:.সময় যেন এই বাঁধন কখনো ছিড়তে না পারে.:
যখন বাসার পথে রওয়ানা দিলাম তখন ঘড়িতে প্রায় পৌনে নয়টা। ঢাকার অতি পরিচিত জ্যাম ঠেলে বাসায় পৌছালাম রাত সাড়ে দশটা। ঋহান তার সব চাচা, ফুপ্পি, খালা আর মামাদের আদরের চটে অস্থির হয়ে গাড়িতে উঠার একটু পরেই আমার কাঁধে মাথা ঠেকিয়ে ঘুমিয়ে গেছে। আমি আর কি করবো, বসে বসে ভাবছিলাম আজ কি নিয়ে লিখবো। আজ-কাল অনেক কিছুই মাথায় ঘুরে। কিন্তু যখন লিখতে যাই, কিচ্ছু আসে না হাতে। তাই তখন ভাবছিলাম, “যদি এমন কোন পদ্ধতি থাকতো যে, আমি এখন যা ভাবছি তা আটোমেটিক কোথাও লেখা হয়ে যাচ্ছে! তাহলে আজ অনেক বড় একটা লেখা দিতে পারতাম এবি’তে”।
এক.
যখন এম.বি.এ করার সিধান্ত নেই, তখন ঋহান আমার পেটে। প্রথমে ভেবেছিলাম, এখন বুঝি আর এম.বি.এ টা করা হবে না। কিন্তু, টুটুলে’র ইচ্ছা আর নিজের আগ্রহ’কে এক করে ঋহান’কে নিয়েই শুরু করলাম। প্রথম সেমিষ্টার করেই একটা বিরতি দিতে হলো, ঋহান আসবে বলে। এখন আবার শুরু করলেও গতিটা অত্যন্ত ধীর। আমার সাথে’র সবাই আমাকে ছাড়িয়ে অনেক সামনে এগিয়ে গেছে। তার মাঝে বাবা’র বাড়ি থেকে ইউনিভার্সিটি কাছে বিধায় ঋহান সহ আমাকে সপ্তাহে অর্ধেকটা সময় এই বাসায় আর অর্ধেকটা সময় ওই বাসায় থাকতে হয়। এই নিয়ে দৌড়া-দৌড়ি করা, ঋহান’কে দিন-রাত সময় দেয়া, ঋহানের বাবা’কে সময় দেয়া, দুই জনের পরিবার, পড়া-লেখা’তে মনযোগ দেয়া......এইসব মিলিয়ে কেমন যেন লাগে নিজেকে। মনেহয় নিজেকে সময় দিতে পারছিনা ঠিক মত। মাঝে মাঝে খুব বিরক্তি চলে আসে সব কিছুর উপর। মনেহয় সব ছেড়ে দেই। আবার ভাবি, এইতো কয়েকটা বছর, একটু কষ্ট করে এগিয়ে যেতে পারলেই আমি জয়ী। নিশ্চই এত ধকলের পর অনেক সুন্দর একটা সময় আমার জন্য অপেক্ষা'য় আছে (ইনশাল্লাহ), এই ভেবে চলতে থাকি।
দুই.
গতকাল পরীক্ষা ছিল। না, পরীক্ষা তো নতুন কিছু নয়, তবে সাব্জ্যেক্টটার উপর আমার বিশাল ভীতি আছে। তাই, সব ছেড়ে ছুড়ে পড়ছিলাম দুইদিন। তাই এবি’তে বেশ কিছু লেখা, পড়ার বাকি হয়ে পরে রয়েছিলো। আজ সকাল বেলা ইচ্ছা করে একটু আগে ভাগে উঠলাম। উঠেই প্রথম কাজ করলাম গত দুই-তিন দিনের সব লেখা পড়লাম। সাথে সাথে অবশ্য ঋহানের ডিউটি চলছিলো। তার উপর আমার লেখা এবং পড়ার অভ্যাস দুটোই কম, তাই এত্তগুলো লেখা পড়ে শেষ করতে করতে বাজলো প্রায় দুপুর দুইটা। উঠে খাওয়া-নাওয়া সেরে নিলাম। তখন পর্যন্ত ভেবে রেখেছি, “আজ সারাদিন বাসায়ই থাকবো”। বই মেলায় যাবার ইচ্ছে ছিলো। কিন্তু আমি এখন বসুন্ধরায় বিধায় এখান থেকে যাওয়াটা ভীষন কষ্টের। হঠাৎ চারটার দিকে আম্মু বলল গাড়ি যাবে গ্রীনরোড, আমার বোনের বাসায়। তখনই ভাবলাম, “কি আছে দুনিয়ায়, যাই ঘুরে আসি বইমেলায়”। এর মাঝে টুটুল বলল ঋহান’কে সঙ্গে নিতে। নিতে কোন সমস্যা নেই। আমার ভয় রাস্তার জ্যাম নিয়ে। তো যাইহোক, ঋহান’কে নিয়ে রওয়ানা হলাম পাঁচটার দিকে। যখন হোটেল শেরাটনের সিগনালে তখন ঘড়িতে বাজে ছয়টা দশ। প্রথম প্রথম ঋহান বেশ ফুরফুরা মেজাজে থাকলেও যখন শেরাটনের সামনে পাক্কা পঞ্চান্ন মিনিট আটকে ছিলাম তখন আর বেচারা স্বাভাবিক থাকতে পারলো না। অবশ্য ওর কি দোষ? আমি নিজেই অস্থির হয়ে যাচ্ছিলাম, আর সে তো হবেই। যাইহোক, আমার সব আনন্দ মাটি হতে শুরু হলো যখন দেখলাম গাড়ি একটাও এক চুলও নড়ে না। একবার ভাবছিলাম বইমেলায় না গিয়ে আপা’র বাসায় চলে যাবো। কিন্তু, হঠাৎ মাথায় জেদ চড়ে বসলো, “আজ বইমেলায় যাবোই”। শেষমেশ সব কিছুর অবশান ঘটিয়ে আমি আর ঋহান জয়ী হলাম! বই মেলায় পৌছালাম তখন সোয়া সাতটা। ঋহান’কে দেখা মাত্র সবাই হামলা দিলো। বেচারা ঘুমাচ্ছিলো, আর কিসের ঘুম?
তিন.
যদিও বইমেলায় যেতে যেতে রাস্তার বেহাল অবস্থা দেখে মেজাজ বিলা হয়ে গিয়েছিলো। ভেবেছিলাম, “শুধু শুধুই বাচ্চাটা’কে নিয়ে কষ্টের একটা যাত্রা করলাম, নিশ্চই কাউকে পাবো না”। কিন্তু না, আমার ধারনা চরম ভুল। বই মেলায় গিয়ে প্রথমেই পেলাম শিরোনামহীন’কে। তারপর একে একে টুটুল, মৌসুম আপু, জয়িতা আপু, লীনা আপু, মাসুম ভাই, ভাস্কর দা, মেসবাহ ভাই, গৌতম দা, শুভ ভাই (বৃত্তবন্দি), মুরাদ ভাই (বিষাক্ত মানব), পুতুল আপু, নজরুল ভাই, নিধি, সায়কা (দুষ্টু বালিকা), শাওন ভাই (শাওন৩৫০৪), রাসেল ভাই এদের সবার সাথে দেখা হলো। আজ নতুন পরিচিত হলাম শরৎ ভাই, কৌশিক দা, অপর্না আপু (একলব্যের পুনর্জন্ম), লীনা ফেরদৌসি আপু এদের সাথে। আজ বই মেলায় উপস্থিত “আমরা বন্ধু” পরিবারের সকল সদস্যের কাছে কৃতজ্ঞতা। যদিও নিজে কথা বলেছি খুবই কম কিন্তু খুবই জম্পেশ একটা আড্ডা উপভোগ করে এলাম।
চার.
ঋহান আজ-কাল লুল ফেলা বন্ধ করে দিয়েছে। এই সংবাদে আজ তার ফুপ্পি, চাচ্চু’রা বেশ হতাশ। আমি অবশ্য এতে মহা খুশি। কারন, আমার আর এখন লুলদানি নিয়ে ঘুরা লাগে না। কিন্তু বিধিবাম হলো যখন ঋহান বইমেলায় গিয়ে তার লুল চাচ্চু’দের দেখে একটু একটু লুল ফেলা শুরু করলো। প্রথম লুল ফেললো লীনা আপু’র কোলে গিয়ে। তারপর আর কিছু না-ই বলি। আমি তখন ঋহান’কে বললাম, “আমি তো বাবা লুলদানি আনিনি”। ঋহান আমাকে উত্তর দিলো, “আমার কি দোষ? আমি তো চাচ্চু’দের ফলো করছি"। আসলেই বেচারা'র কি দোষ!
পাঁচ.
ঋহানের “আই সি সি স্প্যাশাল” ছবি গুলো’র মাঝে যেটাতে বলের উপর মাথা রেখে হাসছে, সেটা তার নানা’র খুব প্রিয়। সে আমাকে দিয়ে অটা প্রিন্ট করিয়ে আনিয়েছে। আর তার দাবী, আমি যেন ওটা ক্রিকেট বোর্ডে ডাকযোগে পাঠিয়ে দেই। কিন্তু, ছবিটা মোবাইলে তোলা বিধায় রেসুলিউশন খুব খারাপ। কি আর করা! তাই আজ ঋহানের নানা আমাকে বলল, “আজ ক্যামেরা নিয়ে যাও, আমার নানাভাই এর সুন্দর ছবি তুলে আনবে”। আমি জানি ক্যামেরা আমার ব্যাগে। যখন ঋহানের ছবি তুলতে ব্যাগে হাত দিলাম দেখি কোন ক্যামেরা আমি ব্যাগে ভরিনি। মনটা বেশ খারাপ হলো আব্বার কথা ভেবে। ফিরে এসে কি বলব? আমি আসলে বরাবরই একটু অগোছানো। নিজের সব কিছুই সব সময় ভুলে যাই। যখন যেটা দরকার তখন সেটা হাতের কাছে পাবো না, এটা আমার জন্য নতুন কিছু না। তাই আজ ক্যামেরা পাইনি। কিন্তু, “মা” নামক মানুষ’টাকে আর যাইহোক অগোছানো মানায় না। আজ আমি ঋহানের প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই গুছিয়ে নিয়ে যাইনি। যেমন তার রুমাল, এক্সট্রা জামা। আর অন্যায় এর সামিল একটা ভুল করেছি তা হলো, ঋহানের ফর্মুলা ফিড রেডি করেও বাসায় ফেলে চলে গেছি। আমি রওয়ানা হওয়ার প্রায় চল্লিশ মিনিট পর কাজের মেয়ে ফোন দিয়ে আমাকে একথা জানালো। আমার তো মাথায় হাত। এখন আবার বাসায় ফিরে যাবো? তাহলে আজ আর যাওয়া হবে না।তাই শেষমেশ বুদ্ধি করলাম, রাস্তায় দোকান থেকে আরেক কৌটা ফর্মুলা ফিড কিনে নিলাম। এতে আমার ময়না পাখিটার বেশ একটু কষ্ট হয়েছে। তাই আজ সব কিছু’র শেষে আজ বই মেলায় উপস্থিত “আমরা বন্ধু” পরিবারের সবচেয়ে ক্ষুদে সদস্যের কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থী।
ছয়.
সময়ের সাথে সাথে সব বদলে যায়। মানুষও। একটা সময় এই “আমরা বন্ধু” একটা ইয়াহু গ্রুপ ছিলো। আমি তখন থেকেই এর সদস্য। “আমরা বন্ধু ইয়াহু গ্রুপ” এর বন্ধু’রা, আমরা একটা সময় প্রতি মাসে অন্তত একটা আড্ডা দিতাম, একাধিকও দিতাম মাঝে মাঝে। কিন্তু, কথায় গেলো সেই আড্ডা? কোথায় গেলো সেই বন্ধু’রা? অথচ সময়ের ব্যবধান মাত্র দুই বছরও না। এখন “আমরা বন্ধু” মানে “আমরা বন্ধু ব্লগ”। এখন “আমরা বন্ধু ব্লগ” এর বন্ধু’রা, আমরা আড্ডা দিচ্ছি, আনন্দ করছি। এই আড্ডা, এই আনন্দ কি ইয়াহু গ্রুপ এর হারিয়ে যাওয়ার মতই হারিয়ে যাবে? তা যেন না হয়। সময় যেন এই বাঁধন’কে কখনো ছিড়তে না পারে, এই আশা রেখে গেলাম।
উৎসর্গঃ আমার জান্টু দোস্ত লিজা'কে । সে বলেছিলো আজ আমি গেলে সেও যাবে। কিন্তু আমি দেরীতে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ও আর আসতে পারেনি। স্যরি রে......





বাপস্। ব্যপক
ধুর! রাখেন আপনার ব্যপক
কই ছিলেন আজকে? আসলেন না কেন? পোষ্টে আরেকটা জিনিস এ্যাড করতে ভুলে গেছি। তা হলো, আজ বইমেলায় প্রথম সাক্ষাতের আশা করেছিলাম মীর এর সাথে।
ভুলে যাওয়া খুবই ভালু
আপনার সাথে আগামী ২ ঘন্টা কোন কথা নাই
হ্যা, মীরের সাথে দেখা হয় নাই আপনার।
আমার দেখা হয় নাই মানে কি? আপনার সাথে দেখা করছে সে?
|
আপনার সাথেও কাল দেখা হয়নাই আমার!
আমার সাথে দেখা হইছিল বাট অনেকদিন আগে।
আমি কাল একটু আগে চলে এসেছিলাম তাই আপনাদের সাথে দেখা হয় নাই।
লেখাটা অনেক দ্রুত শেষ করেই পোষ্ট করে দিয়েছিলুম। লেখায় অনেক ভুল আছে মনেহয়। ওগুলো সবাই দেখেও না দেখার ভান করবেন
আর লেখাটা পোষ্ট করেই উঠে ঋহানের কাছে চলে গিয়েছিলাম। খেয়ালই করা হয়নি যে আমার লেখাটা মার্চ মাসের প্রথম দিনের প্রথম প্রহরে এবি'তে জায়গা করে নিয়েছে। ব্যাপক টাইমিং হইছে
আমি আজকে ঋহানের সাথে হেভ্ভি আড্ডা দিসি। খালি কয়ডা মাইয়া আইসা ডিস্টার্ব করছে আম্রারে। ছাইকা, রোয়েনাগুলা বদ।
দিবেনে ছ্যাচা
এত ব্যাস্ততার মাঝেও এত সুন্দর পোস্ট। জয়তু নাজ !
কাল ঠিক করেছিলাম, পোষ্ট একটা দিবোই। তাই যেমন তেমন লিখেই পোষ্ট!
মিস মিস!!!
(
তুমি যে মিস এটা সবাই জানে।
আসলেই আপনারে মিস করেছি
নাজকে
পোষ্ট দেয়ার জন্য এবং ঋহানকে নিয়ে এত কষ্ট করে আসার জন্য।কাল দারুণ এক সন্ধ্যা কাটালাম বইমেলায়। ঋহান এসে সবার আনন্দকে আরো বাড়ালো তবে লুল ফেলা বন্ধ করে হতাশ করলো সবাইকে। লীনাপার কোলে গিয়ে শুধু লুলই ফেললো না.......
সোনামানিকটার জন্য অনেক আদর, দোয়া।
এপুর সাথে প্রথম আড্ডা হলো কাল।
আমি প্রায়ই ভাবি এই বন্ধুত্ব যেনো সারাজীবন অটুটু থাকে, কোনকিছুই যেনো এই বন্ধন ছিঁড়তে না পারে। শুভকামনা সবার জন্য।
পোলার মান বাঁচাইতে সেটা আর বললাম না
বলো বাবা লুল...টুটলুল
পুলা বাপের মতো হৈছে , লোলজ
এই মেয়ে বলে লিখতে জানে না!!... সুন্দর একটা লেখা হয়েছে...
কালকের আড্ডায় সবাই দারুন মজা করছে শুনতে পারতেছি... মিস করলাম...
কোন বন্ধুত্বই সারাজীবন অটুটু থাকে না, আশা করা মিছা... থাকলে খুবই আনন্দের ব্যপার
কোন ব্নধুত্ব অটুট থাকে না?সারাজীবনের বন্ধুত্বও হয়। তা না হলে তাকে বন্ধুত্ব বলাটা ঠিক না।
আসলেই
লুল চাচ্চু পেয়ে ঋহানের খুশী আর ধরে না..
কালকে বইমেলা থেকে ফেরার পর থেকে এখনো একটু একটু লুল ফেলতেছে
ঋহান আর নিধি
আরেকটু বড় হোক, তখন লুল ফেলার সেকেন্ড ইনিংস শুরু হবে
আপাতত টুটুল ভাই প্রক্সি দিতেছে
ঋহান এখনই লেখিকা সঙ্ঘের ধারেকাছেই ঘুরছে!!!.।।।
ঋহানের ছবিগুলো খুব সুন্দর।
ঋহানের লুল পড়া বন্ধ হওয়া নিয়ে কি কোন পার্টি হবে
পোস্ট ব্যাপক পছন্দ হৈছে।
টুকরো টুকরো অনুভূতি পড়তে দারুণ লাগলো।
ঋহানকে অনেক অনেক আদর। কেন সেটা বলা যাচ্ছে না
এটা অবশ্য অফিসে বসে আমিও ভাবি কিন্তু ভাগ্যিস হয় না হলে অন্য বিপদও আছে আমার
আমারে এই পোষ্ট উৎসর্গ করা হইছে
কিছুক্ষন কথা বন্ধ
খুব খুশী হইছি দোস্ত ।
ওইদিন আমি চাইলেও যাইতে পারতাম না । আমার ভাই আসছিল ।
“যদি এমন কোন পদ্ধতি থাকতো যে, আমি এখন যা ভাবছি তা আটোমেটিক কোথাও লেখা হয়ে যাচ্ছে! তাহলে আজ অনেক বড় একটা লেখা দিতে পারতাম এবি’তে”। কথাটাতে ব্যাপক লাইক ।
ঠ্যাং খা
আপনেও তো একটা ইনক্রিডিবল দেখা যায়...
আছেন কেমন? ঋহানের ছবি কৈ? এবার ওর ঘরের বাইরের ছবি নিয়া একটা পুস্ট দেন।
আইস এজ্ কুন পার্ট্টা বেশি ভালো লাগছে?
আমি আবার ইনক্রিডিবল হইলাম কেমতে?
আপনার জ্বালায় আর পারলাম না, ওয়েইট ছবি দিতেছি!
আইস এজ্ প্রথম পার্টটাই বেশি ভালো লাগছিলো
মন্তব্য করুন