ইউজার লগইন
ব্লগর ব্লগর
অদ্ভুত সেই ছেলেটি
আজ আকাশের মন খারাপ। সে মুখ গোমড়া করে আছে। গোমড়া মুখে কষ্ট ছড়িয়ে দিচ্ছে সবার মাঝে ......
এই কষ্ট হঠাৎ স্পর্শ করেছে জানালার ধারে বসে থাকা একাকী অদ্ভুত শ্রাবণ কে। শ্রাবণ আর কেউ না , ঢাকা শহরের যেকোন জানালা দিয়ে অসীম আকাশ পানে তাকিয়ে থাকা সাধারণ একটি ছেলে। নির্মম বাস্তবতা যার সুখ লুটে নিয়েছে। শুধু নিতে পারেনি পথচলার আগ্রহ ! আর তাই সর্বস্ব হারিয়েও বাস্তবতাকে কাচকলা দেখিয়ে সে দৃঢ় পায়ে এগিয়ে চলে সামনের দিকে।
শ্রাবণ তাকিয়ে আছে আকাশের পানে। আকাশের বুকে ভেসে বেড়াচ্ছে মেঘ। শ্রাবণের দৃষ্টি মেঘের পানে নয়। মেঘের সৌন্দর্য , প্রভাব , প্রতিপত্তি কিছুই শ্রাবণকে আকর্ষণ করে না। শ্রাবণ সর্বদা মেঘের মাঝে কাকে যেন খুজেঁ ফেরে। হয়তো বৃষ্টিকে , হয়তোবা চাদঁকে !!! নাকি রাতজাগা পাখিটাকে ? এর জবাব তো শুধুমাত্র শ্রাবণই দিতে পারে।
সজল খালেদের মৃতু ও বন্ধু শুভ কিবরিয়ার ফেবু স্ট্যাটাস
আজ তার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে চমকে গেলাম। আহারে কি সুন্দর একটা মানুষ! ওর এমন অকাল মৃত্যু হবে কেন?
( মাফ করো বন্ধু, তোমাকে জ্ঞান দেবার জন্য নয়, আমরা যে তাঁর কাছে কত অসহায় সেটাই শুধু শেয়ার করছি)
বন্ধু তুমি বা আমি কেউ কি জানি কখন আমদের মৃত্যু হবে। জানিনা, পৃথিবীর কেঊ জানে না কখন তার মৃত্যু হবে। এমন কি নবীরাসুলগনও জানতেন না তাদের মৃত্যু কখন হবে। কারন
নাহনু কাদ্দারনা বাইনাকুমুল মাওতা ওয়ামা নাহনু বিমাছবুকিন (সুরা ওয়াক্কিয়া,আয়াত-৬০)
অর্থঃআমি তোমাদের মৃত্যুকাল স্থির করেছি এবং আমি অক্ষম নই।
(৩১৫৯)সহীহ বোখারী শরীফ
এবি’ র প্রথম পাতায় যা সংযোজন করা যেতে পারে
এবির প্রথম পাতায় অন্যান্য অনেক কিছুর সাথে ডানদিকে দুটো গুরুত্ত্বপূর্ন হেড আছে ,
১। সাম্প্রতিক মন্তব্য
২।সপ্তাহের সেরা পাঁচ (আলোচিত, পঠিত, পছন্দকৃত)
আরেকটি যোগ করা যেতে পারে
৩। সপ্তাহের সকল লেখা ( লেখকের নামসহ)
এতে পাঠককূল পছন্দের লেখকের লেখা প্রথম পাতা না উল্টিয়ে সরাসরি লেখায় যেতে পারবে।
সুবিধা হল, আলসেমীর জন্য পাতা না উল্টিয়ে, প্রথম পাতা দেখেই অনেকের এবি থেকে সরে আসেন ( অন্তত আমি)। এতে ভালো লেখাগুলো (লেখার/ পোষ্টের ভীড়ে দ্বিতীয় বা তৃতীয় পাতায় চলে যাওয়া) পড়া থেকে আড়ালে চলে যায়।এ সমস্যার সরাসরি সমাধান হবে।
অন্যটি হল, লেখকের লেখার শিরোনাম ও লেখকের নাম পুরো সপ্তাহ জুড়েই প্রথম পাতায় থাকবে। এটাও লেখকের জন্য কম প্রাপ্তি নয়।
ব্লগর ব্লগর
..................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
১.
যে যত বেশি নিরাপদ, সে তত বেশি তীব্র, তীক্ষ্ণ, দক্ষ সমালোচক
২.
ঘটনাস্থল থেকে যে যত বেশি দূরে সে তত বেশি সাহসী
৩.
আগে বিপ্লবীরা থাকতেন আন্ডারগ্রাউন্ডে অথবা কারাগারে, এখন বিপ্লবীরা থাকেন ফেসবুকে
৪.
ছোট চাচা (শেষ পর্ব) তবু নামটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।
গায়েবি বুক
ফেসবুকে এখন গায়েবি বুকে(নগরীতে) পরিনত হয়েছে। সর্বত্র চলছে গায়েবি ফুউউউউউ।
আজ অমুক সেলিব্রেটির আইডি গায়েব তো কাল তমুক সেলিব্রেটির স্ট্যাটাস। আর পরশু আরেকজনের ফটো।
এভাবেই চলছে আইডি , স্ট্যাটাস আর ফটোর গুম।
এইতো গতকাল গুম হওয়া একটি আইডি পুনরুদ্ধার করা গেছে। এরপর তার কাছথেকে আমরা জানতে পেরেছি যে তাকে নাকি কতিপয় ছাগল খাওয়ার চেষ্টা করেছিলো।
এই কথা শুনে জনৈক মহাপুরুষ বলেছেন, “ আসলেই ছাগলে কি না খায় ?”
ছাগু সর্দার অবশ্য এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, “ এই গায়েবের সাথে ছাগু সম্প্রদায়ের কোনো সম্পৃক্ততা নেই, ইহা শফি সাহেবের ফুউউউউ এর কারসাজি।”
আবেগঘন কন্ঠে তিনি আরও বলেন, “আমরা ছাগু, আমরা কাঁঠাল পাতা খাই; আর মাঝেমাঝে বাঁশের কেল্লায় গিয়ে বাঁশপাতা খাই, কিন্তু আমরা আইডি খাই না। ”
তাদের এই কথা শুনে প্রতিবাদী কন্ঠে সরকার সাহেব বলেন, “ আপনারা জানেন ছাগলে সবই খায়, আর তারই ধারাবাহিকতায় ছাগুরা বিভিন্ন চেতনাধারীদের আইডি খেয়ে দিচ্ছে।”
আব্দুল কালামের আলোকিত মনের পাঠানুভুতি
ভারতীয় রাষ্ট্রপতি APJ ABDUL KALAM IGNITED MINDS লিখেছেন। অনুপ্রেরণাদায়ী বই হিসেবে ভারতের ভবিষ্যত নাগরিকেরা এই বই পড়ে আত্মমর্যাদাবোধে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ভারতকে ভবিষ্যতে বিশ্বে একটি পরাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলবে।
ব্লগারদের আন্দোলন - ব্লগারদের কাদা ছুড়াছুড়ি : তবুও শাহবাগ জেগে থাকবে
আজকের যে কাদা ছুড়াছুড়ি চলতেছে তার প্রধান দায় আইজুর(দুই বা ততোধীক ব্যক্তির নিক. সে-ই শাহবাগ নিয়ে কাদা ছুড়াছুড়ি শুরু করেছে প্রথম--
শাহবাগ মাঠা কর্মসূচি, ইমরান ব্লকার না, পাঞ্জাবি পড়ে, হাস্যকর কর্মসূচী দেয়, সাহস থাকলে শিবিরের মিছিল মোকাবেলা করেন, পুলিশ প্রহরায় এইসব মাঠা কর্মসূচি সবাই পারে, আওয়ামী মিডিয়া সেলের নিয়ন্ত্রক, আমি শাহবাগকে দুর্বল নেতৃত্বছাড়া করতে চাইছি, তিন ভাঁড়ে ডিসিশান দেয়, ইমরান আর কন্ডম একই কথা, পাঞ্জাবির হিসাব দেও, সাভার ট্রাজেডিতে প্রজন্ম চত্ত্বর এত মাতামাতি করছে কেন, সব শেষে সাভার ট্রাজেডিতে টাকার হিসাব চাওয়া।
একটা আন্দোলনকে দুর্বল করতে হলে মুখপাত্রকে হেয় করতে হয়। এইটা শাখামৃগের ভাল জানা আছে। বার বার বলা হচ্ছিল ইমরান হল মাইক। সবাই মিলে ডিসিশান নেয়ার পর একটা মাইক দিয়ে প্রচার করতে হয়। একজনকে মাইক হিসেবে মেনে নিতেই হবে। তাই ইমরান ওখানে। যারা শাহবাগ আন্দোলন সংশ্লিষ্ট তারাই এই ডিসিশান নিছে যে ইমরানই মুখপাত্র হবে।
আমাদের গল্প
দীর্ঘ ৪ সপ্তাহ পর আমার মেয়ের সাথে আমার দেখা হওয়াটা খুব বেশী আনন্দময় অভিজ্ঞতা ছিলো না। জেলের নিয়মে সপ্তাহে এক দিন নির্দিষ্ট সময়ে নাপিত এসে চুল-দাড়ি পরিচর্যা করে, যেকোনো কারণেই হোক গত ৪ সপ্তাহে আয়নায় মুখ না দেখায় নিজের চেহারা বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা আমার ছিলো না।
হাসপাতালে এসে প্রথমবারের মতো আয়নায় মুখ দেখে মনে হলো নিজের অপরিচিত একটা মুখোশ এঁটে আছি, ব্লেড-রেজরের বিষয়ে এক ধরণের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা এখানে আছে, বিক্ষুব্ধ, অপমানিত, নির্যতিত এবং বঞ্চনার শিকার কারাবন্দীদের অনেকেই নিজস্ব অপমানবোধ কমাতে হয়তো হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করে ফেলতে পারে সংশয় থেকে বন্দীদের এসব দেওয়ার নিয়ম নেই।
সেই দুশ্চিন্তাক্লিষ্ট, বিষাদগ্রস্ত অপরিচিতের মুখোশ নিয়ে আমি আমার ২০ মাস বয়সী মেয়েকে দেখলাম ৪ সপ্তাহ পরে, যার সাথে আমার সম্পর্ক শব্দে, স্পর্শ্বে, গন্ধে এবং চাক্ষুষ গড়ে উঠেছে কিন্তু স্মৃতি নির্মাণের সুযোগ এখনও তৈরি হয় নি।
একজন অতিসাধারন ছেলের উপাখ্যান
ছেলেটি রাতে জানালা ধরে বসে থাকে। ঘুমের আগ পর্যন্ত জানালাই তার আশ্রয়।
মাঝে মাঝে জানালার বাইরে ঝড় হয়। প্রচন্ড ঝড়। ঝড়ের তান্ডবে পৃথিবীর অনেক কিছুই লন্ডভন্ড হয়ে যায়। সে ঝড় ছেলেটিকে স্পর্শ করতে পারে না। কিন্তু ওই বেহায়া বৃষ্টি!!! সে তো পিছু ছাড়েনা। ছুটে চলে আসে জানালার ফাকাঁদিয়ে। ভিজিয়ে দেয় ছেলেটির চিবুক। মাঝে মাঝে ঠোঁটের উপরে এসে পরে। তাতে ছেলেটি বিরক্ত হয় না। আসলে বলদ টাইপের ছেলে তো ? তাই সহজে রাগ হয়না।
কখনোবা দক্ষিণের দমকা হাওয়ায় ছেলেটির চোখ বুজে আসে। সে বৃষ্টির এই সব মানষিক অত্যাচার সহ্য করে যায়। দিনের পর দিন বছরের পর বছর। মুখে কোনোরূপ বিরক্তির চিনহ আনেনা। তাতেও বৃষ্টি থামেনা , অবিরাম ঝরতে থাকে।
ইদানিং বৃষ্টির এইসব ছেলেমানুষি ছেলেটা উপোভোগ করে। সে চোখ বুজে অনুভব করে দমকা হাওয়া। আর ছিটে আসা জল থেকে নেয় বৃষ্টির ছোঁয়া ; এই অনুভূতি অপ্রকাশ্যই থেকে যায়। সর্বদা সবার কাছে।
চিন্তক এপলোজাইজেস টু এবি ব্লগ
এবির একজন পুরনো ব্লগারের লেখায় কিছুটা ডিসঅর্ডারড হয়ে লেখাটা লিখছি!
প্রথমেই পাঠক, ব্লগার ও মডারেরটরের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি ব্লগের নীতিমালা ঠিকভাবে না পড়ার জন্য এবং অন্য কমিউনিটি ব্লগে প্রকাশিত লেখা পুনঃপ্রকাশ করার জন্য। অন্যের লেখা কপি পেস্ট করা,ধর্মান্ধতার প্রচার করা,যুদ্ধাপরাধীর স্বপক্ষে কথা বলা ইত্যাদি অভ্যেসগুলো না থাকার কারণে আমি সাধারণত ব্লগ নীতিমালা এত গুরুত্ব দিয়ে পড়ি না। কারণ মোটামুটি সব ব্লগেই এই নীতিগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলা হয়েছে। এবি ব্লগের যে স্বতন্ত্র একটা নিয়ম আছে- অন্য ব্লগের লেখা পুনঃপ্রকাশ করা যাবে না, এমনকি নিজের লেখা হলেও না, এই নীতিটা দিব্যি আমার চোখ এড়িয়ে গেছে।
আমি বাংলা ব্লগে লেখালেখি শুরু করেছি প্রায় বখরখানেক হল। সচলায়তনে অতিথি লেখক হিসেবে শুরু করেছিলাম। পরে সামুতে লেখালেখি করি প্রাণ খুলে। লেখালেখির সুবাদে হাতে গোণা যে ক'জন মানুষ আমাকে চেনে, তারা বেশিরভাগই সামুর বদৌলতেই চেনে। সামুতে লিখতে লিখতে বুকে কিছুটা সাহস জড়ো হলে অন্যান্য ব্লগে যাই।
আমরা চলিব পশ্চাতে ফেলি পঁচা অতীত
যে সব লোকেরা মতিঝিলে হাজার হাজার লাশ পড়েছে বলে কান্না করছে তারা ভুল বলছে না। আমি দেখতে পাচ্ছি তাদের চেতনার গুমট কালো কালো লাশ পড়ে আছে রাস্তাঘাটে। এই লাশের সংখ্যা গুনে গুনে তাদের স্বস্তি, কিন্তু আমাদের অস্বস্তি এই এত্তগুলো জিন্দা লাশ জাতি কী করে বয়ে নিয়ে যাবে! মহাকালের কোন কৃষ্ণগহ্বরে ঠাঁই হবে এই সব লাশপ্রিয় চলন্ত লাশদের! যেখানে একটা মৃত্যুও অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক সেখানে তারা লাশের রাজনীতি করার জন্য কওমি মাদ্রাসার নাবালক বাচ্চাদের মিছিলে সওয়ার হয়ে বিশৃঙ্খলা শুরু করে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
“ প্রতিনিধি – স্বল্পজ্ঞান প্রজন্ম ” – পরিচিতি ও প্রারম্ভিক সাফাই
উপরোক্ত শিরোনামধারী আমি ভবঘুরে রানা । কারো কারো কাছে লেখাটি বিরক্তিকর ও অযাচিত মনে হতে পারে, মনে হতে পারে অযথাই কালক্ষেপন, কারন আমরা বাস করছি “ ব্রেকিং নিউজ ” এর যুগে ।।মনযোগ ব্রেক করতে পারে এমন সব পিলে চমকানো, ভয়াবহ, রঙ্গীন, বিচিত্র ও রসালো খবর এর প্রতীক্ষায় থাকি সারাক্ষন, এলেবেলে কিছু কথা দু-এক লাইন স্বরচিত কবিতা এসব নিতান্তই বিরক্তিকর - তথাপি আমি আমার ব্যাপারে কিছুটা ধারনা দেবার ইচ্ছা সংবরন করতে পারলাম না l আমি মুলতঃ ডায়েরীর পাতায় আত্মকথন প্রকাশ হিসাবেই লিখে যাব ।l
শুরুতেই আমি পারি না এমন কিছু কাজের কথা বলে নেয়া জরুরী – পারিনা লেখালেখি অভ্যাস নেই বলে, পারিনা কম্পিউটার ঠিকমত চালাতে (এখনো ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট চালানোর মত জ্ঞানে সীমাবদ্ব), পারিনা অনেক কিছু এড়িয়ে যেতে, পারিনা আবেগ সংযত করতে এবং সর্বোপরি মিথ্যাচার দেখে চুপ থাকতে। l
ব্লগ সম্বন্ধে আমার যাবতীয় জ্ঞান অর্জনের সুচনা ২০১৩ এর এপ্রিলে ।এখনো আমি এই জগত সম্বন্ধে চলনসই ধারনা অর্জন করে উঠতে পারিনি, যা হোক তবুও শুরু করলাম পথচলা ।
হেলিকপ্টার
হেলিকপ্টার :
হেলিকপ্টার একটি রহস্যময় যান। ইহা ব্যাবহার করিয়া খুবই স্বল্প সময়ে একস্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করা যায়। ইহার ব্যাবহার বাংলাদেশে বহুবিধ।
মুল্য :
একটি ব্যাটারী চালিত হেলিকপ্টারের মূল্য ১৫০০ - ২০০০ টাকা। ইহাকে অতি সহজেই রিমোট কন্ট্রোল ব্যাবস্থার সাহায্যে শূন্যে ওড়ানো যায়। তবে একটি সত্যিকারের হেলিকপ্টারের মূল্য অনেক। ইহা ক্রয়করা সকলের পক্ষে সম্ভব নহে।
ব্যাবহার :
ইহা ব্যাবহার করিয়া সাধারনত আইন শৃঙ্খলা বাহিনী শূন্যে থেকে পরিস্থিতি অবলোকন করে। তবে মাঝে মাঝে বড় অপরাধী বহনের ক্ষেত্রেও হেলিকপ্টারের ব্যাবহার পরিলক্ষিত হয়। তবে এই সকল কাজে ইহার ব্যাবহার অনেকেরই অপছন্দ; তাহারা হেলিকপ্টারের যত্রতত্র ব্যাবহারকে জামাই আদর বলিয়া থাকে।
যাতায়াত খরচ:
যেহেতু হেলিকপ্টার খুবই আরামদায়ক বাহন তাই ইহার যাতায়াত খরচ ও অত্যাধিক। সাধারনত জামাইগন ইহাতে চাপিয়া শশুর বাড়ি যায়। যেমন আমাদের সুপারস্টার এ জে অর্থাত অনন্ত জলিল। উনি ইহাতে চড়িয়া তাহার শশুর বাড়ি বেড়াইতে গিয়েছিলেন। তিনি একজন সি আই পি তাই তিনি এই খরচ বহনে সক্ষম।
রানী যায় রাজা আসে
আজকে ৩০শে এপ্রিল ২০১৩তে সরকারীভাবে নেদারল্যান্ডসের রানীর রাজত্ব শেষ হয়ে আবার রাজার রাজত্ব শুরু হলো। ৩০শে এপ্রিল “কুইন্সডে” হলেও এটা রানী বিয়াট্রিক্সের জন্মদিন ছিল না। তাঁর জন্মদিন ছিল ৩১শে জানুয়ারী। ৩০শে এপ্রিল ছিল তার মা রানী জুলিয়ানার জন্মদিন। কিন্তু ৩১শে জানুয়ারী যেহেতু আবহাওয়া খারাপ থাকে, জনগন আনন্দ উৎসব করতে পারে না আর ৩০শে এপ্রিল সাধারণত একটু আবহাওয়া ভাল থাকে, চারদিকে ফুল আর পাখির গান তাই সর্বসম্মতিক্রমে বিয়াট্রিক্সের মায়ের জন্মদিনই এতোদিন কুইন্সডে হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। তবে নতুন রাজা উইলাম আলেকজান্ডার এর জন্মদিন ২৭শে এপ্রিল, তাই আশাকরি কিংসডে পালন করতে বেশি অসুবিধা হবে না। রানী বিয়াট্রিক্স অনেক জনপ্রিয় ছিলেন কারণ তিনি বেশি রয়ালিটি মানতেন না। তাকে প্রায় এদিকে ওদিকে জীন্স পরা অবস্থায় সাইকেল চালাতে দেখতে পাওয়া যেতো। খুব বেশি বডিগার্ড সিকিওরিটি এগুলোর ধার ধারতেন না।