ইউজার লগইন

নেয়ামত'এর ব্লগ

সহজ বিজ্ঞানপাঠ

গল্পে গল্পে বিজ্ঞান-১
নবম শ্রেণির জন্য প্রযোজ্য
আইডিয়াঃ ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল
রচনায়ঃ নেয়ামত

বহু বহু দিন আগের কথা। বাংলাদেশ তখনো স্বাধীন হয়নি। এমনকি ভারত বর্ষ ও তখন ইংরেজদের শাসনে ছিল। সেই সময়ে বগা নিউটন নামে এক লোক ছিলো। সে কোনো কাজ করতোনা। সে কেবল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবতো। আর সারাদিন গার্লস স্কুলের সামনে বসে বালিকাদের আসা যাওয়া দেখতো।

নিউটন স্কুলের সামনে একটা প্রকান্ড নারিকেল গাছের নীচে বসতো। (বসার জন্য সে কেনো নারিকেল গাছের তলা বাছাই করেছিলো তা জানা যায়নি। কারণ তখন তো বাংলাদেশের ইতিহাসবিদদের মতো জ্ঞানী মানুষ সৃষ্টি হয়নি। তবে ধারণা করা হয় ডাবের প্রতি তার দুর্ণিবার লোভ ছিলো। )

ফিরে আসা

দীর্ঘদিন পর ফিরে এলাম
তোমাদের মাঝে।
ফিরে এলাম স্বরুপে
চিরটাকালের নির্জন একলা
এই আমি ফিরে এলাম
নির্জনতার রুপ নিয়ে।।

দীর্ঘদিন পর
ফিরে এসেছিলাম,
ভেবেছিলাম কেউ একজন
অন্তত কেউ একজন,
আমায় জিজ্ঞেস করবে
কোথায় ছিলে এতোদিন।
বুকের গভীরে জমিয়ে রাখা
অভিমান চেপে কেউ একজন
ঠোট ফুলিয়ে প্রশ্ন করবে
ভালো আছো তো?

আশ্চর্য!!!
আমার এই ফিরে আসাতে
কারো মাঝে কোনো উচ্ছ্বাস নেই।
আমার থাকা বা না থাকা
দুটোই যেনো আজ সমান।

অথচ যখন আমার যাবার সময় হয়নি
অথবা আমার যাবার সময়েরও
বহু বহুদিন আগে,
কোনো এক রমণী কিংবা
অন্তত কেউ একজন বলেছিল
আমায় ছাড়া তার পৃথিবী অসম্ভব।

অথচ এই আমার অনুপস্থিতিতেও
তার পৃথিবী সমধিক উজ্জ্বল,
আজও কি সেই একজন
অন্য কোনো কাংখিত বাহু ডোরে
খুজে ফেরে আমার উষ্ণতা ?

আমি হয়তো মানুষ নই

আমি হয়তো মানুষ নই,
মানুষগুলো অন্যরকম।

মানুষগুলো ভালবেসে কাছে টানতে জানে,
ভালবাসার অভিনয় করে
ভালবাসাতে জানে
ভালবাসা শিখিয়ে দূরে ছুড়ে ফেলতে জানে।।

আমি হয়তো মানুষ নই,
মানুষ হলেতো আমার একটা বৃত্ত থাকতো,
সেই বৃত্তের একটা কেন্দ্র থাকতো
বৃত্তের পরিধি ঘিরে
ছোট বড় আরও কিছু
বৃত্ত থাকতো।
প্রয়োজনমতো বৃত্তগুলো ভাঙত
আর নতুন নতুন বৃত্ত গড়ে উঠতো।।

মানুষগুলো অন্যরকম
তারা নিজেদের বৃত্তে হাটতে জানে,
প্রয়োজনে অক্ষ বদলাতে জানে
এক বৃত্ত ছেড়ে অন্য বৃত্তে
হাটতে জানে।

আমি হয়তো মানুষ নই
মানুষ হলেতো আমারও
নতুন নতুন বৃত্ত হতো,
নতুন অক্ষ থাকতো ।

সেই একই পুরনো বৃত্তে
আমি হাটছি আর হাটছি,

আমি হয়তো মানুষ নই .।

আমাদের দেশপ্রেম অথবা মরে যাওয়া দেশপ্রেম।

আমার রুমমেট এর সাথে গতকাল রাতে পড়া ভাগাভাগি করে জিজ্ঞেস করছিলাম। পড়ার মধ্যেই একটা জায়গায় ছিলো আমেরিকা আলাস্কা অঙ্গরাজ্য রাশিয়া থেকে এবং ফ্রান্সের কাছ থেকে কিনেছিল লুসিয়ানা। তখন রুমমেট বলল বাংলাদেশটাকেও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করে দিলে ভাল হতো। সাথে সাথে তাকে বললাম এটা কোন যৌক্তিক বিষয় নয়। জবাবে তার যুক্তি আমার পাল্টা যুক্তি চলতে লাগলো। কেহ কাহারেও নাহি ছাড়ি এই অবস্থা। সব তর্কের মতো এই তর্কও এক সময় শেষ হয়ে যায়। কিন্তু পরে এই বিষয়টা নিয়ে তার বলা কথাগুলো দিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করে দেখেছি। আমাকেই হারতে হলো তাতে। খুব অসহায় লাগছিল নিজেকে।

আমি দেশপ্রেমিক কিনা এই বিষয়টা নিয়ে এই মূহুর্তে নিজেকে খুব দ্বিধাগ্রস্থ লাগছে। কিন্তু আমার দেশকে নিয়ে কেউ খারাপ কিছু বললে খুব খারাপ লাগতো এক সময়। এখন বিষয়টা সেইভাবে নাড়া দিচ্ছেনা।

পথে পথে যেতে যেতে -২

ঘুরে এলাম শেরপুর-২

পানিহাটি থেকে শেরপুর শহরঃ

পথে পথে যেতে যেতে

ঘুরে এলাম শেরপুর-২

পানিহাটি থেকে শেরপুর শহরঃ

পথে পথে যেতে যেতে

ঘুরে এলাম শেরপুর

প্রথম কথা

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হইতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শীষের উপর
একটি শিশির বিন্দু।।

ছোটবেলায় দেখা স্বপ্ন বা ইচ্ছাগুলোর মাঝে যেই স্বপ্নটা এখন মরে যায়নি সেটা হলো বাংলাদেশের ৬৪ টা জেলায় ঘুরার ইচ্ছা। যদিও এই স্বপ্নটা মৃতপ্রায় ছিল।
কিছুদিন আগে হঠাৎ করে শুনলাম সাঈদ ভাই নিঝুম দ্বীপ ঘুরে এসেছেন। তখন সাঈদ ভাইকে বললাম পরেরবার কোথাও গেলে যেন আমাকে জানানো হয়।

প্রস্তুতিপর্বঃ

গত ২রা ফ্রেব্রুয়ারী মুখবই(Facebook) অনলাইন হইতেই সাঈদ ভাইয়ের বার্তা ।
“ওই মিয়া মোবাইল বন্ধ কেনো?”
সাঈদ ভাইয়ের এই বার্তা দেখে মনে হইলো ভুল দেখলাম ।

ভালবাসার বিচ্ছিন্ন কথন

ভালবাসি তোমায়
সকালের স্নিগ্ধ আভা থেকে
গোধুলির শেষ রঙ পর্যন্ত ।

পাটে নামা সূর্য যখন
নামাবে অন্ধকার
এই পৃথিবীর প্রতিটি জনপদে,
সেই আধাঁর কালো সময়েও
থাকতে চাই তোমারই পাশে ।

বুকের খুব গভীরে
লুকিয়ে রাখতে চাই তোমায়,
যাতে আধাঁর জুড়ে লুকিয়ে থাকা হায়েনারা
তোমায় স্পর্শ করতে না পারে
ওদের লোলুপতায় ।

হৃদয়ের গভীর থেকে জেগে উঠা
অদ্ভুত সব অনুভুতিরা জানাতে চায়
ভালবাসি তোমায় ।।
প্রতিটি দিন
প্রতিটা সময় কাটে
তোমারই মগ্নতায় ।
............
............
..............
যদিও তুমি আজ ক্লান্ত,
তোমার ভালবাসা আজ
উষ্ণতা খুঁজে বেড়ায়
দেহের প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে ।
সব কামনার অবসান হলে,
নুয়ে পড়ে তোমার ভালবাসারা ।

তোমার হৃদয় নদীতে আজ
জেগেছে কামনার পলিচর ।
সেই কামনার চর ভেদ করে
কখনোই দেখতে পাওনি তুমি
এই হৃদয়ের গভীরতা ।

যাপিত জীবনের গল্প-২(স্বার্থপরতা)

মাঝে মাঝে নিজেকে খুব স্বার্থপর মনে হয়। তখন নিজের কাছেই খুব লজ্জা লাগে। মনে হতে থাকে কেন আমি এত স্বার্থপর। অথচ এই ভাবনা নিয়েই আমি বেড়ে উঠছি। একটু ও শোধরাতে পেরেছি বলে মনে হয়না ।
মুরুব্বীদের মুখে একটা কথা অনেক শুনেছি , সেটা হল

যার হয়না নয় এ তার হয়না ৯০ তে

। আমার ৯ বছর পেরিয়ে গেছে অনেক আগেই। অতএব মনে হচ্ছে ৯০ পর্যন্ত আর হবেনা। তাই খুব করে চাইছি যাতে ৯১ বছর বাঁচি! তাতেও যদি পরিবর্তন হই।
নিজেকে সবচেয়ে স্বার্থপর মনে হয় যখন কারো ভালো একটা গল্প লেখা পড়ি। অথবা কারো ভালো একটা পোস্ট পড়ি।

দেখা গেলো শরৎ এর কোনো উপন্যাস পড়ে খুব ভালো লাগলো। তখন মনে হয় ইসশ! আমি যদি এমন একটা লেখা লিখতে পারতাম। আমি একটু শরৎভক্ত কিনা তাই শরৎ এর কথাই আগে বললাম। এটাও তো এক ধরনের স্বার্থপরতা! কেনো শরৎ আগে লিখতে হবে?

কোনো শিরোনামই মাথায় নেই।

অনেকদিন ধরেই ভাবছি কিছু লিখবো । কিন্তু লিখা হয়ে উঠেনা।
অভাবটা সময়ের নয়। অভাবটা মগজের!!!
কি নিয়ে লিখবো?
লিখার বিষয় যে নেই তাও নয়। কিন্তু বঙ্কিম এর মতে কোনো লেখাতে যে অর্থব্যক্তি ও প্রাঞ্জলতা থাকতে হয়। আমার লেখাগুলো তার ধারে কাছ দিয়েও যায়না। না থাকে অর্থব্যক্তি না থাকে প্রাঞ্জলতা । তারপরেও হাত লিখার জন্য নিশপিশ করে। মগজের কোষে কোষে ঘুরে বেড়ায় হাজারো ভাবনা। লিখতে বসলেই সব হাওয়া। মাথাটা একেবারে ফাঁকা হয়ে যায়। গোবরটুকুও পর্যন্ত থাকেনা।
আরে ভাই গোবর থাকলেও তো কিছু একটা দাড় করানো যেতো। নিজের যখন এই অবস্থা তখন আর কি করা। বসে বসে অন্যের লেখা পরে নিজেকে ধইন্য করার চেষ্টা করি।

আমি হয়তো দেশপ্রেমিক নই!

বছর ঘুরে আবার একটা দিন আসছে । ১৬ ই ডিসেম্বর ।
আমার কাছে এ দিনটা আর দশটা সাধারণ দিনের মতোই। সবাই কেনো জানি এই দিনটাকে বিজয় দিবস বলে। কিন্তু আমি বিজয়ের গন্ধ কোথাও খুঁজে পাইনা।

২৫ শে মার্চের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের পর ২৬ শে মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ২৭ শে মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র হতে জিয়াউর রাহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা । অতঃপর যুদ্ধ এবং ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের স্বাধীনতা । আমার কাছে এই হলো স্বাধীনতার ইতিহাস ।
আমি বিজয়ের গুরুত্ব বুঝিনা। বুঝবোই বা কি করে?

যাপিত জীবনের গল্প - ১

শীতকাল !!!
শীতকালটা যখনি আসে , তখনি একা বসবাস করার বড় লোভ হয় । শীতের সকালে কম্বলের উষ্ণতার কোমল আদরে জড়িয়ে থাকা ঘুম ছেড়ে কি উঠতে ইচ্ছে করে?
অতুলনীয় সে ঘুম।
আমি বরাবরই Early Riser. কিন্তু শীতকাল আমাকে অলস বানিয়ে ছাড়ে। আর বানাবেই না কেনো!
চারিদিকে ইট পাথরে ঘেরা এই ঢাকা শহরে সকালের সুর্যোদয় দেখার অবকাশ নেই। নেই সকালের মিঠে রোদে রোদ পোহানোর সুযোগ । তারচেয়েও বড় কথা শীতের সকালে চুলার পাশে বসে মায়ের হাতের তৈরী ভাপ উঠা গরম ভাপাপিঠা খাবার তাড়াও নেই এখানে । কিছুই যখন নেই তাহলে আর কিসের লোভে ঘুম থেকে উঠবো?