মাসব্যাপী কার্ণিভাল ১০
উই হ্যাভ বলস:
বিশ্বকাপ উপলক্ষে ঢাকাকে যেমন খুশি সাজাও প্রতিযোগিতা চলছে এখন, সৈন্দর্য্যবর্ধন কিংবা দারিদ্রহরণ প্রতিযোগিতা চলছে সম্ভবত, বাংলাদেশের একটা ইমেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি কিংবা অন্য কোনো তত্ত্বাবধায়ক সংস্থা। তদারক করছে এমন কোনো ভাব ফুটে উঠে নি সম্পূর্ণ বিষয়টাতে, একটা এলেমেলো যেমন তেমন দায়সারা ভাবটাই প্রকট এখানে। । অনলাইন বুদ্ধিজীবী এবং অন্যান্য দেশপ্রেমিকদের প্রতিরোধের পরও বিসিবি ইসলামী ব্যাংকের অর্থায়নে ঢাকা সজ্জ্বার পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে আসে নি, সুতরাং ঢাকা শহরের চারপাশে ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন ব্যানার শোভা পাচ্ছে, আমার বাসা থেকে বের হয়ে বাম দিকে গেলেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিজয় সরণীর মোড়েই বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারের পাশের ফুটপাতে বাংলাদেশের পতাকার পাশে শোভা পাচ্ছে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ লেখা নিশান।, বাংলাদেশের জাতিয় ধর্ম ইসলাম, আমাদের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম( মোকাররম নামে আমার এক বন্ধু আছে, কিন্তু ও এই মসজিদকে নিজের বাসা বলতে পারে না, ওর বাসা খিলগাঁও) , সরকার ৭২এর ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানে ফিরতে চেয়েও রাষ্ট্রধর্ম এবং বিসমিল্লাহ সংক্রান্ত রাজনৈতিক বিবেদে জড়িত হতে অনাগ্রহী বলেই আমাদের রাষ্ট্রধর্মে কোনো পরিবর্তন আসবে না। শেখ হাসিনা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধকরণের পক্ষে নয় কিন্তু অধিকাংশ আওয়ামী সমর্থকবুদ্ধিজীবীগণ ধর্মভিত্তিক রাজনীতির বিরোধী এবং তাদের শত পরামর্শ উপেক্ষা করে যেহেতু আমজনতার ধর্মীয় মূল্যবোধ আক্রান্ত হতে পারে এবং যেহেতু এই ইস্যুতে বিরোধী দল রাজনীতি করতে পারে সে কারণে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ কিংবা রাষ্ট্রধর্ম থেকে ইসলামকে অপসারণের কোনো আগ্রহ নেই প্রধানমন্ত্রী.।
যেহেতু রাষ্ট্র ধর্ম হিসেবে ইসলামকে নিষিদ্ধ করা সম্ভব না সে কারণে সকল ধর্মকেই বিশিষ্ট অবস্থান দিয়ে সকল ধর্মকেই রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার পথে যাত্রা করা সম্ভব। , কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং কলেমা আমাদের কলবে কলবে এই প্রমাণ রাস্তা জুড়ে নিশান লাগিয়ে সবাইকে জানান দেওয়া অনর্থক।।
হোটেল সোনারগাঁও এর সামনে ৭টা রিকশা সাজানো, হঠাৎ করে দেখে চমকে উঠলাম, ঢাকা শহরের অবৈধ রিকশা, সিএনজি এইসবের ভাগার পুরানা এয়ারপোর্ট, সেখানে হাজার হাজার এমন জিনিষ ফেলে রাখা, সেখান থেকে ৭টা রিকশা তুলে এখানে রাখা হয়েছে কেন না কোনো না কোনো শহরসজ্জ্বা পরিকল্পক মনে করেছেন রিকশা আমাদের স্বদেশী সংস্কৃতির অন্যতম অনুসর্গ।
সেই রিকশার পেছনে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল, জাতীয় ফল, জাতীয় বৃক্ষ , জাতীয় পাখী এবং জাতীয় পশুর ছবি সাঁটানো, তবে রিকশার উদ্দেশ্য কিন্তু সেইসব জাতীয় পরিচয়চিহ্ন তুলে ধরবার নয়, বরং বাংলাদেশ একবিংশ শতাব্দীতে রিকশার পেছনে জাতীয় ফলক সজিয়ে বিশ্ববাসিকে আমন্ত্রন জানাচ্ছে বিশ্বকাপের মহোৎসবে যোগদানের জন্য
সেখান থেকে একটু দুরেই সুন্দরবন, চিত্রল হরিণ সপরিবারে মধ্যাহ্ন ভোজনে ব্যস্ত, গত সাফ গেমসে সোনার গাঁও মোড়ে দুটো বাঘের মুর্তি বানানো হয়েছিলো, সেটাও বিডিনিউজের বিজ্ঞাপনের দিকে ভ্যালভ্যাল করে তাকিয়ে থাকে, বাংলার বাঘ আর বাংলার বাঘ্রশাবকের শরীরের একটাই অসংগতি, তাদের শরীরের তুলনায় মাথাটা ছোটো, আমাদের আশরাফুলের মতো বাঘের ছানার মাথাও ছোটো, ঘিলু কম, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটে নি বাঘের। মাথামোটা অকৃতজ্ঞ বাঘ আমাদের জাতীয় পশু , তারা বাংলা ভাষার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে ভারতে অভিবাসী হয়ে যাচ্ছে।
সেখান থেকে রাস্তার দিকে তাকালে দেখা যাবে নৌক, সমস্ত ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাস্তায় নৌকা ফেলানো, এত এত নুহের কিস্তি সাজানো ঢাকা শহরে, কিন্তু সৌন্দর্য্যবর্ধনের জন্য নুহের কিস্তির ব্যবহার কোন উজবুকের মাথা থেকে আসলো সেটা আমার জানা নেই। আমি ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে বুঝলাম এটা বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের দেওয়া মেসেজ, আগামী ২০৫০ সালের ভেতরেই বাংলাদেশের বেশ বড় একটা অংশ তলিয়ে যাবে , বৈশ্বিক উষ্ণতাবৃদ্ধির কারণে জলবায়ু তহবিলে বাংলাদেশের বেশ অংকের টাকা পাওনা, সেটা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার এই আয়োজন, প্রতিটি রাস্তায় নৌকার সামনে সাল লেখা থাকবে, যদি জলবায়ু তহবিলের অর্থ না পাই ২০৩০ সালে এই রাস্তা পর্যন্ত তলিয়ে যাবে, সেটা গিয়ে ঠেকবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গেটে, সেখানে লেখা থাকবে ২০৫০ সালের ভেতরে বাংলাদেশ তলিয়ে যাওয়ার পর গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আসবার জন্য মার্সিডিজ বেঞ্জের বদলে প্রধামন্ত্রীকে এই কিস্তি ব্যবহার করতে হবে। আমাদের নৌবাহিনী তখন হয়ে উঠবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের পুলিশ আর ট্রাফিকেরা ঢাকা শহরের রাস্তায় নৌকার চলাচল নিয়ন্ত্রন করবেন, লাল বাতি আর সবুজ বাতির সিগন্যাল মেনে নৌকা চলবে শহরে
আর সন্ধ্যার ঢাকার রাস্তা দেখলে মনে হয় হঠাৎ করেই কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছি, চারপাশে লাল নীল বাতি সাজানো, আর আরও আশ্চর্য এবং লজ্জাস্কর বিষয় হলো শেরাটন থেকে মিরপুর স্টেডিয়াম পর্যন্ত রাস্তার অনেকাংশ জুড়েই রাস্তার ল্যাম্পপোষ্টে একজোড়া আলোকিত বীচি ঝুলিয়ে রেখেছে দামাল ছেলেরা। বিদেশী নাগরিকেরা ল্যাম্পপোষ্ট দেখেই বুঝবে আর কিছু না হোক, দিজ বাঙ্গালী গাইজ হ্যাভ বলস, নো ওয়ান্ডার দে আর দা মোস্ট ডেন্সলী পপুলেটেড এরিয়া ইন দিস হোল ওয়ার্ল্ড। যদি হার্ণিয়া অপারেশন করে ঢাকা শহরের সমস্ত ল্যাম্পপোষ্ট জুড়ে ঝুলে থাকা এই বড় বড় বীচে ফেলে দেওয়া যেতো তাহলে ঢাকা শহরের সৈন্দর্য্য আরও বৃদ্ধি পেতো।
নজরুল মঞ্চ এবং বইয়ের মোড়ক উন্মোচন:
এবার বইমেলা উপলক্ষে বোদ্ধাগণ মতামত লিখছেন জাতীয় দৈনিকের পাতায়, বেশ কয়েকটি মতামতে দেখলাম তারা বইমেলা সম্প্রসারণ করতে চান, প্রধান প্রধান স্টলগুলোকে বাংলা একাডেমীচত্ত্বরে স্থান দিয়ে তারা বইমেলা সম্প্রসারিত করতে চান সোহওয়ার্দি উদ্যানেও, কিন্তু তারা সবাই নজরুল মঞ্চে বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের বিরোধিতা করেছেন, বইয়ের মোড়ক উন্মোচন একটা অহেতুক ঝঞ্ঝাটে পরিণত হয়েছে। বইয়ের মোড়ক উন্মোচন কিংবা বই বিষয়ক আলাপনের জন্য বই মেলার বাইরে অন্য কোনো স্থান নির্ধারণ করাটা বোকামি কিন্তু আমাদের বই মেলায় এতশত ই প্রকাশিত হয়, প্রতিদিন এত মানুষ বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্য নজরুলমঞ্চের সামনে সারিবেঁধে দাঁড়িয়ে থাকেন এরপর সেখানেও ট্রাফিক পুলিশের বন্দোবস্ত করতে হবে। তবে সবচেয়ে বিড়ম্বনার বিষয় হলো, মোড়ক উন্মোচনের আগে অধিকাংশ বক্তারই বইটি সম্পর্কে কোনো ধারণা থাকে না, তারা বেশ কয়েকটি কথা বলে বইয়ের সাফল্য কামনা করেন, কিন্তু বই সম্পর্কে অধিকাংশ সময়ই আলোচনা করতে পারেন না। অবশ্য যে পরিমাণ মানুষ তাদের আশেপাশে ঝুলে থাকে এবং নিজেরা ফটোসেশনে ব্যস্ত থাকে তাতে বইয়ের গুণাগুন বর্ণনা না করে বরং ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নিজের হাসিমুখ উপস্থাপন অধিকতর গুরুত্ব পায়। আমি নজরুল মঞ্চে নয় বরং বিশেষ বিশেষ বই প্রয়োজনে একুশে উপলক্ষে নির্মিত সাংস্কৃতিক মঞ্চে মোড়ক উন্মোচন এবং আলোচনার দাবি জানাই। সেখানে অযথাই কেউ না কেউ এসে রবীন্দ্রনাথের গানের সাথে নাচেন, কিংবা রবীন্দ্রনাথের গান গেয়ে শোনান, সেই অনুষ্ঠানের দর্শক সংখ্যার কোনো কমতি নেই। বইমেলায় অনেকেই এইসব অনুষ্ঠানের আমোদেই উপস্থিত হন।
বইমেলার হালচাল:
বইমেলায় আজ তুলনামূলক অনেক কম ব্লগারএসেছিলো কিংবা আমি যদি আরও স্পষ্ট করে বলি তাহলে আমাদের পরিচিত ব্লগারদের অধিকাংশই আজ বইমেলা আসেন নি। অবশ্য নিয়ম করে বইমেলাহাজিরাখাতার সাক্ষর দেওয়ার কোনো দায় কারো নেই। পুরোনো লেখক/ব্লগার আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাই এসেছিলেন বইমেলায়। এসেছিলেম মঞ্জুরুল ভাই, মুক্তিমন্ডল কৌশিক জানা এবং রায়হান এসেছিলো বইমেলায়।
মুক্তিমন্ডল আর আন্দালীফের সাথে অনেক আগে বেশ বড় একটা আলোচনা হয়েছিলো উত্তরাধুনিক কবিতা বিষয়ে। আমাদের মতদ্বৈততা কিংবা অবস্থানগত পার্থক্য তাতে বদলে যায় নি, কিন্তু আমরা কে কোন অবস্থান থেকে কবিতাকে দেখি এবংসামাজিক পরিমন্ডলে কবিতার উপস্থিতি এবং কবিতার পরিণতি নিয়ে কি ভাবি সেটা বিস্তারত আলোচনায় উঠে আসছিলো। কোনো এক কারণে হঠাৎ করেই আলোচনার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলাম, আজ বললাম আমাদের সেই আলোচনা এবং অন্যান্য অনেক আলোচনাই শুরু করা দরকার। আমাদের নিজেদের ভাবনাগুলো, বিভেদগুলো পরিস্কার হওয়া প্রয়োজন।
সিগারেটখোর সংগঠন:
ধারাবাহিক অপপ্রচারণা এবং অহেতুক এক্টিভিজমের কারণে এমন কি ধুমপানের মতো নির্দোষ আমোদও নিতান্ত গুরুতর অপরাধ গণ্য হয়, কামাল ভাইয়ের সাথে আমি এই বিষয়ে একমত। । সিগারেটের নেশা মারাত্মক, কিন্তু সিগারেটখোরের অপরাধপ্রবন হয়ে উঠে খুব কমই। একটা সিগারেটের জন্য কেউ রাস্তায় ছিনতাই করে না, কেউ মাতাল হয়ে রাস্তায় জনবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হয় না। বরং দুজন বন্ধু সুখদুখের আলাপ করতে করতে সিাগারেটে নিরিহ টান দিয়ে বন্ধুত্ব ঝালাই করে নিতে পারে, কিন্তু আধুনিক এবং আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিসংখ্যানভিত্তিক গবেষণার আলোকে ধুমপান প্রায় নিষিদ্ধ ঘোষিত অপরাধে পরিণত হয়েছে। প্যাসিভ স্মোকিং অনেকগুলো রোগের জন্ম দেয় কিন্তু পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে প্যাসিভ স্মোকিং অন্য জনগোষ্ঠির তুলনায় কতিপয় অসুখ হওয়ার সম্ভবনা বাড়িয়ে তুলে। মদ খেয়ে উল্টা পাল্টা বকা মানুষেরাও মদ খাওয়া নিয়ে এতটা বিড়ম্বনার শিকার হয় না।
কামাল ভাই বই মেলা ভাঙবার সময় এসে সিগারেট চেয়েছিলো একদিন, আমাদের কারো পকেটেই তাকে দেওয়ার মতো একটা সিগারেট ছিলো না। আজও ছিলো না কিন্তু ধারবাকীতে সিগারেট পাওয়া গেলো।
রুবেলের সাথে আমার প্রকাশনী নিয়ে আলোচনা হচ্ছিলো, সুশান্ত আমার প্রকাশনীকে বেশ চমৎকার একটা প্রকাশনী হিসেবে নির্মাণ করতে আগ্রহী। তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত লেখকের কাছে পান্ডুলিপি চাইছে, তাদের পরবর্তী পরিকল্পনা জাফর ইকবালকে বই লেখবার আমন্ত্রন জানানো। জাফর ইকবাল সহজপাঠ্য লেখকদের ভেতরে অন্যতম। শিশু কিশোর সাহিত্যে তার মতো লেখবার হাত অধিকাংশ সাহিত্যিকেরই নেই। আমি তার অনেকগুলো উপন্যাসের ভক্ত। তার ভাবনা দেশ নিয়ে, বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে তার ভাবনা যদি কেউ বইয়ে প্রকাশ করতো তাহলে সেটা একটা অন্যতম আয়োজন হতে পারতো। প্রথম আলোর মতামতের পাতায় তার লেখার স্পর্শ্বকাতর অংশ ছেঁটে সুন্দর করে পরিবেশন করা হয়।
প্রতিষ্ঠিত পত্রিকাগুলোর ব্যবসায়িক মন:স্তত্ত্বের বাইরে গিয়ে শুধুমাত্র সবাইকে ভালো কিছু জানানোর আগ্রহ থেকে কেউ বই প্রকাশ করে না, সমালোচনা কিংবা আলোচনাও করে না। জাফর ইকবাল যদি বাংলাদেশের বর্তমান এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যত বিষয়ে তার ভাবনার রূপরেখা তরুণদের প্রদান করেন, সেটা বেশ আলোড়ণ তৈরি করবে। আমাদের ভবিষ্যত বাংলাদেশ নির্মাণে তার কল্পনা এবং তরুণদের করনীয় যদি তিনি দেখিয়ে দেন তাহলে অধিকাংশ তরুণই জাফর ইকবালের বক্তব্য অনুসরণ করবে।
বইমেলায় আলোচনার একটা বড় অংশ হয়ে গেছে শিক্ষানীতি, সেক্যুলার বাংলাদেশ নির্মাণের জন্য আমাদের কিভাবে শিক্ষানীতি ব্যবহার হওয়া উচিত কিংবা একটি সভ্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের গৃহীত পদক্ষেপগুলো কিভাবে নিয়ন্ত্রিত হওয়া উচিত এ নিয়ে গত কয়েকদিন বিতর্ক করেছি। সেসব বিতর্কের সারৎসার হবে পরবর্তী লেখা, আজকের দিনটা উৎসর্গ করবো যাকে সে জানে তাকে আমার বলবার কিছু নেই,





৫৫ তম পাঠক আমি। ভাই আপনার দেখার চোখ আছে। গতকাল রাত ১০টায় অফিস থেকে ফেরার পথে আলোকিত (এই লাইট গুলোর আলোকে কি রঙ বলব - ?) ঢাকা দেখলাম!
মুর্দাকে কবরে শোয়ানোর আগে আতর গোলাপ দিয়ে যেমন একটা সাজ দেয়, আমার কাছে তেমনি মনে হল!
আপনার জন্য সিগারেট চরম ভাবে ব্যান করা হউক।
পড়েছি জানিয়ে গেলাম
মন্তব্য করুন