মিদুল'এর ব্লগ
চোখের জল হয়ে ওঠে ছল
ভালোবাসা, প্রেম, প্রণয় ও পরিণয়- শব্দগুলো একে অন্যের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে। এদের সাথে আরও একটি শব্দ অঙ্গাঙ্গিভাবে সম্পৃক্ত, আর তা হলো ভালোলাগা। এই ভালোলাগা থেকেই ভালোবাসার জন্ম। কিংবা অন্যভাবে বললে ভালোলাগাই হচ্ছে ভালোবাসার সুতিকাগার। ভালোবাসা মানুষের এক গভীর মনোদৈহিক অনুভূতি। এ অনুভূতি সকলের মাঝেই প্রবাহমান। প্রতিটি সম্পর্কের ভিত্তিমূল এই ভালোবাসা। যেখানে ভালোবাসা নেই সেখানে সম্পর্ক মূল্যহীন। ভালোবাসা অন্তঃমানবিক সম্পর্ককে দৃঢ় করে। আর ভালোবাসা হ্রাস পেলে ব্যক্তি সর্ম্পকে অবনতি ঘটে। পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তি যে ভালোবাসা সেই ভালোবাসার প্রকাশ ভঙ্গি একেকজনের কাছে একেক রকম। প্রকৃত পক্ষে ভালোবাসা পূর্ণতা পায় বহিঃপ্রকাশের মধ্য দিয়ে। ভালোবাসা মানব মনের এক ধরনের আবেগজনিত অনুভূতি। এই আবেগেই মানুষকে ভালোবাসতে তাড়িত করে। আবেগ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ ঊসড়ঃরড়হ। ল্যাটিন শব্দ ঊসড়াবৎব থেকে যার উৎপত্তি।
ভালোবাসি !!! ...
এক তরুণের কথা না বললেই নয়। তিনি ন্যাট বাগলে, মার্কিন তরুণ। ভালোবাসার গল্প শুনতে শুনতে তিতে হয়েছে উঠেছে তার মন। তবে এক পর্যায়ে স্ক্যান্ডাল ও ডিভোর্স এবং অপার্থিব রূপকথার গল্পে আগ্রহ বাড়ে তার। এক ছেলেমানুষি করে বসলেন তিনি। যে চাকরিটা করতেন তা ছেড়ে দিলেন। আর কিছু সঞ্চয় নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একটিই- নানা প্রান্তে ঘুরে ভালোবাসার গল্পগুলো খুঁজে বের করা। এ সফরে আমেরিকার আনাচে-কানাচ থেকে তিনি অসংখ্য জুটির সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এবং বের করে এনেছেন প্রায় ১০০টি সত্যিকার ভালোবাসার অসামান্য গল্প।
আশ্চর্য ভুতের গল্প ( সত্য ঘটনা)
আজকে আপনাদের সাথে ছোট কিন্তু সত্য একটা ঘটনা শেয়ার করবো।
আমাদের গ্রামের বাড়ি নড়াইলে। বাস থেকে নেমে ১৫ মিনিট মেঠো পথ দিয়ে হেঁটে যেতে হয়। আমি প্রতি ১৫ দিনে একবার করে যেতাম বাড়িতে। এখন দেশের বাইরে থাকি তাই যাওয়া হয় না। আপনাদের সাথে যেদিনের কথা শেয়ার করবো তখন আমি ইন্টারে পড়তাম। ঢাকা কলেজে। কলেজ হটাত একদিন বিকালের দিকে বন্ধ দিলো কিছু রাজনৈতিক কারণে। ভাবলাম বাসায় চলে যাবো। মাকে ফোন করে জানালাম। কিন্তু স
েদিন বাসায় রাতে আমাকে আনতে যাবার মতো কেউ ছিল না। তাই মা বললেন আসিস না। আমি তবু জিদ করে গেলাম।
বাস থেকে নেমে হাঁটা ধরলাম বাড়ির দিকে। রাস্তা পরিষ্কার। তখন শীতের শুরু। তাই মানুষজন একদমই নেই। রাস্তায় কিছুদূর যাবার পর একটা ডোবা পড়ে। তার পাশেই এক বিশাল তাল গাছ। এখানে নাকি অনেকেই খারাপ জিনিস দেখেছে। যদিও আমার সাথে কখনো এমন কিছু ঘটে নি। এবার অনেকদিন পরে বাসায় যাচ্ছি, তাই আনন্দিত ছিলাম।
বন্ধু আমি শুধু তোমার !!!,,
নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা । আজ আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস । এইদিনে মিলিয়ে দেখুন, কে কতোটুকু কার “বন্ধু” ……… আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… আমার সাথে কথা বলতে হলে আগে তোমাকে ভাবতে হয় ...... আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… আমার উপস্থিতি তোমাকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয় .............. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তোমার জন্যে আমি কিছু করলেই তুমি আমাকে “ধন্যবাদ” দাও ................. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তুমি আমাকে “স্যরি” বলো কথায় কথায় ............ আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তোমাকে সাহায্য করার জন্যে আমাকে বলা যায় কিনা এমোন ভাবছো ………….. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তোমার জীবন সম্পর্কে ধারনাগুলোর কথা আমি জানতে উৎসুক হবো কিনা, এ নিয়ে তুমি ভাবনায় পড়.................. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… আমি যা বলি তুমি তা-ই শোন কিন্তু কখোনই বোঝনা, কি আমি বলতে চাইনি ............
ভালোবাসার এক অদ্ভুত কাহিনী!
-কাল বিকেলে আমার সাথে যেতে পারবি?
-কোথায় ?
-আগে বল পারবি কিনা ?
-হ্যা পারবো ।
ভার্সিটি থেকে ফেরার পথে সাবিহা প্রায়ই এমন বায়না ঘরে ।তানিম কখনো না বলতে পারে না হয়ত পারবেও না ।সাবিহাকে সে ভালবাসে তবে বলতে পারে না ।সেই কলেজ থেকে তারা একে অপরের বন্ধু ।
.
তানিম জানে কোথায় দেখা করতে হবে ।তাই পরদিন সেই বকুল গাছের নিচে সাবিহার সাথে দেখা করে ।
.
সাজলে তাকে বেশ সুন্দর লাগে, কিন্তু মুখ ফুটে প্রশংসাটা করতে পারেনা তানিম ।
তারা যখন একসাথে থাকে তখন সাবিহার হাসিখুশি মুখের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে তানিম।
এভাবে যেন হাজার বছর কাটিয়ে দেয়া যায় ।
তবে আজ পরিবেশটা কেমন যেন থমথমে ।দেশের পরিস্থিতি ভালো না তাই তারা দুজন সেদিন বাড়ি ফিরে যায় ।
.
.
.
বেশ কিছুদিন হল ভার্সিটি বন্ধ, সেই রাতের পর থেকে দেশটা যেন কেমন হয়ে গেছে ।সন্ধ্যা হলেই মিছিলের আওয়াজ শোনে সাবিহা ।অনেকদিন তানিমের সাথেও দেখা নেই ।
.