ইউজার লগইন

আহসান হাবীব'এর ব্লগ

আজ জোনায়েদের জন্মদিন

ফজরের আজান হয়ে গেল
মুসুল্লিগন মসজিদে যাচ্ছেন
দিন শুরুর প্রথম নামাজ
আদায় করতে।
সাত বছরের মেয়ে মৌ
জড়িয়ে ধরে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে।
কাজের বুয়া ও কয়েকজন আত্নীয়
অপারেশন থিয়েটারের সামনে ।
আমার প্রিয়তমা স্ত্রীকে নিয়ে গেছে
ওটিতে।
এটা তার দ্বিতীয় সিজারিয়ান।
বগুড়ার মৌ ক্লিনিকের ডাঃ গোলশান আরা
আমার স্ত্রীর শিক্ষক, সব ডাক্তার বিশেষ
পরিচিত ও যত্নবান।
তবু কিছু মুহুর্তে মানুষের মনটা
হয়ে যায় অতি দুর্বল।
আমারও তাই, দোয়া ইউনুস থেকে
যত দোয়া জানি, পড়ে যাচ্ছি।
মিনিট ৪০-৪৫ পর নার্স এসে
তোয়ালে জড়িয়ে আমার কোলে দিল,
পৃথিবীর সকল সুখ,সকল সম্পদসম
আমার ছেলে
জোনায়েদ মাসুদ হোসাইন(শিফাত)কে।
অবশ্য এটা আমার দ্বিতীয় পাওয়া
আমার মেয়ে একি ক্লিনিকে
একই সময়ে আমার কোলে এসেছিল
সাতটি বছর আগে।
একই বা তারচেয়েও বেশী অনুভূতিতে।
ঠিকমত পরিষ্কার হয়নি, রক্ত ও শ্লেষা
লেগে আছে ওর গায়ে,
তাতে কি চুমুর পর চুমু খয়ে যাচ্ছি।
ওর নানি বলল, পাগল হয়ে গেলে নাকি।
আজান দাও,
আমি লজ্জা পেলেও
আল্লাহু আকবার, আলাহু আকবার
আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান
ধ্বনিতে মৌ ক্লিনিকের চারদিকের

বুয়েটের বাপ(পর্ব-৪)

চিফ ইঞ্জিনিয়ারগন কাজে যোগদানের নোটিশ পাবার পার চিফ ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্যাটাস কয়েকদিনের মাঝেই তিরোহিত হতে লাগল। আমাদের ক্যাডেট কলেজ বা ইংরেজী মাধ্যমে পড়ুয়া বন্ধুরা তেমন সমস্যায় না পড়লেও আমরা যারা বাংলা মাধ্যমে পড়াশুনা করেছি, তাদের কাছে সব কিছু যেন এভারেষ্টে আরোহণের চেয়েও কঠিন হয়ে দেখা দিল। কার কাছে জানি শুনেছিলাম মরাকে আরও মার, আমাদের মান্যবর স্যারেরা যেন তারই প্রতিযোগিতায় নামলেন। এস, এস,সি ও এইচ এস সি তে যে সব বিষয় গুলো বাংলায় পানির মত সহজ ও অত্যন্ত মজা করে পড়েছি, স্যারদের ইংরেজীর কচকচানিতে তাই যেন ইস্পাত কঠিন দৃঢ় হয়ে সামনে উপস্থিত হলো যা আমাদের/আমার খুপড়িতে ঢুকছিল না। ইংরেজী জানার যে দৌড় ছিল তাতে এক লাইন পড়তে কতবার ডিকশনারি খুলতে হতো হিসেবে নেই। আমার বন্ধুরা সবাই এমন ছিলে তা কিন্তু বলছি না।

সজল খালেদের মৃতু ও বন্ধু শুভ কিবরিয়ার ফেবু স্ট্যাটাস

আজ তার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে চমকে গেলাম। আহারে কি সুন্দর একটা মানুষ! ওর এমন অকাল মৃত্যু হবে কেন?
( মাফ করো বন্ধু, তোমাকে জ্ঞান দেবার জন্য নয়, আমরা যে তাঁর কাছে কত অসহায় সেটাই শুধু শেয়ার করছি)
বন্ধু তুমি বা আমি কেউ কি জানি কখন আমদের মৃত্যু হবে। জানিনা, পৃথিবীর কেঊ জানে না কখন তার মৃত্যু হবে। এমন কি নবীরাসুলগনও জানতেন না তাদের মৃত্যু কখন হবে। কারন
নাহনু কাদ্দারনা বাইনাকুমুল মাওতা ওয়ামা নাহনু বিমাছবুকিন (সুরা ওয়াক্কিয়া,আয়াত-৬০)
অর্থঃআমি তোমাদের মৃত্যুকাল স্থির করেছি এবং আমি অক্ষম নই।
(৩১৫৯)সহীহ বোখারী শরীফ

ছোট চাচা (শেষ পর্ব) তবু নামটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।

স্বপ্নটা ভেংগে গেল

(জোনায়েদ মাসুদ হোসাইন)
বিঃ দ্রঃ (কবিতাটা আমার নয়। আমার ৭ম শ্রেনী পড়ুয়া ছেলে জোনায়েদের লেখা)

বিকালে খেলা শেষে
বাসায় ফেরার সময়
গ্রামীন ফোন বলল, চল বহুদূর।
বহুদূর গিয়ে দেখলাম
অন্ধকার হয়ে এসেছে
তারপর পাশ থেকে “রবি” বলল
জ্বলে উঠুন আপন শক্তিতে।
আমি ভাবলাম, এটি আবার কোন দেশে এলাম
“বাংলালিংক” বলল
এটি হচ্ছে বাংলালিংক দেশ।
আমি পিছন ফিরে বাসায় যেতে লাগলাম,
তখন টেলিটক বলল,
এমন কচ্ছপ গতির ইন্টারনেটের মত হাঁটলে
চলবে না।
আমি দৌড়াতে লাগলাম
ফেরার পথে সামনে
একটি বাধ পড়ল,
পাশ থেকে টেলিটক বলল
বাঁধ ভেংগে দাও।
আমি বাঁধ পেরিয়ে ভয়ে
দৌড়াতে লাগলাম,
বাসায় পৌছলে বাবা বলল
এটি কোন সময় হল বাসায় ফেরার
সময় কি বাংলালিংক দামে বিক্রি হচ্ছে।
হঠাৎ একটি জোড়ালো আওয়াজে
আমার স্বপ্নটা ভেংগে গেল।
১৮/০৫/২০১৩ ইং

বুয়েটের বাপ(পর্ব-৩)

আমরা যখন রুয়েটে ভর্তি হই তখন ছেলেদের জন্য ১নং (শহীদ শহিদুল ইসলাম) হল, ২নং (শহীদ আব্দুল হামিদ) হল, মেইন হোস্টেল( শহীদ লেঃ সেলিম) নামে তিনটি হল ছিল। মেয়েদের জন্য তখন কোন আলাদা হল ছিল না। মেয়েরা একটি শিক্ষক কোয়ার্টারে থাকত। আমরা যখন রুয়েটে ৮৫ সিরিজে ভর্তি হই তখন এটা ছিল রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ১৯৮৬ সালে তা বি, আই, টি, রাজশাহী ( বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি, রাজশাহী) এবং ২০০৩ সালে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বা রুয়েট নামে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়।

ছোট চাচা (পর্ব-২য়) নামটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।

আব্বার ঘুম ভেংগেছে কিছুক্ষন আগে। চাচার চিৎকার শুনে হুড়মুড়িয়ে উঠে দরজা খুলে গেঁটের মুখে চাচাকে অজ্ঞান পড়ে থাকতে দেখে আব্বাও তত জোরে ভাইয়াকে ডাক দিলেন। এক চিৎকারে বাড়ির সকলে জেগে উঠলেন। চাচাকে ধরাধরি করে উঠানের চৌকিতে শুইয়ে চোখ মুখে পানির ঝাপ্টা দিতে লাগলেন। ইতিমধ্যে পাশের বাড়ীর সবাই এসে উপস্থিত হলেন। বড় চাচাও এসে হাজির হলেন। উনিও আলেম মানুষ। ছোট চাচার সাড়া শরীর কাঁদা পানিতে মাখামাখি, তাতে বড় চাচার মনে কেমন জানি সন্দেহ হল। বড় চাচা ছোট চাচার কানের কাছে মুখ নিয়ে আস্তে করে ডাকলেন শামছুল উঠ কি হয়েছে তোর। আর মা, বড় আপা দাদি বিরামহীন মাথায় পানি ঢেলে যেতে লাগলেন। এটাই যেন গ্রামাঞ্চলের চিকিৎসা। জর, হউক বা কেউ অজ্ঞান হউক মাথায় আচ্ছা করে পানি ঢাল নয়তো স্যালাইন দাও। যাক চাচার জ্ঞান ফিরতে তেমন সময় লাগলো না। বড় চাচা ও বাড়ীর সবার বার বার জেড়ার মুখেও ছোট চাচা একটি কথা বললেন না। বড় চাচা কিছু দোয়া দুরুদ পড়ে একটি তাবিজ গলায় পড়িয়ে দিয়ে উনাকে গোসল করানোর জন্য বড় ভাইয়াকে হুকুম দিয়ে নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলেন।

বুয়েটের বাপ(পর্ব-২)

বুয়েটের বাপের কাহানি বলার আগে চল দেখি আমাদের ফ্যামিলি গেট টুগেদারের কি হল। এক এক করে চঞ্চল, প্রিন্স, জহির, লেবু, মিজান (ঠাকুর মিজান), জামিল, আফজল মামু বউ বাচ্চাসহ আগে যারা ছিলাম তাদের সাথে এসে হাজির হল। আমার বাচ্চাদের পরদিন পরীক্ষা থাকায় মেরিট ব্যাচেলর হিসেবে উপস্থিত হলাম। না হয়ে উপায় ছিল না, কারন আমি যে হোষ্টের খাতায় নাম লিখিয়েছি। তবে এমন হতভাগা আমি শুধু একা না, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টর ইকবাল ও মুহিত কাকুর ভাতিজা শুভ কিবরিয়াও আমার মত একাকি এসে আমার মনবল বাড়িয়ে দিলেন। মাস্টর ইকবাল আমাকে সুযোগ পেলেই বাঁশ দিতে ছাড়েন না, তারপরও কেন জানি ও না আসলে আমার কাছে যে কোন গেট টুগেদার পানসে পানসে লাগে।

বুয়েটের বাপ

ফিরে এসো

সে ঢেউয়ের মত ভেসে গেছে
চাঁদের আলোর দেশে গেছে।

কবি গুরু তুমি কাকে
কি উদ্দেশ্যে লিখেছিলে জানিনে,
কিন্তু তুমিও যে ভেসে গেলে
চাঁদের আলোর দেশে গেলে
আর যে ফিরে এলে না।

আমি আমার অস্তিত্ব
আমার অনুভুতি
আমার কল্পনা
আমার সঙ্গীত
আমার নৃত্য
আমার উপন্যাস
আমার চিত্রাঙ্কন
আমার সকল শিক্ষা
আমার সকল দর্শন
নিয়ে তোমাকে খোঁজে ফিরি।
কোথা পাব তোমায়
শুধু বাতাসে
প্রতিধবনি শুনি
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি
কিন্তু কোথায় তুমি!
তাই
ফেরিওয়ালার মত,
এ গ্রাম থেকে ও গ্রাম।
খুজে ফিরি,

যখনি নিজের দিকে তাকাই
কত নিঃস্ব
নিজের বলে কিছু নেই
সবই মেকি
সবই তোমার ।
খাটাশ মার্কা গলায়
“দিবস ও রজনী আমি যেন কার
আশায় আশায় থাকি।“
প্রেয়সীর মন ভুলাতে
এ গানটি যখন গাই
খাটাশ কন্ঠের কর্কশ স্বরটিই
নাকি তার কাছে অমৃত সম লেগেছিল
তাকে আপন করে পেয়েছিলুম
তাই,
তুমিই বল
কবি
তুমি ছাড়া কি আমার চলে
আমাদের চলে
চলে না
তাই তুমি আস
যেই বাতাসে চলে গিয়েছেল
সেই বাতাসেই ফিরে আস।
যেই চাঁদের আলোর
দেশে গিয়েছিলে
সেই চাদের আলোয় ভেলায় ভেসে
ফিরে এসো।।।

Safety First

My friend latiful Kabir

Safety first,
Be aware about safety
May you will not get the 2nd change in life.
Wear hard hat
Wear safety shoes
Wear sun glass
Wear boiler suite.
Use GFCI.
Use hand gloves
Use warning tape before excavation start.
Use mask.
Keep first Aids kit
Trained engineers and foreman as a first Aid Trainer.
Also trained to use fire extinguisher.

This is the common things to use and keep in construction site and same time has to keep the safety sign in every recommended and required place. Because language may not be understood the worker but sign must understand. May be you were pointed regarding this thing in my profile.

ছোট চাচা (প্রথম পর্ব) নামটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।

ছোট চাচা (প্রথম পর্ব) নামটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।
আমার ছোট চাচা অত্যন্ত পরহেজগার মানুষ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, কোরান পড়া ,তাহাজ্জুতের নামাজ পড়া সহ যত রকমের ইবাদত করার সবই করেন। দিন বা রাতে কখন ঊনি নিদ্রা যেতেন তা শুধু তিনি ও আল্লাহ তায়লাই জানতেন। এগার কি বার বছর বয়সেই উনি পবিত্র কোরানে হাফেজ হলে একটি বিখ্যাত মাদ্রাসায় হাদিস বিশারত হবার জন্য দাদাজান ভৃর্তি করে দেন। ছোট চাচা দেখতে অত্যন্ত সুন্দর ও মেধাবী ছিল তাতে কোন সন্দেহ নেই। অল্প বয়সেই উনি একজন পরহেজগার মানূষ হিসেবে অত্র এলাকায় বেশ সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

কোরআন পোড়ানো

লাও আনযালনা হাযাল কোরআনা আলা জাবালিল লারাইতাহু খাশি’আম মুতাছাদ্দি আম মিন খাশইয়াতিল্লাহ, ওয়া তিলাকাল আমছালু নাদ্রিবুহা লিন্নাসি লা, আল্লাহুম ইয়াতাফাক্কারুন। (সুরা হাশর ,আয়াত-২১)
অর্থঃ আমি যদি এ কোরআন কে পাহাড়ের উপর নাজিল করতাম তবে নিশ্চয়ই তুমি দেখতে তা নত হয়ে আল্লাহর ভয়ে বিদীর্ণ হয়ে গিয়েছে। আমি এ সমস্ত দৃষ্টান্ত মানুষের জন্য উপস্থাপন করছি যেন তারা চিন্তা করে।
বন্ধুগন, গতকাল বায়তুল মোকাররমে যে ভাবে কোরআন পোরানো হল, এ আয়াতটি পড়ার পর অন্তরাত্মা কি ভয়ে কেঁপে উঠবে না।
আমরা কি পাহাড়ের চেয়েও শক্ত ও নিস্প্রান হয়ে গেছি। আজ আমরা নিজেদের কোথায় নিয়ে গেছি। একটু ভাবুন।
এ আয়াতে আল্লাহ আমাদের ভাবতেই বলেছেন।
আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়াত দান করুণ।
আমিন।
৬/০৫/২০১৩

চিন্তক

বিষাদে ভরে গেল মন
কেন বন্ধু ছেড়ে যাবে বন্ধুকে
তাও সুর্য যখন মধ্য গগনে।
এখনও যে অর্ধ দিবস গত হতে বাকি।
তবে কি লেবু চিপা হয়েছে বেশি
রাজনীতি আমার তোমার কারও
নয় পেশা তবু এরই তরে
ক্ষুদ্র, নয়তো বিনে শ্বার্থে
কুকুর সম মুগুর,
পাই উপহার।
জানিনা যে দিয়েছে সে কতটুকু জিতলও
আর যে খেয়েছে সে কতটুকু হারলো।
সব ---কি আর সব মুগুর
সইতে পারে।
তাই বিনে বাক্যে প্রস্থানই শ্রেয়।
প্রস্থানেই কি পাবে শান্তি
বন্ধু
যে শান্তি তুমি চাও।
দেশ মাতার কাছে চাও না,
চাইতে হবে না আর কিছু
কিন্তু পারবে কি তবু সইতে
চিল শকুনের থাবা
যখন ঊড়বে দেশ মাতার বুকে।
এক্ষনে
কে হবে মেম্বার
কে বা গ্রাম সরকার
আমরা কি তার খবর লইতাম
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম।
আব্দুল করিমের গানটি খুব মনে পড়ছে।
তোমার অন্তরের খবর যে কিছুটা
আঁচ করতে পেরেছি।
দেশ, দেশ মাতা ও তার সন্তানরা
তোমার কাছে কত প্রিয়
তা যে আমি যে জেনেছি।
তাই তো বিস্বাদে ভরে গেছে মন।
০৩/০৫/২০১৩ইং

বিষন্ন বাঊন্ডুলে,

এ ধরার বুকে
কেঊ নয়
শুধু লাকি বা আনলাকি
দুঃখ যদি না থাকত
সুখ কি হত এত মধুময়
সুখ দুঃখ সবই যে আপেক্ষিক
সবই যে সময়ের সাথে সম্পর্কিত।

তুমি কি দেখনি
সাভারের ধ্বংস স্তূপ হতে উদ্ধার পাওয়া
সেই তরণটির ঊল্লাস
যেন সে বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডার
বা তার চেয়েও বেশি কিছু
তার ঊল্লাসে ঊল্লসিত সাড়া জাতি
সাড়া পৃথিবী।
পরের দৃশ্যে সাহিনা
চাইনা তার পুনারাভিত্তি।

পকেটে লক্ষ টাকা সম দিনার
কোম্পানির দেয়া দামি গাড়ি
সাই সাই ঘুড়ে বেড়াই দল বেঁধে
কত দামি হোটেল,খাই,মজা করি।

একা হলেই চেপে ধরে নষ্টালজিয়া
সন্তানের কচি মুখ
প্রেয়সীর আদর, সুখ
ক্ষনিকে ক্ষত বিক্ষত হৃদয়
যেন ভিখিরি সম।
ছুটির দিনে পড়ন্ত বিকেলে
সমুদ্র তীরবর্তী অত্যাধুনিক পার্ক
একাকী বিষন্ন বাঊন্ডূলের
মত কত ঘুরে বেড়িয়েছি
আর সান বাঁধানো সমুদ্রতীরে বসে
পলকহীন দৃষ্টিতে,
তাকিয়েছে দৃষ্টির বাইরে।
আমার দৃষ্টি আমার কাছেই
ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে এসেছে ফিরে।
কপর্দক হীন হয়ে।।
আমি যখন কপর্দহীন
তখন নিভৃত স্বপ্নচারী।

যখন আমি বৃত্তশালী
দামী বাড়ি দামী গাড়ি,
প্রভাবশালী অনেকে বলে
তখন আমি ,
বিষণ্ণ বাঊন্ডুলে।