াঁতে ভারি বাতাসের মাঝ দিয়ে জীবনের নানান ব্যস্ততায় ছুটাছুটির পরিবর্তে কোলাহল বিহীন পাখির কুজনের মাঝ দিয়ে স্রোতের সাথে কলকলিয়ে চলা, সাথে রয়েছে সম্পূর্ন এক গা ছমছমে বন্য পরিবেশের মাঝে দিয়ে পরিভ্রমন যা কিনা সুবিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও নানান হিংস্র বন্যপ্রানীতে পরিপূর্ন!

সুন্দরবন ভ্রমন ২০১৩ (পর্ব ২)

বাংলাদেশের দক্ষিনপ্রান্ত থেকে ভারত পর্যন্ত চলে যাওয়া বিস্তীর্ন সুন্দরবনের বেশিরভাগই ম্যানগ্রোভ বন দ্বারাই পরিপূর্ন। পঞ্চাশ প্রজাতির ম্যানগ্রোভের মাঝে সাতাশ প্রজাতির দেখা মেলে সুন্দরবনে। জীববৈচিত্রের অপার সম্ভার এই বনকে ইউনেস্কো ১৯৮৭ সালে বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করেছে। অতুলনীয় সৌন্দর্য্যময় ল্যান্ডস্কেপ ছাড়াও এখানে রয়েছে অসংখ্য বন্যপ্রানীর সমাগম। প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটক রয়েল বেঙ্গল টাইগার, নানান প্রজাতির হরিণ, কুমির, বানর, সাপ এবং প্রায় দু’আড়াই’শ প্রজাতির পাখি দেখার আশায় সুন্দরবন ভ্রমনে আসেন।

সুন্দরবন ভ্রমন ২০১৩ (পর্ব ১)

ভোরের আলো না ফোঁটা মেঘবিহীন বৈশিষ্ট্যহীন আকাশ, শীতের আবছা কুয়াশার চাদর কেটে ট্রলার নীলচে-সবুজ পানির উপর দিয়ে ধীরগতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল, দু’ধার জুড়ে গোলপাতাসহ নাম না জানা হরেক গাছের সারি ঘন থেকে আরো ঘন হতে হতেই সামনের দূরে এগিয়ে আসা বাঁকটা যেন হারিয়ে যাওয়া কাউকে যেন তীর খুজেঁ পাবার আশায় উদ্বেল হবার হাতছানি দিয়ে যায়! টলটলে পানি, নির্মল বাতাস, গাছেরসারি, থমকে যাওয়া একঘেয়ে আকাশ, সবকিছুর মাঝ দিয়ে চলছি আমরা সমান তালে সাথে যাচ্ছে কেবল থোক থোক কুয়াশার দল! চারপাশে পাখি ডাকারও শব্দটি নেই, অভিযাত্রীদের কেবল শ্বাসের শব্দে উপস্থিতি জানান দিয়ে যায় সুন্দরবনের এই অপার সৌন্দর্যতার।

অপরুপ এই দৃশ্যটি ছিল, সুন্দরবন ভ্রমনের প্রথম প্রহরের। কোন ছবিতেই এই ভ্রমনে দেখা সৌন্দর্য্য তুলে আনা যাবে না, সে কেবলি উপভোগের একান্ত অনুভূতি।

1_3.jpg

“আমরা বন্ধু আর শখের ফটোগ্রাফী”

আজকে “আমরাবন্ধু”র জন্মদিন।

আমরাবন্ধু - একটা শব্দ, একটা একাত্মতা! যারাই এর সাথে কিবা পাশেই আছেন/থাকেন মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেন এই আত্মীকতা। এর সাথে জড়িয়ে দূরে-কাছে, নিরবে কিবা সরবে থাকা সবাই যে যা তাই আছেন। আদিখ্যেতা, ‘আমি কি হনু রে’ একে অন্যের সাথে দুই’মুখতা, পিঠচাপড়ানো – এইগুলো এখন অব্দি নেই বলেই মানুষগুলোকে জানাচেনার গন্ডিতে নিয়ে আসা যায় সহজেই।

আমরাবন্ধু গ্রুপ হিসেবে আন্তর্জালে অনেক আগে থেকে রইলেও ব্লগের জগতে “আমরাবন্ধু” সেই প্রথমদিককার ব্লগ নয়। কিন্তু এতে জড়িয়ে থাকা মানুষগুলো ব্লগজগতের শুরুর দিকের নিকের আড়ালে রইলেও ‘এবি’তে এসে আর তা থাকেন নি, হয়ে উঠেছেন একে অপরের আদতেই বন্ধু। তাই নির্দ্বিধায় আলাপ-আলোচনা, রাগ-ভরসা করা চলে এই বন্ধুদের ওপরই।

টেলিফোনের আলাপন

- ক্রিং ক্রিং টেলিফোন! হ্যালো হ্যালো হ্যালো!!
- কে তুমি? কাকে চাও বলো বলো বলো?
- আমি ম্যাও, হুলো ক্যাট! ইদুঁর’কে চাই, জরুরী আলাপ আছে, তুমি কে হে ভাই?
- আমিই ইদুঁর, তবে কথা হলো এই, আমি গেছি মার্কেটে, বাড়িতে নেই!!

……

ছোট্টবেলায় শোনা এই ছড়াটা নেহাৎ মিথ্যে নয়, সব রকমের দরকারি যোগাযোগের পাশাপাশি, যুগে যুগে এমনি গা বাচিঁয়ে চলার এক মোক্ষম উপায় হলো টেলিফোন। টেলিফোনের উত্তরোত্তর উন্নয়নের কল্যানের ফল যে মোবাইল ফোন তা তো এহেন ইদুঁর-বেড়াল লুকোচুরিকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে! অফিসের বস, ঘরের বৌ, কিবা এড়িয়ে যেতে চাওয়া বন্ধু – এমনি আরো নানান বেগতিক পরিস্থিতির সবার কাছে থেকে বাচঁতে অবলীলায় এটা ওটা বলে পার পেয়ে যাচ্ছি! আবার করেও চলছি নানান মিথ্যের বেসাতি।

"কালো বরফ" এর মোহাবিষ্টতা

অনেকদিন বাদে হওয়া বৃষ্টির কালে মাটি থেকে ওঠা সেই মাদকতাময় সোঁদাগন্ধ, কিবা না শুকানো মেহেদী লাগানো হাত থেকে আসা সুবাস, কিবা কারুর লম্বা আঙ্গুলের নখ নিয়ে খেলা করার উদ্গ্রবাসনা– ভালো লাগার এই ছোট্ট ছোট্ট বোধগুলো অব্যক্তই রয়ে যায়, হয়তো খুব মনলাগা কারুর সাথেই কেবল এই ছোট্ট ছোট অনুভূতিগুলো ভাগাভাগি করে ফেলি, নয়তো রয়েই যায় মনের গহীনে একদমই না বলা হয়ে। হুড়মুড় করে কতো কি মনে পড়ছে, আরো কত নানান তালগোলের ভাবনায় পড়ে গেছি বইটা পড়তে পড়তে।উপহারে পাওয়া বই, তাতে আবার শুভকামনায় কবিতার লাইন উদ্ধৃত করা –“নদীর মতন ভালোবাসা আছে জানি, তবু কেন ভালোবাসা মরে যায় হেমন্ত,বৈশাখে?”

বেশ আগে পড়েছিলাম,”ভালো বই তাই যা চিন্তার খোরাক জোগায়, পারিপার্শ্বিকতার সাথে নিজের সম্পৃক্ততাকে অনুভব করায়, কেবল পড়ার জন্যেই পড়া নয়,মূহুর্তগুলো ছুয়েঁ রয়ে যায়” – সত্যিকার অর্থে মাহমুদুল হক – এর লেখা ‘কালো বরফ’ তেমনি একটা বই। কালোত্তীর্নই বলতে চাই বইটাকে। নইলে সেই কবে ২১-৩০ আগস্ট, ১৯৭৭ সালে লেখা এই বই কি ভীষন রকমের আধুনিক!

"অগনন কুসুমের দেশে, নীল বা নীলাভ গোলাপের অভাবের মতন তোমার অভাব অনুভব করি!"

ঢাকা শহরে সাধ-সাধ্যের মাঝে শান্তি মতোন বাড়ি খুজেঁ পাওয়াই তো দুষ্কর। দক্ষিনা বারান্দা থাকে তো, রান্নাঘরের জানালা রইবে ঘুপচি মতোন, কিবা কমন স্পেস নয়তো শোবার ঘরের মাঝেই ইয়া চওড়া এক পিলার! তবে সাধ্যের মাঝে এই ছোট্ট ফ্ল্যাটটা বেশ ভালোই বলা চলে, হাওয়া-বাতাস চলাচল করে বেশ। সবচেয়ে ভালো কথা হলো একটা পাশে এখনো দালানকোঠা ওঠেনি তাই পুরোটাই ফাকাঁ বলতে গেলে। ঘরগুছানো রিমি’র পছন্দের কাজগুলোর একটা, কর্তব্যের খাতিরে নয়, ছোট্টবেলা থেকে পুতুলের ঘর-ঘর খেলার মতোই যেন আদর নিয়ে সংসারের খুটিনাটি কাজ করে ফেলে, এই করতে করতে আগামীকালের অফিস-ঘর দুইয়েই কাজের প্ল্যান সাজিয়ে ফেলে মনে মনে, কিবা কল্পনাপ্রবন মন পরতে পরতে করে নেয় স্বপ্নে্র বুনন। রান্নাঘরের গ্রীলের আগল গলে শরীর জুড়ানো বাতাস আসছে, ক্লান্তি দূর করে দেয়ার মতোই। কিন্তু আজকের সারাদিনের ধকলের কারনে কিচ্ছুতেই কিছু হচ্ছে না। ঘরদোর পরিষ্কার করে, কখন রান্নাটা শেষ করে সব গুছিয়ে তুলবে তবেই শান্তি। বুয়া সকালে কুটে বেছে না রেখে গেলে আজ রান্নাও বসাতো না, এখন সপ্তাহের রান্না করে তা ভাগে ভাগে ফ্রিজে তুলে সব গুছিয়ে তুলবে তবেই শান্তি।

পড়ানোর মুড়ি, ছড়ানোর মুড়ি ...

আলোর খেলা, কথার খেলা কোনটাতেই পারঙ্গম না, তাই এই নিয়ে আলোচনাতে মেতে উঠার প্রশ্নই আসে না কারুর সাথে, তায় আবার ইন্টারনেটে আড্ডা অচেনা লোকের সাথে! নির্দিষ্ট গন্ডি ছাড়া অচল আমি’র কাছে তখন আন্তর্জালে বন্ধু পাতানো অচিন্তনীয় বিষয়ই! আর সেই “এ,এস, এল প্লিজ” লেখাটা দেখলেই কথা বলার ইচ্ছে উবে যেত, তাই ঘাপটি মেরেই পড়ে থাকা কখন ভাইবোনরা অনলাইন হবে, তবেই আড্ডা হবে – এর অপেক্ষা করা। না চিনতাম ব্লগ, না আর কিছু।