রবীন্দ্রনাথের রচনা নিয়ে গবেষণা
রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে কিছুদিন ধরে গবেষণা করছিলাম। গবেষণা করে দেখলাম রবি বাবু যে আমাদের জীবন যাপনের কথা ভেবে এত আগেই গান রচনা করে গেছে, তা কে জানতো ?
রবিন্দ্রনাথের রচনা বিশেষ করে গানের প্রাসঙ্গিক ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে এসেছে প্রেমের ক্ষেত্রে, ছ্যাকামাইছিন খাইলে, নাটকে কিন্তু আসলে তিনি গান লিখেছেন অন্য কারণে, সেটা কেউ ধরতে পারে নাই আমার আগে, গবেষণা করে সেটাই পেলাম।
যেমনঃ
বাংলাদেশের বিদ্যূৎ সাপ্লাই নিয়ে তিনি কত্ত আগেই লিখে গেছেন - "মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাইনা" । আবার যখন বিদ্যূৎ মাঝে মাঝে আসে, তখন " হারাই হারাই সদা হয় ভয় , হারাইয়া ফেলি চকিতে" - একদম মনের কথা। উফফ্ , কি করে জানলেন তিনি আমাদের যে এই অবস্থা হবে ?
এমনকি আপনি বাসায় গিয়ে টয়লেটে যাবেন, নিম্নচাপের কারনে ৬/৭ নম্বর বিপদ সংকেত , কিন্তু টয়লেট বুকড্, তার জন্যে লিখেছেন - "খোল খোল দ্বার রাখিওনা আর বাহিরে আমায় দাঁড়ায়ে" ।
কিংবা টয়লেট থেকে বের হলেন, এইটা নিয়েও লিখে গেছে - "তুই ফেলে এসেছিস কারে, মন মনরে আমার"।
তারপর ধরেন বাসায় আপনি আয়েশ করে সিগারেট ধরালেন, ওমনি আপনার মিসেস এসে বাজারের ফর্দ ধরায়ে দিল, সংসারের এই নাই , ঐ নাই বলে ঘ্যানর ঘ্যনর করতে লাগলো, সেই অবস্থা থেকে বাঁচার জন্যেও লিখে গেছেন - "আমায় থাকতে দে না আপন মনে" ।
এই যে ছিনতাই কারী মাঝে মাঝেই একে-ওকে ধরে , সে অবস্থার জন্যে লিখে গেছেন তাঁর সময়ে - "আমার যে সব দিতে হবে , সেতো আমি জানি"
তাঁর সুদূরপ্রসারী চিন্তা আসলেই মুগ্ধ করার মতন। শুধু তাই না, আমাদের রাজনৈতিক জীবন নিয়েও করে গেছেন রচনা। যেমনঃ
আমাদের রাজনৈতিক নেতা নেত্রীরা নির্বাচনের আগে যে ওয়াদা করেন , ভোটারদের তারপরের অবস্থা বুঝাতে তিনি লিখে গেছেন - "অনেক কথা যাও যে বলি, কোন কথা না বলি, তোমার ভাষা বোঝার আশা দিয়েছি জলাঞ্জলি"
তারপর তারা যখন যান পথ বন্ধ করে আর নেতা/নেত্রী চামুদের দিকে হাত নাড়াতে নাড়াতে যখন যান, চামুদের জন্য সেই সময়ের অবস্থা বোঝাতে লিখে গেছেন "একটুকু ছোঁওয়া লাগে , একটুকু কথা শুনি, তাই নিয়ে মনে মনে রচি মম ফাল্গুনি"
আর যেসব আম পাবলিক বাসে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যাম খান , তাদের জন্য লিখে গেছেন " যদি জানতেম আমার কিসেরও ব্যাথা, তোমায় জানাতাম"
আমরা যে ৫ বছর পর পর ভোট দেই এটা নিয়েও লিখে গেছেন - "আমি জেনে শুনে বিষ করেছি পান" । কোন কোন দুর্মূখ আবার এটাকে সিগারেট খাওয়ার জন্য লিখেছেন বলে মনে করে, গবেষনা করে বের করেছি আসলে তা ঠিক না।
আবার দেখেন , আমাদের দেশে যেই বিরোধো দলের নেত্রী হোক না কেন , সে ই সংসদের পথ ভুলে যান , তারপরেও যদি বা জান সংসদে, তাই তাদের কে নিয়েও লিখে গেছেন "জানি জানি তুমি এসেছো এ পথে মনেরও ভুলে" ।
পল্টি খাওয়া রাজনীতিবিদ দের জন্যেও লিখে গেছেন "এরা সুখের লাগি চাহে প্রেম, প্রেম মিলেনা ........ এরা ভুলে যায় কারে ছেড়ে কারে চায়" ।
আর টাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তো লিখেই গেছেন "তোমারেই করিয়াছি জীবনেরো ধ্রুবতারা"





ব্যাপক গবেষণা করছেন সাঈদ ভাই। গবেষণা ভালু পাইছি। তবে খালি গান নিয়া খুঁচাখুঁচি , গবেষণা করলে হবে?
মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাইনা
হারাই হারাই সদা হয় ভয় , হারাইয়া ফেলি চকিতে
আমার প্রিয় দুইটা লাইন
আপাততঃ গান নিয়ে গবেষণা করলাম, পরে কবিতা নিয়া করুম।
এই লাইন দুইটা আমারো প্রিয়, বিশেষ করে লোডশেডিং বাড়লে।
সাঈদ ভাই আপনার লোডশেডিং তো শুরু হয় যখন ছাদে উঠে পাশের বাড়ির মেয়েটিরে না দেখলে।তাই না???

শেষ বয়সে আর তাকানো !!!
মাইয়ার মা আবার মনে করতে পারে টাংকি তার লগে দেই কি না , ডর ঐখানে।
বলেন কি? নিজেরে নিজে এমুন সার্টিফিকেট দিলেন?
এইটা কি বলেন সাঈদ ভাই???????
হোমো চাচা ৭১ বয়সে পারলে আপনেও পারবেন।
নো টেনশন।
শেষ বয়সে আর তাকানো !!!
কী সহজ, সরল, নির্ভেজাল, সত্য স্বিকারোক্তী... বেচারা সাঈদ !!!
আহারে পুলাডা বড় ভালা আছিলো .................. মাথাটা কেন নষ্টু হইলো কে জানে
আহারে পুলাড়ার মাথা এক্কের শেষ..............
হ বিয়া কইরা আন্নের মাথাডাও শ্যাষ ।
তোমার লোডশেডিং ফিল্ডিং এর কথা শুইনা পুরান এক কাহিনী মনে পড়ছে। সন্ধ্যা রাতে প্রেমিক গেছে প্রেমিকার বাড়ির পাশে। বারান্দায় অন্ধকারে মেয়ে হাটাহাটি করতেছে দেইখা ভাবছে তার প্রেমিকা। পোলায় শীষ দিয়া দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা শুরু কইরা দিল। আসলে ঐজন প্রেমিকা ছিলনা প্রেমিকার মা। দুই চাইর বার শীষ দেওনের পর উনি জিনিসটা বুইঝা তাড়াতাড়ি ঘরে ঢুইকা মেয়েকে বলেন, যাও বারান্দায় যাও, শীষ দিতে দিতে বেহুশ হইয়া গেল।
হে হে হে হে...
এই গানটা লেখার পিছনে সত্যিকারেই প্রায় কাছাকাছি একটা ঘটনা যে আছে, সেডা আপনে জানেন?
রবি বাবুর অনেক গানেরই পিছনে ঘটনা আছে , সব তো আর জানিনা
গবেষনা করে যা পাইলাম , তাই জানি শুধু
আপনার এই গবেষণা নিয়া উনি কোনো গান লেখেন নাই?
আলবাত লেখছেন!
হারে রে রে রে রে আমায় ছেড়ে দে রে দে রে
এই নুশেরাপু লিখে দিয়েছে ।
আমি কি গাইবে গান? চারিদিকে ব্রেন গান, স্টেন গান, মেশিন গান, মিলিটারি আর মিলিটারি গানডা কি রবি ঠাকুরের গাওয়া?
হ, হইতেও পারে
কত গানই তো গাইছে রবি বাবু।
ব্যপুক গবেষণা। সাঈদ ভাইয়ের লেখায় ভালো ধার আছে, যেইটা ভালো পাই।
ধইন্যা, ভাই।
সাঈদভাইর বিবাহের দাওয়াত না পাইয়া এবিবাসী বিমর্ষ। এইজন্যও রবিগুরু গান লেইখা গেছেন।
নিশিদিন ভরসা রাখিস হবেই হবে
বাসরঘরে স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সাঈদ যে গান গাইবে, সেটাও কবি গুরু লিখে গেছেন... তোমার হল শুরু, আমার হল সারা... (এখানে কবি সম্ভবত বয়সের/যৌবনের কথা বুজাইতে চাইছেন)

কবি বলেছেন - যৌবন একটা গোল্ড লীফ সিগারেট।
হ , আমার বিয়া নিয়া গান লিখে গেছেন - যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলোরে
আসলটাই তো লিখলেন না।
রবীন্দ্রনাথ বলে গেছেন
মাসুমের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ
এই লেখার জন্যই তো উনি নো বেল পুরষ্কার পেয়েছেন , তাই না ????
দুর্দান্ত গবেষনা...লাইকাইলাম।
ধইন্যা ।
আমি কনফিউজ রবীন্দ্রনাথ নাকি সাঈন্দ্রানাথ ?
জরজিয়াস!
আপনেরে রবীন্দ্র গবেষনায় অস্কার দেওয়া উচিত।
মন্তব্য করুন