হঠাৎ বৃষ্টি
অফিসের কাজ নিয়ে চরম ব্যস্ততা ছিল গত কিছুদিন। এই ব্যস্ততা সামাল দিতে গিয়ে শুক্রবারে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে, ফলে মাসখানেক কোন আড্ডা নাই , কারো সাথে দেখা নাই। এর মাঝেই নজরুল ভাই আর নুপুরের ফ্ল্যাটে একদিন আড্ডা দিলাম, গত এক মাসে নিজের ও অফিসের কাজের মধ্যে ঐটাই ছিল আড্ডা বা বন্ধুদের সাথে দেখা।
গেল সপ্তাহে ব্যস্ততা কমেছে খানিকটা, বাসায় ফিরে টুকিটাকি কাজ গুলো সেরে ফেলতে পেরেছি। আজ তাই আর তাড়া ছিল না। বসুন্ধরায় যাওয়ার কথা থাকলেও All is forehead (কপিরাইটঃ বিষাক্ত মানুষ) এর কারনে যাওয়া হলো না।
বিকালে বন্ধুদের ফোন দিলাম , বললাম "চইলা আয়, অনেক দিন আড্ডা হয়না"।
সন্ধ্যা হতেই চলে এল ৪ বন্ধু। আমি সহ ৫ জন। কেবল আড্ডা জমেছে, এমন সময় ঝড় তারপর বৃষ্টি। গত কয়দিনের মত কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি নয়, মুষল ধারে বৃষ্টি।
আহ !!! ঠান্ডা হলো মাটি, ঠান্ডা হলো চারপাশ। বৃষ্টির সাথে গেয়ে উঠলো মন। রুমের বাতি নিভিয়ে দিলাম, বৈশাখী মেলা থেকে কিনে আনা একতারা আর খঞ্জরী নিয়ে শুরু হোল গানের আসর।
আমাদের সহ ব্লগার , বন্ধু নাহীদ শুরু করলো তার দরাজ গলায় লালনের গান, সাথে একতারা , খঞ্জরী। চললো একের পর এক পরিচিত , অপিরিচিত লালনের গান । সাথে গরম গরম চা । গলা সাধা ছিল না বলে একসময় থামতে হলো তাকে।
নাহীদের গান গাওয়া শেষ হতেই ছাড়লাম পিসি তে রবীন্দ্রনাথের বর্ষার গান, খায়রুল আনাম শাকিলের কন্ঠে নজরুলের কিছু গান । বাইরে তখন বৃষ্টি কমে এসেছে , গুড়ি গুড়ি করে পড়ছে, বাইরে থেকে আসা ভেঁজা বাতাসের খেলা বাসা জুড়ে। রুমে হালকা আলো।
তখন কিচেনে গেলাম খিচুড়ীর আয়োজন করতে। হঠাৎ বৃষ্টির কারনেই হঠাৎ করেই খিচুড়ী খাবার ইচ্ছা জাগলো । খিচুড়ী রানলাম, সাথে বেগুন ভাজি, ডিম ভাজি আর আচার। গরুর মাংস থাকলে আরও জমতো কিন্তু বাসায় ছিল না।
তবুও দারুন লাগলো খিচুড়ী , দারুন কাটলো সময় আড্ডা দিয়ে, গত কয়দিনের তাপ প্রবাহ কমলো আজ, নামলো মুষল ধারে বৃষ্টি , সাথে মনে রাখার মতো আড্ডা জমলো আজ, যেন অনেক দিনের আকাঙ্খিত বৃষ্টি কে বরন করতেই, বৈশাখের শেষ দিনে।





মাইনাস দিয়া গেলাম। খিচুরী খাইতে মন্চাইছিলো কিন্তু রান্না করতে মন্চায় নাই।আপনার খিচুরী পোষ্ট দেইখা দুক্ষে চোখে পানি আসছে।
আপ্নের দুক্ষ দেইখ্যা আমার চউক্ষ্যে পানি আইতাছে।
তাইলে কান্দেন। কাইন্দা বোতল ভরেন। এই পানিতে ভেজাল নাই।
বোতলে ভইরা আপ্নেরে সাপ্লাই দিমুনে।
ভাইজান,খামছি খান নাই কাল রাতে খিচুরী এর সাথে??????????/
না , হেতে ডরাইছে।
ওমা!হেতে হাগল অইছেনি কুনু?আপ্নে তো মিয়া ডরে আর আসনে নাই। ভীতুর ডিম।
বৈশাখের শেষ দিন ছিল নাকি ! ভাল কাটলো ......
হ।
ভালোই মজা করলেনদি।:)
খিঁচুড়ী খাইনা পচ্চাআআআ... খাইতে না পাবার জ্বালা যদি এমনেই ভুলতারি হিহিহিহি....ভালু থাইকেন ভাইডি।
আপনিও ভালু থাইকেন ভাইডি।
বৃষ্টিটা কাল ভালই ছিল। আপনারতো রাজকপাল। এমন দিনে বন্ধুদের সাথে আড্ডা, গান, পার্টি............ বেশ বেশ।
আসলেই আপু। পহেলা বৈশাখের পর কালকেই সবার সাথে আড্ডা দিলাম, এর মধ্যে আড্ডা তো দূরে থাক, দেখাই হয়নাই কারো সাথে।
কালকেই নামলো ঝুম বৃষ্টি । অদ্ভুত লাগলো আসলে বৃষ্টির সাথে এই আড্ডা । তাই ভাবলাম শেয়ার করি সবার সাথে।
সেদিন এক আড্ডা দিয়ে এক বন্ধুরে অচিন্দা ষ্টাইলে মুরগী বানাইলাম তন্দুরী রেষ্টুরেন্টে নিয়া।
সেই থেকে আমাদের সঙ্গে তার বাতচিত বন্ধ!
শর্ত দিছে আরেকদিন আমারে মুরগী হইতে হবে, নইলে কাটাকাটি!
তারে একদিন খাওয়ায়ে দিয়েন , বেচারা মনে বহুত চোট পাইছে।
সাঈদের বাসার আড্ডাটা মিসাই
যে কোন বন্ধ বা ছুটির দিনে সবাইরে নিয়া চৈলা আইবেন , আওনের দিন সকালে খালি ফুন দিবেন একটা ব্যাস , আর কিছু লাগতো না।
মাইনাস
আমিও মাইনাস দিলাম।
রুবেলরে ঝাঝা। সাঈদ ভাই এর ফটুটা ভালা হৈছে। খিচুরী খাইয়া এক্কেরে থুতনীর নীচে মেদ ঝুলছে। ভালই ছে।
খিচুড়ী না খাইতে পাইরা কত্ত কি যে পাব্লিক কয়, সবটাতে কান দিতে নাই।
আপনেরে কান দিতে কইছে কে?খালি চোক্ষে চাইয়া দেখবেন।
মাইনস দিলাম এটা বুঝি নাই।
আমি মিসস করলাম তোমার আডডা..।
ভাবি, অগ্রজ একটা ব্লগের কমেন্টে , পোষ্টে মাইনাস দেবার সিস্টেম আছে, সেখান থেকেই এই মাইনাস কথা ।
লালনের একটা গান শুনছেন,
"রাত পোহালে পাখি বলে দে রে খাই, দে রে খাই"
সবাই মিলে চিল্লায়ে গাওয়ার জন্য জব্বর একটা গান।
বর্ষার দিনে বর্ষাতি হাতে নিয়ে ভিজতে হয়। নাইলে ঠিক বর্ষাটা বোঝা যায় না।
ভিজুম ভিজুম , পুরো বর্ষা শুরু হোক, ভিজুম।
আমরা এক লগে চিল্লায়া গান গাইছি , এতে অবশ্য গাতকের ছন্দ পতন হয়েছে খানিকটা।
শ্রোতা আছেন বলেই গাতক। কাজেই শ্রোতাদের আনন্দের কাছে গাতকের ছন্দ পতন জায়েজ

বুঝছি, এই আড্ডাটা জমেনাই
হ আঙুর ফল টকের গল্প আমরা জানি।
আড্ডা দিতে মঞ্চায় ।
বৃষ্টিতে জম্পেশ আড্ডা! হিংসাইলাম
হিংসা করা খ্রাপ, খুব খ্রাপ। চইলা আসো সময় করে, আসলেই আড্ডা হবেক।
আমি ছিলাম না, সেইটা কোনো আড্ডা হয়?
বুঝছি , ঐ আঙুর টকের গল্প আবার কৈতে হৈব।
আড্ডা ভালো লাগে। কিন্তু আর কি কোনদিন বসা হবে?
ভালো থাকেন।
আড্ডতে তো প্রায়ই বসা হয় , চৈলা আইসেন।
পেটে আপনার হোক পিলে
কেচো যেমন খালে বিলে
খিচূড়ীর সাথে আপনাকেও খাক
গিলে গিলে
তাতাপুকে ঝাঝা। সাঈদ ভাই এর জন্য এই কবিতাটা নাজিল করলেন বলে আপনাকে একটা মেডেল দেয়া হবে।
গোল্ড প্লেটেড কিন্তু
মন্তব্য করুন