ইউজার লগইন

রাসেল'এর ব্লগ

সোহেল ভাই------------

মজনু ভাইয়ের চায়ের দোকানের সামনে অনেক দিন পর আজকে সবাই এসেছে, অবশ্য ফুল হাউস বলা যাবে না ফারুক আর নান্নু এখনও এসে পৌঁছায় নি, তবে সবারই আজকে আসবার কথা। কোনো উপলক্ষ্য নেই কিন্তু অনেক দিনের অদর্শণে সবার ভেতরেই একটা দুরত্ব তৈরি হয়েছে, সেই দুরত্ব ঘোচানোর একটা উপলক্ষ্য সোহেল ভাইয়ের নতুন চাকুরি, সোহেল ভাই অবশেষে বিসিএস পোষ্টিং পেয়েছে, সুদুর মাগুড়ায়, যদিও মাগুড়ায় সোহেল ভাইয়ের কোনো জ্ঞাতিগুষ্ঠি নেই, কিন্তু এবার বিসিএসে কোটায় মাগুড়ার চাকুরির পরিমাণ বেশী ছিলো, সে কারণেই সোহেল ভাই নিজের স্থায়ী ঠিকানা দিয়েছিলেন মাগুড়ার মুন্সী পাড়া। সোহেল ভাইয়ের ভালো পরীক্ষা না কি জেলা কোটায় কোন কারণে এটা সম্ভব হলো বলা কঠিন কিন্তু অবশেষে মাগুড়ায় সোহেল ভাইয়ের পোষ্টির হয়েছে, এসি(ল্যান্ড)। সোহেল ভাই উৎফুল্ল, এত দিনের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। মজনু ভাইও বেশ আনন্দিত, আমাদের সবাইকে অনেক দিন পর একসাথে দেখে।

মেহেরজান বিতর্ক

যুদ্ধ যেকোনো অর্থেই অমানবিক, আক্রান্ত মানুষ এবং আগ্রাসী মানুষের ভেতরে আচরণগত পার্থক্য থাকবেই ধরে নিয়েও আগ্রাসী মানুষদের সবাই মানবিকতাবোধ রহিত এক দঙ্গল এমনটা অনুমাণ করে সে অনুমানের ভিত্তিতে জীবনযাপন কষ্টকর। তৃতীয় প্রজন্মে এসে আমাদের বিশ্লেষণাত্মক হয়ে উঠবার মতো পরিপক্কতা অর্জিত হয়েছে এমনটা আশা করা অনুচিত হবে না।

দিনের অভিজ্ঞতা ২

বিকেল ৫টায় আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির আগে এফ আর খান অনুরোধ করে বলেছিলেন "আগামী কাল অবশ্যই সবাই সকাল ৯টার সময় উপস্থিত থাকবেন।" জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সীর সদস্যরা সবাই দুপুরের ভেতরেই ঢাকা ত্যাগ করবেন, সে কারণে আগামী কাল হাতে কলমে শিক্ষার সম্পূর্ণ বিষয়টাই দুপুরের আগে শেষ করে ফেলতে হবে।

গদাইলস্করি চালে বাসা থেকে বের হয়ে হন্তদন্ত হয়ে যখন ছুটছি তখন ঘড়িতে ৯টা ছুঁইছুঁই। পায়ে হেঁটে যতটা দ্রুত যাওয়া সম্ভব, হনহনিয়ে হেঁটে ঠিক ততটুকু দ্রুতই মাঝের পথ অতিক্রম করছি, সেকেন্ডের কাঁটা এগিয়ে যাচ্ছে, ঘড়িতে দেখলাম ৯টা বেজে ৩ মিনিট, গেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে গতকালের পোশাকী পুলিশকে খুঁজি, তিনি আমাকে দেখে মাথা নেড়ে জানালেন আমি চলে যেতে পারি। তারপরও যখন পৌঁছালাম তখন ৯টা ৫।

দিনের অভিজ্ঞতা

সকাল ৮:১৫ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান(প্রাক্তন ভাসানি) নভোথিয়েটারের গেটে দাঁড়িয়ে আছি,
সাড়ে ৮টায় মহাকাশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মহাকাশ শিক্ষার উপযোগিতা নামের একটা সেমিনার শুরু হওয়ার কথা, দুর্ভাগ্য কিংবা সৌভাগ্যক্রমে আমারও সেখানে অংশগ্রহন করবার কথা। গেটের সামনে শীতের রোদ্দুর উপভোগ করছে কয়েকজন পুলিশ এবং কয়েকজন মানুষ, যাদের কাউকে দেখেই মনে হচ্ছে না এরা সেমিনার উপলক্ষে এখানে এসেছেন।
ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছি, উদ্যোক্তা বাংলাদেশ এস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি, উদ্যোক্তাদের কাউকেই দেখছি না, অবশ্য আমি উদ্যোক্তাদের কাউকেই চিনি না। আমার ধারণা ছিলো এরা সবাই বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে উপস্থিত হয় বিশাল কাফেলা নিয়ে।

কত হাজার মরলে পরে মানবে তুমি শেষে?

অদ্ভুতুড়ে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বাংলাদেশে, টিআইবি জরিপে রাষ্ট্রীয় সেবাপ্রদান সংস্থাগুলোর ভেতরে যখন পুলিশ প্রশাসনকে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত অবহিত করা হলো, পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ অস্বীকার করে জরিপে অংশগ্রহনকারীদের তালিকা চেয়ে বসলেন- সরকারের কর্তাব্যক্তিরা তখনও নিজস্ব স্বর্গের অন্ধকারে একটানা মন্ত্র জপছিলেন " দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমশঃ উন্নতি হচ্ছে।"

আবোল তাবোল

আজ থেকে ২৩০ বছর আগে যখন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে আমেরিকা স্বাধীন হলো তখন ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকজন মন্তব্য করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশের কারণেই সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী মানসিকতা জন্ম নিয়েছে, শিক্ষা ব্যবস্থা কিংবা শিক্ষা প্রদানপদ্ধতিকে শাসনতান্ত্রিক ব্যর্থতার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করার সেটাই প্রথম উদাহরণ হয়তো নয় কিন্তু সমসাময়িক সময়েই ইংল্যান্ডে ভারত উপমহাদেশের বাসিন্দাদের শিক্ষিত করে তুলবার রাজনৈতিক চাপ শুরু হলে ভারত উপমহাদেশের শিক্ষা পরিকল্পনা নিয়ে রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের ভেতরে বিতর্ক শুরু হয়েছিলো।

শিক্ষাব্যবস্থার জোয়াল টানছে কারা?

অদ্যাবধি পিতৃত্বের সবচেয়ে বড় চাপটা অনুভব করেছি গত ২ মাস যাবত, ছেলেকে স্কুলে দেওয়ার আগে এতটা চাপ অনুভব করিনি কখনও। ছোটোদের ক্লাসে এত বাহারী ধরণের বিষয়াদি আলোচিত হবে এমনটাও ধারণা করি নি, এবং এই চাপ কিংবা তথাকথিত শিক্ষাপদ্ধতিগত যন্ত্রনা এবং আমার নিজের মুঢ়তা কিংবা অদক্ষতায় আমার ব্যক্তিগত আচরণ ততটা পিতৃসুলভ ছিলো না। আমি গত ২ মাসে বেশ কয়েকবার নিজের ভাবনার নিয়ন্ত্রন হারিয়েছি, ছেলের সাথে বিশ্রী রকমের চিৎকার করেছি, কখনও কঠোর হতে হয়েছে, স্কুলের হোমওয়ার্ক, ক্লাশওয়ার্ক নিয়মিত জমা দেওয়া এবং না দেওয়ার এই ক্রমাগত "টাগ অফ ওয়ার" আমার ভেতরের সবচেয়ে নির্দয় অংশটিকে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। অবশেষে বেশ জঘন্য একটা পরিস্থিতিতে আমি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম "এইসব পদ্ধতিগত যন্ত্রনা" আমি বিন্দুমাত্র আমলে আনবো না, আমি অন্তত শিক্ষা বিষয়ে মাথা ঘামাবো না। হোম ওয়ার্ক, ক্লাশ ওয়ার্ক, স্কুলের গ্রেড কিংবা অন্যসব জটিলতা নিয়

আহা সৈদি বাদশাহর নাতি-

You shall not covet your neighbor’s house; you shall not covet your neighbor’s wife, or male or female slave, or ox, or donkey, or anything that belongs to your neighbor

মুসার ঈশ্বরের শেষ নির্দেশ। বিখ্যাত টেন কমান্ডমেন্টসের শেষ কমান্ডমেন্ট এটা। ভাষ্যটাকে সরল বাংলায় বললে বলা যায়-
হে মানব সম্প্রদায় তোমার পরের সম্পদের দিকে বদ নজর দিবে না, তাদের গৃহ কিংবা স্ত্রী ভোগ করিবে না, প্রতিবেশীর নারী কিংবা পুরুষ দাস ভোগ করিবে না, প্রতিবেশীর গবাদি পশু কিংবা অন্য যেকোনো বস্তু যা তোমার প্রতিবেশীর, সে সম্পদ কামনা করিবে না।

প্রমোদ বালক কি গেলমান??

"(আইন প্রতিমন্ত্রী) বলেছেন, তার কাছে সংবাদ আছে- একাত্তর সালে নারী নির্যাতনে ঘটনার বিষয়ে। এরকম আমার কাছেও তো সংবাদ আছে, কেরানীগঞ্জে তিনি একজন প্রমোদ বালক।" -
সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী

বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের ভেতরে অক্লেশে অশালীন শব্দ উচ্চারণ এবং দৈহিক ভঙ্গিতে সেটাকে আরও বেশী অশালীন করে তুলতে পারেন একমাত্র সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী। এর আগে বিমানবন্দরে শেখ হাসিনা সম্পর্কে তার কুখ্যাত উক্তি স্মরণ করলে বিষয়টা আরো পরিস্কার হতে পারে, কিন্তু আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম সম্পর্কে তার এই উক্তির তেমন জোরালো প্রতিবাদ চোখে পড়লো না।

কঋ দিএ কেনা"

বাংলা বানান শিখবার পর অন্য যেকোনো উৎসাহী বাবার মতো আমিও নিয়মিত সহজ সহজ কিছু প্রচলিত বাংলা শব্দের বানান জিজ্ঞাসা করি ছেলেকে। শব্দ বাছাই করতে গিয়ে যেসব শব্দে যুক্তবর্ণ নেই সেসব শব্দকেই প্রাধান্য দেই বরাবরই। লেখ্য বাংলা ভাষা পৃথিবীর দুরহতম ভাষাগুলোর একটি, এখানে এক রামে রক্ষা নেই দোসর লক্ষণ নয় শুধু সাথে সুগ্রীব, বালী, হনুমাণ, জম্বুবানসহ সকল বানর প্রজাতিই উপস্থিত। অক্ষরগুলো পাশাপাশি সাজালেই হবে না, সে

আমরা পরিত্রান চাই

গতকাল ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছিলো

কোথাও তাল কেটে গেছে

দুঃখ আর হতাশা ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, দীঘদিন তিক্তস্মৃতিচারণে বিষন্নতাই বাড়ে শুধু। আবার হাসছি, আড্ডা দিচ্ছি রোজকার মতো, সব ভুলে দিব্যি মেতে উঠেছি খুনসুটিতে, জীবন থেমে থাকে না, বিভিন্ন রকম অর্থনৈতিক ঝক্কি নিয়েই জীবনযাপন, পেটের দায়ে সদ্যোজাত সন্তান ফেলে মা দুয়ারে হানা দিলে বুঝি কংক্রীটের শহরটা নির্মম, এখানে ফিরে তাকাবার অবসর নেই।

পুরোনো স্কুল

পুরোনো স্কুলে গেলেই পুরোনো রকম বিহ্বলতা ভর করে, সেই পুরোনো স্যারের সামনে কাঁচুমাচু দাঁড়িয়ে থাকা, স্যারের চেনা ধমক, সেই পুরোনো শ্রদ্ধা আর ভীতি- নিজেকে পুনরায় স্কুল-পালানো একজন মনে হয়। এখন যারা স্কুলের মাঠার চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের কেউই আমি স্কুল ছাড়বার সময়ও জন্ম হয় নি। আমাদের স্কুলত্যাগের বয়েস এতটাই বেড়েছে, মাঝে একটা প্রজন্মের ব্যবধান। স্কুলের সামনের মাঠ বদলে গিয়েছে, আমরা যে মাঠে ফুটবল খেলতাম সে

হাসপাতালে

আমরা জাতিগত ভাবেই নোংরা এটা বুঝা যায় সরকারী হাসপাতালগুলোতে গেলে,আমাদের সৈন্দর্য্যসচেতনতা, বিবেচনা ও পরিচ্ছন্নতা বোধের পরিমাণ শূণ্যের চেয়ে নীচে। সরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান হয়তো অন্যান্য সস্তা প্রাইভেট ক্লিনিকের তুলনায় ভালো, সেরা সেরা ডাক্তারেরা সেখানে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন তবে যদি রোগী এবং তাদের স্বজনদের ভেতরে পরিচ্ছন্নতাবোধটুকু না থাকে তাহলে সেখানে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখা কঠিন।

বাঙ্গালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দর্শণ

গতকাল বিকেল থেকে একটা চিন্তাই মাথায় ঘুরছিলো কিভাবে আবেদনটুকু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেওয়া যায়। বাংলাদেশের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঠিকানা জানে পোষ্ট অফিসের কর্মচারীগণ। প্রধানমন্ত্রী বরাবর যেকোনো চিঠিই তারা পৌঁছে দিবে পুরানা এয়ারপোর্টের পাশে তার কার্যালয়ে তবে শুধু আবেদনপত্র পৌঁছে দিলেই কাজ হয়ে যাবে এমনটা আশা করা অনুচিত, প্রেক্ষাপট এমনই যে সেটা স্বহস্তে জমা দিয়ে রেফারেন্স নাম্বার আর এক্সে