ইউজার লগইন

টুটুল'এর ব্লগ

গোলাম আযমের রায়... এবং বাংলাদেশের গালে একটি চপোটাঘাত

রাষ্ট্র পক্ষের গাফিলতি:
"

বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীর বলেন, ‘রায় দিতে তিন মাস লেগেছে বলে অনেকে আমাদের সমালোচনা করেছেন। সমালোচনা করতেই পারেন, কিন্তু আমাদের কিছু সমষ্টিগত সমস্যা আছে। আমাদের ট্রাইব্যুনালে এক সেট স্বাধীনতাযুদ্ধের দলিলপত্র ছাড়া আর কোনো আইনের বই নেই, সেটাও দুই ট্রাইব্যুনাল শেয়ার করে পড়তে হয়। গত ৪০ বছরে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে শত শত বই লেখা হয়েছে, কিন্তু সেগুলো রাষ্ট্রপক্ষ আমাদের দেয়নি, আমরাও পাইনি। বিভিন্ন জায়গা থেকে রেফারেন্স সংগ্রহ করে আমরা রায় সমৃদ্ধিশালী করার চেষ্টা করেছি। তার পরও আমরা সন্তুষ্ট হতে পারিনি। এ জন্য রায় দিতে বিলম্ব হয়েছে।

"

এ দায় কার? এটা তো সরাসরি সরকারের ব্যর্থতার কথা। তারা সঠিক ভাবে ট্রাইবুনাল এবং এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়াদি সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থতার বয়ান শুনলাম।

২. বিচার কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করে যে বিষয়গুলো

জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ পাচ্ছেন আহমাদ মোস্তফা কামাল : অভিনন্দন কামাল ভাইকে

বইপড়ুয়া মনষ্ক পাঠকের কাছে "আহমাদ মোস্তফা কামাল" অনেক আগেই পৌঁছে গিয়েছেন, জয় করে নিয়েছেন তাদের চিত্ত। বলা যায়, আহমাদ মোস্তফা কামাল বাংলা সাহিত্যে একটি সমীহ জাগানো নাম। আমরাবন্ধু ব্লগে তাঁর সরব উপস্থিতি রয়েছে।

কামাল ভাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি, সঙ্গে শুভকামনা অনেক-অনেক।

পুরষ্কার যেটাকে আমরা আসলে কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই গ্রহন করি। দীর্ঘদিন ধরে কোন একটা কাজ গেলে আমাদের আম-জনতার ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটে বেশীর ভাগ সময়েই। আমাদের ধরে রাখতে পারি না। কিন্তু একজন সাহিত্যিক দীর্ঘ দিন ধরে পরিকল্পনা করেন, যাচাই বাছাই করেন, লেখার প্লট নির্মাণ করেন, মানুষের সংস্পর্শে এসে তাদের ভেতরের মানুষটাকে, চিন্তা চেতনাকে নিজের মধ্যে নিয়ে আসে। এরও অনেক পরে অনেক যাচাই বাছাই শেষে সে গল্পটা বলা শুরু করে।

অনেকেই সমস্যায় পরছে ফুলফ্রেম আর ক্রপ বডি নিয়ে। আসলে বিষয়টা কি?

SLRএর সময় কালে কিন্তু এরম ফুল/হাফ (ক্রপ) বলতে কিছু ছিল না... ক্যাচাল্ডা লাগছে DSLR আসার পরে। এর লাইগ্গা সেই আমলের লুকগো এইসপ ক্যাচালে মাথা ঘামাইতে হয় নাই... মনোযুগ দিয়া খালি ফটুক তুলছে। তয় তাগোরে দুকানে যাইয়া এক্টা ফ্লিম কিন্তে হইতো আর বহুত হিসাপ নিকাশ কৈরা সবকিছু ভালোমত খিয়াল কৈরা ৩৬ খান ফটুক তুলতে পারতো Wink ... কারণ ফ্লিম ক্যামেরার ক্যাপাসিটি সিল ৩৬টা ছবির Wink

যখন DSLR মার্কেটে আইলো ... ঝামেলাটা বাধলো তখন... DSLRএ কোন ফ্লিম নাই... তার বদলে বসানো হইলো সেন্সর... সেন্সরকে ব্যাপক দায়িত্ব দিয়া বানানো হইলো। ক্যামেরার ভিত্রেই ছবিটারে প্রসেস কইরা ডিসপ্লেতে দেখানোরমত এক্টা বিশাল দায়িত্ব পাইয়া বসলে এই সেন্সর ভাইজানে। ফটুক তোলার লগে লগেই ছবি জমা রাখার জন্য মেমোরী/কার্ডের ব্যবস্থাও হইলো। তো এই সেন্সরের সাইজটা আসলো SLR এর ফ্লিমের স্ন্যাপের মাপে ;)। এইখানে একটা মজার বিষয় আছে... এই ফ্লিম ক্যামেরার প্রত্যেকটা স্ন্যাপ/ছবির জন্য যেই জায়গা... সেইটার মাপ হইলো 24mm x 36mm যেটাকে ৩৫মিমি ফ্লিম বলা হয়। আর ফুলফ্রেমের সেন্সরের সাইজও ২৪ x ৩৬ Smile... ৩৫ মিমি।

আজ মা দিবস হোক রাসেলের মা'য়ের... হোক ঋক'ঋতএর মায়ের

ঋহান কে যখন তার মা জিজ্ঞেস করে ... "বাবা... কাকে তুমি বেশী ভালোবাসো?" ঋহান উত্তর দেয় "বাবাকে" নাজ হয়তো এমনি রাগ করে বলে "তুই আমার কাছে আর আসবি না"। দশ মাস পেটে ধরে ... এত কষ্টের শেষে ছেলের এই উত্তর? যা ফুট!!! আচ্ছা ঋহানের মায়ের মনে কি একটু চিনচিন করে? হয়তো... হয়তো না। তবে তার পুরাটাই ঘিরে আছে ঋহানের জন্য... ভালোবাসায়... চিন্তায়... চেতনায়... সুখে... দু:খে... সব সময়ে। এ ভালোবাসা... একজন মায়ের ভালোবাসা... সন্তানের জন্য ভালোবাসা...

আজ মা দিবস। সারা বিশ্বের মানুষ (যারা অফিসিয়ালী মা দিবসে মা কে স্মরণ করে) বিভিন্ন ভাবে দিবসটি পালন করছে। বাংলাদেশেও এর ছোঁয়া লাগছে... ফেসবুকে আজ স্টেটাসে হিরিক পরে গেছে। বিষয়টা আমার কাছে নেগেটিভ কিছু লাগে না... আমরা সব দিনই মাকে ভালোবাসি... একদিন না হয় একটু উৎসব কইরা ভালোবাসলাম... তাতে কি আসে যায় Smile

আমার শেষ স্মৃতিটা মার কাছে পৌঁছে দিও

রানা প্লাজা ট্রাজেডি

আহা বোন!
সূঁচ-সুতো দিয়ে কেবল নিজেদের মৃত্যু বুনে যাচ্ছো...
- ভাষ্কর

মৃত্যুকে যখন সামনে থেকে উপলব্ধি করছিলেন তখন ধসে পড়া রানা প্লাজার তিনতলায় আটকে পড়া আয়রন ম্যান দিপঙ্কর ঘোষ বলছিলেন, ‘আমার শেষ স্মৃতিটা মা’র কাছে পৌঁছে দিও।’

বুধবার বিকাল চারটায় অনেক চেষ্টা করেও যখন দিপঙ্কর বের হতে পারেনি তখন এক উদ্ধারকর্মীর হাতে তুলে দিয়েছে নিজের ব্যবহার করা মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ।

দিপঙ্করের চাচা সুদাংশু ঘোষ বলেন, “আমি কাল ১০টায় মোবাইলে এই খবর শোনার পর কুষ্টিয়া থেকে এসেছি কেবলমাত্র লাশের আশায়। তবে এসে শুনি ও তখনও বেঁচেছিলো। উদ্ধারকর্মীদের নাকি বলছিলো যে, আমার হাতটা কেটে হলেও আমাকে বের করো। আমি মরতে চাই না।”

রানা প্লাজা ধ্বসে জরুরী ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন

প্রচুর রক্তের প্রয়োজন... ব্যাগ ব্যাগ রক্ত লাগবে... শয়ে শয়ে আহত আমাদের বোন এবং ভাইয়েরা... দয়া করে যে যেখান থেকে পারেন ... সহায়তা করুন।

৮টি অপারেশন থিয়েটারে প্রায় ১৩০ জন চিকিৎসক আহতদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন। আহতদের জন্যে বিভিন্ন গ্রুপের রক্তের প্রয়োজন। যারা রক্ত দিতে আগ্রহি দয়া করে এনাম মেডিকেল হসপিটালে যোগাযোগ করুন। ...স্থান- এনাম মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, সাভার, ঢাকা।

Victims from the Savar incident are being take to Enam Medical College. They need bags and bags of blood.
PLEASE!!!
Those who can donate......here is the address of Enam Medical College:
9/3, Parboti Nagar, Thana Road, Savar Dhaka, Bangladesh.
Phone: 7743778-82
Mobile: 01718846107
============================
Give Blood Save a Life.
Contact:
Taslima Akhter 01711544544
Enam Medical 01681212777
Tuhin 01923337010

হায় ব্লগিং...

এখন টকশোতে নতুন টপিকস... ব্লগার - বলগার - বোলগার... এটা দিয়ে নাকি ইন্টারনেটে ঢোকা যায়। এরা সব নাস্তিক... এদের পেছনে এরম আক্রমণ ক্যান?

ব্লগাররা কারো নুন খায়না... সেই কারণে কারো গুণ গাওয়ারও দরকার পরে না... কারো ধারও ধারে না তারা। ভাবনায় শুধু দেশ এবং দেশের মানুষ... আর এই কারণেই ব্লগাররা অনেকের চক্ষুশূল... সে হোক না কোন রাজনৈতিক দলের নেতা অথবা ধর্মীয় নেতা অথবা ফেসবুক সেলিব্রেটি।

ব্লগাররা চোখে আঙ্গুল দিয়ে সব দেখাইয়া দেয় কেনু? কেনু? কেনু?
আর এই জ্বলুনির কারণে সকল তিড় এখন ব্লগারদের দিকে Smile ... দেখা যাক কতদূর যায়...

যেই কীবোর্ড আমরা সমাজের অন্ধকার গলি ঘুপচি জনসম্মুখে তুলে ধরার জন্য হাতে নিয়েছিলাম... সেই কীবোর্ডের কারণে জেল খাটতে হয় আমাদের। জনসম্মুখে আমাদের অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। আবার আমাদের বলা হয়, তোমাগো লাইগ্যা এই সরকার ছাড়া কোন উপায় নাই... এই সরকারকে ক্ষমতায় না আনলে ব্লগারগো কেউ আস্তা রাখবে না। মানুষের কি মিনিমাম ভব্যতা বোধও নেই... এত অসভ্য হয় কীভাবে? কথা শ্রী দেখলে গা জ্বলে রাগে।

মৃত্যুর অপচয় থামাই:: শাশ্বত এবং রাসেলকে নিয়ে ...

অনিবার্যকে উপেক্ষা করে মানুষের বেঁচে থাকবার লড়াই চিরন্তন। কিছু কিছু সংগ্রামী মানুষের দৃঢ়তা দেখে শ্রদ্ধা জাগ্রত হয়।

আজ শ্বাশত সত্যকে নিয়ে লেখা প্রতিবেদন পড়ে শ্বাশত সত্যের সংগ্রাম দেখে শ্রদ্ধায় অবনত হলাম। মৃত্যুকে অবজ্ঞা করে তার বেঁচে উঠবার লড়াইয়ে সঙ্গী হতে অনুরোধ করতে পারি। কাউকে বাধ্য করতে পারি না।

মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও মরিয়া মানুষ অসম্ভবের ডানায় ভর করে বেঁচে উঠবার স্বপ্ন দেখে। মানুষের প্রতি মানুষের আস্থা আর বিশ্বাসের প্রতিদান দিতে পারে শুধু মানুষ।

আমারা সম্মিলিত ভাবে একজন শাশ্বত সত্যকে বাঁচিয়ে তুলতে পারি।

rasel
ক্যাম্পেইনে ঋককে নিয়ে রাসেলের অংশগ্রহন।

মওদুদী

ধরুন আমি লিখলাম, "মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানবিক দূর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না। অর্থাৎ তিনি মানবিক দূর্বলতার বশীভূত হয়ে গুনাহ করেছিলেন।" - আপনি আমাকে কি ভাববেন? বলবেন হারামজাদা তুই একটা নাস্তিক। ঠিক কিনা? এমনটা ভাবাই স্বাভাবিক।

তারপর ধরুন আপনাকে আরো চুলকানী দিতে আমি লিখলাম, "মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে মনগড়া কথা বলেছেন এবং নিজের কথায় নিজেই সন্দেহ পোষণ করেছেন" এবার তো নিশ্চিন্ত হয়েছেন আমি নাস্তিক।

মনে করেন আমি সাইকো নাস্তিক, আপনার ধর্মানুভুতিকে আরো নির্মম ভাবে আঘাত করার জন্য লিখলাম, "হযরত মুহাম্মদ (সা.) রিসালাতের দায়িত্ব পালনে ত্রুটি করেছেন, তাকে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।"

এতক্ষনে নিশ্চয় আমার গুষ্টি উদ্ধার করেছেন? আপনার জায়গায় আমি থাকলে, আমি নিজেও করতাম। কিন্তু আপনাকে বলি, থামেন ভাই! এটা আমার কথা না। আমি এই সব লিখি নাই, এই সব লিখেছেন, জামাতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা জনাব আল্লামা আল্লামা মওদুদি সাহেব। কিন্তু একি!!! আপনি আমার দিকে এই ভাবে তাকাচ্ছেন কেন? আমাকে ঝাড়ি দিয়া বললেন, ফাইজলামি কথা বলস? কোন রেফারেন্স আছে? কোন তথ্য প্রমান আছে??

আমি ক্ষুদ্ধ... হতাশ সরকারের আচরনে...

কি যে লিখি.. কি যে লিখবো... বুঝতেছি না ... পুরাই তব্দা মাইরা আছি... কষ্টটা গলার কাছে আটকাইয়া আছে... গিলতেও পারছি না ... কীভাবে রাসেল'এর সামনে গিয়ে দাঁড়াব? ওর বাচ্চাটার দিকে তাকালে হুহু করে কান্না আসে... নিজের ছেলের কথা মনে হয় ... রাসেলের ছেলে ঋক জানে না ওর বাবার কি দোষ... লেখালিখিই যদি দোষ হয় তাইলে কি ঋক লেখাপড়া শেখা ছেড়ে দিবে? লেখাপড়া শিখে যদি বাবার মত লেখালিখি করতে আগ্রহ হয় তাহলে আবার জেলে যেতে হবে... শুধু কি জেল? আমাদের বাইঞ্চোৎ মিডিয়া গুলো ডিবির প্রেসক্রাইব করা ছবি তাদের মিডিয়াতে প্রচার করছে সমানে। সামনে তাদের প্রিয় কম্পিউটার গুলো। ভাবটা এরম যে, তারা এই কম্পিউটার গুলো চুরি করেছে এবং ডিবি সেইগুলো উদ্ধার করেছে। কি এক অসভ্য দেশে বাস করছি। পুরাই তব্দা মাইরা গেলাম Sad

কয়েকদিন আগে একজন বিচারককে এভাবে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলার অপরাধে আদালত খেইপা গেলো... তাও মাদকদ্রব্য সহ হাতেনাতে ধরাপরার পরও বিচারে অপরাধী প্রমানের আগে অপরাধী হিসেবে ছবি ছাপানোর জন্য আদালত পুলিশকে জবাবদিহি করতে বলে।

রিয়ালিটি শো : কে হতে চায় ফেইসবুক স্টার

সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে রিয়ালিটি শো হবে। বহুজাতিক কোনো প্রতিষ্ঠান স্পনসর করবে সেই শো। সারা দেশ থেকে অংশ নেবে অসংখ্য প্রতিযোগী। প্রতিযোগীদের স্ট্যাটাস, লাইক, কমেন্ট ইত্যাদি দেখে মন্তব্য করবেন বিচারকের আসনে বসা বাংলাদেশের ফেসবুক স্টাররা। কেমন হবে সে মন্তব্যগুলো? ভেবেছেন আলিম আল রাজি এঁকেছেন জুনায়েদ

বিষয়: ফেসবুক স্ট্যাটাস
বিচারকের মন্তব্য: হ্যাঁ, ঠিক আছে। তোমার স্ট্যাটাসের শুরুটা ঠিক ছিল, তবে তৃতীয় লাইনে এসে একটু ছন্দপতন হয়েছে। আর মাঝখানে কিছু জায়গায় তুমি একটু সরে গেছ মূল বক্তব্য থেকে। আরেকটা ব্যাপার, স্ট্যাটাস দেওয়ার সময় ডান হাতটা কি-বোর্ডের আরেকটু কাছে রাখতে হয়। বাঁ হাত দিয়ে থুতনিটা মাঝে মাঝে চুলকাতে হয়। আর পা দুটো একটু দোলাতে হয়। ঠিক আছে? ব্যাপার না, প্রতিদিন রেওয়াজ করলে ঠিক হয়ে যাবে এসব ছোটখাটো ভুল-ত্রুটি।

বিষয়: কমেন্ট

শাহবাগ আমার চেতনার নাম...

বেশ কিছুদিন থেকেই কিছু লোকজন ইনিয়ে বিনেয়ে বলতেছে যে, শাহবাগে লোক নাই ক্যান? কোথায় গণজাগরণ? মিডিয়ার সব ছবি ভুয়া... ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা। এদের কথা শুনলে বাঁশের কেল্লার কথা মনে পড়ে। এই অবসরে অনেকের লুঙ্গি দেখলা ঢিলা হইয়া গেছে।

তাদের জন্য বলি
শাহবাগ এখন আর শাহবাগে নেই... ছড়িয়ে পরেছে সারা দেশে... শাহবাগ এখন একটা চেতনার নাম... যে চেতনা আমার হৃদয়ে... যে চেতনাকে ধারণ করছে বাংলার মানুষ... যে চেতনা ছড়িয়ে আছে দেশ থেকে দেশান্তরে... আমরা সেই চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

নিচের লেখাটা পড়ার পর আসলে আর কিছু লিখতে পারলামনা। সরি Sad
======================================
যোগ - বিয়োগের বিক্ষোভ তান্ডব --- দিনের শেষে হিসাব টা ঠিক মিলানো যায় না ... টানাটানি পরে যায় ...

সমর্থন ও সহযোগীতা কতভাবে দেয়া যায় ...? সহযোদ্ধা কতভাবে হওয়া যায় ...? ব্যাক্তি উপস্থিতি ছাড়াও মানসিক , নৈতিক , তাত্ত্বিক, তথ্য নির্ভর সমর্থন ও সহযোগীতার কথা কি আমরা জানি কিংবা বুঝি ??? আমরা তাদের কে চিনি, জানি, অনুভব করতে পারি ...এক ই ধারায় বিরুদ্ধাচরণ এবং পথ কাটা ও যায় ... তাদের কে ও আমরা চিনি, জানি, অনুভব করতে পারি ...

অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।

আজকের দিনে এর চাইতে ভালো কোন কবিতা হতে পারে না ...

সাম্যের গান গাই-
আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই!
বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।
বিশ্বে যা কিছু এল পাপ তাপ বেদনা অশ্রুবারি,
অর্ধেক তার আনিয়াছে নর অর্ধেক তার নারী।

নরক কুন্ড বলিয়া তোমা’ করে নারী হেয় জ্ঞান?
তারে বল, আদি-পাপ নারী নহে, সে যে নর শয়তান।
অথবা পাপ যে-শয়তান যে-নর নহে নারী নহে,
ক্লীব সে, তাই নর ও নারীতে সমান মিশিয়া রহে।

এ বিশ্বে যত ফুটিয়াছে ফুল, ফলিয়াছে যত ফল
নারী দিল তাহে রূপ-রস-সূধা-গন্ধ সুনির্মল।

তাজমহলের পাথর দেখেছ, দেখিয়াছ তার প্রাণ?
অন্তরে তার মমতাজ নারী, বাহিরেতে শা-জাহান।
জ্ঞানের লক্ষী, গানের লক্ষী, শষ্য-লক্ষী নারী,
সুষম-লক্ষী নারীওই ফিরিছে রূপে রূপে সঞ্চারী’।
পুরুষ এনেছে দিবসের জ্বালা তপ্ত রৌদ্রদাহ
কামিনী এনেছে যামিনী শান্তি সমীরণ বারিবাহ।
দিবসে দিয়াছে শক্তি সাহস, নিশিথে হয়েছে বঁধু
পুরুষ এসেছে মরুতৃষা লয়ে নারী যোগায়েছে মধু।
শষ্য ক্ষেত্র উর্বর হল,পুরুষ চালাল হাল,
নারী সেই মাঠে শষ্য রোপিয়া করিল সুশ্যামল।

সাঈদির চাঁদ বিজয় :: একখান ভার্চ্যুয়াধুনিক গল্প

সব্বাই চাঁদে যাওয়া নিয়ে বিজি... ক্যাম্নে কি? ফজরের আজানের টাইমে চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় মাইকে ঘোষনা করা হইলো যে, চাঁদে নাকি সাঈদিরে দেখা যাচ্ছে... ঈমান নড়বরেরা ঝাপাইয়া পড়লো এই কথা শুনে.. কিন্তু এটা ভাবলোনা যে, এইধরনের মিথ্যায় ঈমান নষ্ট হয়।

"চাঁদে দেখা যাচ্ছে সাঈদিকে" যারা এ ধরনের বক্তব্য দিচ্ছে, তাদের ইমান নষ্ট হয়ে যাবে। যদি সাঈদীকে চাঁদে দেখা যায়, তা হলে তো তিনি গ্রেপ্তার নেই। তা হলে তাঁর মুক্তি চাওয়ার দরকার কী। যাঁরা এ ধরনের অপপ্রচারে বিব্রত হবেন, তাঁদের ইমান থাকবে না। নষ্ট নয়ে যাবে।"
প্রথম আলো

এর পর তো ইতিহাস.... সকালে ফেসবুকে এসেই দেখা গেল কত মানুষের চাঁদে যাওয়ার কাহিনি।

মেশিনম্যান খ্যাত সাঈদির চাঁদের ফটুক... যেটা দেখছে চট্টগ্রামের কিছু এলাকার লোকজন

সাঈদি

ফেসবুক ঢোকা যাচ্ছে না... unexpected parser state

ফেসবুক খুলে বসে আছি কখন দেখবো কাঙ্খিত সেই রায়... মুর্হুমুহু স্টেটাস আপডেটে চোখ রেখে বসে আছি.. আমার মত অনেকেই আছেন অফিসে বসে উৎকণ্ঠিত... কিন্তু সমস্যা দেখা দিছে অন্য জায়গায়... বার বার রিফ্রেশ করতে করতে... হঠাৎ একটা ম্যাসেজ দেখালো "unexpected parser state"। আমরা সব্বাইকি ফেসবুকরে চাপের মুখে ফেলে দিলাম? বৈদেশীরা কি পারতেছেন?

এদিকে যুদ্ধাপরাধী দেলু রাজাকারের রায় পড়া শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল ১ এ। তার বিরুদ্ধে মোট ৩১টি অপরাধের অভিযোগ আসে... ট্রাইবুনাল ১১টি বাদ দিয়ে ২০ অভিযোগ গ্রহন করেন।

সাঈদীর নয়, দেলুর রায় দিচ্ছি: বিচারপতি ফজলে কবীর
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ট্রাইব্যুনাল থেকে: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিচারের রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে। রায় ঘোষণা শুরুর আগেই ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান ফজলে কবীর বলেন- রায় ঘোষণার আগে আমরা কিছু কথা বলতে চাই।