ইউজার লগইন

সাহাদাত উদরাজী'এর ব্লগ

এমন যদি হত

- সারাদিন আজ কি করলে?
; এই তো, ঘুম থেকে উঠে চা বানিয়ে বিস্কুট দিয়ে খেলাম। তার পর একটা রেসিপি লিখার চেষ্টা করলাম, জানো আজ গল্প ও রান্না’য় তেইশ লক্ষ হিট হয়ে গেল!
- আমরা বাসায় নেই এখন তো তোমাকে লেখায় আর কেহ বাধা দিচ্ছে না!
; না, এখন তোমরা না থাকলেও আর লিখতে পারি না, না লিখতে লিখতে অভ্যাস হয়ে গেছে, তার পর ফেসবুকে এতটা অসক্ত হয়ে পড়ছি যে, লেখার চেয়ে ফেসবুকে থাকতেই আনন্দ পাই। অন্যের লেখা পড়ি আর লাইক কমেন্ট করি! ওহ, আর ফেসবুকের ওয়ালে শুধু সেলফি দেখি!
- আজ নামাজ পড়োনি?
; হ্যাঁ, পড়েছি, সেই পুরানো সপ্তাহের মতই। বাসার কাছে মসজিদ, এই ঢাকা শহরে।
- দুপুরে খাবার খাও নাই?

কালিদাস পণ্ডিতের ধাঁধাঁ - ২

কবি কালিদাস তথা কালিদাস পণ্ডিত নিয়ে আমি গত কিছুদিন নেটে অনেক তথ্য উত্তাপ পড়েছি। কবি কালিদাস প্রসঙ্গে জানা সহজ নয়। ধারনা করা হয় কবি কালিদাসের জন্ম অনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ২য় শতকে। এত আগের নানা তথ্য এখন আর সঠিক ভাবে পাওয়া সম্ভব নয়। কম্পিউটারের কল্যানে এখন যে সব তথ্য সংরক্ষন হয়ে যাচ্ছে তা হয়ত আগামী প্রজন্মের কাজে লাগবে। কবি কালিদাস আমলে কম্পিউটার তথা নেট থাকলে ভাল হত (!)। কবি কালিদাস নেটে নিজ হাতে আত্বজীবনী লিখে গেলে আমাদের আর সত্যমিথ্যা নিয়ে ভাবতে হত না।

kalidas4.jpg
(কালিদাস পন্ডিতের হাতে আঁকা আরো কয়েকটা ছবি দেখলাম, কোনটায় গোঁফ আছে, কোনটায় গোঁফ নেই। তবে বাবড়ী চুলের বাহার সব কটায় দেখা যায়)

কালিদাস পণ্ডিতের ধাঁধাঁ - ১

কবি কালিদাস আমাদের কাছে 'কালিদাস পণ্ডিত' নামে বেশী পরিচিত। ‘কালিদাস পণ্ডিত’ কে আপনারা সবাই জানেন। কালিদাস পণ্ডিতকে নূতন করে পরিচয় করে দিয়ে আমি নিজে 'পন্ডিত' সাজতে চাই না। নেট তথা গুগুল টাইপ প্রোগ্রামগুলোই এখন বিরাট বিরাট পন্ডিত! কিছু জানতে হলে লিখে সার্চ করলেই হল। ‘কালিদাস পণ্ডিত’ লিখে সার্চ করে কালিদাস পন্ডিত প্রসঙ্গে জানুন। কালিদাস ছিলেন ধ্রুপদি সংস্কৃত ভাষার এক বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার। কালিদাস প্রাচীন যুগের ভারতীয় কবি। তিনি সংস্কৃত ভাষার শ্রেষ্ঠ কবিরূপে পরিচিত। যদিও তাঁর জীবনকাহিনী সম্পর্কে বিশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না।

kalidas.jpg
(কালিদাস পন্ডিতের আনুমানিক ছবি, হাতে আঁকা)

টাইগার প্রতিদিন শিকার করে না!

আজকাল আর মন ভাল রাখতে পারছি না। নানা কারনে নানা সমস্যায় জীবনটা অনেকটা তেজপাতার মত হয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে একটা অর্থিক সমস্যায় পড়ব বুঝা যাচ্ছে! আয় ব্যয়ের হিসাব মিলছে না মোটেই! কি করব বুঝতে পারছি না। কোন পথে গেলে ‘গুরুধন’ পাব বুঝতে পারছি না। চারপাশের অনেকের অবস্থা দেখে আরো ভয়ে পড়ছি দিনকে দিন! কেমন যেন একটা অদৃশ্য গ্যাড়াকলে পড়ে যাচ্ছে আমাদের সামাজিক অবস্থা। রাষ্ট্রের পরিচালন পদ্বতির উপর আমাদের সাধারন মানুষের কোন হাত না থাকলেও সাধারন মানুষ যাদের পরিচালক হিসাবে নিযুক্ত করে, তাদের আচরন ও কর্ম পদ্বতি সঠিক না হলে সাধারন মানুষকেই তার ভার বহন করতে হয়! আমার মনে হয় আমরা সেই রকম একটা অবস্থার মধ্যে আছি এইসময়ে। যাক যা হবার তা তো হবেই! আমার মত আদার ব্যাপারী জাহাজের খবর নিয়ে কি লাভ! কিন্তু সব আদার ব্যাপারী এক হয়ে গেলে জাহাজ ব্যাপারী যাবে কই! কত কত জাহাজ ব্যাপারী এই দুনিয়ায় আসলো আর গেল! কত আদমের এই দুনিয়া!

বাপ ছেলের বই মেলা ভ্রমন।

মাস ব্যাপী কার্নিভাল পড়ে পড়ে প্রায় একটা সিদান্ত নিয়েই ফেলেছিলাম, এবার বইমেলায় যাব না! মোটামুটি চোখের সামনে রাসেল ভাই একটা ছবি তুলেই দিচ্ছেন। রেডিওতে নাটক শুনার মত অবস্থা! তারোপরি টাকা পয়সার একটা চরম টানাটানিতে আছি। শেয়ার মার্কেটে টাকা হারানো সহ নানা অর্থ কষ্টে আছি। (দ্রব্য মুল্যের লাগাম না ধরলে আমার মত লোক ঢাকা থাকতে পারবে কিনা সন্দেহ! করল্লার কেজি ১০০ টাকা।) আজকাল ভাবছি নূতন কোন শহরে চলে যাব! বিদেশ নয়, দেশেই অন্য কোন বিভাগীয় শহরে! যেখানে কেহ আমাকে চিনবে না! আর কয়েক মাস দেখি। (ওয়াইফকে রাজী করাতে হবে!)

জিল ও ক্যালির পরিবারিক গল্প।

জিল ও ক্যালির পরিচয় ১৯৮৬ সালে আমেরিকার সাউথ ক্যারেলিনায়। দুজনেই তখন কলেজের ছাত্র ছাত্রী। জিলের মনে কি ছিল তা না জানা গেলেও তখন ক্যালি একজন চাকুরীজিবি হয়ে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপনে বিভোর ছিলেন। এক বছর পর ১৯৮৭ সালে তারা বিয়েটা সেরে নেন। বিবাহের পরপরি ক্যালি গর্ভবতী হয়ে পড়েন। তার পরের বছর গুলো ও সময় একটা বিরাট ইতিহাস।

১৯৮৭ থেকে ২০১১ সাল, ২৪ বছর। একে একে ক্যালি এখন ১৮ সন্তানের গর্বিত মাতা! বিবাহের প্রথম ১৫ বছরের প্রতি বছরই মা হয়েছেন। ১৬তম সন্তান এলি দুনিয়াতে আসার পর আরো দুটো সন্তান মিস্কারেজ হয়, যাদের ক্যালি দুনিয়ার মুখ দেখাতে পারেন নাই। সে সময়টা ছিল জিলের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়। দুটি সন্তান মিস ক্যারেজ হওয়ার ব্যাপারে ম্যাটারনিটি ডাক্তারগন বলেন, মিস ক্যারেজ হয়েছিল লো প্রোগ্রেসিভ এর কারনে হরমোনের পরিবর্তন সাধন হয়ে যাওয়াতে। পরবর্তীতে ক্যালি এ সমস্যা উতরে উঠেন এবং আবার সন্তানের মা হতে থাকেন।

ছবি প্রদশর্নীঃ উৎসর্গ - হাসান রায়হান ভাই।

আমরা বন্ধু'তে আমাদের হাসান রায়হান ভাইকে নূতন করে পরিচয় করিয়ে দেবার দরকার নেই। স্পষ্টভাষী হিসাবে তিনি ইতিমধ্যে প্রচুর নাম কামিয়ে নিয়েছেন। তার পোষ্ট এবং কমেন্টে একটা চরম রসবোধ কাজ করে। অনেক সময় সত্য প্রকাশে অসুবিধা থাকলেও তিনি যেভাবে এগিয়ে আসেন তা রীতিমত দেখার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় এবং তার এই ভুমিকার কারনে অনেকে পাটাপুতার পিসাপিসি থেকে বেঁচে যান! আমি তার কমেন্ট পড়ে পড়ে বিরাট ভক্ত বনে গেছি!

আপনারা হয়ত ইতিমধ্যে লক্ষ করেছেন যে, আমি তাকে ‘গুরু’ বলে ডাকি। আপনি যদি কাউকে গুরু ডাকেন, তা হলে লক্ষ করবেন যে বেশীর ভাগ মানবসন্তানই তা সহ্য করতে পারছেন না। আসল গুরুরাই ‘গুরু’ ডাক সহ্য করতে পারেন! লালন সাঁই এই জগতের গুরুদের গুরু! এটাও মানুষের একটা বিরাট গুন।

আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন?

আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন। আজ শুক্রবার। সাধারনত আমাদের সবারই সাপ্তাহিক ছুটির দিন। আর ছুটির দিনে আমাদের মোটামুটি সবার ঘরেই ভাল রান্না হয়। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্দ্ব, খ্রীষ্টান সবার ঘরেই। বিশেষ করে এইদিনে দুপুরের খাবারটা আমাদের দেশে বেশ জেরেসোরে হয় - স্বামী স্ত্রী, ছেলে মেয়ে, ভাই বোন, মা বাবা সবাইকে নিয়ে দুপুরে খেতে বসার মজাই আলাদা, এই আনন্দ বলে শেষ করার মত নয়।

আমার এমনি একটা পুরানো ইচ্ছা যদি এমন একদিনে আমরা বন্ধু'র সবাইকে নিয়ে এক দুপুরে খেতে বসতে পারতাম! চলুন, আপনাদের জন্য আমার আইটেম গুলো কি কি হতে পারে দেখে আসি।
1.JPG
আইটেম ১; দুই ধরনের ভর্তা। টমেটো পুড়িয়ে শুকনা মরিচের ভর্তা। সাথে টাকি মাছের ভর্তাও থাকবে।

2.JPG

অনেকদিন পর মগবাজার ওভারব্রীজ দেখা।

আজ হরতাল। হরতালে কার কি ক্ষতি হয় আমার জানা নাই। তবে আমার ক্ষতি মানসিক ও আর্থিক। হরতাল হলে আমার রিক্সায় অফিসে আসতে হয়। অফিস থেকে ফিরার পথে হেঁটে যাবার কথা চিন্তা করলেও অফিসে আসার সময় তা চিন্তা করতে পারি না। কারন সময় মত অফিসে হাজির হতে হবে। অফিস ছুটির পর রাতে রিক্সায় উঠা কিংবা হেঁটে যাওয়াতে আমার আর্থিক ক্ষতির সাথে মানসিক সমস্যা হয়, কখন ঠ্যক খেলাম, কখন মামুরা এসে বলবে - চিল্যাবি না, কি কি আছে দিয়ে দে! ঘড়ি দে, মোবাইল দে, মানিব্যাগ দে! লুকাইয়া কই টাকা রাখছস, দিয়া দে! নাইলে ভুঁড়ি নামাইয়া দিমু। বাংলামটর থেকে মগবাজার হয়ে মৌছাক - মোটামুটি হাইজ্যাকারদের স্বর্গক্ষেত্র বলা চলে! আজকাল নাকি প্রাইভেট কারে হ্যাইজাক ভাইরা এসে রিক্সার সামনে দাঁড়ায়! গতকাল এমনই কথা শুনলাম, কিছুদিন আগে নাইট ডিউটি করে সকালে বাসায় যেতে এমন একটা ঘটনা দেখেছিলাম সাইন্সল্যাবের মোড়ে।

জীবিকা অথবা জীবন- ৯ (জুলিয়ান সিদ্দিকী)

সকালে হাটতে বের হয়েছেন রহমান সাহেব। আজকাল দুবেলা করে হাটেন, এতে যদি কিছু দিন বেশী বাচা যায় মন্দ কি! দুনিয়া থেকে চলে গেলে তো সব শেষ। তার চেয়ে কিছু দিন বেশী বাচার চেষ্টা করা সবার উচিত। এই পৃথিবীর রঙ্গশালায় যত দিন অভিনয় করে মজা পাওয়া যায় ততই লাভ!

পথিমধ্য বাল্যবন্ধু ডাক্তার শৈলেশ বর্মনকে পেয়ে গেলেন। কি রে কেমন আছিস? আজকাল তো আর দেখা পাচ্ছি না। সে কবে স্যালাইন দিয়ে ঘুমপাড়িয়ে রেখে এসেছিস আর তো এলি না। তোরা ডাক্তারাও পারিস বটে! দিনে এত রোগী দেখিস কেন। যত গুলো রোগী দেখিস তাদের বর্তমান কি হালচাল, কে আছে, কে দুনিয়া থেকে বিদায় হয়েছে তা জানতে ইচ্ছা হয় না।

ডাক্তার শৈলেশ বাবু রহমান সাহেবের কথা শুনছিলেন। আসলে বলার কি আছে? রহমানের কথা তো সত্যি। দিনে যদি একজন ডাক্তার পাঞ্চাশ/ষাট জন রোগী দেখে তবে ডাক্তার মশাই কাকে কাকে মনে রাখবে। আজ দিনে তার দেখা কেন রোগী মারা গেছে তা জানবে কি করে।

আজ ভারতের ৬২তম প্রজাতন্ত্র দিবস (রিপাবলিক ডে) ।

আজ ২৬শে জানুয়ারী সারা ভারতে ৬২তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হচ্ছে। প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাজধানী দিল্লী সহ নানা প্রদেশের কেন্দ্রে নানা রকম জাকঝমক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজ সহ নানা ধরনের সামরিক যন্ত্রপাতি সর্ব সাধারনের জানার জন্য উন্মুক্ত প্রদশিত হয়ে থাকে। আজকাল সারা ভারতে 'হেপী রিপাব্লিক ডে' বলে একজন নাগরিক অন্য নাগরিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকে। বছরের এইদিনে সারা ভারতের সরকারী অফিস আদালত, জেলখানা থেকে এতিমখানা সব জায়গাই একটা খুশির আমেজ দেখা যায়। ব্যক্তি উদ্দোগ্যে ভাল খাবার পরিবেশন করা হয় মহল্লায় মহল্লায়! সারা ভারতে এক অপরিসীম আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।

আমার প্রিয় বন্ধুরা।

জীবন চলার পথে অনেক বন্ধুর সাথে পরিচয় হয়। কেহ থাকে কেহ হারিয়ে যায়। জীবন যেখানে যেমন। জীবন শুধু জানে সামনে এগিয়ে যেতে। শেষ কি হয় কে জানে! আজ আমি আমার তেমন ছয় বন্ধুর কথা শুনাবো। এদের কথা আমি ভুলি কি করে।

এ কঃ
Mizan.jpg
(ছবি তোলার কথা বলা হয় নাই, কিছুদিন আগে একশীতের সকালে এভাবে ফিরছিলাম)

ছবি প্রদশর্নীঃ উৎসর্গ - বকলম ভাই।

আমাদের বন্ধু বকলম ভাইয়ের ছবি গুলো আমি দেখি আর ভাবি, কি করে এত সুন্দর ছবি তোলা যায়। অনেকদিন ধরে ভাবছি, বকলম ভাইয়ের ছবি গুলো দিয়ে একটা পোষ্ট দিব, বকলম ভাইয়ের পাশাপাশি নিজেও কিছু নাম কামাব! পারমিশন কি করে পাওয়া যায় তা নিয়েও ভাবছিলাম। আজ মনে হচ্ছে পারমিশনের কি দরকার! ফাঁসি দিলে আমাদের বকলম ভাই দেবেন, দেক। বকলম ভাই দাম্মাম, আল-খোবার এলাকায় থাকেন, যেখানে আমিও অনেক বছর ছিলাম!

বকলম ভাই, আরব দেশের ছবি তুলছেন এখন! অথচ আমি যখন ছিলাম তখন রাস্তায় ক্যামেরা হাতে ছবি তুলতে দেখলে আরব মুতাওয়া মেরে তক্তা বানিয়ে দিত। দুনিয়া পাল্টে যাচ্ছে! আসুন প্যাচাল না পেড়ে ছবি দেখি।

রাংটিয়া, সমতল ও পাহাড়ীয়া এলাকা।

বাংলাদেশের শেরপুর দিয়ে ভারত বর্ডারে কাছাকাছি একটি জায়গার নাম রাংটিয়া। সমতল ও পাহাড়ীয়া এলাকা। পাহাড় ভাগাভাগিতে আমরা অনেক কম জায়গা পেয়েছি। পাহাড়ীয়া এলাকার বেশীর ভাগ এলাকাই ভারতের! পাহাড়ের গাছপালা ও পরিবেশ দেখতে চাইলে আপনি রাংটিয়ায় গিয়ে গজনীতে যেতে পারেন। ঢাকা থেকে খুব ভাল রাস্তা। ময়মনসিংহ, শম্ভুগঞ্জ হয়ে আপনি সরাসরি রাংটিয়া চলে যেতে পারেন। দিনে যেয়ে দিনে ফিরে আসা সম্বব, তা না হলে নালিতাবাড়িতে এক রাত কাটিয়ে পরদিন মধুটিলা ইকোপার্ক দেখে ফিরতে পারেন। টাওয়ারের উপর উঠে বিশুদ্ব হাওয়া খেতে খেতে মনটা এমনিতে চাঙ্গা হয়ে যাবে।

বন্ধুদের নিয়ে বের হয়ে যান।

ব্রেকিং - আমরা বন্ধু পিকনিক চলছে।

আমরা বন্ধু'র পিকনিক। গাজীপুর চোরাস্তা পেরিয়ে আমরা বন্ধু'র গাড়ী পিকনিক স্পটের কাছাকাছি এগিয়ে চলছে। সকাল ৭;৩০ ল্যাবএইড, ৮;৩০ শাহবাগ মোড় এবং ৯;০০ টায় রাজধানী স্কুলের সামনে থেকে পিকনিকের গাড়ী বন্ধুদের নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এখানে আপনাদের একটু বলে রাখা ভাল, বাংগালী স্বভাবমত নিধারিত লিফটিং স্পটে হাল্কা একটু দেরী হয়েছে মাত্র। সর্বশেষ খবর পাওয়া থেকে জানা যায়, রাস্তায় অনেক জ্যাম থাকে কারনে নিধারিত সময়ে গাড়ী পিকনিক স্পটে পোছাতে পারবে না। বিশেষ করে হযরত শাজালাল এয়ারপোর্ট চক্কর পার হয়ে টংগী ব্রিজ থেকেই ভয়াবহ জ্যাম দেখা পাওয়া যায়।