বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি ...২
মাঝে মাঝে কোন কিছুই ভালো লাগেনা - রোগে ধরে। কিছুই ভালো লাগেনা তখন, ব্লগিং, আড্ডা, এমনকি অফিসও। সেই সময়টা কারো সাথে সাথে দেখা করিনা, আড্ডা দেইনা , অফিস জোর করে যাই, অফিসে গিয়েও প্রয়োজন না পড়লে কারো সাথে কথা বলিনা। নিজের ভিতরেই নিজে লুকাই।
নিজের ছায়ার সাথে খেলি।
কিছুদিন হল সেই রোগে ধরেছে। জোর করে ভালো থাকার চেষ্টা করছি । কিন্তু মন বসাতে পারছিনা কিছুতেই। লিখতে ইচ্ছা করছে না কিছুই, অফিস যেতে ইচ্ছা করছে না, ফ্রেন্ডরা আড্ডায় যেতে বলে, কাজ আছে বলে এড়িয়ে যাই। একা এক শুয়ে শুয়ে স্মৃতি তলানি তে থাকা ছোটবেলার কথা গুলো মনে করার চেষ্টা করি। খুব অবাক হই, যখন দেখি আমার ৪-৭ বছরের বয়সের কিছুই মনে নাই । হয়তো কোন শট সার্কিট হয়ে থাকবে ব্রেনে, যার ফলে ঐসময়ের কথা ভুলে গেছি। যতটুকু যা শুনি বড় বোনের কাছ থেকে বা ছোট বোনের কাছ থেকে , সেটা আকড়ে ধরে হাতড়াতে থাকি স্মৃতি অন্ধকার কক্ষে।
কিছু লিখতে ইচ্ছে হল, কিন্তু লিখতে গিয়ে কিছু মাথায় আসছে না। সব কিছু কেমন যেন ধোয়াশা মনে হচ্ছে লেখার বিষয় গুলো।
মাঝে মাঝে মনে হয় ধু ধু খোলা কোন মাঠের সামনে গিয়ে বসে থাকি, হুহু করা বাতাস আসবে, যেন উড়িয়ে নিতে সবকিছু, উড়িয়ে নিবে আমার অব্যক্ত যন্ত্রণা, চোখের নিচে পানির বয়ে চলার দাগ। সেই খোলা মাঠ আর এখন দেখিনা কোথাও। ছোট ছোট গ্রাম হয়ে যাচ্ছে মাঠের মাঝে। তার মাঝে মানুষ কিংবা মানুষ নামের প্রানীগুলো বাস করে।
এই আবেগী মনটা মাঝে মাঝে খুব ঝামেলা করে। কতবার বাস্তবতার খরতাপে পুড়েছে, কতবার হিংস্র চোখের আলোতে জীবনের প্রাত্যাহিক কাজ গুলো সম্পাদন করেছি।
তবুও চলছি এই জীবনের পাহাড়ী পথে , জানিনা সামনের বাঁকে কি অপেক্ষা করছে আমার জন্য।





কেউ কি জানে সামনে কি অপেক্ষা করছে?তবু চলতে হয়। সবাই বলে এটাই নাকি জীবন।
আসলেই , এইটাই জীবন ।
চারের আগে কিছু মনে আছে? ঐসময়ের কোনো বন্ধুর কথা মনে থাকলে কিংবা কোন খেলার সাথীর কথা মনে থাকলে তার কথা ভাবতে ভাবতে পরের স্মৃতি খুঁজে পেতে পারেন।
নাহ , ৪ এর আগের কথাও মনে নাই, আবছা আবছা ২/১ টা কথা মনে আছে । আর কিছুই মনে নাই।
আমার ব্লগটা আপনে লেইখা ফালাইছেন! আমারও সেইম অবস্থা।
মাঝে মাঝে আমার মনে হয় দুই বছর বয়সের দুই একটা স্মৃতি আমার মনে আছে। আমি জানি না এইটা বাপ-মায়ের গল্পের মধ্য দিয়া মাথায় ঢুকছে কীনা তবু ঐটারে স্মৃতি ভাবনের আবেগটাই আলাদা। যেমন মনে পড়ে আমি আমার এক বছরের ছোট বোনরে কোলে নিতে গিয়া ফালাইয়া দিছিলাম একবার...আমার এমনকি আমার পোশাকটার কথাও মনে আছে...ঐদিন আমি গোলাপি রঙের একটা ফতুয়া টইপ কি জানি পইরা ছিলাম।
আরেকটা দৃশ্য মনে আছে, মায়ের কোলে ফিডার খাইতে খাইতে নয়নমনি সিনেমা দেখতেছিলাম...সুন্দর একজন আন্টি দোলনায় দুলতে দুলতে একটা গান গাইতেছিলো...গানটা যদিও মনে নাই...
তাও তো অনেক কিছুই মনে আছে দেখি।
.....And Time Goes By
হুমম...
পারহেপ্স আই কুড ডিলেট মাই মেমোরিজ টু স্টার্ট ফ্রম এলসহয়ার
আমি চাইনা । আমার এই স্মৃতি মনে হয় আমার বড় সম্পদ । সারাক্ষন আমারে ঘিরে রাখে , আমারে মাটির কাছাকাছি থাকার কথা বলে , আমাকে অহংকারী হতে দেয় না এই স্মৃতি।
"আমি ভালো নেই"- এই ভাবনাটার একটা বিশাল সাইড এফেক্ট আছে সাঈদ ভাই । সেটা হোলো , আপনি যত ভাববেন - মাল্টিপল আকারে মন খারাপ বেড়ে যাবে । ঊল্টা করে ভাবতে শুরু করে দেন
আকাশ ভরা সূর্য তারা বিশ্ব ভরা প্রাণ --- তাহার ই মাঝখানে আমি পেয়েছি ............ আমি পেয়েছি মোর স্থান !!
চিয়ার্স !
কি করবো বলুন , মন তো আর সুইচ না ।
২য় প্যারাটা পইড়াই ইয়েস ম্যান মুভিটার কথা মনে পড়ছে। দেখছেন? আমার মনে হয় সবসময় মানুষের সময়টা এমন যায় না। মাঝে মাঝে একটা টাইম স্প্যান এমন হয়। আমরা এই সময়টাকে অনেক দীর্ঘ বানিয়ে ফেলি। ঠিক হয়ে যাবে আবার সব। তখন দেখবেন আবার লিখছেন মন প্রাণ খুলে, এক রাশ আনন্দ নিয়ে। ভাল থাকুন। আর হ্যা, এই লেখাটা ভাল হইছে।
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ ভাই।
আপনার অসমাপ্ত ধারাবাহিক টা স্টার্ট করেন তাহলে মন ডাইভার্ট হয়ে যাবে
একমত
মাথায় ঘুরতেছে , লেখায় মন বসাতে পারছিনা ।
আমার-ও কিচ্ছু ভাললাগে না অবস্থা এখন।
কেন যে এমন হয় !!!!
পুরাই যা-তা অবস্থা!!
সারাদিন ঘুমান। ঘুম স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারি!!
ক্যাম্নে ঘুমায় সারাদিন ? আমি পারিনা ভাই।
কারো কারো বিবাহ জরুলী
শেয়াল ও লেজ কাটার গল্প ...
তুতুল ভাই, তুতুল ভাই আমিও বিয়ে করব...আমার জন্য ও পাতলি দেখেন...আপনার কথাডা বড়ই পছন্দ হইলো...ভাইজান আপনার মত কইরা কেউ এই আবিয়াইত্যা পোলাপাইন গুলার কথা চিন্তা করে না...আল্লাহ আপনারে বাঁচাই রাখুক...আমিন
মন্তব্য করুন