মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বিবেচনা
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিলো গত বছর ২৫শে মার্চ, প্রথম থেকেই গণমাধ্যমকর্মীদের অত্যুৎসাহ এবং তদন্ত কমিটি এবং ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের গণমাধ্যমমুখীনতা মাঝেমাঝেই ট্রাইব্যুনাল বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে। গণমাধ্যমে এটাকে যুদ্ধাপরাধের বিচার বলে বিশেষ প্রচারণার ফলে ট্রাইব্যুনালের কর্মপরিধি যতটাই সীমিত হোক না কেনো সেটা নিয়ে বিতর্কের প্রবনতা তৈরি হয়েছে সেটা অস্বীকার করা যাবে না।
গতবছর একটা প্রস্তাবনা রেখেছিলাম, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তা এবং বিচারকদের গণমাধ্যমের সামনে না এনে তাদের জন্য একজন বিশেষ প্রতিনিধির নিযুক্তি দেওয়া হোক যারা গণমাধ্যমের সামনে ট্রাইব্যুনালর অগ্রগতি এবং কর্মপদ্ধতি প্রকাশ করবে। তারা প্রয়োজনে সাপ্তাহিক অগ্রগতি রিপোর্ট প্রদান করবে কিংবা মাসিক ভিত্তিতে একটা মিডিয়া ব্রিফ প্রস্তুত করে গণমাধ্যমকে সরবরাহ করবে, সেক্ষেত্রে তদন্তের অগ্রগতি বিষয়ে গণমাধ্যমের মাত্রাছাড়া আগ্রহ এবং বিশেষ স্কুপ তৈরির চাপ থেকে কর্মকর্তারা নিজেদের মুক্ত রাখতে পারবেন।
অবশেষে ট্রাইব্যুনালের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মিডিয়াবিষয়ে সচেতন হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। । গণমাধ্যমর দোষ দিয়ে লাভ নেই, আমিও মাঝে মাঝে শুনেছি তদন্তকারী কর্মকর্তাই বলছেন যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, সেটা ফলাও করে ছাপাও হয়েছে, বাংলা এবং ইংরেজী পত্রিকায় ছাপা হওয়া এইসব সংবাদ যখন বিদেশী গণমাধ্যমে উপস্থাপিত হয় তখন ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার নিয়ে একটা প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।
ট্রাইব্যুনালের উপরে এমনিতেই বেশ চাপ রয়েছে, এই ট্রাইব্যুনালের উপরে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের ন্যায়বিচারের প্রত্যাশার চাপ প্রথম থেকেই ছিল, জামায়াতে ইসলামী তিন জন যুদ্ধাপরাধ বিশেষজ্ঞকে নিজেদের শীর্ষ পর্যায়ের দলীয় নেতাদের আইনী পরামর্শক নিযুক্ত করেছেন এবং তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারে " এ বিচারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশংকা রয়েছে" এমন প্রচারণা চালাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা এমনই পরামর্শের ঝুড়ি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন এ বছর জানুয়ারী মাসে, এসেই তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন " বিচার প্রক্রিয়ার রাজনৈতিকরণের অভিযোগ আছে এবং অভিযুক্তের রাজনৈতিক পরিচয় নয় বরং তাদের অপরাধই বিবেচ্য হতে হবে।
ফেব্রুয়ারী মাসে জামায়াত নিযুক্ত ২জন আইনজীবি এই বিশেষ উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অন্যান্য বিষয়ে তাদের ন্যায়বিচার ব্যহত হওয়ার আশংকা প্রকাশ করেন, স্টিফেন র্যাপ পুনরায় এসেছিলেন ১লা মে, তিনি ৩রা মে প্রথম আলো কার্যালয়ে পুনরায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন, তারপর গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা "হিউম্যান রাইটস ওয়াচ" সাত দফা সংশোধনী প্রস্তাব পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে,
সেসব সংশোধনী প্রস্তাবের ক্ষেত্রে তারা প্রথমত দাবি করেছেন অপরাধের সংজ্ঞার স্পষ্টতা, যদিও "মানবতাবিরোধী অপরাধের" গ্রহনযোগ্য সংজ্ঞাটিই এই ট্রাইব্যুনালের জন্য সংশোধিত আইনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এরপরও কেনো হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পরামর্শক দলের মনে হলো এটা মানবতাবিরোধী অপরাধের স্পষ্ট সংজ্ঞায়ন হয় নি সেটা আমার মনে একটা প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।
তারা দাবি করেছেন অভিযুক্তগণ বিচারক এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাদের নিয়োগকে প্রশ্ন করতে পারবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে অনাস্থা জ্ঞাপন করতে পারেন, তারা বলতেই পারেন এই বিচারকদের কিংবা তদন্ত কর্মকর্তাদের তাদের প্রতি স্পষ্ট রাজনৈতিক বিদ্বেষ রয়েছে এবং সে কারণে তারা আশংকা করছেন তারা ন্যায়বিচার বঞ্চিত হবেন তাহলে এমন বিচারক ও তদন্তকর্মকর্তা খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। । বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবারই ১৯৭১ এর বর্বরতায় আক্রান্ত এবং অত্যাচারিত হয়েছেন, সুতরাং এই সব পরিবার থেকে আসা ব্যক্তিরাই এইসব ট্রাইব্যুনালের সদস্য হবেন, এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে আন্তর্জাতিক তদন্ত কর্মকর্তাদের নিযোয় দাবি করলে সেটার টঙ্কা আসবে কোথা থেকে কিংবা সেটা যে আমাদের জাতীয় সক্ষমতার প্রতি একটি স্পষ্ট অনাস্থা প্রকাশ করে সে অবমাননার প্রত্যুত্তর কি হবে?
সরকার এইসব আন্তর্জাতিক পরামর্শের কোনো প্রত্যুত্তর দেন না, তারা নিরব থাকেন,
তাদের নির্যাতন প্রবন র্যাব বাহিনীর বিরুপ সমালোচনা হলেই তারা সরব হয়ে যান এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এই মানবতাবিরোধী অনাচারের সপক্ষে শতকণ্ঠে বক্তৃতা ও বিবৃতি দিতে থাকেন।
তবে সরকার ব্যর্থ হলেও এর একটা প্রত্যুত্তর দিয়েছে ডাব্লিউসিএসএফ, ওয়ার ক্রাইমস স্ট্রাটেজিক ফোরামে সেটা পাওয়া যাবে, বিডিনিউজ২৪.কমেও সেটা প্রকাশিত হয়েছে, রোম সনদ এবং এর ভিত্তিতে অপরাধীদের প্রাপ্ত সুরক্ষা বিষয়েই আমি মনোযোগ দিয়েছি, কারণ মানবাধিকার লঙ্ঘন কিংবা অপরাধীর অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রত্যুত্তর এখানেই রয়েছে,
অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ার পর্যন্ত অভিযুক্ত নিরপরাধ, এই আইনী অবস্থানে থেকে অপরাধীদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে, যদিও বিভিন্ন দেশের স্থানীয় বিধিকে এই ঘোষণায় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি স্থানীয় কিংবা দেশী আদালতের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে এই ঘোষণায় এরপরও যারা অপরাধীর সকল অধিকার রক্ষার নিশ্চয়তা চাইছেন তাদের এই প্রত্যাশা কিংবা পরামর্শের প্রত্যুত্তরে এই ফোরামের প্রত্যুত্তরে বলা হয়েছে প্রতিটি অপরাধীকে তার কৃত অপরাধের পূর্ণ বিবরণ দিতে হবে এবং তাদের আইনী প্রতিরক্ষা গ্রহনের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে,
বাংলাদেশের সংশোধিত আন্তর্জাতিক অপরাধ( ট্রাইব্যুনাল) আইনে এ ধারা অন্তর্ভুক্ত আছে সেখানে বলা হয়েছে অপরাধীকে তার অপরাধের পূর্ণ বিবরণ তার বোধগম্য ভাষায় জানানোর বন্দোবস্ত করা হবে, এবং এই ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের নিজেদের অভিযোগ খন্ডানোর যথেষ্ট সময় দেওয়া হবে, অভিযুক্ত নিজে কিংবা তার আইনজীবী এই সুযোগ পাবেন।
যদি তারা আশংকা করেন তারা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন তাহলে তারা উচ্চ আদালতে পুনরায় আপীল করতে পারবেন, আন্তর্জাতিক মাণদন্ড নিশ্চিত করতে তাদের পরিপূর্ণ নিরাপত্তা প্রদান করা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় হাইকোর্টের ৮ দফা নির্দেশনা মেনেই তাদের আত্মীয় স্বজন কিংবা আইনজীবীর উপস্থিতিতেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাদের উপরে মানসিক অত্যাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মতিউর রহমানের আইনজীবী, সে মামলাও হাইকোর্ট আমলে এনেছে, সুতরাং সরকারের স্বচ্ছতা কিংবা সদিচ্ছার কমতি নেই, সরকার আন্তর্জাতিক মাণসম্মন বিচারের উদ্যোগ নিতে পিছ না নয়।
মতিউর রহমান নিজামী ব্যতীত অন্য কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেন নি, জবানবন্দীদের মতিউর রহমান নিজামী আল বদর বাহিনী গঠনে তার উদ্যোগের স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন, পরবর্তীতে তিনি সে জবানবন্দী প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন, সরকার হয়তো তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রত্যাহারের আবেদনও মেনে নিবে, সুতরাং আমাদের ভবিষ্যত পরিণতি হচ্ছে আমাদের আদালতে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে এদের সংশ্লিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
সে লক্ষ্যে আমাদের গৃহীত পদক্ষেপ কি হবে সেটা আমার জানা নেই, আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অবমুক্ত দলিল পত্রের কিছুটা অংশ পড়েছি, সেখানে ফজলুল কাদের চৌধুরীর তৎপরতার সামান্য বর্ণনা আছে, তবে সেটা সামরিক বাহিনীর সহযোগিতায় কিংবা আন্তর্জাতিক কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রীয় চাপে রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে দেশের কিংবা প্রদেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের ইয়াহিয়া পরিকল্পনায় তার ক্ষমতার লিপ্সা প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয় নি।
কুষ্ঠিয়া এবং ফরিদপুরে রাজাকার বাহিনী বিশেষত শান্তিবাহিনী এবং জামায়াতে ইসলামীর অত্যাচারে ভীত সন্ত্রস্ত মানুষের পালিয়ে যাওয়ার বিবরণ আছে, যুক্তরাষ্ট্র মফ:বলগুলোতে রাজাকার ও আধাসামরিক বাহিনীর হাতে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখদার দায়িত্ব অর্পন করে সে৪নাবাহিনীর ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশণা দিয়েছিলো, পরিস্থিতির চাপে সেপ্টেম্বর অক্টোবরে সেনাবাহিনী নিজেদের কর্মকান্ড সীমিত করে ফেলে কিন্তু রাজাকার ও আধাসামরিক বাহিনীকে বিশেষ সামরিক ফরমান বলে যথেচ্ছাচারের ক্ষমতা প্রদান করা হয়, ফলে তারা যেকোনো কাউকেই নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী বিচার করে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার ক্ষমতাও অর্জন করে, এর ফলে কতজন নিহত হয়েছিলো সে পরিসংখ্যান জানা যাবে না কিন্তু এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য যে আধাসামরিক বাহিনীর হাতে বিশেষ ফরমানবলে মানুষ হত্যার স্বাধীনতা ছিলো ।
বিচার প্রক্রিয়াটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, বিভিন্ন স্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত আদালতের এক একটি ১০০ ২০০ কার্যদিবস শুনানী শেষে অভিযুক্তের কৃত অপরাধ এবং এর প্রতিবিধান সম্পর্কিত রায় প্রদান
করেছে, সুতরাং আগামী ৩ বছর শুনানী শেষে আশা করা যায় এই অভিযোগের রায় নিয়ে অভিযুক্তরা আদালতে যাবেন, সেখানেও একদফা আইনী পর্যালোচনা শেষে ৫ বছর পরে এই অপরাধগুলোর রায় প্রদান করা হবে এবং বিচারকার্য সমাপ্ত হবে।
যদি বর্তমানের অভিযুক্ত ছয় জন বলেন তারা পবিত্র আরবী ভাষা ছাড়া অন্য কোনো ভাষা জানেন না, তাহলে তাদের বোধগম্য আরবীতে অনুবাদ করবার মতো উপযুক্ত অনুবাদক কি বাংলাদেশে আছে। কিংবা যদি তারা হঠাৎ করেই পৃথিবীর সকল ভাষায় বুঝবার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন ইশারায় বোবাদের ভাষায় তাদের অভিযোগ তাদের বুঝানোর মতো উপযুক্ত ব্যক্তি কি বাংলাদেশে আছে? তাদের বিভিন্ন মাত্রার আচরণে এই দুটো দীর্ঘসূত্রিতার দাবিও সামনে আসতে পারে।
যদিও আমি যখন সংশোধিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ( ট্রাইব্যুনাল) আইনটি পড়েছিলেন তখন তেমন স্পষ্ট কোনো শাস্তির বিধান চোখে পড়ে নি কিন্তু তাদের প্রত্যুত্তরে তারা ফাঁসী কিংবা ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট নিয়ে বেশ বড় একটা আলোচনা করেছেন, যদি তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ নি:সংশয়ে প্রমাণিত হয় তাহলে ফাঁসী পর্যন্ত হতে পারে অভিযুক্তদের, সেটা যাবজ্জীবনে পরিনত করা কিংবা তাডের সসম্মানে মুক্তির দাবি অভিযুক্তদের আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে উত্থাপিত করতেই পারেন, উচ্চআদালত যে রায় দিবে সেটাই এদের চুড়ান্ত রায়, সেটার পরবর্তী অভিঘাতে হয়তো কেউ আনন্দিত হবেন, কেউ ভাববেন এতে ন্যায় বিচার ঘটে নি, যাই ঘটুক না কেনো আমি চাই বিচার প্রক্রিয়া অব্যহত থাকুক, আশা করা যায় এটা সম্পন্ন হলে আমাদের ঘৃণার ব্যধি থেকে আমাদের মুক্তি মিলবে, অযৌক্তিক ঘৃণাকে যুক্তিপূর্ন প্রতিষ্ঠিত করতে না পারায় অনেকের যেমন মানসিক ও মনস্তাত্বিক সংকট তৈরি হয়েছে সেটা কেটে যাবে আদালতের রায়ে।





আপনার বিশ্লেষণ ভালো লাগল ।
কী হচ্ছে তা নিয়ে আমার সংশয় কাটেনি। সরকার শেষ পর্যন্ত কী করবে? পারবে?
মাসুম ভাই সরকারের কমিটমেন্ট নিয়ে সংশয়টা ভুলে থাকা কঠিন, সেটা মেনে নিয়েই দিন কাটাতে হবে।
জনগণ রাষ্ট্রকে চাপে রাখলেও এই ক্ষেত্রে বিপদ, আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক অভিজ্ঞ আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান জন কমেহ আর এল আর স্টিভেন কে'কে নিয়ে যে পরিষদ জামায়াত তৈরি করেছে তাতে আশা করা যায় এদের কারণেই আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় বিষয়টার সার্বক্ষণিক উপস্থিতি থাকবে এবং যেকোনো মৌন মিছিল জাতীয় বিষয়াসয় যদি তারা রায়কে প্রভাবিত করার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তাহলে সেটাও বিব্রতকর হবে। আমি যদিও জানি না এমন ন্যায়বিচারের দাবিতে কোনো মৌন মিছিল ঠিক এইসব বিধি ভঙ্গ করে কি না,
কি কি বিষয় এই ট্রাইব্যুনাল আমলে আনবে সেটার দীর্ঘ একটা তালিকা থাকলেও সেসব তালিকার কোনটা যে উপকারী বলা কঠিন,
মন্তব্য করুন