অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

যতই যেতে চাই গো দুরে

গীতিকবিতা/ যতই যেতে চাই দুরে
আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২৭/৮/২০২১

যতই যেতে চাই গো দুরে,ততই বাঁধো নতুন করে নতুন নতুন ডোরে
ছেড়েও দেও না কাছেও নেও না যাচ্ছি আমি মরমে মরে
যতই যেতে চাই গো দুরে,ততই বাঁধো নতুন করে নতুন নতুন ডোরে

এই প্রেম পীরিতি কি যে রহস্যময়, মানে না বয়স থাকেনা ডর থাকেনা ভয়।
মাটির সাথে আকাশের ভাব বৃষ্টি হয়ে হয় আবির্ভাব
তাদের মিলনে মা মাটি কেমনে সবুজে সবুজে যায় গো ভরে।
যতই যেতে চাই গো দুরে,ততই বাঁধো নতুন করে নতুন নতুন ডোরে

নদীর সাথে সাগরের পীরিত, সদাই নদী সাগড় পানে বয়
কেউ কি পারে রুখতে নদীকে সাগরে মিলন হবেই হয়।
চাইলে রবে মিলন হবেই মোদের কেউ কি কভূ রুধিত পারে।
যতই যেতে চাই গো দুরে,ততই বাঁধো নতুন করে নতুন নতুন ডোরে

তুমি ছাড়া এ জীবন মরুভূমি যেন

গীতিকবিতা/ তুমি ছাড়া এ জীবন মরুভূমি যেন
আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
কোরানটাইন বিল্ডিং
২৬/০৮/২০২১

তুমি ছাড়া এ জীবন মরুভূমি যেন শুধু ধুধু বালুচর
তোমাতেই শুধু মন চায় হারাতে , মন চায় বাঁধি ভালোবাসার ঘর।
তুমি ছাড়া এ জীবন মরুভূমি যেন শুধু ধুধু বালুচর

সেদিন যখন গেলে চলে, দিয়ে গেলে একমুঠো স্মৃতি
বলে গেলে আসবে ফিরে, বেশীদিন থাকবে না দুরে
আজ কতদিন হয়ে গেল, নদীতে কত জল বয়ে গেল।
নিলে না খবর।
তোমাতেই শুধু মন চায় হারাতে, মন চায় বাঁধি ভালোবাসার ঘর।

তুমি বল আমি কেন এত আবেগময় এত পল্লবিত যা পুড়ায় দুজনকে
আমি তো দেখিনা আবেগ,এ যে ভালোবাসা রং যা মিটিবে না ক্ষনিকে।
ভালোবাসায় রং না এলে, মনের রংয়ে রং না রাঙালে হয় কি মনোহর
তোমাতেই শুধু মন চায় হারাতে, মন চায় বাঁধি ভালোবাসার ঘর।

আমি যারে আমি ভালোবাসি

গীতিকবিতা/ আমি যারে আমি ভালোবাসি
আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
কোরানটাইন বিল্ডিং
২৪/০৮/২০২১

আমি যারে আমি ভালোবাসি আমার সকলি তাহার, সকলি তাহারি দান
অর্থ সম্পদ মান সন্মান বিত্ত বৈভব আমার শিক্ষা আমার জ্ঞান।
আমি যারে আমি ভালোবাসি আমার সকলি তাহার সকলি তাহারি দান।

কে সৃজিছে এই দেহটারে, কেই বা আছে মম অন্তরে
চর্ম চক্ষে দেখিতে নারে, কে কথা কয় মম অন্তরে।
আমার আমার করেছি সদা আমার আমিতে হয়েছি হয়রান।
আমি যারে আমি ভালোবাসি আমার সকলি তাহার সকলি তাহারি দান।

যেদিন বুজেছি আমি নই আমারে খুজেছি তাহারে অন্তরে বাহিরে
আকাশে পর আকাশে খুজেছি, পাতালের পর পাতালে দেখেছি
খুজেছি যত আপনা আপনা মত বুজেছি তত এখানে মম অন্তরে নহে নহে নহে তার স্থান।
আমি যারে আমি ভালোবাসি আমার সকলি তাহার সকলি তাহারি দান।

সে হয়েছিল মম সহযাত্রী, থেকেছে সাথে কটা দিন কটা রাত্রি।

তরণী না হয় তরুণী হলো

গীতিকবিতা/ তরণী না হয় তরুনী হলো,
আহসান হাবিব
হাসনাবাদ কোরানটাইন বিল্ডিং
২১/০৮/২০২১

তরণী না হয় তরুনী হলো, নৌকার জায়গায় নায়িকা হলো হতে দেনা হতে দে।
যেখানেই যাই, যাহা কিছুই করি, মন যে পড়ে থাকে তরুণীতেই রে?
তরণী না হয় তরুনী হলো, নৌকার জায়গায় নায়িকা হলো হতে দেনা হতে দে।

তোদের বোঝাবে কে, মন যে আমার হাওয়ায় হাওয়ায় ঘুরে
ওই যে নীলাকাশ তার পরে আরো আকাশ সাজানো স্তরে স্তরে
সুশোভিত এমনি, কোথাও ত্রুটি চোখে পড়েনি
পড়িবে কেমনি বানিয়েছেন যিনি মহানের মহান যে সে।
তরণী না হয় তরুনী হলো, নৌকার জায়গায় নায়িকা হলো হতে দেনা হতে দে।

চোখে যখন দেখি তরুণী, বিস্ময়ে স্তম্ভিত হতবাক হই তখনি
কত অপরূপ রূপে সাজিয়েছ তুমি,যতই দেখি বেড়ে যায় তৃষা, সে তৃষা মিটিবে সে কিসে।
তরণী না হয় তরুনী হলো, নৌকার জায়গায় নায়িকা হলো হতে দেনা হতে দে।

তরণী পারাবারের খেয়া, তরুণী বয় জীবন নদীর খেয়া

তুমি হাইয়্যুল তুমি কাইয়্যুম

আহসান হাবিব
শীতল ছায়া সোসাইটি
মানিকদী, ঢাকা
গীতি কবিতা/ তুমি হাইয়্যুল তুমি কাইয়্যম।

আল্লাহ তুমি হাইয়্যুল তুমি কাইয়্যুম তুমি রহিম তুমি রহমান
কার বা কাছে আশ্রয় চাইবো কার বা শাণে গাইবো স্তুতি গান।
আল্লাহ তুমি হাইয়্যুল তুমি কাইয়্যুম তুমি রহিম তুমি রহমান

ঘুম তো তোমার হয়না কভু তন্দ্রাও নাহি ধরে
কেও কি আছে তোমার সমান আসমান জমিন পরে
কে করিবে সুপারিশ তোমার সনে তোমার অনুমতি যদি নাহি পান।
তুমি হাইয়্যুল তুমি কাইয়্যুম তুমি রহিম তুমি রহমান

সামনে পিছে উপর নীচে, ভূত ভবিষ্যৎ জানা আছে
জমীন থেকে আসমান অব্দি তোমার আসন পাতা আছে
কোন জ্ঞান হাসিল হয় না কভূ, না হইলে তোমার পারমিশান।
তুমি হাইয়্যুল কাইয়্যুম তুমি রহিম তুমি রহমান

ওগো খোদা রহমানুর রহীম

আহসান হাবিব
শীতল ছায়া সোসাইটি, মানিকদী, ঢাকা
১৯/০৮/২০২১
গীতিকবিতা /ওগো খোদা রহমানুর

ওগো খোদা রহমানুর রহীম ওগো অসীম দয়ালু আমার দয়াময়
হৃদয়ে সদা বিরাজে তোমার নাম আমার তবে কিসের ডর আমার কিসের ভয়।
ওগো খোদা রহমানুর রহীম ওগো অসীম দয়ালু আমার দয়াময়।।

নামাজ পড়েছি অসময়ে রুকু সেজদা হয়নিও জেনে
পড়েছি নামাজ ছাড়িনি নামাজ করবে ক্ষমা করবে কবুল তুমি যে সদাশয়।
ওগো খোদা রহমানুর রহীম ওগো অসীম দয়ালু আমার দয়াময়।।

রমজান মাসে রোজা রাখি, সারাদিন না খেয়ে থাকি
বলতে আমি পারবো না হায় চোখের রোজা মনের রোজা হয়েছে নাকি
তবু আমি রোজা রাখি নামাজ পড়ি করবে ক্ষমা
করবে কবুল তুমি যে সদাশয়।
ওগো খোদা রহমানুর রহীম ওগো অসীম দয়ালু আমার দয়াময়।।

মাটির ঘরে বন্দী হইয়া

আহসান হাবিব
শীতল ছায়া সোসাইটির, মানিকদী,
১৬/০৮/২০২১

মাটির ঘরে বন্দী হইয়া কয়দিন থাকবা আর
মাস না যাইতেই মাটির দেহ মাটিতেই সাবাড়।

গাছ পালা বৃক্ষলতা খাইবে তোমার দেহে জুস
যত হাগ রুম বাগ রুম বাহাদুরী হইয়া যাবে ফুস।
মনটা যদি সতেজ বানাও, হইবো না কিছুই আর দরকার।
মাস না যাইতেই মাটির দেহ মাটিতেই সাবাড়।

কত রকমের খাবার খেয়েছ কত রকম নরম গরম পানীয়
মিষ্টি দধি ছানার জিলাপী পান টান যে কত উপাদেয়
ঘুমের তরে নরম বিছানা,বালিশ মাথায়, আবার কোল বালিশও দরকার
মাস না যাইতেই মাটির দেহ মাটিতেই সাবাড়।

রঙের দুনিয়ায় রঙ ছিটানো হরেক রকম রঙ
ঢঙে ঢঙে কাটল জীবন ভাবিনিতো হবে এমন
টিভি ভিসিআর, গুগল ইউটিউব আরো কত রকম
আকাশ চেনেল হলো আবিস্কার।
সাধের কবরে মাটির ঘরে কিছুই তো নাই কেমনে সময় করবে তুমি পার।
মাস না যাইতেই মাটির দেহ মাটিতেই সাবাড়।

রশীদ করীমের জন্মদিনে!

আজ রশীদ করীমের ৯৬ তম জন্মদিবস। অকালে তিনি প্রয়াত হননি। দীর্ঘ দিন তিনি অসুস্থ ছিলেন, দীর্ঘ জীবন পেয়েছেন। কথাবার্তা বলতেন না। চুপচাপ শুয়ে বসে লং প্লেয়ারে গান শুনতেন, সহধর্মিণী বই ও পেপার পড়ে শোনাতেন। উপন্যাসিক হিসেবে তিনি সফল কিনা জানি না, তবে তাঁর উপন্যাস সব বহুলপঠিত। যাদের বাসায় ব্যক্তিগত সংগ্রহে বই আছে, রশীদ করিমের 'উত্তম পুরুষ', 'প্রষন্ন পাষান' অথবা 'আমার যত গ্লানি' পাওয়া যাবেই। তার উপন্যাসের মতই তিনি আধুনিক ও স্মার্ট কালচার্ড এক মানুষ। মধ্যবিত্ত উর্দুভাষী এক মুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়েও তিনি ক্রিকেট সমানে দেখতেন, কলকাতার ফুটবল দেখতেন, সারাদিন ইংরেজী সিনেমা হলে গিয়ে দেখতেন, প্রেম করতেন, ভালো রেস্টুরেন্টে খেতেন, বড়দের কাছ থেকে চেয়ে চেয়ে টাকা নিতেন। অনেক বন্ধুর মা তাকে স্নেহ করতেন, শহীদ আসাদের মা তার এইসবের অন্যতম স্পন্সর। দেশভাগের আগে যে নতুন মুসলিম মধ্যবিত্ত গড়ে উঠছে, উর্দুর আভিজাত্যকে বাসা

প্রেমের নামে জীবন দিবো পাগল হবো সেদিন আলে গেছে

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
১২/০৮/২০২১

গান/প্রেমের নামে জীবন দিবো, পাগল হবো সেদিন চলে গেছে।

আমি(তুমি) কেন কাঁদবো বলো আমি(তুমিই) বা কম কিসে
প্রেমের নামে জীবন দিবো, পাগল হবো সেদিন চলে গেছে।

নিজের জীবন নিজে গড়, মন দিয়ে পড়াশুনা কর
হবে যখন তুমি যোগ্য, আপনি গড়ে আপনা ভাগ্য
বিধাতা যা লিখেছেন তাতেও বিশ্বাস রাখ ঠকবে নাকো পিছে।
প্রেমের নামে জীবন দিবো, পাগল হবো সেদিন চলে গেছে।

প্রেমের নামের মরিচীকা, এ তোরে ভাই মরণের টিকা
একবার যদি গায়ে লাগে সুখ শান্তি সব দুরে ভাগে
তাইতো বলি শুন সকলি, প্রেম করো না জীবন্ত মরো না,
গুনীজনের কথা শুন ঠকবে না কভু পিছে।

গল্প: বার্লিনে প্রথমবার খুব মন খারাপ হয়েছিল

১.

বার্লিন মেইন স্টেশন থেকে বের হয়ে আনমনে হাঁটছিলাম স্প্রি নদীর পাড় ধরে ধরে। মনটি ভীষণ খারাপ হয়ে ছিল বিশেষ একটা কারণে। বেশি একটা পাত্তা দিতে চাচ্ছিলামও না, কিন্তু ঘুরে ঘুরে মনে পড়ছিল।

আহা, একজন বিদেশে আসার স্বপ্ন কত যত্নে বুকে লালন করে রেখেছিল! আর আমার কোনো ইচ্ছাই ছিল না দেশ থেকে কখনও বাইরে আসার। অথচ আমার জীবনটাই আজ মিশে গিয়েছে বিদেশের অচেনা আকাশ, অজানা বাতাসে। আজীবন পরিবারের সাথে থাকতে চাওয়া সেই আমি আজ বাবা, মা সবাইকে হারিয়ে একা। যার জন্য সবাইকে হারাতে বাধ্য হয়েছিলাম, সেও ছেড়ে চলে গেছে বহু আগে। তাই আজকাল সবকিছুর ভেতরেও ঘাপটি মেরে বসে থাকে এক অব্যক্ত শুন্যতা। কথাটি সাধারণত সবসময় মনে পড়ে না, কিন্তু যখনই মনে পড়ে তখনই আমার অনেক খারাপ লাগে। তাই ভাবলাম বিষয়টিকে একটি গল্পের রূপ দেয়া যায় কিনা।

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ আহমাদ মোস্তফা কামালের, 'যে পথে হেঁটে এসেছি'!

আমরা যারা বই পড়ি, সব বই কি আর আমাদের ভালো লাগে। কিছু নন-ফিকশন তো মানুষের মুখে শোনার পর পড়তে হয়, কিছু বই ভালো হতে পারে ভেবে পড়া হয়, কিছু বই আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে পড়ি যে এটা আমি শেষ করবোই। আর অল্প কিছু বই মন ছুঁয়ে যায়। মনে হয় বইটার আরো দু তিন ফর্মা বেশি থাকলেও চলতো। আহমাদ মোস্তফা কামালের, 'যে পথে হেঁটে এসেছি' সে ধরনের একটা বই। প্রথমেই বলে রাখি আমার মতামত সাব্জেক্টিভ। আহমাদ মোস্তফা কামালের লেখা আমি নিয়মিত পড়ি দেড় দশক ধরে। তিনি সবসময়ই আমাকে মুগ্ধ করেন। এবারেও ভিন্নতা নেই।

হ্যাপি বার্থডে, ফাহাদ ফাসিল!

আমার এই লেখা দেখার সম্ভাবনা শুন্য। আপনি বাংলা জানেন না, আমিও মালায়লাম জানি না। তবে বাংলাদেশে আপনার বিষ্ময়কর লেভেলের অনেক ফ্যান এ কথাটা আপনি একদিন জানবেন। তবে এসব ফ্যানদের বহু আগে যখন মালায়লাম সিনেমাই মানুষ দেখতো না তখন থেকে আমি আপনার ছবি দেখি। এখন ব্যাপারটা হাস্যকর, ২০১২-১৩ সালে মালায়লাম সিনেমার সাবটাইটেল ব্যবস্থা করা কত কষ্টের ছিল। আমি মোহন লাল, দিলীপ, মামোট্টির অনেক মুভি দেখে শেষ করেছি সাবটাইটেল ছাড়া। চলচ্চিত্রই তো একটা বিশ্বজনীন ভাষা আর অনুমান করে করে চলতো আমার দিন। আমার মামা বিরক্ত হতো, 'কি দেখো, বুঝোনা সুজো না।' চাইলে সৃষ্টি রহস্য বোঝা যায় আর এটাতো শুধু সিনেমা।

সারাটি রাত্রি শুধু তারাদের সাথে তারাদেরই কথা হবে

"আমি কি কথা স্মরিয়া
এ তনু ভরিয়া
পুলক রাখিতে নারি
ওগো কি ভাবিয়া মনে
এ দুটি নয়নে
উথলি নয়ন বারি..."

গভীর নীল সাগরের জলে একবার ভরা চাঁদের নৃত্য দেখেছিলাম। চাঁদের আলো জলের ঢেউয়ে ঠিকরে পড়েই প্রতিফলিত হয়ে দিক বদল করে ফেলে। অন্য কোন দিকে চলে যায়। আমি বসে হারিয়ে যাই সেই প্রতিফলনে সৃষ্ট আলোকচ্ছটা দেখতে দেখতে। দূর অতীতের কোনো এক চন্দ্রালোকিত রাতের স্মৃতিতে।

স্মৃতি যেন ঈশ্বরের এক আশ্চর্য অনুদান। সময় নামক অনাসৃষ্টিটির বিরুদ্ধে সামান্য কৃপা। চলে যাওয়া সময়কে কখনো ফিরে না পাওয়া গেলেও তাই স্মৃতিকে আকড়ে সময়ের ফিকে হয়ে যাওয়া স্বাদ পাওয়া যায়।

যদি স্মৃতি না থাকতো, তাহলে হয়তো সময়ের মূল্যও অন্যরকম হতো। কষ্ট ছাড়া অনাবিল সুখের যেমন কোনো বিশেষ মূল্য থাকে না। স্মৃতি না থাকলে সময়ের ফিরে না আসার বাধ্যবাধকতা মেনে নেয়া হয়তো সম্ভব হতো না।

আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
৫/৮/২০২১
গান/আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়

আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়
আকাশ পাতাল সাধন করি,হরি খোদার সন্ধান করি ফিরে আসি ঘরের কোণায়।
আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়।।

শৈশব কালে স্কুলে যাই, নিত্য শামলা কালো এক জনের দেখা যে পাই।
হেটে হেটে চলেন যখন, শ্যমলা কালার কি করব কথন
চিনতাম না তাকে জানতাম না তাকে, আমার মনটা ঘুরতো তার প্রেম যমুনায়
আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারীর অংগের সাধনায়

দিনে দিনে দিন আসে যায়, পাহাড় নদী আকাশের সীমানায়, কত বিদ্যা হাসিল করি
ধর্ম বিজ্ঞান, প্রকৌশল বিজ্ঞান, চিকিৎসা বিজ্ঞান
আরো কত জ্ঞান হাসিল করি
কোন জ্ঞান এর পরিসীমা নাই, বাড়তে থাকে যতই সন্ধান চালাই
কি বলব আমি কি করব আমি সদাই ফিরি ঘরের কোণায়
আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারীর অংগের সাধনায়।।

তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২/৮/২০২১
গান/ তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি।

তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাঁটি নয়কি ফাঁকি।
তোমায় পাবার ছলে তোমায় ভুলে থাকি

স্রোতের নদী বাঁধতে গেলে ফুলে ফেঁপে উঠে
কঠিনতম বাধ দিতে পারলেই স্রোতের গতি ঠেকে
যতই আমি বাঁধ দিতে যাই ততই আমি হারিয়ে যাই
ততই ভালোবাসা কি যে মধুর দেখতে পেয়ে আতকে উঠি একি।
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাটি নয়কি ফাঁকি।

দু-চার ঘন্টা যদি থাক দুরে কি যে ব্যাথা হয় বুঝাবো কি করে
মোবাইল স্ক্রিনে বারবার দেখি তোমার SMS এলো নাকি
কল বা SMS না পাই যখন, মর্ম যাতনা বাড়ে তখন
আমিই তখন লাজ লজ্জা ভুলে আবেগ গুলো লিখতে থাকি।
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাঁটি নয়কি ফাঁকি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ