দালাল আইন
৩রা ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ক্যাবিনেট মিটিং এ দালালদের বিচারের বিষয়টি আলোচিত হয়।
যৌথবাহিনীর অগ্রগতি এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তাঞ্চল গঠিত হওয়ার সময়ে স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি প্রবাসী সরকারের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করে।
"অগ্রসরমান মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা রাজাকার / আলবদরদের নিজেরাই শাস্তি প্রদান শুরু করে। অধিকাংশ সময়ই শাস্তি মানেই মৃত্যুদন্ড। ব্যক্তিগত আক্রোশ এবং প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছিল কেউ কেউ।" এইচ টি ইমাম, বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১, পৃষ্টা ৩২৯।
এর আগেই ৮ই ডিসেম্বর বেসামরিক প্রশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং পাকিস্তানী দালালদের বিচার ও প্রবাসী সরকারের প্রতি অনুগত সরকারী কর্মচারীদের যাচাই বাছাই বিষয়ে সচিব পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পরবর্তীতে ১০ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ক্যাবিনেট মিটিং এ গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তথ্য ও সম্প্রচার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবের কাছে নিম্নের ভাষ্যটি যথোপযুক্ত গুরুত্ব দিয়ে ব্যপক প্রচারের অনুরোধ জানানো হয়
' গভর্নমেন্ট ইজ এওয়্যার দ্যাট মেনি গভর্নমেন্ট সারভেন্টস ওয়্যার সার্ভিং আন্ডার ডিউরেসেস এন্ড গ্যারান্টিস দ্যাট নো ওয়ান উইল বি পানিশড উইথ আউট ফেয়ার ট্রায়াল ইন একর্ডেন্স উইথ দ্যা ল।"
দালালদের বিচার এবং পাকিস্তানের প্রতি অনুগত সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের যাচাই বাছাই বিষয়ে মন্ত্রী পরিষদের সভায় চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ১৩ই ডিসেম্বর।
১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সদস্যরা যৌথবাহিনীর নিকট আত্মসমর্পনের পর আতংকিত রাজাকার ও আল বদর বাহিনীর অনেক সদস্যই বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাছে আত্মসমর্পন করেন। তাদের অনেকেই স্বেচ্ছায় কারাবরণ করেন এবং খুব দ্রুতই কারাগারের ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশী মানুষ সেখানে নিরাপত্তা খুঁজতে আসেন।
যারা বেসামরিক প্রশাসনের কাছে আত্মসমর্পন করেন নি তারাও এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। সুতরাং ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেই দেশের বিভিন্ন স্থান স্থানীয় দালালমুক্ত হয়ে যায় বলে অনুমাণ করা যায়।
৩রা ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ক্যাবিনেট মিটিং এ দালালদের বিচারের বিষয়টি আলোচিত হয়।৮ই ডিসেম্বর বেসামরিক প্রশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং পাকিস্তানী দালালদের বিচার ও প্রবাসী সরকারের প্রতি অনুগত সরকারী কর্মচারীদের যাচাই বাছাই বিষয়ে সচিব পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
যৌথবাহিনীর অগ্রগতি এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তাঞ্চল গঠিত হওয়ার সময়ে স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি প্রবাসী সরকারের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করে।
"অগ্রসরমান মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা রাজাকার / আলবদরদের নিজেরাই শাস্তি প্রদান শুরু করে। অধিকাংশ সময়ই শাস্তি মানেই মৃত্যুদন্ড। ব্যক্তিগত আক্রোশ এবং প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছিল কেউ কেউ।" এইচ টি ইমাম, বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১, পৃষ্টা ৩২৯।
পরবর্তীতে ১০ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ক্যাবিনেট মিটিং এ গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তথ্য ও সম্প্রচার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবের কাছে নিম্নের ভাষ্যটি যথোপযুক্ত গুরুত্ব দিয়ে ব্যপক প্রচারের অনুরোধ জানানো হয়
' গভর্নমেন্ট ইজ এওয়্যার দ্যাট মেনি গভর্নমেন্ট সারভেন্টস ওয়্যার সার্ভিং আন্ডার ডিউরেসেস এন্ড গ্যারান্টিস দ্যাট নো ওয়ান উইল বি পানিশড উইথ আউট ফেয়ার ট্রায়াল ইন একর্ডেন্স উইথ দ্যা ল।"
দালালদের বিচার এবং পাকিস্তানের প্রতি অনুগত সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের যাচাই বাছাই বিষয়ে মন্ত্রী পরিষদের সভায় চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ১৩ই ডিসেম্বর।
যারা মালেক সরকারের মন্ত্রীসভার সদস্য ছিলেন এবং যারা উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তাদের অধিকাংশকেই দালাল হিসেবে চিহ্নিতকরন সহজ ছিলো এবং দালাল আইনে তাদের বিচার অনুষ্ঠিত হচ্ছিলো।





মন্তব্য করুন