অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

আবেগ

আহসান হাবিব
সিরাজগঞ্জ পাওয়ার প্লান্ট
বৈশাখ,০৩,১৪২১

কবিতাঃ আবেগ

এত আবেগ ঢেল না
আমি ডুবে যাব,
আর তুমি-
সেই সে ভয়ে
নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়া
আমার আবেগের সীমানা থেকে।
কিন্তু পেরেছে কি?
ভেবে দেখ।

অন্য আর একজন
চায় শুধু চায়...আবেগ।
ঢালো আবেগ
আরো ঢাল
আবেগে
আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাও
ডুবিয়ে দাও
দিগন্ত প্রসারিত দু বাহু ভরে
তত টুকু আবেগ দাও
যা সমুদ্রের থেকেও গভীর
যে সমুদ্রে আমি সন্তরণ করব
কখনও ডুবে যাব।
আকাশের থেকে উঁচু
যেখানে আমি মনো হাওয়াই জাহাজে উড়ে বেড়াব।
দিগংগনা হতে দিগংগনায়।
ঝরনার চেয়েও স্বচ্ছ সরোবর
যেথায় হংস হংসী হয়ে জলকেলি করব
নিঃশ্বাসের চেয়েও হবো প্রিয়।
সেই সে তপ্ত নিশ্বাসে
আপন মনে তাপিত হব
যাপিত হব
হিমালয়ের চেয়েও শক্ত হবো।
যাতে দুজনা দুজনাকে
এমননি ভাবে বেঁধে নিব
জনম জনমতক হব নাকো...।
-সমাপ্ত-

প্রার্থনা

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২০২১.০৪.১৫

প্রার্থনাঃ
সেহরী খেয়েছিস, না খেলে খেয়ে নে
আর ক মিনিট বাকি।
মুয়াজ্জিন উচ্চস্বরে উঠিবে ডাকি
তাই ত্বরা কর, ওজু করে তৈরী হয়ে নে।
শুধু কি মজজিদে মন্দিরেও যে বাজিবে ঘন্টা
গীর্জা প্যাগোডা, পশু পক্ষীর ঘরে বাদ যাবে কোনটা
এই যে দিনের আগমনে, কিংবা সন্ধা ঘনিয়ে এলে
প্রকৃতির সকল প্রাণী, সকল জীব আপনা আপনা বোলে
গাহিছে প্রভুর গুনগান কৃতজ্ঞতার স্বরে
হে প্রভু ক্ষমা মাগি তব কাছে আপনা আপনা গুনাহের তরে।।
ক্ষম ক্ষম মোরে, পরীক্ষা করোনা মোদেরে
করেনা বা করোনা সম বালা মসিবত দিয়ে জগতেরে।

এই দুনিয়ায় কে হবে না সংগী

আহসান হাবিব //এই দুনিয়ায় কেউ হবে না সংগী
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২০২১.০৪.১১

এই দুনিয়ায় কেউ হবে না সংগী যতই তুমি কাউকে চাও
স্বার্থ ছাড়া সংগী হয়না কেউ, কেউ হয়না কারো বাও।
এই দুনিয়ায় কেউ হয় না সংগী যতই তুমি কাউকে চাও

মাওলার সাথে বাও হইলে দিলে দিল যায় মিলে
এই দুনিয়া ফানুস লাগে মাওলার ভাব পাইলে
খাবার দাবার পানি পিপাসা, না মিটিলেও যায় না পিয়াসা
সদাই তোমার রয় সে দিলে দেখতে চাইলে দেখতেও তুমি পাও।
এই দুনিয়ায় কেউ হয় না সংগী যতই তুমি কাউকে চাও
স্বার্থ ছাড়া সংগী হয়না কেউ, কেউ হয়না তোমার বাও।।

চোখের আলো না থাকিলে দেখা না যায় জগতটাকে
মনের আলো জ্বেলে দেখতে হয় মওলার অস্তিত্বকে
একবার তার পাইলে দর্শন, মওলায় তোমায় দর্শন দিলে
সেই হবে তোমার ধ্যান জ্ঞান স্বপন
শয়ন কিংবা স্বপনেতে সদাই রবে তোমার সাথে যখন যেথায় যাও।
এই দুনিয়ায় কেউ হয় না সংগী যতই তুমি কাউকে চাও

মনটা ছিল মনের ভিতর

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২০২১.০৪.০৯
গানঃ
মনটা ছিল মনের ভিতর শরীরটা ছিল দুরে
অনুভবে মন ছটফট করে কখন পাব তারে
শরীরে শরীর মিলনে দিলটাই গেল উড়ে
মনটা ছিল মনের ভিতর শরীরটা ছিল দুরে

বুজানের বর চাকরি করে কাড়ি কাড়ি টাকায়
জমিন জিরাত কিনছে গ্রামে ফ্লাটভি আছে ঢাকায়
তোমার শালার চাল কিনার টাকা
জোগার হয় ধার করে
অনুভবে মন ছটফট করে কখন পাব তারে

তুমি কি আজ দাঁত মাজনি মুখের গন্ধ লাগে
আহ্ ঠোট দুটা মন চায় কামড়িয়ে খাই, দেখা হলে আগে
এখন শুইতে গেলে উল্টা দিকে শোয় দেখতে নারি তারে।
অনুভবে মন ছটফট করে কখন পাব তারে

সারারাত ভরে দেয়ালে লিখেছি তার নাম ভালোবাসি তোমারে
আমার ভালবাসার সাগর কত বড় দেখাতে তাহারে
এখন কোথাও তাহার নাম দেখিলে, বাহির হতে ঘরে এলে দেখতে চাই না তারে
অনুভবে মন ছটফট করে কখন পাব তারে।।

ভূলে ভরা জীবন আমার

আহসান হাবিব //ভূলে ভরা জীবন আমার ভূল করি ক্ষণে ক্ষণে
হাসনাবাদ
২০২১.০৪.০৭
গানঃ
ভূলে ভরা জীবন আমার ভূল করি ক্ষণে ক্ষণে
সদা আকুলি ব্যাকুলি মন ভুল করারই জন্যে।

সুন্দর সুন্দর ফুল দেখিয়া গেলাম গন্ধ নিবার আশে
গিয়ে দেখি সে ফুলের গন্ধ নাই মেতেছি অন্য ফুলের সুবাসে
এমনি শত ভুলন করিয়া, সুদে আসল শেষ করিয়া
এসেছি জীবন নদীর সায়াহ্নে
সদা আকুলি ব্যাকুলি মন ভুল করার জন্যে।

সদাই মেতেছি নারি প্রেমে, সদাই ভালবাসার ভ্রমে
লাঠিম সম ঘুরেছি বিশ্ব চরাচরে
কোথাও তাদের দর্শন না মেলে, তাও ঘুরেছি সকল ফেলে, ঘুরেছি জীবন ভরে
ঘুরাঘুরির শেষ যে কোথা,জীবন ভাবে বসিয়া হেথা,
কখন যে জিন্দেগী শেষ হলো, কখন এলাম সায়াহ্নে
সদাই আকুলি ব্যাকুলি মন ভুল করার জন্যে।
ও মাওলা
দিগন্তে মরুভূমি দিগন্ত বৃক্ষকুল, সকলই তোমার সৃজন তোমার সৃষ্টি ফুল
মরুভূমির মরিচিকা,বৃক্ষরাজির ছায়া ঢাকা,
সৃষ্ট যত কিছু আছে

ছোট হতে চাইলেই কি

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ
২০২১/৩/৩০

ছোট হতে চাইলেই কি আর ছোট হওয়া যায়
যে দিন চলে গেছে সেদিন কি আর ফিরানো যায়।

কিশোর বেলা গেল হেলাফেলা খেলায় মেতে
যৌবন গেল উড়ন্ত ভাবনার আবেগেতে
আমিই সেরা আমিই বেশ, এভাবনার হায় হয় না শেষ
ভাবতে ভাবতে জীবন নদীর পরপারে কখন যে এসে গেছি ভাবিতে না পায়।
যে দিন চলে গেছে সেদিন কি আর ফিরানো যায়।

নারীর প্রেমেতে মজি, হয়েছি বিবাগী,শূন্য হয়েছে সাজি
ঘুমহারা রাতে ঘুম ভেগেছে সকাল না হতে
নিত্য এহেন নাগর দোলায়, জীবনের ফেরি খেলায়
কখন যে তীরে ভেলা, লেগেছে লাগিয়ে দোলা
বুজিতে না পায়।
যে দিন চলে গেছে সেদিন কি আর ফিরানো যায়।

সি রামচন্দ্র, রান্নার গ্যাস কিংবা চলমান ডিপ্রেশন!

আজ একটা ব্লগ লেখতে ইচ্ছে করছে খুব। কিছু লেখা আছে ফেসবুকে লিখতে ইচ্ছে করে না, কোনো নিউজ এজেন্সির জন্য তুলে রাখা হয় না, কারো সাথে বলাও হয় না, তা খালি ব্লগেই লিখতে ইচ্ছে করে। ব্লগার ছাড়া আমাদের আর বলার মতো পরিচয় কি? আমার বন্ধু বান্ধব তো সব ব্লগ সূত্রেই। এর বাইরে ছিল যারা তারা কেউ আছে কেউ বা গেছে। আজ সকালে আমার ঘুম ভেঙ্গেছে আজানেরও আগে। ঘুমিয়েছি মাত্র তিন ঘন্টা। উঠেই মনে পড়লো রাসেল ভাইয়ের কথা। লোকটা আর নেই, চাইলেও আর পাওয়া যাবে না। আমরাবন্ধুর কিছু পোষ্ট ছাড়া রাসেল ভাই বিলীন হয়ে গেলেন এই ব্যস্ত শহর থেকে। মন খারাপ নিয়ে রাসেল ভাইয়ের কিছু পোষ্ট পড়লাম। আকাশ ফর্সা হতে হতেই একটা অন্য চিন্তায় চলে গেলাম। এমন যদি হতো আমরা মৃত্যুর পরেও খালি ব্লগ লিখতে পারবো কেমন হতো। বেঁচে থাকতে কত কথা বলা হয় না। ইগো, রাগ, ঘৃণা কিংবা ভুল ধারনায় কত কিছু নিয়ে আমাদের অব্যক্ত থেকে যায় সেই কথা গুলো শোনা যেত।

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

১৯৮৫ সালের ঘটনা। লাহোর স্টেডিয়ামে তৈরি মঞ্চে ধীরে ধীরে উঠে এলেন ইকবাল বানো। তাঁর পরনে কালো শাড়ি! এ যেন রবীন্দ্রনাথের ‘পূজারিণী’ কবিতার শ্রীমতী; চরম বুদ্ধ-বিরোধী রাজা অজাতশত্রুর নিষেধ অমান্য করে, মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে যে স্তূপে অর্ঘ্য সাজাতে চলেছেন।
সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউল হক পাকিস্তানের নারীদের জন্য ‘হিন্দুয়ানি পোশাক’ শাড়ি পরা নিষিদ্ধ করেছিলেন। নিষিদ্ধ করেছেন বিখ্যাত প্রগতিবাদী উর্দু কবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজের গান বা কবিতার চর্চা। সামরিক শাসকের সেই ফরমানকে তুচ্ছ জ্ঞান করে ৫০ বছরের এক সাহসী গজলশিল্পী ইকবাল বানো মঞ্চে উঠলেন শাড়ি পরে। তিনি গাইবেন সেই নিষিদ্ধ কবি ফয়েজের গান, যিনি মারা গেছেন এক বছর আগে। হাজার হাজার দর্শকপূর্ণ স্টেডিয়ামে দর্শকের উল্লাসধ্বনির মধ্যে ইকবাল বানো গেয়ে উঠলেন,
হাম দেখেঙ্গে, হাম দেখেঙ্গে
লাযিম হ্যায় কি হাম ভি দেখেঙ্গে;
আমরা দেখব, আমরা দেখব
নিশ্চিত জানি, আমরাও দেখব;

সত্য বলা না বলা

সত্য বলা না বলাঃ সাহাদাত উদরাজী

মাঝে মাঝে মনে মনে ভাবি,
কিছু সত্য কথা চিৎকার করে বলে ফেলি,
পরিনাম যা হবার তাই হউক,
জেল জরিমানা গৃহত্যাগ বঞ্চনা লাঞ্ছনা
কিংবা আরো কঠিন কিছু!

কিন্তু পরমূহুর্ত্তেই মনে পড়ে,
এই প্রাণের সাথে আরো কয়েকটা প্রাণ জড়িয়ে আছে,
তাদের মমতা মাখা মুখ গুলো,
আমার সত্য ভাষণে কি কষ্টেই না পড়ে যাবে!

ফলে চুপচাপ দেখে যাই,
চুপচাপ শুনে যাই,
চুপচাপ হজম করি,
চুপচাপ সহ্য করে নেই!

তবে অন্তরে অন্তরে বলি শুধু,
বিধাতা তোমার যা খুশি করো,
নিয়তি দেখার জন্য কিছু কাল শুধু বাঁচিয়ে রেখ,
বিবেকহীনের যদি কখনো শুভবুদ্ধির উদয় হয়!

(মালিবাগ রেলগেইট এলাকা ২২/০২/২০২১ইং)

রাসেল ভাইয়ের স্মরণসভায়!

রাসেল ভাইকে নিয়ে কিভাবে কথা বলা সম্ভব এটা আমি এখনো খুঁজে পাইনা। আসলেই রাসেল ভাইকে নিয়ে এত কিছু কি বলার আছে? রাসেল ভাই তো আমাদের দিকে তাকিয়েই বুঝে যেত মজা করার হাসি কিংবা আড্ডার ভালোবাসা। রাসেল ভাইও কি এত বলাবলি পছন্দ করতেন। উনি হলে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতেন। উনার চার্মই ছিল সবকিছু দেখা, কথা বলে বুঝে নেয়া। তারপর লেখায় নির্মোহ ভাবে হিউমার মিশিয়ে তা নিয়ে একটা বিকল্প মতামত দেওয়া। তবুও জীবনে কখনো আনুষ্ঠানিকতা তো রাখতেই হয়। সেই আনুষ্ঠানিকতা থেকেই আমরা আজ বিকালে পরীবাগে গেলাম, যে আমি ছুটিরদিন কোথাও যাই না।

বহু সাধনায় ধরেছি হাত

আহসান হাবিব / বহু সাধনায় ধরেছি হাত
হাসনাবাদ সেনা ক্যাম্প
১০/২/২০২১
বহু সাধনায় ধরেছি যে হাত হাততো ছাড়বো না
আমরা হাততো ছাড়বো না।
উডাল পাতাল ঢেউ বা ঝড়ের রাতে পথ হারাবো না।
আমরা হাততো ছাড়বো না।
বহু সাধনায় ধরেছি যে হাত হাততো ছাড়বো না
আমরা হাততো ছাড়বো না।

জীবন নদীর চলার পথে সোজা কিংবা উল্টা রথে
কালবৈশাখীর ঝড়ের রাতে সব কিছু যদি হয় হারাতে হয়
সকল কিছু হারাবো তবু।
হাতে হাত রেখে যাব হাততো ছাড়বো না।
আমরা হাততো ছাড়বো না।
বহু সাধনায় ধরেছি যে হাত সে হাত ছাড়বো না

মওলা তুমি সাজিয়ে মেলা উপরে বসে দেখছ খেলা
আমরা যত কাঠ পুতলা, খেলে যাচ্ছি সকাল সন্ধ্যা বেলা
খেলতে খেলতে যায় যে বলা, অনেক খেলা খেলতে বাকি খেলা হলো না।
তবু আমরা হাততো ছাড়বো না।
বহু সাধনায় ধরেছি যে হাত সে হাত ছাড়বো না

মোরা আর জনমে

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ
৮/১/২০২১
মোরা আর জনমে কি ছিলাম জানিনে কি ছিলাম
এই জনমে মানব রুপে এই ধরাতে এলাম
এ জনমে মানবের সাধ পূর্ণ হলো তোমায় পেয়ে গেলাম।
মোরা আর জনমে কি ছিলাম জানিনে কি ছিলাম

এই যে পুকুর এই যে নদী এই যে সাগর বেলা
ঘুরেছি ফিরেছি, হেসে খেলে কাটিয়েছি কত বেলা
এ জনমে মানবের সাধ পূর্ণ হলো তোমায় পেয়ে গেলাম।
মোরা আর জনমে কি ছিলাম জানিনে কি ছিলাম।

মনের ছোট্টো পাখায় ভর করে উড়িতে চেয়েছি ঔই আকাশ
খনিক উড়েছি আর পড়েছি উড়ার হয়নি অবকাশ
এ জনমে মানবের সাধ পূর্ণ হলো তোমায় পেয়ে গেলাম।
মোরা আর জনমে কি ছিলাম জানিনে কি ছিলাম

না যেও না যেও না গো

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ সেনা ক্যাম্প
৪/১/২০২১
না যেও না যেও না গো//গান

না যেও না, যেও না গো, রজনী এখনো বাকি। শুকতারা উঠেছে কি? সাজি ভরেনি ফুলে,
আরো কিছু নাও গো
না যেও না যেও না গো।

হেলায় ফেলায় কাটলো রাতি, কুঞ্জে ডাকেনি পাখি
কত কথা বুকে রেখেছি গাথি, হলো না হলো না বলা ওগো।
না যেও না যেও না গো।
এই তো সেদিন এলে দ্বারে, সাধ না মিটিতে শর বিধা পাখিটারে।।
রেখে একেলা কোথায় যাবে চলে, যেও না, না যেয়ো না গো।

যে তোমাকে বাসিল ভাল

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ
৪/১/২০২১

যে তোমাকে বাসিল ভাল//গান

ভালোবাসা যদি না খাটি কি হবে আর কাঁদিয়া
যে তোমাকে বাসিল ভাল যেও না তাকে ছাড়িয়া।

আষাঢ় শ্রাবণ ঝড়ো বৃষ্টি পানি থৈ থৈ করে
নদীর জলে বান ডেকে যায় ভেসে যায় জোয়ারে
প্রেম সাগড়ে মাস লাগে না সদাই যায় বান ডাকিয়া
যে তোমাকে বাসিল ভাল যেও না তাকে ছাড়িয়া

ফাল্গুন চৈত্রে ভীষণ খরা মাঠ ঘাট ফেটে চৌচির
চাতক চাহে উর্ধাকাশে প্রাণীকুল তৃষ্ণায় অস্থির
প্রেম সাগড়ে খরা এলে কাটে না জনম ভরিয়া
যে তোমাকে বাসিল ভাল যেও না তাকে ছাড়িয়া

কেউ কি জানে

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ
১/২/২০২১

বন্ধু দ্বিজেন,
চাটগায়ের সি এস ডির শূণ্য বেঞ্চে দুজনে কত দিন সন্ধার পর গুনগুনিয়ে কাটিয়েছি।
আজ কেন জানি তোমাকে খুব মনে পড়ছে।
তুমি কি আমার মনের আকুতি শুনতে পাবে।
পেলে চলে এসো ঘুমের ঘোরে, মুছিয়ে দিতে মম আঁখি জল।
কেউ কি জানে// গান
(তোমাকে উৎসর্গীকৃত)

আমাার প্রাণের যে জন কেউ কি জানে, কেউ কি জানে।
আমার গানের দোলা লাগে কি তাহার প্রাণে
কেউ কি জানে, কেউ কি জানে।
কোকিলের কুহু কুহু কিউ, যমুনার ছলছল ঢেউ
সকাল সাঝে বুকের মাঝে তুলে যে বিরহের ঢেউ
এই বিরহের ঢেউ দেয় কি দোলা তাহার প্রাণে
কেউ কি জানে, কেউ কি জানে।
আমাার প্রাণের যে জন কেউ কি জানে।।

ধানের ক্ষেতে পবন ঢেউ তুলে, যায় চলে যায় কোন হিয়ার তলে
ওই বিরহী কেকা, বন বাদারে ডাকে একা একা
এই বিরহের সুর দেয় কি দোলা তাহার প্রাণে
কেউ কি জানে, কেউ কি জানে।
আমাার প্রাণের যে জন কেউ কি জানে।।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ