হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা
কালহ্যা রাইত থাইক্যাই আমার একটাই চিন্তা মাতাডার মইধ্যে ঘুরাঘুরি করতাছে, আমরার হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা অইয়া গেছুন অহন আমগোর কি অইব। মাইনে আমাগোর সংসদের কিতা অইব। আমারে মিঠামাইনের মাইনষে পাইলে এমন পিডান ডাই না পিডাইব আড্ডি গোড্ডি খুইজ্যা পাওন মুশকিল অইব। এই ব্যডা তর বাড়ি অইছে গ্যা দিনাজপুর আর তুই বেডা এমন কইরা কইলি মনে অয় হের বাড়ি তোর দেশে। আর হারা দেশের পাবলিকে তো পাইলে হাটের মাইরের মতন আন্ধা গোন্ধা মাইর লাগাইব আর কঈব যে, অত গুলা মাইনষের রক্ত আর কত মা বইনের ইজ্জতের দাম দ্যায়া যে সংসদ আমরা আনছি হেইডারে লইয়া তুমি মশকরা কর। কি অইব মানে?
আমি তো রাজনীতি করি না আর এর জন্য যে মেধার দরকার তাও আমার নাই। তবু সময় পেলেই মাঝে মাঝে সংসদ অধিবেশনের চলতি বিবরণী দেখতাম। ঊনার মত মানুষের গুনের বিষয়ে একটি বর্ণ লেখা বা ঊচ্চারন করা আমার পক্ষে শুধু অসম্ভবেই না রিতিমত অন্যায়। শুধু বলব সংসদ অধিবেশন দেখেই ঊনার প্রতি আমার আশক্তি বা দুর্বলতা বলেন এমন পর্যায়ে পৌছে গিয়েছে যে বিরুধী দলের কেঊ যখন ঊনাকে বাজে কথা বলত তখন অন্তরে খুব ব্যথা পেতাম।
কিন্তু আমি ব্যথা পেলেও ঊনি কিছু হয়নি বা ঊনার গায়ে রাগ বলে কোন কিছু আছে আমার মনে হতো না। তা না হলে কেঊ যখন ঊনার গায়ের চামড়া গন্ডারের চামড়ার সাথে তুলনা করত ঊনি হাস্যরসে উত্তর দিতেন, আমার চামড়া গণ্ডারের চামড়া না হলে তো এখানে ( স্পিকারের আসনে) বসে থাকতে পারতাম না।
কেঊ যখন অতি নিম্ন পর্যায়ের ভাষা ব্যবহার করে বলে “মাইক দে” যদিও তার পক্ষে অন্যজন মাফ চেয়েছিলেন তখন আমার নিজেকেই আমি নিজে প্রশ্ন করতাম কতটুকু শালীনতা হীন হলে একজন শিক্ষিত মানুষ এমন একজন স্পিকারকে এ হেন ভাষায় আক্রমণ করতে পারে।
এ সব আক্রমণ প্রতি আক্রমণ সামাল দিয়ে সংসদের সকল কার্যবিবরনী যথাযথ পালন পূর্বক মাঝে মাঝ হাস্যরসের মাধ্যমে যে প্রনবন্ত সংসদ উপহার দিতেন সেটা পাওয়ার জন্য হয়ত আমাদের কতকাল অপেক্ষা করতে হবে তা শুধু ভবিতব্যই জানেন। আর সে জন্যই বলেছি যে আমাদের সংসদের কি হবে। তাই কাল রাতে ভাবছিলাম যদি দু জন আব্দুল হামিদ হতো।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি, আমাদের দেশটা আজ চরম সময় পার করছে। আমরা নিজেরা যেন নিজেদেরকে ল্যাংড়া করে ফেলছি। এ ল্যাংড়া দেশটাকে আপনি সুস্থ করে তুলুন। আপনি হাওড় অঞ্চলের মানুষ ঝড় বৃষ্টি, বন্যা আপনার এলাকার নিত্য নৈমিত্তিক বিষয়। আপনারা তা সহজেই সামাল দিতে পারেন। অথৈ সমুদ্রে ভাসমান কেঊ যখন একটা খড় কুঠাকে আঁকড়ে ধরে হলেও বাঁচতে চায়। আমরাও তেমনি বাঁচতে চাই। আপনার জীবনের চড়াই উৎরাই ও সংগ্রাম আপনাকে অন্ধকারে পথ চলতে শিক্ষিয়েছে।
আপনার সেই অন্ধকারে পথ চলতে শিখার আলোয় আমাদের এ অন্ধকার দূর করুণ। সাড়া দেশের লোক উপরে আল্লাহ আর আপনার দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা যে আমাদের দেশটাকে ভালবাসি, অনেক ভালবাসি, জীবনের চেয়েও ভালবাসি। আমাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও করে যেতে চাই বাস যোগ্য আমাদের ঊত্তসুরীদের জন্য।
০৪/২৩/২০১৩ইং





দেখা যাক কতদুর কি হয়
রাত যত গভীর বা অন্ধকার হউক না কে। ভোরের আলো তো ফুটবেই। শুধু একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।
বানান অনেক ভুল
ধন্যবাদ।
ভাল লিখেছেন। বানানের ব্যাপারে আর একটু সচেতনতা দরকার। লিখতে থাকুন, শুভকামনা।
ধন্যবাদ।
মন্তব্য করুন