আজ ১৪ই ডিসেম্বর ...
আজ ১৪ই ডিসেম্বর। বুদ্ধিজীবি দিবস। রাষ্ট্রপ্রধান , সরকার প্রধান বুদ্ধিজীবি স্মৃতি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পন করবেন। রাজনৈতিক দল সমূহ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন সমূহ পুস্পস্তবক আর্পনের মাধ্যমে তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করবে।
পত্রিকা সমূহ ক্রোড় পত্র প্রকাশ করবে, সেখানে আলোচনা হবে, তথ্য , তত্ত্ব নিয়ে বিশ্লেষন হবে। টেলিভিশন চ্যানেল , রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠান, টক-শো আয়োজন করবে।
রাষ্ট্র প্রধান - সরকার প্রধান বানী দিবেন, বিরোধী দলীয় নেতা , সাথে আরো দলের নেতা নেত্রী রা বানী দিবেন।
আমরা কালো ব্যজ ধারন করবো , মাতম করবো । রক্তে ঋণ শোধ হবেনা, ইত্যাদি ইত্যাদি বলে ভাষন দিব।
তারপর দিন শেষ হলে ভুলে যাবো আবার। এই নির্মম হত্যাযজ্ঞের বিচার হবে না।
আনুষ্ঠানিকতার মোড়কে আটকে রাখবো এই বুদ্ধিজীবি দিবস।
আমিও এই দিন ছাড়া আর কোন দিন তাদের নিয়ে পোষ্ট দিবনা।





আবার এই দিন ছাড়া আর কোন দিন আমরা বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে যাবো ও না। সব কিছুই আজকাল মোড়কে
সরকারের কাছে আর কোন দাবী নাই আমাদের .. শহীদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
দাবীর সাথে কঠিন ভাবে একমত ভাই।
অামার কোনো দাবী নাই, অামি বিচার চাই না...
অাজকের নয়াদিগন্তের প্রথম পাতায় একটা বড় রিপোট ছাপা হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস নিয়ে। তারা সব লিখেছে, শুধু লেখে নাই কারা বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করেছে....
হায় সেলুকাস !!
কারন ওরা নয়া দিগন্ত পার্টি।
নাথিং টু সে !!!
আজকাল বোধশক্তি লোপ পাচ্ছে মনে হয় আমার !! কোনো কিছুতেই যায় আসে না ভাব কাজ করছে !!
তাহলে এটা উন্নতির লক্ষন।
ঠিক এ কারনেই এই নিয়ে পোষ্ট দেয়ার ইচ্ছা থাকলেও দেইনি। একদিনি দায়িত্ব পালন আমাদের।
আমরা তবুও শোক বোধ করি, বিক্ষুদ্ধ হৈ, কিন্তু হত্যার বিচার না হলে ভবিষ্যত জেনারেশন তাও বোধ করবে না, বরং করুনাও বোধ করতে পারে।
শালার দেশ, ৩৮ বছর পরের বিচার চাইতে হয়।
হ সেটাই। একদিনের শোক- উৎসব করি।
সবই মোড়ক বন্দী! ধীরে ধীরে আমরা মোড়ক বন্দী জাতীতে পরিণত হতে যাচ্ছি। আশা রাখি বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সাথে সাথে বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচারও করবে।
ধীরে ধীরে আমরা মোড়ক বন্দী জাতীতে পরিণত হতে যাচ্ছি। - হয়ে গেছি অলরেডী।
বাংলাদেশে কোন কিছুর বিচার না হওয়াটাই নিয়ম। আর আমরাতো ছোটবেলা থেকে নিয়মানুবর্তিতা শিখে এসেছি। তাই অনিয়ম হয় এমন কিছু আমরা করবনা।
দারুন বলেছ বোনডি। কমেন্টে লক্ষ তারা।
গেছিলাম সকালে মিরপুর...কালো ব্যাজ, কালো ড্রেছ পরে, ফুল নিয়ে।গেছি ভোরবেলায় চোখ ডলতে ডলতে কিন্তু পি এম অাসে নাই বলে দেরিতে ফুল দিতে হলো অার ঠেলাঠেলির ভিরে ভাবগাম্ভীযর্ পরিবেশ হারিয়ে গেলো। তবে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কাযর্করের জন্য একটা প্রতীকী মন্ঞ বানাইছে দেখার মতন।
হুম , ফুল দিয়েই আমাদের দায়িত্ব শেষ।
বুদ্ধিজীবী দিবসে ফুল দেই না দেই, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী কিন্তু কোনোকালে ছাড়ি নাই, প্রতিমুহূর্তে বহাল আছে, থাকবে... আমরণ
একমত । কিন্তু দাবী শুধু দাবীতেই থাকবে ???
মন্তব্য করুন