গাঞ্জা কাহিনী ]]] ২ [[[
আমাদের ক্লাশ মেট করিম। ক্লাশে রোল ছিল - ২। বুঝতেই পারছেন , ভালো ছাত্র। জীবনে লক্ষ্য ডাক্তার হবার , ডাক্তার ও সে হয়েছে। চেম্বার আছে আবার পিজি তে ভালো সার্জন হিসাবে নাম ডাক ও নাকি আছে। কিন্তু আমরা অবশ্য তার কাছে যাইনা অসুখ বিসুখে। কেন যাইনা সে এক বিরাট ইতিহাস।
সেই ইতিহাসের একটা ক্ষুদ্র অংশ আজ বলি। করিম , ডাক্তার হলেও "গুরু"তে তার ভক্তি কম না । প্রচন্ড "গুরু" ভক্তি তার। চেম্বার শেষ করেই "গুরু" নিয়া বসে পড়ে। শুধু "গুরু" না , তরলেও তার আসক্তি আমাদের সবার থেকে বেশীই। তো যাই হোক, একদিন চেম্বার শেষ করে গুরুতে টান দিয়ে চোখ লাল করে ফেলেছে। এমন সময় ইমার্জেন্সি কল। ঢাকা শহরের একজন নামকরা সন্ত্রাসী (নামের আগে তার কোন প্রানীর নাম বিশেষন হিসাবে আছে) তাকে স্মরন করেছে। স্মরন যেহেতু করেছে , সেই অবস্থাতেই আমাদের ডাক্তার সাব গেলেন কলে।
রোগীর অবস্থা খুবই খারাপ। তার ডায়রিয়া হয়েছে , কোন মতেই থামছেনা সারাদিন। তো ডাক্তার বাবু রোগী দেখে ফ্ল্যাজিল - ৫০০ মিগ্রাঃ লিখে দিয়ে আসলেন। ডাক্তারের লেখা সুপারিশ মত রোগী লোক পাঠালো ওষুধ কিনতে।
পুরা ঢাকা শহর চষেও সেই ওষুধ নাই। রোগী নিজেও খোঁজ নিয়ে দেখলেন , সেই ডোজের ওষুধ নাই কোথাও।
কি করে থাকবে ? ফ্ল্যাজিল হয় ২০০ মিঃগ্রাঃ আর ৪০০ মিঃগ্রাঃ এর। ৫০০ তো কেউ বানায় না। কিন্তু ডাক্তার বাবু নেশার ঘোরেই ৫০০ লিখে দিয়ে খালাস।
পরদিন ডাক্তার এর ডাক পড়লো আবার। ডাক্তার আবার গেলেন রোগীর আস্তানায়। রোগী সেই ব্যবস্থাপত্র ধরায়ে দিয়ে বললেন - "এই ওষুধ তো পাইনা, কি দিছেন"। নিজের লেখে ওষুধ দেইখা ডাক্তারের নিজেরই চোখ ছানাবড়া। কি করবে , গতকাল তখন তো চোখ ছিল ঢুলু ঢুলু।
ডাক্তারের পালটা ফাঁপড় - "আরে আপনার অবস্থা দেইখা ৫০০ লিখছি। একটা ৪০০ মিঃগ্রাঃ আর একটা ২০০ মিঃগ্রাঃ এর অর্ধেক ভাইঙ্গা খাইতে পারেন নাই ???"
:)
[গাঞ্জা কাহিনী আপাততঃ শেষ করছি , অন্য অনেক কিছু জমে আছে, সেগুলো দেবার পরে আবার শুরু করা যাবে। ]





হাঃহাঃহাঃ গাঞ্জা স্মৃতি শক্তির জন্য খুবই বিধ্বংসি জিনিষ।
সেই কারনে অনেকে একে ভুইল্যাও বলে থাকেন,
নয়া কাহিনী যা মাথায় গুতা দিতেছে তা নামাইয়া ফালান
হঃ নয়া কাহিনী নামায়া ফেলুম । নয়া বছর ডা আসুক।
"আরে আপনার অবস্থা দেইখা ৫০০ লিখছি। একটা ৪০০ মিঃগ্রাঃ আর একটা ২০০ মিঃগ্রাঃ এর অর্ধেক ভাইঙ্গা খাইতে পারেন নাই ???"
সত্যি নাকি?
পুরা হাছা। ঈমানে কইলাম।
এখন কি চাক্রি আছে সেই ডাক্তারের? কয়দিন আগে না দেখলাম শুদ্ধি অভিযান চল্তাছে পিজিতে?
সবই আই ওয়াশ ।
এই ডাক্তর আর ডাক্তর বন্ধুদের ফাঁসী দেয়া উচিত।
খুক খুক ।
সাঈদ ভাই r করিম ডাক্তরসাব দুইজুনেই সাবধান। এমতে ডাক্তরি কইরা পার পাওনের দিন শেষ।
আমার রিপ্লাই ডা কি সেন্সর হইলো নাকি ? দেকি না কেনু !!!
"গুরু" আর ডাক্তার সাব এক হইল কেমতে!
সে প্রশ্ন আমরা করি। তবে বাংলাদেশে মনে হয় সবচেয়ে বেশী নেশা ডাক্তাররাই করে।
আমার শহরের নামকরা এক ডাক্তারের বাড়ীর কাজ চলছিল। ডাক্তার রুগী দেখছিল আমি মিস্ত্রীদের কাজ তদারকী করছিল। এক রোগী চেম্বার থেকে বেরিয়ে প্রেসক্রিপশনটা দিল পাশের ওষুধের দোকানে।
দোকানী চোখ রগড়ে দেখে ওখানে লেখা- " বিশ ব্যাগ সিমেন্ট, এক ট্রাক বালি, আধাটন রড!!"
ডাক্তারের কিন্তু গাঞ্জার নেশাটেশা নাই :)
হা হা হা হা , মারাত্মক হইছে !!!!!
ডাক্তার'গো লইয়া এইডি কি শুরু হইলো? =))
শুরু কি হইছে এখনও ???
গাঁজার নৌকা পাহাড় দিয়া যায়...
আবার জিগায় !!!
মুরগী আসলামের কথা কইলেন নাকি? তাইলে ঠিকাছে
বিশেষন ঠিকাছে কিন্তু নামটা "ম'' দিয়ে শুরু।
হুঁ, মিলন। মুরগি মিলন
মিলন মিয়া কি তাইলে তুমার দুস্তের অসুধ খায়া মচছিলো? পুরাই কাহাবাত কাহিনী কৈলে
আরে অসুদে মরবো ক্যান !!!
ভাগ্যিস ডোজের হেরফের ছিলো শুধু, ওষুধের নামের না!
ঐটাই যা বাচোয়া ছিল নইলে ...।
পরের গল্প কৈ?


নিউ ইয়ার স্পেশাল আছেনি কিছু
ইশপিসাল কিছু নাই আপাততঃ ।
আব্জাব লেখা আছে , দিমুনে ফ্রী হইয়া।
ডাক্তারের নাম বলেন, ভুলেও যেন না যাই আরকি
ডাক্তারের নাম বলেন, ভুলেও যেন না যাই আরকি
নাম তো উরফেই দিয়া দিছি। সাবধান । আম্রাও যাইনা।
গাঞ্জা কাহিনী পৈড়ে হাসতে হাসতে পড়ে যাচ্ছি।
ভাই পরের পর্ব কৈ?
মন্তব্য করুন