কথোপকথন
- তুমি আমার পথ রোধ করে দাঁড়িয়ে আছো আমার চলার পথে। নদীর বুকে জেগে উঠা বালুচর কে বলে নদী ডেকে।
বালুচর নীরব থাকে ।
- আমাকে যেতে দাও মোহনায় । পদে পদে আটকে দিওনা আমায়। দেখো , সমুদ্র আমার অপেক্ষায় কেমন আছড়ে পড়ছে মোহনায় । আকুতি করে নদীর জল ।
দীর্ঘসময় নীরব থেকে বালুচর বলে উঠে -
- চেয়ে দেখ তোমার কষ্টের পলিমাটি ধারন করে করে আজ আমি বালুচর হয়েছি । আর আমাকেই আজ ভুলে যেতে চাইছো তুমি !!! তোমাকে তো আমি আটকে রাখিনি । আমাকে মুক্তি দাও , তুমি যাও তোমার ঠিকানায়। দেখ , আজ আমার বুকে জমেছে কষ্টের ঘাস, শরীরের বাসা বেঁধেছে অনিশ্চিয়তার সোনালী ডানার চিল । তবু নীরবে সব সয়ে যাই আমি ভালোবেসে ।
অভিমানী নদী একদিন তার চলার পথ বদলে ফেলে। বালুচরখানি কে পাশ কাটিয়ে ছুটে চলে আবার মোহনায় মিলবে বলে ।
ওদিকে দিনে দিনে নদীর কষ্টের পলিমাটি গ্রাস করে নিতে চায় তার অস্তিত্ব। হারিয়ে যেতে বসা শীর্ন হয়ে যাওয়া নদী ডাকে তাই বর্ষা দেবীকে। মিনতি করে ফেরত চায় রুপ, যৌবন।
নদীর ডাকেই হয়তো একদিন বর্ষা দেবীর মায়া হয়, নেমে আসে মর্ত্যে। নদীকে ফিরিয়ে দেয় তার রুপ , তার যৌবন।
আবার নদীর শরীর জুড়ে বইতে থাকে ভালোবাসার স্রোত । নবযৌবনের জোয়ারে নদী বয়ে চলে । কখনও বা রুদ্র মূর্তিতে রূপধারণ করে সে তার জল ছাপিয়ে দেয় জনপদ , ছড়িয়ে দেয় দুকুলে তার ভিতর জমে থাকা কষ্টের মত পলিমাটি ।
ঢেকে যায় বালুচরের কষ্ট, যৌবনা নদীর স্রোতের ধাক্কায় এক সময় ভেঙ্গে ভেঙ্গে পড়ে তার অস্তিত্ব। ভালোবেসে বিলীন হয়ে যায় সে নদীর স্রোতের সাথে ।
স্রোতের বুকে থেকে তবুও আজন্ম বালুচর ভালোবেসে যায় নদীকে ।





কবিতা কবিতা লাগছে পড়তে।
গদ্য কবিতা হইতে পারলে এইটা তাইলে কবিতা গদ্য ।
ভালো লেগেছে। এতো কম লেখেন কেনো?
(
ভালো লেগেছে জেনে খুশী হইলাম
পেটের ধান্ধায় ব্যাস্ত থাকি তাই লেখা হয় না বেশী
ভালোবাসা ভালো না।
আপনি জানলেন কেমন করে ?
বেশ মিস্টি লাগলো...
ধইন্যা।
শুরুটা কবিতার মত লাগছে।
কবিতার মত করে পুরাটা লেখার চেষ্টা করেছিলাম
বাপ্রে!
আপ্নে এতো কম লিখেন কেনো? ভালো যারা লিখে তারা কেন কম লিখবে? খারাপ!
পেটের ধান্ধায় ব্যস্ত থাকি তাই লিখা হয় না।
এটা কি কাব্যগল্প ,নাকি গল্পকাব্য?
তবে ভালো লেগেছে।
আর একটা কথা গভীর ভালবাসা কিন্তু কখনো মিলনে রুপ নেয়না। তাই ভালবাসা গভীর না হওয়াই ভালো।
কাব্যগল্প
নদীর বয়ে আনা পলি বুকে ধারন করে যে চর জাগে, সেই চর অভিমান করবে কেন? সেই চর তো ক'দিন পরই ফুলে ফসলে বৃক্ষরাজিতে ছেয়ে যাবে। আর নদী চলে যাবে বিস্মৃতির অতল গহ্বর।
নদী কী তবে পলি বহন করে এনে সুশোভন অঞ্চলকে জন্ম দিয়ে পাপ করলো? নদীর সেই পাপের শাস্তিই কী মৃত্যু?
লেখাটা ভালো লেগেছে। অনেক ভালো লেগেছে।
নদীতো পাপ করেনি , নদীর পাপ জমিয়েই তো বালুচর।
সেই বালুচরের উপর নদীর একছত্র আধিপত্য। কখনো ভাসায়, কখনও ডুবায় আবার কখনো ভাঙ্গে।
লেখাটা ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ, পড়ার জন্য।
কবিতা গদ্য ভালুবাসি!
শুনে প্রীত হইলাম।
সুন্দর দৃশ্যকল্প। লেখা ভাল লেগেছে।
ধন্যবাদ ম্যালা।
মন্তব্য করুন