ইউজার লগইন
ভালোবাসা
দিনশেষে ছাইরঙা স্মৃতিরাই শুধু অপেক্ষা করে
১.
ছোটবেলায় যখন সকালে ঘুম ভাঙ্গতো, তখন এক ধরনের উচ্ছ্বাস ভর করতো মনের ভেতর। দৌঁড়ে গিয়ে রেডি হতাম স্কুলে যাওয়ার জন্য। স্কুল ছিল এক অনন্ত আনন্দের ভান্ডার। যদিও পড়াশোনার পার্টটা খুব বেশি ইন্টারেস্টিং লাগতো না আমার, তবে ওটা ছাড়া অন্য সবকিছুতে আমি হাজির থাকতাম সবার আগে। পারি আর না পারি, ঝাপিয়ে পড়তাম প্রবল বেগে। দুরন্ত একটা শৈশব পার করেছি আমি। অবশ্য পার হয়েছে কিনা জানি না। এখনও নিজেকে শিশুই মনে হয়। ২৫ বছরের যাপিত জীবনের উপলব্ধি এটুকুই।
ইচ্ছে হলে ভালবাসিস , না হয় থাকিস যেমন থাকে স্নিগ্ধ গাংচিল
'শুধু মাঝে মাঝে মন খারাপ লাগে' লিখে কয়টা দিন আসলেই মন খারাপ ছিল। বাসার লোকজন লেখাটা পড়ে আমাকে প্রচুর স্বান্তনা দেয়ার চেষ্টা করলো। বিশেষ করে আম্মু। শুনে আমি হেসেছি। আর বলেছি, ইউ নো নাথিং জন স্নো।
আমার সবচেয়ে প্রিয় টিভি সিরিয়াল ছিল ফ্রেন্ডস্। খুবই সহজ ছিল সিরিয়ালটা। আজকালকার সিরিয়ালগুলা সহজে হজম হতে চায় না। ম্যাড মেন পর্যন্ত ভাল ছিল। গেম অব থ্রোন্সও ঠিক আছে। কিন্তু দি রোবট ইদানীং মাথার সবগুলো নিউরণ টেনে টেনে ছিড়ে দিচ্ছে।
কিছু একটা করা দরকার কিন্তু কিছুই করা হচ্ছে না। আগের লেখায় বলেছিলাম আমার রুমের নাম দিয়েছি গুহা। মীর্স কেভ। গুহায় বসে বাইরের সবার পদধ্বনি শুনি। বেশিরভাগই সাব-সাহারান। ওদের জীবন অপেক্ষাকৃত ফর্সাদের চেয়ে অনেক কালারফুল। মাঝে মাঝে প্রতিবেশি তাম্মাম এসে দেখে যায়, সবকিছু ঠিক আছে কিনা। আর আমি কাউচে আধশোয়া হয়ে বিড়ি টানি।
চোখের জল হয়ে ওঠে ছল
ভালোবাসা, প্রেম, প্রণয় ও পরিণয়- শব্দগুলো একে অন্যের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে। এদের সাথে আরও একটি শব্দ অঙ্গাঙ্গিভাবে সম্পৃক্ত, আর তা হলো ভালোলাগা। এই ভালোলাগা থেকেই ভালোবাসার জন্ম। কিংবা অন্যভাবে বললে ভালোলাগাই হচ্ছে ভালোবাসার সুতিকাগার। ভালোবাসা মানুষের এক গভীর মনোদৈহিক অনুভূতি। এ অনুভূতি সকলের মাঝেই প্রবাহমান। প্রতিটি সম্পর্কের ভিত্তিমূল এই ভালোবাসা। যেখানে ভালোবাসা নেই সেখানে সম্পর্ক মূল্যহীন। ভালোবাসা অন্তঃমানবিক সম্পর্ককে দৃঢ় করে। আর ভালোবাসা হ্রাস পেলে ব্যক্তি সর্ম্পকে অবনতি ঘটে। পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তি যে ভালোবাসা সেই ভালোবাসার প্রকাশ ভঙ্গি একেকজনের কাছে একেক রকম। প্রকৃত পক্ষে ভালোবাসা পূর্ণতা পায় বহিঃপ্রকাশের মধ্য দিয়ে। ভালোবাসা মানব মনের এক ধরনের আবেগজনিত অনুভূতি। এই আবেগেই মানুষকে ভালোবাসতে তাড়িত করে। আবেগ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ ঊসড়ঃরড়হ। ল্যাটিন শব্দ ঊসড়াবৎব থেকে যার উৎপত্তি।
ভালোবাসি !!! ...
এক তরুণের কথা না বললেই নয়। তিনি ন্যাট বাগলে, মার্কিন তরুণ। ভালোবাসার গল্প শুনতে শুনতে তিতে হয়েছে উঠেছে তার মন। তবে এক পর্যায়ে স্ক্যান্ডাল ও ডিভোর্স এবং অপার্থিব রূপকথার গল্পে আগ্রহ বাড়ে তার। এক ছেলেমানুষি করে বসলেন তিনি। যে চাকরিটা করতেন তা ছেড়ে দিলেন। আর কিছু সঞ্চয় নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একটিই- নানা প্রান্তে ঘুরে ভালোবাসার গল্পগুলো খুঁজে বের করা। এ সফরে আমেরিকার আনাচে-কানাচ থেকে তিনি অসংখ্য জুটির সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এবং বের করে এনেছেন প্রায় ১০০টি সত্যিকার ভালোবাসার অসামান্য গল্প।
বন্ধু আমি শুধু তোমার !!!,,
নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা । আজ আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস । এইদিনে মিলিয়ে দেখুন, কে কতোটুকু কার “বন্ধু” ……… আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… আমার সাথে কথা বলতে হলে আগে তোমাকে ভাবতে হয় ...... আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… আমার উপস্থিতি তোমাকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয় .............. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তোমার জন্যে আমি কিছু করলেই তুমি আমাকে “ধন্যবাদ” দাও ................. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তুমি আমাকে “স্যরি” বলো কথায় কথায় ............ আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তোমাকে সাহায্য করার জন্যে আমাকে বলা যায় কিনা এমোন ভাবছো ………….. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তোমার জীবন সম্পর্কে ধারনাগুলোর কথা আমি জানতে উৎসুক হবো কিনা, এ নিয়ে তুমি ভাবনায় পড়.................. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… আমি যা বলি তুমি তা-ই শোন কিন্তু কখোনই বোঝনা, কি আমি বলতে চাইনি ............
শুধু মাঝে মাঝে মন খারাপ লাগে
আজ খুব সকালে ঘুম ভেঙ্গে যাবার পর জানালার পর্দা সরিয়ে দেখি ঝকঝকে রোদ উঠেছে। আর তাপমাত্রার কাঁটাটা প্রায় ১৩ ছুঁইছুঁই করছে। হাতছানি দিয়ে ডাকছে দোয়েল, ফিঙে, চড়ুই, বকুল এবং সুবজ পাতারা। জানালার ফাঁক গলে ঝিরঝিরে বাতাস প্রবেশ করছে ঘরে। আর মাঝে মাঝে আলতো টোকা দিয়ে যাচ্ছে লোমের গোঁড়ায়। হালকা শিরশিরে অনুভূতি। কফি মেশিন তাকিয়েছিল ড্যাবড্যাব করে। তাড়াতাড়ি ওটায় পানি আর কফি ভরে সুইচ অন করে দিলাম। প্রায় সাথে সাথেই খুটুর-মুটুর শব্দ শুরু করে দিলো সেটা। জিজ্ঞেস করেছিলাম, তুমি কি আমার সঙ্গে কথা বলছো কফিমেশিন? কোনো উত্তর দেয় নি যন্ত্রটা।
ভালোবেসে, অযথা-ই.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
# # #
তোমাকে কিছুই বলার সাধ্য নেই আমার।
ভালোবাসি -
এই এতটুকুন একটা শব্দ,
একবার জেনে গেলে;
কিছুই বলার থাকে না আর..
# # #
সব কথা বলতে নেই,
সব কিছু বুঝতে নেই।
পাছে -
ভুলগুলো ভালোবাসা হয়ে যায়,
ফুল হয়ে অসময়; ফের ঝরে যায়।
যথাযথ অবহেলায়,
অযথা ভালোবেসে; ভালোবাসায়..
# # #
ভালোবাসি,
সোদা গন্ধ রাত।
আর মনের কোণে,
অকারন
ক্ষনে ক্ষন -
অধরা; তোমার হাত..।
# # #
সারারাত,
নিকষ কালো অন্ধকার।
আলতো পরশে;
মৌনমুখর -
এলোমেলো কথকতা,
নিঝুমপুরের গান।
ভরে থাক,
তোমার প্রান।
ভোরের স্নিগ্ধ আলোয়,
অনাদিকাল -
মায়াভরা;
তোমার চোখ।
অধরা গালের টোল,
মৃদু হাসি।
দুর বহুদুর,
তবু-ও;
ভালোবাসাবাসি।
আমার হোক..
# # #
তখন,
আমার চোখে
তোমার ছবি;
এলোমেলো -
যখন,
বৃষ্টি এলো..
# # #
সে আমার নয়,
এ হতে পারে না।
জোছনা রোদে, বৃষ্টি ভিজে; বিষাদকথন - গানে..
সময় ভালো যাচ্ছে না, অসময়ের ছোঁয়াচে আলোয়। অথবা বলা চলে ভরদুপুরের মিষ্টি হিমেল হাওয়াতেও, এলোমেলো অচেনা ছায়ায়।
বেখেয়ালে প্রাণে বাজে মন কেমনের সুর,
না পাওয়া আর পেয়ে হারানোর কথকতা।
অভিমান লাগে খুব, নেশার মতন।
মনের জানলা জুড়ে সমুদ্দুরের উদাস হাওয়ার বাক্স খুলে বসে অরিজিত্ আর কৌশিকী।
"কিছু কিছু কথা
বসে আছে ভিজে,
মিছি মিছি ব্যাথা
হয় নিজে নিজে।
ঝরে যাওয়া পাতা
জুড়ে বসে ডালে,
মেঘে মেঘে কথা
শোনে সে আড়ালে।
আকাশ যখন গাইবে বলে
বাদলেরই গান,
বাতাস তখন বইতে গিয়েও
দেখায় অভিমান..অভিমান।
আকাশ যখন ফিরতি পথে
মন খারাপের সুর,
বাতাস তখন নিরব চিঠি
পাঠায় বহুদুর..বহুদুর।
কিছু কিছু ধুলো
জমে আছে কাঁচে,
ডাকনাম গুলো
ভীষণই ছোঁয়াচে।
মরে যাওয়া জমি
ভিজে গেলে জলে,
চারাগাছ গুলো
কত কি যে বলে।
তোমার
এমনি আসা এমনি যাওয়া,
এমনি হাজার ছল;
সাজিয়েছো যেনো -
তোমার
এমনি খেলা খেয়াল খুশি,
পুনশ্চ অথবা শেষের পর..
প্রিয়তমেষু,
অনেক দিন পর আজ আবার তোমায় লিখতে বসলাম। জানি, কিছুই কিছু নয় এখন আর। তবুও, মাঝে মাঝেই খুব ইচ্ছে করে জানতে। ভালো আছো তো? অথবা, এমনিই জিগেস করার, কি করো?
উত্তরটা অবশ্য না বলে দিলেও টের পাওয়া যেত কোন কোন দিন, ভাবছো আমায়।
এখানে বেশ ঠান্ডা পড়েছে এবার, তোমার ওখানে কেমন জানা হয় না এখন আর। অজানায়, শীত জমা থেকে যায় বুকের ভেতর - বছর জুড়ে ঝরা পাতার সুরে।
তুমি কতটা জানো আমি ঠিক জানি না, আমি নিজেও হয়তো এতটা করে জানতাম না যে, নীল আমার এতটাই প্রিয় - সবকিছুতেই। তোমায় না হারিয়ে পেলে হয়তো বুঝতেই পারতাম না নীলে বাঁচা, অসময়ে ঠিকই হারিয়ে যেতাম লাল থেকে কালোয়।
ভুল আমারই ছিল, না বলা কথাতেই ভালোবাসা খুঁজে নিয়েছিলাম। কল্পলোকের আকাশ জুড়ে ছিল এই ছোট্ট একটা জীবন একসাথে বুড়ো হবার স্বপ্ন।
বৃষ্টিতে আমি আর আমার রাজকণ্য়া।
বৃষ্টি হচ্ছে।
ভিজে যাচ্ছি আমি আর আমার বুক পকেটে সযত্নে লুকিয়ে রাখা স্বপ্ন গুলো।
আজ আমার হৃদয়ের ঘরে কড়া নাড়ছে সেই চির কাঙ্খিত মুহূর্ত।
আমি আর আমার রাজকণ্য়া
আজ ভিজবো দুজনে।
বৃষ্টির ফোটাগুলো বেহায়ার মতো ছুঁয়ে যাচ্ছে ওর চোখ, ঠোঁট, চিবুক।
আমি ঈর্ষান্বিত চোখে চেয়ে আছি।
ওর চুলগুলোর অবাধ্য়তা একরাশ ভালোলাগা ছড়িয়ে দিচ্ছে আমার মনে।
আমি কম্পিত পদহ্মেপে এগিয়ে গেলাম।
চুম্বন এঁকে দিলাম একটু একটু কাঁপতে থাকা ঠোঁটে। শক্ত করে বুকের মধ্য়ে জড়িয়ে নিলাম
কখনই যেন হারিয়ে যেতে না পারে ইট পাথরের মেকি ব্য়স্ততায়।
যদি পারতাম সময় ঘড়িটা বন্ধ করে দিতাম।
নিশ্চল পৃথিবীর বুকে ভালোবাসার প্রদীপ হাতে দাঁড়িয়ে থাকতাম।
রাজকণ্য়া, ভালোবাসতে শিখিয়েছো আমায়
শুধু ভালোবাসতে দাও নি তোমায়।
শুধু ফেরা পথ টুকু, ঘেরা পথ টুকু; সেরা পথ হয়ে থেকে যাক..
কিছু কিছু গান আছে, একবার শুনলেই মন কিনে নেয় বিনে পয়সায় - নিমিষেই। কোন একটা সময়ের বা কিছু মুহুর্তের অবয়ব হয়ে সাড়ে তিন হাত মাটির মতন স্থায়ী ঠিকানা গড়ে বসে যায় মরমে, অন্তরে সবচাইতে কাছের অথচ হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর স্মৃতিছোঁয়া ব্যাকুলতায়। অদ্ভুত মাদকতাময় বিষাদে আচ্ছাদিত হয়ে যায় চারপাশ, আপনাতেই। আবার আনমনেই মনের মুকুরে প্রিয় কোন স্মৃতিজাগানিয়া সুখে ঠোটের কোনে উঁকি দিয়ে যায় এক চিলতে হাসি, এলোমেলো হাওয়ায় মন ভালো হয়ে যায়। মনে হয়, কি অদ্ভুত সুন্দর এই বেঁচে থাকা!
"ঝরে ঝরে পড়ে ছিমছাম
শুকনো পাতার স্তুপ,
কবে যেন কাকে চিনতাম
ডাকবাক্সেরা চুপ।
কিছু পিছু ডাকা শার্শীতে আঁকা
চুপ করে থাকা বন্ধু,
স্বপ্নের জালে লন্ঠন জলে
গল্পেরা চলে কোনদুর।
রাস্তা ফেলে..হুহু..হুহুহু..
শুধু ফেরা পথ টুকু,
ঘেরা পথ টুকু;
সেরা পথ হয়ে থেকে যাক -
আজ বিকেলে..
দেখো কুয়াশার নেই ডাক নাম
তবু চশমার চোখে বাষ্প,
গোল্ডলিফের প্যাকেট এবং শীত
শীতের শুরুর কোনও একটা সন্ধ্যায় চায়ের
কাপে টুংটাং আওয়াজ বলে দেয় , বাহিরের
তাপমান
পাতলা চাদরটা ভালোমতো জড়িয়ে নেবার
মতোই কমছে।
রাস্তা পার
হতে গিয়ে অনিচ্ছুক শীতল
হাতটা অত্যুতসাহী এক তপ্ত মুঠোয়
বাঁধা পড়তে গিয়েও পড়েনা। হেমন্তের এই
শেষপ্রান্তের যাযাবর বাতাসে উষ্ণতার
বড্ড অভাব।
সোডিয়ামের বাতিঘর আর ধোঁয়াশার
বিভ্রমে ঝরাপাতার
দলে মিশে যাওয়া একটা পাতার গান
আলাদা করা যায় না।
এই শহরে মমতাময় কোনও শীত আসে না!
এখানে শীত পাশাপাশি দুই ফ্ল্যাটের
অপরিচিত প্রতিবেশির মতো মুখ
ঘুরিয়ে হাঁটে!
ফুটপাতের শীতবস্ত্রের
মেলার দিকে লোভাতুর
দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা শতছিন্ন পোশাকের
' অভদ্র ' বাচ্চাটাকে " ছিঃ! কী নোংরা!"
বলে পাশ কাটায় শীত , শপিংমলের
পাশে বিএমডব্লুকে পার্কিং লট
ছেড়ে দিতে!
শীত বেঁচে থাকে শুধু ফায়ার প্লেসে , রুফটপ
বারবিকিউ পার্টি আর উইন্টার স্পেশাল
সৌরভের জন্য ভালবাসা
এই অবেলায় ফোটা কাশফুল নিয়তির
মতো
যেন আহত কোন যোদ্ধার
বুকে বেঁচে থাকা এক মেঘফুল.........।'
রোদ্দুর,
একসাথে হেঁটে হেঁটে যেতে চাই
বহূদুর
বুকের ভেতর ডানা ঝাপটায় পাখি,
বেপরোয়া ভাংচুর।'
- কি রে জংগল। কত দিন ধইরা শেভ করিস না?এই কি হাল!চুল কাটিস না কেন?
- মহাপুরুষ এমনি হয়!আমি আবার মহাপুরুষ হব! "ঈশ্বর না থাকলে তাকে বানানো হত,কিন্তু প্রকৃতি বলেছে ঈশ্বর আছে"। বলতো এটা কার উক্তি??
- ধুর!পারলাম না!বাদ দে তো এইসব উচ্চলেভেলের কথা!!তোর হাতে কিসের বই রে??
-একটা "দা গডস দেমসেলভ" আর একটা " উইনিংস অফ ফায়ার"।
-ঢাকা আসলি কবে?এডমিট হবি কোথায়?সব এক্সম তো শেষ।
-পৃথিবীর পাঠশালায়!যেখানে আমি শিক্ষক আবার আমিই ছাত্র!একটা সিগারেট খাওয়াবি?টাকা পয়সার সংকট। দুই দিন ধরে হলিউড খাইতেছি।গোল্ডলিফ খাওয়ার টাকা নাই।
বাবার সার্টিফিকেট
বিজয় দিবসের আনন্দ কিংবা ভাললাগা একজন সাধারণ মানুষের যতটুকু থাকে তার চেয়ে অনেক বেশি থাকে একজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধার।যে মুক্তিযোদ্ধার বয়স ছিল ১৯৭১ সালে মাত্র ১২ বছর।এই লেখাট শুধু আবেগের বশে লিখা।বলে কয়ে বাবার প্রতি ভালবাসাটা শুধু লোকদেখানোই।তবু লিখি..... হাজার হোক তিনি আমার বাবা।জন্মদাতা বাবা।একজন দরিদ্র বাবা।যিনি ১০ টাকা, ১৫ টাকা, ২০ টাকার হোমিও ঔষধ বিক্রি করেন।
আমার চোখে বিটলস
অগাস্ট ১,১৯৭১
- ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন নিউইয়র্ক।
স্টেজের পেছনে বসে উত্তেজনায় ঘামাচ্ছেন
গিটার
লিজেন্ড এরিক ক্ল্যাপটন। প্রচন্ড অসুস্থ এরিক।
হেরোইন
এডিকশন তাকে খাদের কিনারে নিয়ে গেছে।
পারবেন
তো ঝর তুলতে গিটারে। যদি ভুল হয়। ঠিক
সে মুহুর্তে ক্ল্যাপটনের চোখে ভেসে উঠে হাজার
মাইল দূরে বাংলাদেশ নামক জন্মযুদ্ধে লিপ্ত এক
দেশের মা হারা সন্তানটার ছবি...এর আগেই
ক্ল্যাপটম
পারফর্ম করতে পারবেন না বলে নিশ্চিত সবাই।
সে ক্ল্যাপটন স্টেজে উঠলেন বাজালেন জয় করলেন।
জর্জ হ্যারিসনের সাথে ক্ল্যাপটনের " হোয়াইল মাই
গিটার
জেন্টলি উইপস" গানে দুই লেজেন্ডের গিটার ডুয়েল
লাইভ কনসার্টের ইতিহাসেরই অংশ হয়ে থাকবে।
অসুস্থ
ক্ল্যাপটন যার বাজাবার কথাই ছিলনা, সে ক্ল্যাপটন
পুরো কনসার্টে একটা কর্ড মিস করলেন না... দিস ইজ
এরিক
ক্ল্যাপটন ফর ইউ।
বব ডিলান তো কনসার্টের আগের দিন থেকে একই