ইউজার লগইন
ব্লগ
There is a river called Main
The place is almost empty. Only one table with a few sitting. We have sat down on the round table in the middle of the restaurant. There is a certain calmness here today, as I sat down with a glass of beer in front of Maria. She works for the public service and part time at this restaurant. She goes in and out of different places and sometimes randomly says, “Hello!”.
গল্প: তুমি আমার কাছে তুমি যা বলবা তাই (পর্ব-৬)
টাঙুয়ার হাওড় ভ্রমণ শেষে সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকা ফেরার সন্ধ্যায় ছিল সুজনের ছেলে জাইমের জন্মদিনের পার্টি। রাত ১১টা পর্যন্ত এন্তার খাওয়া-দাওয়া আর আড্ডাবাজি হয়েছিল সেদিন। তারপর রাত ১২ টার বাসে করে আমরা রওনা দিই ঢাকার উদ্দেশ্যে।
সেই বাসটার মৌলভীবাজার আর হবিগঞ্জ হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপর দিয়ে ঢাকায় আসার কথা ছিল। পথে হবিগঞ্জে আধাঘন্টা খাওয়া-দাওয়ার জন্য থামা হয়। আগের রাতে ভরপেট খানাপিনার পরও সুজন আইসক্রীম বক্স ভরে কেক আর মিষ্টি দিয়ে দিয়েছিল। তাই দিয়ে রাতে দুজনের বেশ হয়ে গিয়েছিল আমাদের। ব্রেকের সময় হোটেলে ঢুকে তাই শুধু ফ্রেশ হয়েই বের হয়ে আসি দুজন। মুক্ত বাতাসে দাঁড়িয়ে একটা ধুম্রশলাকায় অগ্নিসংযোগ করি আমি। মিসিসিপি তাই দেখে কপট রাগ করে। সারাদিন কেন এত সিগারেট খাই জানতে চেয়ে অভিযোগের দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে। সে সময় তার চোখে একরাশ মায়া ছাড়া আর কিছু দেখি না আমি।
গল্প: তুমি আমার কাছে তুমি যা বলবা তাই (পর্ব-৫)
সেবার বেশিদিন দেশে থাকার সুযোগ ছিল না। প্রায় বিনা নোটিশেই গিয়েছিলাম দুই সপ্তাহের চিকন একটা ছুটি নিয়ে। সেই দুই সপ্তাহের প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করেছি তাড়িয়ে তাড়িয়ে। মিসিসিপি জানতো আমি জল আর পর্বত সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি, পূর্ণিমার রাতে কাকচক্ষু দীঘির জলে পা ডুবিয়ে বসে থেকে হালকা কোন সুর আর সঙ্গীর কথার মূচ্ছর্নায় হারিয়ে যেতে পছন্দ করি।
আমরা দু'জন দু'জনের সবরকম পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে জানতাম। এমনকি এটাও জানতাম, কার কখন কোন কাজটা কিভাবে করতে ভাল লাগে। কেন যে একজন মানুষকে এতটা বেশি জেনে ফেলেছিলাম, তা বলতে পারি না। দু'জনেরই এর পেছনে নির্জলা ভাললাগা কাজ করেছিল; সেটাই হয়তো একমাত্র কারণ। মুঠো মুঠো কথা তাই শেয়ার করেছিলাম আমরা। জেনে গিয়েছিলাম অনেক কিছুই একে অপরের সম্পর্কে।
গল্প: তুমি আমার কাছে তুমি যা বলবা তাই (পর্ব- ৪)
নামটা জেনেই বিদ্যুৎ চমকের মতো সব কথা মনে পড়ে গিয়েছিল আমার। তারপর কথা হয়েছিল ওর সঙ্গে টানা চারটি ঘন্টা। তবে তাতে আমাদের কারোই একদম কোন ভ্রুক্ষেপ ছিল না, জানেন? অথচ প্রায় আজীবনই মানুষের সঙ্গে মেশার ব্যাপারে খুঁতখুঁতে আমি। কাউকে একটু ভাল লাগলে প্রথমে দুইটা মাস অপেক্ষা করি- পছন্দটা কতোটা গভীর সেটা বোঝার জন্য। তারপর তার সঙ্গে টুকটাক আলাপ শুরু করি। সেই আমি-ই কিনা প্রথমদিনই নিজের সব গার্ড নামিয়ে রেখে, সরল-সহজ, বোকা আর আত্মপ্রেমী চরিত্রটা খোলাখুলি দেখতে দিয়েছিলাম মিসিসিপিকে। অনুধাবন করতে দিয়েছিলাম আমার চিন্তাধারা। সে-ও আমাকে ঠিক একইভাবে বরণ করে নিয়েছিল তার মানসপটে। তাই কয়েক মাসেই একে অপরের খুব প্রানের মানুষ হয়ে উঠেছিলাম আমরা।
গল্প: তুমি আমার কাছে তুমি যা বলবা তাই (পর্ব- ৩)
কলেজ ছেড়ে চলে আসতে অবশ্য আমার খুব একটা খারাপ লাগছিল না। শুধু মিসিসিপির সঙ্গে কোনো কলেজের এক ক্লাসে বসে আর সময় কাটানো হবে না কিংবা একই ক্যান্টিনে সিঙ্গারা, চা-সমুচা'র অর্ডার দেয়া হবে না, অথবা কলেজের বাস স্ট্যান্ড থেকে ক্লাসরুমের ছোট্ট যে পথটুকু, সে পথে হয়তো এরপর থেকে ওকে বুঝতে না দিয়ে ওর কাছাকাছি হেঁটে যাওয়ার অভিনয়টুকু অন্য কেউ করবে- আমি না; এমন কিছু ছোট-খাটো খারাপ লাগা ছাড়া বেশি কিছু মনেও হচ্ছিল না। তবে কলেজের ক্লাসে যে আমরা ছেলে আর মেয়ে একসাথে বসতাম- এমন না। কিংবা ক্যান্টিনেও কখনো আমরা একই টেবিলে বসি নি। আসলে দূরেই ছিল মেয়েটি। দূরেই রয়ে গেল আজীবন।
গল্প: তুমি আমার কাছে তুমি যা বলবা তাই (পর্ব-২)
মিসিসিপি নামটা শুনে এক লহমায় অনেক কথা মনে পড়ে গেল। কিশোর বেলায় একটি বিশেষ-বাহিনী পরিচালিত কলেজে এক বছর পড়েছিলাম। সেই কলেজের নিয়ম-নীতির বাড়াবাড়ির সঙ্গে তাল মিলাতে পারি নি বলে, পরে আমায় অন্যত্র ভর্তি হতে হয়। তবে যে এক বছর ওখানে ছিলাম, সেখানেই দেখা হয়েছিল মিসিসিপির সাথে।
গল্প: তুমি আমার কাছে তুমি যা বলবা তাই (পর্ব- ১)
মনে আছে, প্রথমবার যখন মেয়েটি আমার সাথে যোগাযোগ করে, তখন আমি পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছিলাম। যোগাযোগ করে মানে মেসেজ দেয় আরকি। মেসেজের শব্দে ঘুম ভেঙ্গেছিল এমন না। এমনিতেই ভেঙ্গে গিয়েছিল আর ওই সময়েই মেসেজটা এসেছিল।
ঘুম ভাঙ্গা চোখ মেলে বাইরের দিকে তাকিয়ে আমি একটা জোড়া শালিক দেখতে পেয়েছিলাম। ঠিক শালিক নয়, ওদের মতোই দেখতে একটা ভিনদেশি পাখি। খানিকটা বড়। কখনও এরা মুখ দিয়ে কোন শব্দ করে তা শুনি নি। কিংবা করলেও কেবল এক ধরনের চিড়িৎ চিড়িৎ আওয়াজ শুধু। সঙ্গীকে কোন কোডেড মেসেজ পাঠায় মনে হয়। এমনভাবে যাতে অন্য কেউ বুঝতে না পারে।
তোমার চোখ
তোমার চোখের ঘোলা মনিটায়
ডুব দিয়ে এক বালক সাঁতরায়।
ওকে ডেকে আমার
কান মলে দিতে ইচ্ছে করে।
অমন করে কি কারো চোখেতে ডুবতে আছে?
সর্বনাশা কালবোশেখী- এক পলকে গঙ্গা থেকে
সাগর মাঝে ভাসিয়ে নিলে?
হায়রে বালক, জানিস নি কি কখনো আগে
বালিকাচোখে কালবোশেখী-
হাসতে হাসতে নামতে পারে।
তোমার চোখের ঘোলা মনিটায়
এমন কত গল্প জমে,
চোখ ঝাপটে গল্পগুলো
মুছতে হয় কষ্ট করে।
তোমার চোখের ঘোলা মনিটা
অনেক দূরে অনেক দূরে।
---
বিশ্ববিদ্যালয়ে একদিন
তাপিত হৃদয়/ যেখানে শীতল হয়/ সেখানে বস্তু রবে জেনো নিশ্চয়...
বাম হাতের মধ্যমা আর অনামিকায় ধরা লাল বেনসনটায় সুখ টান দিতে দিতে নান্নু পাগলা যখন হেঁড়ে গলায় গানটা গেয়ে সামনে দিয়ে হেঁটে পার হচ্ছিল, তখন রাত প্রায় ১২টা। শাহবাগের সেই রমরমা অবস্থা এখন আর নেই। মেট্টোরেলের লাইন বসার আগে জায়গাটা পুরোপুরি অন্য একরকমের ছিল! কোটি মানুষের শহরের এক বিরাট ব্যস্ত মোড়, তারপরও ওইখানটায় গিয়েই সকলের গতিটা যেন একটু স্তিমিত হয়ে পড়তো! নিন্দুকেরা মোড়ের যানজটকে মুখ্য দায়ে অভিযুক্ত করতে পারেন কিন্তু আমি বলি ওটিই সেই এক্স-ফ্যাক্টর! যার টানে শাহবাগ হচ্ছে শাহবাগ, আর গুলবাগ হচ্ছে গুলবাগ।
নষ্ট ভালোবাসা
নষ্ট ভালবাসা
এ কি বাস্তবতা
নাকি
দুঃস্বপ্নের পাশাখেলা।
কতদিন তোমাকে দেখি না
কতদিন দেখতে পাব না
জানিনা।
আজ ভিন্ন ছাদের নিচে তুমি
পেতেছ তোমার কল্পিত স্বপ্নের
বাস্তব চাদর,
আমিও তথৈবচ।
এমনটি কি হবার কথা ছিল।
মনে পড়ে
সেদিন গুলোর কথা।
অশোক পাপড়ি ভেবে ,
তব
লিপিষ্টক বিহীন রক্তাব অধরের
সুগন্ধে।
ভ্রমরকে হার মানিয়ে তোমাকে
নিষ্পেষণ করার কথা।
ফুলের গন্ধের বিলীনতা
বা সৌন্দর্যের সমাপ্তি
আমি দেখেছি
কিন্তু তোমার ভেজা ঠোটের
রূপ রস গন্ধের কমতি
কি যে বলব,
বেড়েছে বই
কল্পনাতেও ফুরোয় নি।
তাই তো আমার পাগলামো বল
বা তোমার রগে রগে
মম বিচরণের স্মৃতিকাতরতা বল
আজও বেড়েছে বই
কমেনি,
কখনো বাইসাইকেল,
কখনো মটর সাইকেল,
কখনও মার্সিডিসের গতিতে
আবার কখনও হাওয়াই জাহাজ
বা কখনও মহাশুন্য যানের গতিকেও
হাড় মানিয়ে
পাহাড়, নদী, জল
এমনকি কত শত
শিরোনামহীন
শিরোনামহীন (প্রথম পর্ব)
২২/০৭/২০২৩
ক'দিন থেকেই আমার একটা পাহাড় কিনার সাধ,
কিন্তু পাহাড় কে বিক্রি করে কোথায় পাওয়া যায় কিছুই জানা নাই।
পাহাড় কেমন হয়, পাহাড়ের গুনাগুন কি, কোনটা ভালো মানের, কোানটা খারাপ মানের,তার কিছুই জানা নাই।
তবু আমার পাহাড় কেনার সাধ হলো।
আমি আকাশ, বাতাস, নদী সাগর অনেককেই জিজ্ঞেস করলাম, কেউ কিছুই বলতে পারলো না।
পাহাড় কেনার সাধ আমার কখনো পূর্ণ হবে না এই ভেবে,
পাহাড় কেনার ভাবনা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম।
RTR তুর্কি টেলিভিশনে আর্তুগুল সিরিজ দেখছিলাম উর্দু ডাবিং এ।
বাংলা ডাবিং ও আছে কিন্তু ভিডিও ততো ভালো মানের ও ভিজিবল না,তাই উর্দুতেই দেখছিলাম।
হঠাৎ অনুভূত হলো বাতাস বার বার কানের কাছে এসে বাড়ি খাচ্ছে, বুঝলাম কিছু একটা বলবে।
আমার নির্লিপ্ততা দেখে, এবার বেশ জোরে শনশন শব্দে বাড়ি মেরে কানের কাছ দিয়ে বেরিয়ে গেল।
সিরিয়াল দেখা পাওস করে, মনোযোগ দিলাম বাতাসের কথায়।
কোন আকাশে বাস
গীতিকবিতাঃ কোন আকাশে বাস
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবুল হোসেন
৮/৭/২০২৩
তুমি কোন আকাশে থাক দয়াল
কোন আকাশে বাস
সেকি সপ্ত আকাশ
সেকি সপ্ত আকাশ।
সেটা কতদুর সেটা কতদুর
জানতে অনেক ইচ্ছা
জানার মনে বড়ই আ--শ।।
কোন আকাশে থাক দয়াল
কোন আকাশে বাস
আমি যখন ডাকি তোমায়
শুনিতে কি পাও?
সেকি তুমি শুনিতে কি পাও??
তব তরে কাঁদি যখন
দেখিতে কি পাও?
তুমি দেখিতে কি পাও??
জানার অনেক ইচ্ছা
জানার মনে বড়ই আ--শ।।
কোন আকাশে থাক দয়াল
কোন আকাশে বাস।।
অত্যাচারীর অত্যাচার
তুমি দেখিতে কি পাও?
সেকি দেখিতে কি পাও??
মজলুমের কান্না তুমি
শুনিতে কি পাও?
সেকি শুনিতে কি পাও??
জানার অনেক ইচ্ছা
জানার মনে বড়ই আ--শ।।
কোন আকাশে থাক দয়াল
কোন আকাশে বাস
গল্প: কষ্টের রেলগাড়ি
অনেক দিন চিকন চালের ভাত আর মুরগির মাংসের পাতলা ঝোল দিয়ে রাতে খাওয়া হয় না। ভাবতে ভাবতে যেই না মুরগির তাকের দিকে তাকিয়েছেন মুর্শেদ সাহেব, ভিমড়ি খাবার জোগাড় হলো তার।
এমনিতে দোকানটার তাকগুলো খুব সাজানো-গোছানো, যেকোন কিছু যাতে ক্রেতারা সহজে খুঁজে পেতে পারে, সেদিকে পূর্ণ খেয়াল রেখে বিন্যস্ত; সেটা তার জানাই। নিত্যদিন যে আসা-যাওয়া পেনি নামের সেই ছোট্ট ২৪ ঘন্টার স্টোরটায়। যেটা সপ্তাহে সাত দিন আর বছরে ৩৬৫ দিন খোলা থাকে। শুধু যেসব বছর লীপ ইয়ার অর্থাত ৩৬৬ দিনে হয়, সেসব বছর ২৯ ফেব্রুয়ারি বন্ধ।
মরণরে তুমি শ্যাম সমান
আসসালামু আলাইকুম,
বন্ধুরা আমার লেখা গানগুলো PM SARGAM STUDIO কম্পোজ করছে।অনেকগুলো গান ইতিমধ্যে YouTube এ এসেছে। আমি জানিনা এখান গান আপলোড করার অনুমতি আছে কি না।
আমি চেষ্টা করেও পারিনি। দু'দিন আগে আপলোড হওয়া গানটির লিঙ্ক দিলান নিচে।
গীতিকবিতাঃ মরণরে তুই শ্যাম সমান
ইঞ্জিঃ মোঃ আবুল হোসেন
১২/০৬/২০২৩
যার সাথে হবে সদাবাস
হউক না যতই কালো
মরণরে তুমি শ্যাম সমান
তোমায় বাসি ভালো।
ভালো কিছু ভাবতে গেলে
চোখ করি বন্ধ।
আঁধারেই আলোর সন্ধান মেলে
নয়নতো আলোর পথ বন্ধ।।
যেই কবরে থাকবো আমি
সেও তো অন্ধকার কালো
মরণরে তুমি শ্যাম সমান
তোমায় বাসি ভালো।
ভাবনাহীন নিস্কলুষ মাথায়
কি যে সুখের ঘুম।।
তেমনি কি ঘুম হবে কবরে
নাকি শাস্তি ধুমাধুম।
শুধু শাস্তি হবে মন মানে না
সৃজিলেন যিনি,
অনেক বাসেন ভালো।।
মরণরে তুমি শ্যাম সমান
তোমায় বাসি ভালো
অনেক দিন পর, বন্ধুরা কেমন আছেন?
অনেক দিন পর, বন্ধুরা কেমন আছেন?
অনেক দিন মানে অনেক দিন পর। ২০১৪ সালে শেষ পোস্ট ছিল।
ব্লগটি এখনো আছে, এবং আমার কিছু লেখা, বাহ, বিস্ময় !
ব্লগটিকে এখনো যারা ধরে রেখেছেন, যারা লিখছেন নিয়মিত, তাদের সবার প্রতি অফুরান ভালোবাসা।
আমরা সবাই কালের প্রবাহে হারিয়ে যেতে এসেছি, এই হারিয়ে যাওয়ার মাঝে লেখা হচ্ছে একটি জ্যোতিচিহ্ন, একটি সাড়া...
ফলে, সাড়া দিন প্রিয় বন্ধুরা