রুপালি গিটার'এর ব্লগ
১৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৩..ভালোবাসা দিবস কিংবা জয়নাল দিপালীদের বিস্মৃতি...
গুম হয়ে যাওয়া লাশসকল প্রতিশোধ নেবে—
বীভত্স কফিনহীন মৃতদেহ রাস্তায় রাস্তায়
মোড়ে মোড়ে
অলিতে গলিতে
অন্ধিতে সন্ধিতে
তোমাদের শান্তিশৃঙ্খলা স্থিতিশীলতার গালে
থাপ্পড় মেরে
অট্টহাসি হেসে উঠবে।
অনুবাদ-অক্ষম একাকীত্ব এবং আমি…….।
আমার পৃথিবী জুড়ে কেবলি স্বপ্ন ভঙ্গের শব্দ।
পথ হাটছি অবিরাম………
শুধু হেটেই চলেছি…..।
প্রচন্ড ক্লান্তি এসে ভর করে। থেমে যেতে চায় আমার অনিশ্চিত পদযাত্রা।
তারপরও আমি হেটে চলি বন্ধুহীন, ভালোবাসাহীন।
বন্ধু,
আমার কথা ভেবে কখনো কি তুমি আনমনা হও?
কোন জোৎস্না ভেজা রাতে মনে পড়ে কি আমার কথা?
ভালোবাসা দিতে যদি কার্পন্য এতোই
তাহলে ঘৃনাই দাও নূন্যতম
অন্তত কিছু তো পাবো
হিমাঙ্ক অতল শৈত্য উপেক্ষা অথবা
তবু কিছু দাওগো পাষান
কাঙালের ভাঙা হাত একেবারে
ফিরিয়ে দিওনা।
ব্যথা ভারাক্রান্ত ঘুঙুরের মতো রাতভর বেজে যাওয়া এক দুঃখবিলাস!
এখন বাহিরে রাত
দূর হতে ভেসে আসে রাতজাগা বিহগের
বিষন্ন আর্তরব।
কেউ কোনোদিন জানবে না
কিসের বিরহে তার নির্ঘুম রাত কাটে;
দু’চোখের পাতায় অস্থির কাপন।
জানো কি তুমি,
কি হারানোর বেদনায়
কতো গভীর দুঃখ যাতনায়
পাথরেরও বুক ভাঙে!
দেখেছো কি তুমি,
পাহাড়ের কোল বেয়ে সে কান্নার
ঝর্ণা হয়ে অবিশ্রান্ত বয়ে যাওয়া!
তুমি শুনতে পাও কি,
ক্লান্ত দুপুরে রাখালীয়া বাঁশীতে
বাদকের বোবা যন্ত্রণার
সুর হয়ে ঝরে পড়া!
কিংবা,
ঝিঁ-ঝিঁ পোকার জমানো অনেক দুঃখের
অবোধ্য স্বরে
ব্যথা ভারাক্রান্ত ঘুঙুরের মতো
রাতভর বেজে যাওয়া!
পাও কি শুনতে তুমি?
আনমনা হয়ে ভাবো কি কোন অপূর্ণতার কথা?
মনে পড়ে কি আবছা হয়ে আসা অতীতের কোন মুখ?
আমি জেগে আছি।
আমার পৃথিবীজুড়ে এখন শুধুই
অসহ্য অন্ধকার;
