হ য ব র ল - ৩
১. আজ বেশ কিছুদিন যাবৎ নিজেকে কেমন জানি অগোছানো লাগছে। সবই ঠিক আছে। বাবা-মা, ছেলে-স্বামী, ভাই-বোন, সংসার – সব ঠিক আছে। কোন কিছুতেই তেমন কোন অসুবিধে নেই, তবুও কেন এমন লাগছে আমি জানিনা।
২. আমার জীবনের বেশি’র ভাগ সময় আমি ঘর কুণোই ছিলাম। বন্ধু-বান্ধব, আড্ডা, ঘুরে বেড়ানো এগুলোতে খুব পাগল কখনই ছিলাম না। এমনকি বৃষ্টি’তে ভেজা, অজানা উদ্দেশ্যে হেঁটে বেড়ানো, এগুলোর জন্যও নিজের মধ্যে কখনো কোন আকর্ষন বোধ করিনি। কিন্তু আজ-কাল কেন জানি এই সমস্ত কিছু আমাকে খুব টানে। এগুলো’তে ডুবে থাকতে খুব ইচ্ছে করে আমার। কিন্তু কেন করে, আমি জানিনা।
৩. আমি খুব ছোটবেলা থেকেই খুব জেদী স্বভাবের। না এটা আমার কোন গুন না। এটা আমার একটা দোষই বলা যায়। কিন্তু আমি এরকমই। একটা সময় চেষ্টা করেছিলাম নিজেকে বদলাতে। সেই চেষ্টা’র ফলে আমার জেদ করার পরিমানটা কমেছে ঠিকই, কিন্তু জেদ এর গভীরতা কমেনি। মানে জেদ করিনা করিনা, কিন্তু যখন মাথায় জেদ চাপে তখন সব শেষ। তবে এখন আর সেই জেদ দমানো’র চেষ্টাও ছেড়ে দিচ্ছি আস্তে আস্তে। কারন, আমার জন্য যেহেতু দুনিয়ার কোন নিয়ম বদলায় না, তাহলে আমি কেন “দুনিয়া কি মনে করবে” ভেবে নিজেকে বদলাবো?
৪. নিজের এই দোষে জীবনে অনেক বন্ধু’র সাথে অনেক দীর্ঘ সময় কথা বলিনি। কিন্তু এতে কেন জানি আমার কোন অনুশোচনা নেই। আজও অনেকের সাথে অনেক দীর্ঘ সময় কথা না বলে থাকতে পারি। কিন্তু সেটা কি কেবল নিজের দোষে? নাকি অন্যদেরও খানিকটা দোষ এতে থাকে? কি জানি। এতো কিছু বুঝি না, বুঝতে চাইও না। কেবল বুঝি, যারা আমার জেদ ভাঙ্গাতে চায় না, আমিও তাদের'কে ঘাটাতে চাইনা।
৬. আমার এত দোষ, তবুও আমার নাকি নিজের বুদ্ধি’তে মানুষের সাথে প্যাঁচ লাগানোর ক্ষমতা নেই। আমাকে নাকি প্যাঁচ লাগানো’র বুদ্ধি অন্য কেউ শিখিয়ে দেয়। হা হা হা হা। এখানে এসে আমি নিজেই খুব বেকুব বনে যাই। কারন, এতে তাহলে কি দাড়ালো? আমি খারাপ? না আমি ভালো? নাহ, আমি আসলে অনেক খারাপ-ই, অনেক খারাপ।
৫. আমি জেদী, আমি খারাপ, আমার এত দোষ– এত কিছু’র পরেও আমি যে “আমি” এতেই আমি খুশি।





খুশি না হয়ে উপায় নাই।
হু, আমি তো নিরুপায়!
খুব খারাপও
ভালো খারাপ তো আপেক্ষিক।
মনে হচ্ছে আপনের মেজাজ-টেজাজ গরম আছে। নেন আপনার জন্য একটা কৌতুক, কৌতুক নির্মল হাসির খোরাক।
---
রুটিন ভিজিটে এসেছেন ডাক্তার। প্রথম রোগিনীর কাছে গেলেন।
-আপনার ডেলিভারী ডেট কবে পড়েছে?
-৮ই মে।
দ্বিতীয় রোগিনীর কাছে গেলেন।
-আপনার কবে?
-৮ই মে।
তৃতীয় রোগিনী।
-আপনার?
-৮ই মে।
চতুর্থ রোগিনী ঘুমিয়ে ছিলেন। ডাক্তার তার পাশের বেডের মহিলাকে বললেন, আপনি কি জানেন ওর তারিখ কবে পড়েছে?
-কি করে বলবো? ওতো আমাদের সঙ্গে পিকনিকে যায় নি।
১) 'আসলে মানুষ মুলত একা'- এই কথাটা কিন্তু খুব সত্যি
আশপাশের লোক জানবে তারা সংকেত পাঠাবে, তুমি বুঝে নেবে। এত অল্প বয়সে এসব মাপামাপিরই বা কি দরকার!
২) 'সবাই ঘুমায়ে আছে সব দিকে- সমুদ্রের এই ধারে কাহাদের নোঙরের হয়েছে সময়'-- এইটাও সত্যি।
৩) নিজের মত করে থাকা খুব জরুরী-তাতে যদি কারো কোন অসুবিধা না হয়।
৪) যে থাকার সে থাকবে-চলে যাবার জন চলে যাবে। জোর করার কোন কিছু নেই।
৫) তুমি কেমন মেয়ে এইটা নিয়ে এত ভাবার দরকার কি
৬) নিজেকে পাল্টে ফেলার চেষ্টা কোরনা, 'সুষ্পষ্ট আমার কাছে জীবনের সুতীব্র সংকেত'। 'আমার আমি'টাকে চিনতে চেষ্টা করছো, নিজের আয়নায় নিজকে দেখার চেষ্টার ফলে অনেক কিছু হয়ে যায়......।
কারো জন্য বাঁচবা না নিজের জন্য বাঁচো। নিজের মত চলাটাই ভাল, যা ভাল লাগে তাই কর
কারণ এটা তোমার একার লাইফ
কেউ এটার দাবীদার না । কে ভাল বলবে, কে মন্দ বলবে তাতে কি আসে যায়, তুমি- তুমি। তোমাকে যার ভাল লাগবে সে আসবে না লাগ্লে আসবে না
জেদ চাপলেই আমার কাছে আসবা, বলবা ভাইয়া মাথায় একটু হাত রাখেন। রাখবো, দেখবা জেদ আর নাই।
এর বিনিময়ে আইসক্রিম খাওয়াইও
কি মন খারাপ করা পোস্ট দেন। একটা ঝাকানাকা পোস্ট দেন!
নাজ, তুমি যে প্রসেসটার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছো, কমবেশি আমরা মধ্যবিত্ত ঘরের আদুরে মেয়েরা এই ভাঙাগড়া প্রসেসটার মধ্যে দিয়ে যাই নিজের সংসারে যেয়ে পড়লে। অনেক বেশি দায়িত্বশীলতা আশা করা হয়, পরিণত ব্যবহার যেগুলোতে আমরা অভ্যস্ত থাকি না। ভয় পেয়ো না একদিন শিখে যাবে
তুমি লাকি তুমি বাবা মায়ের কাছে যেতে পারো মন চাইলে। অনেকে কিন্তু অনেক দূরে কারো কোন সাহায্য ছাড়া এধরণের কষ্টের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে যাচ্ছে যাবে
ঋহানের নতুন ছবি দেন।
আর গতকাল ঋহান কোনো লুল ফেলে নি। খেয়াল করেছেন?
নাজ আপু গেলেন কৈ? আপনের সাথে আছে লট অভ জরুরি কথা। প্লীজ একটু তাড়াতাড়ি আসেন।
নাজকে এক বস্তা
। আর জান্টুস ঋহানেকে এক ঝুড়ি আদর। 
ভালো থেকো আপু।
মন্তব্য করুন