জাহানারাকে বাঁচান , আপডেটঃ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কিভাবে আবেদন করা যায় সেটা জানান,
প্রথমেই বলতে হবে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের চিকিৎসক এবং সহকারীদের ব্যবহারে আমি মুগ্ধ। তারা নিতান্ত অপরিচিত আমাদের সাথে যেভাবে কথা বলেছেন তাতে এই সম্মাননাটুকু না দিলে তাদের আন্তরিকতাকে অপমান করা হবে।
আরও বেশী ধন্যবাদ রায়হান ভাইকে, যিনি না থাকলে হয়তো এতটা সহজে সব কিছু ঘটতো না।
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
আবেদন পত্র সঞ্চালন ঘুষ চাওয়ায় যতটা ক্ষিপ্ত ছিলাম ততটাই আশ্চর্য হলাম হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে গিয়ে, সেখানে সমাজকল্যান অফিসের ঠিকানা দেওয়া আছে হাসপাতালের বাইরের গেটে তবে মধ্যব্লকে আঁতিপাঁতি খুঁজেও সমাজ কল্যান অফিস কিংবা সমাজ কল্যান অফিসারদের দেখা পাওয়া গেলো না। সমাজ কল্যান অফিস আছে পার্শ্ববর্তী সোহওয়ার্দি হাসপাতালে।
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
কারো উপকারে আসতে পারে ভেবেই লিখে রাখাঃ-
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট দরিদ্র রোগীদের জন্য স্বল্প মূল্যে হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় ভাল্ভ, অক্সিজেনেটর এবং অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ করে। অস্ত্রোপচারের খরচ ৫০০০ টাকা।
আনুসাঙ্গিক খরচ, হাসপাতালের বেড এবং ঔষধ বাবদ আরও ৫০ হাজার টাকা।
ভাল্ভ, অক্সিজেনেটর, সুতা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিষ পেতে চাইলে দুটো পন্থায় আবেদন করতে হয়ঃ
প্রথম প্রক্রিয়াটি-
সরাসরি পরিচালকের কাছে আবেদন করা।
রোগীর বিস্তারিত কেস হিস্ট্রি, স্থানীয় চেয়ারম্যান কিংবা এমপির কাছে সাক্ষর করিয়ে সে সনদ, ডাক্তারের সুপারিশ , প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির তালিকা দিয়ে প্রয়োজনীয়ন জিনিষ সহ পরিচালক বরাবর ফর্মের জন্য আবেদন করতে হবে। পরবর্তীত সে ফর্মে প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির তালিকা লিখে জমা দিতে হবে। প্রতি মাসে - দুই মাসে একবার মিটিংয়ে সেসব আবেদন পত্র অনুমোদিত হয়। যাদের আবেদন মঞ্জুর হয় তাদের প্রয়োজনীয় অর্থ দিয়ে সেটা সংগ্রহ করে নিতে হবে। মূল্য বাজার মূল্যের ৬ ভাগের এক ভাগ।
দ্বিতীয় পন্থাটি সরাসরি
প্রধান মন্ত্রীর ত্রান তহবিলে আবেদন করা:
প্রধান মন্ত্রী কার্যালয়ে কিংবা এ সংক্রান্ত যে অধিদপ্তর রয়েছে সেখানে জমা দিতে হবে। সেখানে অনুমোদিত হলে বিনা মূল্যে পাওয়া যাবে প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি। আবেদন করবার ধরণ পরিচালক বরাবর আবেদন করবার মতোই।
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
আজ কথা বলে যতটুকু জানা গেলো, যদি ভাল্ভের ব্যবস্থা হয়ে যায় তবে আমাদের কহরচ হবেসব মিলিয়ে লাখ খানেক, তবে এখানে শর্ত একটাই প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আবেদনটি অনুমোদন করিয়ে আনতে হবে। আবেদনপত্রটি কোথায় জমা দেওয়া লাগবে সেটা জানালে বাধিত হতাম।





দ্বিতীয় প্রন্থাটিই দিয়েই অগ্রসর হওয়া যাক. নয়তো টাকা সংগ্রহ- আর কোন উপায়তো নেই।
*পন্থা হবে
জাহানারাকে নিয়ে পূর্বের পোস্ট:
আগামী সৌভাগ্যের রজনী কি জাহানারার জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনবে- আপনারা চেষ্টা করলে তাই হবে। আশা করি তাই যেনো হয়।// আপডেটঃ
.
সহযোগীতা করতে ইচ্ছুক বন্ধুদের জন্য ব্যাংক হিসাব নম্বর:
+----------------------------------------------------------------
| ব্যাংক : Southeast Bank Limited
| হিসাবের নাম: Md. Shafiqul Islam Chowdhury
| হিসাব নম্বর: 0012100003413
| শাখা: Shyamoli
+----------------------------------------------------------------
এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব নিয়েছেন যারা
=> মতিঝিল এর দায়িত্ব লিনা আপা (আমাকে ফোন দিয়েন আমি লিনাপাকে জানিয়ে দেব)
=> শ্যামলিতে টুটুল - ০১৭১৩০৪৫৪৯১
=> মীরপুরের দায়িত্ব হাসান রায়হান - ০১৭১৫৭০১৩১১ এবং সাঈদ - ০১৯১৫৪৭৭৫১২
=> সাইন্সল্যাবে মেসবাহ ভাই - ০১৭১৩০৯১৯৭১
=> চট্টগ্রামের দায়িত্ব নিয়েছে মুক্ত বয়ান - ০১৬৭০৪৮১৫৪৭
=> মগবাজার/মৌচাকে নজরুল - ০১৭১৩০৪১৭৬৭
যে কোন যোগাযোগের জন্য zogazog(এট) আমরাবন্ধু ডট কম।
এখন পর্যন্ত তহবিলে জমা আছে ১৫ হাজার টাকা। আমরা এক দিনে দশ ভাগের এক ভাগ জমা করেছি। আর বাকি নয় ভাগের জন্য আমাদের লড়াই শুরু হোক
আমাদের একটু চেষ্টা-একটু আন্তরিকতা-একটু সহানুভূতি একটি জীবনপ্রদীপ জ্বালিয়ে রাখবার জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে-আসুন হাত বাড়াই, একটি জীবন বাঁচাই।
http://www.pmo.gov.bd/index.php?option=com_content&task=view&id=362&Itemid=356
প্রধানমন্ত্রীর দফতরে সমাজ কল্যাণ বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক (ডাঃ) সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বোধহয় প্রোপার চ্যানেল।
আজ ভাল করে খোজ নিচ্ছি।
সময় খুব কম। এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা সবাই মিলে হাত লাগালে সময়টা কমাতে পারবো হয়তো। কিন্তু ভালব যোগাড় কঠিন হবে কি?
চেষ্টা করছি।
কিন্তু, সময় খুব কম। দেখা যাক, আমরা এই সময়ের সাথে লড়াইয়ে জিততে পারি নাকি?
রোগীনির মেয়ে সেলিনা ফোন করেছিল, বললো, আপা আমার মায়ের শরীরটা খুব খারাপ হয়ে গেছে, কাল রাতে একদম ঘুমাতে পারেনি, আজকে অস্থির অস্থির করছে... সময় এত কম কাজের অগ্রগতিটা যদি তাড়াতাড়ি হতো........
শুভ কামনা, ভালো হয়ে যাক ওনি
এই পর্যন্ত টাকার একটা আপডেট দেই:
TBR – ১,০০০
SY – ১,০০০
M – ৫,০০০
M – ৫০০
BF – ২,০০০
RB – ৫,০০০
RS – ৮,০০০
আমার একাউন্টে জমা হইছে ২০০০ (সম্ভবত ব্লগার As)
প্রায় ২৪,৫০০ এই মুহুর্তে আমার হাতে আছে... কাল ব্যাংক চেক করলে নতুন কেউ জমা দিলোকিনা বুঝতে পারবো। আমাদের হিসাব অনুযায়ী ১ লাখ টাকা একত্রিত করতে পারবো আমাদের টাকাসহ। কিন্তু আমাদের প্রয়োজন ৩ লাখ টাকা
কারো নাম প্রকাশ সমস্যা না থাকলে জানাইলে নাম লিখে দিতে পারি।
শুনলাম জাহানারা আর নেই। সব যন্ত্রণার ঊর্ধ্বে চলে গিয়ে স্বস্তি পেয়েছেন।
তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।
তিন লাখ টাকা কতো টাকা? এ দরিদ্র দেশে কারো কারো ঈদ বাজেট এর চেয়ে বেশী হয় কিনা-- সেসব আর ভাবতে চাই না। পোস্টটা স্টিকি রাখার দরকার বোধহয় ফুরিয়েছে।
কাল সন্ধ্যায় জানলাম, জাহানারা চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তাঁকে নিয়ে আমাদের আর চিন্তা না করলেও চলবে। তাঁর জন্য আমাদের যেটুকু প্রচেষ্টা ছিলো- তা বড় অসময়ে। অনেক আগেই তাঁর ভাল্ভ রিপ্লেসমেন্ট করা দরকার ছিলো। হয়নি। এটাই জাহানারার নিয়তি...
মনটা বড় অস্থির... ৩ দিন ছুটি নিয়েছি... কী করবো বুঝতে পারছিনা... একদম ভালো লাগছেনা... তাঁর আত্মার শান্তি হোক
মন্তব্য করুন