একটি পোষ্ট, নিজের ঢোল নিজে পিটানো এবং একখানা সাহায্যের আবেদন।
ছবি তোলার শখ অনেক আগে থেকেই।
তখন ডিজিটাল ক্যামেরা ছিল না , ফিল্ম ক্যামেরাই ভরসা তাও সেই ইয়াশিকা নরমাল লেন্স দিয়েই শুরু। ১৯৯৫ সালে প্রথম ক্যামেরা নিয়া ঘুরতে যাওয়া কক্সবাজার। কক্সবাজারেও জীবনের প্রথম ভ্রমন তখন। শখ করে ছবি তুললাম , ফ্রেন্ড দের, সূর্যাস্তের, ঢেউয়ের, খুব হিসাব করে করে। কারণ একেতো স্টুডেন্ট তারপরে ফিল্ম কেনার খরচ !!! সেই অভাবের মধ্যেও আমাদের একজন সহ ভ্রমন কারী ক্যামেরার পিছনের কভার খুলে দেখতে গেছিল ছবি গুলো কেমন উঠছে !!!
ফলাফল , প্রায় সব ছবিই নষ্ট আর নতুন ফিল্ম কেনাও হয় নাই, টাকার অভাবে।
যাই হোক, এর পর ১৯৯৮ সালে প্রথম এস এল আর ক্যামেরা কিনি, সেকেন্ড হ্যান্ড, সেটাও ইয়াশিকা। কিন্তু ছবি আর তোলা হতো না বেশী। তুলে ডেভেলপ করা, ওয়াশ করা - খরচ আর খরচ !!! যাই হোক , সেই থেকেই এস এল আর নিয়ে নাড়াচাড়া, চাকরীর ফাঁকে ফাঁকে ঘুরাঘুরি , সেখানে ছবি তোলা । তবে ক্যামেরার কারণে আত্মীয় স্বজন, পাড়া প্রতিবেশীর বিয়ে শাদির অনুষ্ঠানে দাওয়াত মিস হতো না।
তারপর এক সময় এলো ডিজিটাল ক্যামেরা কিন্তু নরমাল। আমি কিনি নাই আর সেই নরমাল ডিজিটাল ক্যামেরা। বড় বোনের ছিল, সেটা দিয়ে টুক টাক ছবি তুলতাম কিন্তু এস এল আর এ তোলার সেই মজা আর পাইতাম না । তাই ছবিও বেশী তোলা হয় নাই।
টাকা পয়সা জমায়ে গত বছর কিনলাম একটা ডি এস এল আর ক্যামেরা। তার কয়েক মাস পরেই এক্সট্রা একটা জুম লেন্স। ছবি তুলি, ফেসবুকে দেই।
ফ্লিকারে দিব দিব , ফ্লিকারে একাউন্ট খুলবো খুলবো করে আর খোলা হয় নাই। তারপর ফ্লিকারে একাউন্ট খুললাম এবছর।
http://www.flickr.com/photos/raihan_sayeed/ - আমার ফ্লিকার এড্রেস।
একাউন্ট দেখি ২ ধরনের - ফ্রী এবং প্রো । ফ্রী তে মাসে ১০০ এম্বি আপ্লোড করা যায়। তাই সই। কোন সমস্যা নাই। তাই জমে থাকা ছবি আপলোড করা শুরু করলাম। করতে করতে ১৯৭ টা ছবি আপলোড করে ফেলেছি ।
এখন এই পর্যায়ে এসে ফ্লিকার কর্তৃপক্ষ আমাকে বলেন যে ২০০ ছবির পর বাকী ছবি আপলোড করতে হইলে প্রো একাউন্ট লাগবে, যা বছরে ২৪ কি ২৫ ডলার চার্জ। কি সমস্যা !!!! আমরা তো বাঙালী, মাগনা টাই বেশী পছন্দ করি, টাকা দিয়ে এইসব ব্যবহার করতে আমাদের যত সমস্যা আবার ফ্লিকারে ছবি এডাইতে না পারলে এখন ভালো ও লাগে না। আর ছবি গুলো সেভ করে রাখার জন্য ভালো একটা রাখার জায়গা হিসাবে ফ্লিকার কেই ভালো মনে হলো। এখন দেখি মহা সমস্যা।
ক্রেডিট কার্ড আছে কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড নাই , প্রো একাউন্ট কিনতেও পারছি না, ছবি আপলোড ও করতে পারছি না আর।
আছেন কোন সহৃদয় ব্যাক্তি, দেশের ভিতরে বা বাইরে , যে আমার হয়ে একাউন্ট কিনে দিবেন ??? অবশ্য একবার কিনলে প্রতিবছর কিংবা ২ বছর পর পর আমাকে এই ঝামেলা পোহাতে হবে কারন এটা বাৎসরিক বা দ্বিবার্ষিক হারে।
তার খরচ কৃত টাকা যথাসময়ে পৌছে দেয়া হবে ।
দেশে কিংবা বিদেশে , এরকম আছেন কি কোন মহৎ ব্যাক্তি?





আমি হইত হেল্প করতে পারমু!
পেইমেন্ট সিস্টেম তা দেইখা লই
আচ্ছা ভাই , শান্তি পাইলাম।
সাঈদ ভাইয়ের পথচলা সফল হোক।
কি কইলাম কি শুনলাম ।
আগে শখ কইরা দু-একবার শাটারে টিপ দিতাম। ফ্লিকার-ডেভিয়ান্টয়ার্টে মানুষের ছবি তোলা দেইখা ছবি তোলা ছাইড়া দিছি। ডিএসএলয়ার কেনার পয়সা কোনদিন হইলে আবার তুলবো
তুলতে থাকেন , এক সময় হাত চলে আসবে।
হাত কোথায় গেছে ? কবে আসবে ??
ব্যাটা মানুষের হাত কি কার জায়গা মত থাকে ??? কত জায়গা-চিপায় চাপায় ঘুরে কে জানে !!!
জানতামনাতো ? শিখলাম... শিখার কী আর শেষ আছে ?
হুদাই টাকা খরচ করবেন কেন??
ফ্লিকারে আরেকটা একাউন্ট খুলেন।

ঐখানে ২০০ ছবি হবার পর কি আরেকটা খুলবো ??? কয়দিন পর পর খুলতেই থাকবো ??? কয়দিন পর ফ্লিকারেই আমার ২০০ একাউন্ট হবে, তখন কোন একাউন্টে কোন ছবি সেইটা বাইর করতে টাকা দিয়ে আরেকজন লোক রাখতে হবে।
সাইদ ভাই, আপনার দুইখান ছবি বেশ লেগেছে! কোথায় আপনারা এমন সময় পান!


(ছবিগুলো দেখে আমি নিশ্চন্ত কেহ হেল্প করবে, আশা রাখেন।)
আমি ফুল ভালা পাই।
আমি লালশাক ভালা পাই।
একদিন লাল শাক খাওয়ার দাওয়াত দেন ভাই, ফুল নিয়ে যামুনে আপনার বাসায়।
আমি লাল শাক ভালোবাসি ইবং ভালো পাক করতি পারি। ঠিকানা দেন, ভাজি এবং ঝোল-ঝোল রান্না দুইটাই পাঠায়ে দেবো। (ফুল লাগবেনা)
রান্না করে খালী খবর দিবেন, আমরাই কষ্ট করে গিয়ে নিয়ে আসপো।
পিকাসা কি দুষ করল সাঈদ!!!!
পিকাসা তে ১ গিগাবাইট ফ্রী আপলোড করা যায় । এর পর টাকা লাগে, ফ্লিকার থেকে বেশী।
ভাইয়া আপনার হাত বেশ ভালো । আমার ভালো লেগেছে অনেকগুলো ছবি । একটু এডিট এর কাজটা করে নিলে মনে হয় কিছু ছবি আরো ফুটতো ।
এডিট করাটা আমার পছন্দ না বোন। আমার মতে, এতে ছবি ভালো হয় কিন্তু ফটোগ্রাফারের দক্ষতা প্রকাশ পায়না। যেটা আমি আসলেই তুলেছি, সেটাই প্রকাশ করার চেষ্টা করি।
সবাই চালাক হয়ে গেছে, কদ্দিন আর ফ্রী খাওয়াবে। ফ্লিকার যখন যাত্রা শুরু করে এইসব প্রো ট্রো ছিল না। পুরাই নাগনা। তবে বৃটিশরা নাকি আগে মাগনা চা খাওয়াইতো, তারপর প্রতি লিকারে টাকা........
হ দাদা, সবাই চা খাওয়ানোর মত লোভ দিয়া পরে টাকা চায়, এমনকি রোমান্টিক সাইট গুলাও।
আপনের ছবি ভালো লাগলো...তয় ডিজিটাল ফর্ম্যাট জনপ্রিয় হওনের পর এডিট বিষয়টা নিয়া আমরা সবাই যতোটা দুচ্ছাই করি শুরুতে ততোটা করনের কোনো প্রয়োজন নাই। যারা সেলুলয়েডে ছবি তুলে বা তুলতো তাগোও যে প্রসেস করতে হইতো সেইটা নিশ্চিত জানেন...আর সেইখানে গ্রেডিং বইলাও একটা বিষয় ছিলো বা আছে...আর ডিজিটাল ফর্ম্যাটের প্রসেসিং প্রসিডিওরটাই ভিন্ন হওয়াতে এইখানে অনেক সময় এডিটিং আবশ্যিক হয়। কারণ সেলুলয়েডে আপনে জাস্ট এক্সপোজারটা মিলাইতে পারলেই ছবি তুলতে পারবেন আকাশের। কিন্তু ডিএসএলআর'এ RAW ফর্ম্যাট তুললে আপনের ক্যামেরা মেমোরী কার্ডে কিছু ডেটা তুইলা দিবো। এখন সেই ডেটা আপনে কোন প্রসেস ছাড়াই এনকোড কইরা দিবেন? কারণ অনেক ডেটাই হয়তো আপনের ছবিতে একটু হিডেন থাকে। আপনে তো একটা ছবিতে তিনটা এক্সপোজার নিতে পারবেন না...তাইলে? প্রসেস করতেই হইবো। শব্দটা এডিট কয় কারণ ফরম্যাটটা ডিজিটাল বইলা...
বুঝলাম । অনেক ধন্যবাদ দাদা।
আমিও মাঝেমধ্যে শখ করে ক্যামেরার সাটার টিপি। ছবি তুলতে চলে যাই দুর দুরান্তে। যদিও পেশাদার আলোকচিত্রী না হওয়ার কারণে নিজের পেশা নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকতে হয়। তবে ছবি তুলতে মন চায়...
এখানে আমার তোলা একটা ছবি দিলাম...
জাকির জাহামজেদ
http://www.facebook.com/photos.php?id=1039563795#!/photo.php?pid=1371909&id=1039563795&ref=album
আমিও পেশাদার না, তাই নিজের পেশার কারণে সেভাবে সময় দেয়া হয় না ফটো তোলার পিছনে।
আপনার তোলা ছবি গুলা দেখলাম, সুন্দর হয়েছে ছবিগুলা।
ছবি তুলে সেগুলোর স্বত্ব আমাদের দিয়া দেন। ফ্লিকারের ঝামেলা আমরা সামলামুনে। ক্যামেরা আর ছবি তোলা আপ্নের আর ফ্লিকারের দায়িত্ব আমাদের। রাজি?
কিছু বুঝলাম না কি কইলেন !!!
সাইদ ভাই, বিবাহের আগে কামিয়ে নিন। বিবাহের পর আর টাইম পাবেন না। গুড অফার।
দেখা যাক ।
বিবাহের আগে কি কামিয়ে নিব, ক্লিয়ার না।
ক্লিয়ার না হৈলে হারপিক খান। বাসায় কি রেজর/ব্লেড নাই
অনেক কিছুই তো কামানো যায় , ব্লেড দিয়া কিন্তু কোন্টার কথা কইলো বড় ভাই, ক্লীয়ার না।
আমার মনে হয় আমাকে 'মৌনব্রতে' যেতে হবে। যাই বলি ভুল বলি! সরি ভাইরা।
নিজের ভুল ধরতে পারছেন বইলা সাধুবাদ জানাই আপনেরে।
যেই যোগ্যতারে আপনে অনেক বড় কইরা দেখাইয়া ইমোশনালি প্রেজেন্ট করতে চাইছেন সেই ১২ বছরের বিবাহিত জীবন আসলে একটা ভূয়া বিষয়। ঐটা সাড়ে তিন বছর হইলেও আপনের লেখার ধরনে কোনো চেইঞ্জ আসতো না সেইটা হলফ কইরা বলতে পারি। এই ব্লগের নারী ব্লগারদের উদ্দেশ্যে আপনে লেখা দিছেন, সেইটা পড়লে যে কেউ বুঝবো আপনে সবাইরে গৃহবধু ঠাউরাইছেন। কিন্তু আপনের এই তথ্য জানা নাই যে এইখানকার প্রায় সকলেই পেশাজীবী স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হইয়াই। এরা সবাই'ই অলমোস্ট একই সময়ে বাড়ি ফেরে হাজব্যান্ডের সাথে। আর আপনে পইড়া আছেন সেই ৫০/৬০/৭০ দশকে...যেই ভাবনা জুইড়া নারী হইল ঘরের শোভা, রমনযোগ্যতা তার প্রধান মাপকাঠি।
যৌনতার ধারণাতেও আপনে অনেক পুরুষতান্ত্রিক যেইটা বিরক্তিকর হয় প্রায়শঃ। আপনের লেখাটা ভাবনার ফসল কইছিলেন সেইটা যদি রম্য কইরাও কইয়া থাকেন সেইটাও একজন বর্তমান সময়ের নারীর লেইগা বেশ বিব্রতকর।
আমার গায়ের রঙের উর্দ্ধে না উঠতে পারনের বিষয়টারে আক্রমণের বিষয় বানাইয়া আমার ধারণারেই আপনে শক্তিশালি করলেন। আপনের চিন্তা-ভাবনার দৌড় উর্দ্ধে, মানে এক্কেরে বেহেশত দোজখ পর্যন্ত গেছেগা। এইরম চিন্তা যারা করতো তারা আজ আর আমাদের মাঝে নেই...তারা আজ উর্দ্ধ আকাশেই থাকে জানি। আপনে চিন্তায় উর্দ্ধগো লগে আছেন, আপনে শ্রদ্ধা প্রকাশেও উর্দ্ধেই থাকেন...মগবাজারের ব্রীজে উঠনের লেইগা আপনের বাসনা বেশ প্রবলই হয় দেখছি। আপনে নিজের গায়ের রঙ নিয়াও মনে হয় বেশ উর্দ্ধেই থাকেন, যেই কারনে ব্রীজের উপর উলঙ্গ হইয়া দাঁড়ানোতেও আপনে বেশ সাবলীল।
এতো উর্দ্ধে উঠনের সাধ বা সাধ্য কোনোটাই আমার নাই বইলা আমি আদৌ অনুতপ্ত না। আমি মাটিতেই থাকতে চাই, নিজের গায়ের রঙ জামা কাপড় দিয়া ঢাইকাই রাখতে চাই। আপনের পুরুষতান্ত্রিক প্রকাশরে আমার বড়োই নোংরা লাগে মাঝে মাঝে, সেইটাও সরাসরিই কইতে চাই...
ভাস্কর দাদা, এতো চ্যাতেন ক্যান ???? কুল কুল ।
ছবি সুন্দর হইছে
ধন্যবাদ ভাই কিন্তু আমি তো ভাবছিলাম কেউ হয়তো সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবে। ।
প্রো একাউন্ট করতে কত লাগে ?
একাউন্ট খোলা হয়েছে ?
না হলে আমার সাথে যোগাযোগ করেন, আমি করে দেবো।
থ্যাঙ্কু মাহবুব ভাই। করতে ২৫ ডলার লাগে । এখনও করতে পারি নাই প্রো একাউন্ট।
করে দিতে পারলে খুব উপকার হতো । আমি দেশে আপনার কোন আত্মীয়র কাছে সমপরিমান টাকায় পেমেন্ট টা করে দিব।
ফেসবুকে আলাপ হবে তাইলে, সমস্যা নাই।
ও কে ।
I just
like UR photos....
মন্তব্য করুন