বইমেলা চত্ত্বরে
গতবারই দেখেছিলাম, এবার দেখলাম সাজানো গোছানো মেলা তৈরিতে বদ্ধপরিকর বাংলা একাডেমী কতৃপক্ষ লেখকদের জন্য বর্ধমান হাউসের উল্টোপাশে একটা খাঁচা বানিয়েছেন, চিড়িয়াখানার গেট দিয়ে ঢুকলেই সবার প্রথমে চোখে পড়ে বাঁদরের খাঁচা আর বইমেলা চত্ত্বরে বাংলা একাডেমীর স্টল পার হয়ে সামনে এগুলেই চোখে পড়ে লেখকদের খাঁচা। অবশ্য তাদের যুথবদ্ধতা এবং সংঘবদ্ধ দাঁতখিঁচানি দেখে মনে হয় কতৃপক্ষ খুব একটা ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন নি।
কামরুদ্দীন আহমেদ তার "পূর্ব বাংলার সমাজ ও রাজনীতি" গ্রন্থে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বুদ্ধিজীবীদের অবস্থা বিষয়ে লিখেছিলেন
"
আইন, চিকিৎসাবিদ্যা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি, শিক্ষা এবং সাংবাদিকতার ক্ষেত্রসমুহের বর্ধমান ব্যবহারিক গুরুত্বের ফলে এবং সমাজ ধর্মীয় শাসনমুক্ত হওয়ায় আধুনিক ইতিহাসের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল- সমাজের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দস্থানীয় পদগুলিতে বুদ্ধিজীবীদের আবির্ভাব হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়, সংবাদপত্রের কার্যালয় এবং শিল্পনিকেতনগুলিতে বিদ্যমান এই বুদ্ধিজীবীরা একটি দলে পরিণত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে, যাদের কাছ থেকে দেশের শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত লোকেরা সমাজের চরিত্র এবং নৈতিক গুণাবলী সম্পর্কে মতামত নেবে। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানে তা ঘটে ওঠেনি। অধিকাংশ অধ্যাপক, শিক্ষক, আইনজীবী এবং তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা লোভের কাছে আত্মসমর্পন করেছে এবং কৃত্রিম সৈন্দর্যের আকর্ষণ এবং পার্থিব উন্নতির সম্ভবনা তাদের চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে। পূর্ব পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবীরা সাধারণ লোকের চেয়ে নিজেদের অনেক যোগ্য মনে করে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তাদের যোগ্যতা ঢের কম। তাদের মধ্যে শক্তি এবং দৃঢ়সংকল্পের অভাব রয়েছে। একটি সমস্যার প্রতিটি দিক লক্ষ করার জন্য তার সূত্রের অনুধাবনে আর সক্ষম নয় এবং সিদ্ধান্তগ্রহনেরযোগ্যতাও তাদের নেই।
"
কামরুদ্দীন আহমেদ দীর্ঘ দিন রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন, ভাষা আন্দলন থেকে শুরু করে ৬৯ এর গণ আন্দোলন প্রতিটি আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহন করেছেন, দেশের বুদ্ধিজীবী, বিদ্বৎ সমাজের সাথে তার জানাশোনাও কম ছিলো না। তিনি প্রাকস্বাধীনতাকালে এদেশীয় বুদ্ধিজীবীদের চরিত্র নির্ধারণে যেমন যথার্থতা দেখিয়েছেন তা এখনও সাম্প্রতিক। আমাদের জাতীয় বুদ্ধিজীবী চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্যই লোভগ্রস্ত আপোষকামীতা। তাদের অযোগ্যতায় তারা বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে বরং পার্থিব স্বার্থক্ষুন্ন হওয়ার আশংকায় অধিক উৎকণ্ঠিত থাকেন।
তাদের আদর্শিক-রাজনৈতিক আনুগত্য সব সময়ই পার্থিব সুবিধাকাঙ্খী। তাদের এই যুথবদ্ধতা অনেক সময়ই অনাকাঙ্খিত পরিণতি বয়ে আনে। পাকিস্তানে আইয়ুব দশকে পয়সায় বিকিয়ে যাওয়া বাঙালী বুদ্ধিজীবী সমাজ দুটো কাজ করেছেন, তারা বেসিক ডেমোক্রেসীর পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন, ১৯৬৫ সালের পাক ভারত যুদ্ধে তারা পাকিস্তানের যুদ্ধের পক্ষে বেতারকথিকা পাঠ করেছেন, পাকিস্তানের যুদ্ধরত সেনাপতির শতকণ্ঠে প্রশংসা করেছেন । তাসখন্দে শান্তিচুক্তি হওয়ার পর তারাই আবার বিব্রত হয়েছেন, শান্তিবাদী চরিত্র প্রকাশ করতে পারেন নি।
তেমন উচ্চকণ্ঠ বেতারকথিকা লিখেছেন মুনির চৌধুরী, যিনি ১৯৫৬ সাল থেকেই রাজনৈতিক ভাবে নিস্ক্রিয় ছিলেন, জেলখানায় লিখিত "কবর" নাটকটির বাইরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে কিংবা স্বাধীকার আন্দোলনে তার তেমন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেই, তবে বাংলা ভাষায় টাইপরাইটারের প্রথম কিবোর্ড লে আউট তিনি ডিজাইন করেছিলেন। আমাদের মহান তথ্যপ্রযুক্তিবিদ জব্বার আংকেলের হাতে বিজয় কিবোর্ড লে আউট হওয়ার আগে তার কিবোর্ড লেআউটই অধিকতর প্রচলিত ছিলো।
তার অন্য ভাই কবীর চৌধুরিও সরকারী আনুকল্য পেয়েছেন, বিশ্বে বিশেষত সদ্য উপনিবেশ শাসনের জাঁতাকল থেকে মুক্ত নবীন রাষ্ট্রগুলোতে সাম্যবাদী চেতনা ধ্বংস করতে ইউসিসের নেপথ্যে কমিউনিস্ট বিরোধী প্রচারণা চালানো হয়েছিলো, সেই প্রচারণার লক্ষ্যে অনেকগুলো সাহিত্যকৃত্তি অনুবাদ করা হয় বাংলায়, বাংলা দেশের সচেতন মানুষদের এভাবে অনুবাদের পয়সায় কিনে নেয় ইউসিস। বিকিয়ে যাওয়া অনুবাদকর্মীদের একজন ছিলেন কবীর চৌধুরী। তিনিও ভবিষ্যতে জাতীয়তাবাদী ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কৃত হয়েছেন, সম্মানিত হয়েছেন। রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেকেই সম্মানিত হয়েছেন, সমৃদ্ধি লাভ করেছেন, হাজারীবন্দনা লিখে বিখ্যাত নির্মলেন্দু গুণও শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে সরকারী খরচে নিউইয়র্কে গিয়েছেন ,
এই লাভ-লোভ-স্বার্থান্ধতের জটিল আবর্তে হারিয়ে যাওয়া নান্দনিকতার চুড়ান্ত প্রকাশ ঘটে বইমেলায়। যে বইমেলায় রাজনৈতিক বিবেচনায় স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং আমার ধারণা সংসদীয় আসনানুপাতেই এই স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয় যে কারণে আওয়ামীপন্থী স্টলের ভীরে হারিয়ে যায় জাতীয়তাবাদী স্টল। প্রতিবারই প্রশ্নটা মনে আসে তবু কখনও কোথাও প্রকাশ করা হয় নি, বইমেলায় পোস্টার আর সিনেমার ডিভিডি বিক্রির জন্য কেনো মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়? তারা বইমেলায় বাংলা একাডেমীর পাশে একটি স্টল নিয়ে পোস্টার আর সিনেমা ডকুমেন্টারীর ডিভিডি বিক্রি করেন, তাদের নিজস্ব প্রকাশনা বলতে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই, এরপরও এই একটি প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবছর স্টল বরাদ্দ দেওয়ার যৌক্তিকতা কি?
বাংলাদেশ সরকার ১৫ খন্ডে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংকলন করেছিলো, হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় সেসব প্রকাশিত হয়েছিলো, সরকার নিজ উদ্যোগে সেসবের প্রকাশনা খরচ জুগিয়েছিলেন, কিন্তু গত বছর সেই ১৫ খন্ড বইয়ের প্রকাশনাসত্ত্ব দেওয়া হয়েছে হাক্কানী পাবলিশার্সকে, হাক্কানী পাবলিশার্স কি বিবেচনায় এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকাশনার সত্ত্বাধিকারী হলো আমার জানা নেই, আমার অনুমাণ হাক্কানী প্রকাশনীর মালিকের সরকারী কানেকশন ভালো। সরকার দলীয় কোনো প্রবীন নেতা কিংবা বর্তমান সাংসদের পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এটি। তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে ব্যবসা করতে চাইলে কেউ বাধা দেওয়ার নেই, কিন্তু বাংলাএকাডেমী যদি প্রকাশনার দায়িত্বে থাকতো তাহলে হয়তো এটার সুলভ সংস্করণটা কেনার মতো পকেটের জোর থাকতো আমার।
বইমেলায় গিয়েছিলাম, ঘুরলাম, কয়েকদিন আগে সংবাদপত্রে পড়লাম তসলিমা নাসরিনের আত্মজৈবনিক গ্রন্থ নির্বাসিতা/নির্বাসিত এর প্রকাশনা উৎসব হয়েছে। বইমেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরেও নির্বাসিতের কোনো কপি চোখে পরলো না। তসলিমা তার আত্মজৈবনিক গ্রন্থের একটি খন্ডে এদেশের সাহিত্যিক স্বাত্ত্বিক মানুষদের প্যান্টখোলা চেহারা তুলে ধরেছিলেন, সৈয়দ হকের প্যান্টের জিপার নিয়ে টানাটানি করায় সৈয়দ হক বেদম ক্ষেপে তসলিমার বিরুদ্ধে কোটি টাকার মানহানির মামলাও করেছিলেন, সংবাদপত্রে এমনই পড়েছিলাম। সৈয়দ হকের ঢোলা প্যান্টের জিপারের ভেতরে লুকিয়ে থাকা মান-সম্মান নিয়ে বেমক্কা টান দেওয়া তসলিমার বিরুদ্ধে আমাদের সাহিত্যিকগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন সম্ভবত।
তারা সম্মিলিতভাবে এদেশের প্রকাশকদের হুমকি দিয়েছেন যদি তসলিমার আত্মজৈবনিক কোনোরচনা প্রকাশিত হয় তোমাদের প্রকাশনা থেকে তাহলে আমরা তোমাদের সাথে সম্পর্ক রাখবো না। প্রনয়প্রার্থীর তালিকায় সম্ভবত সকল লেখক-প্রকাশকগণ ছিলেন তাই তসলিমার আত্মজৈবনিক গ্রন্থগুলোর পরিবেশকও নেই বাংলাদেশে। সংঘবদ্ধ লেখকসমিতির কল্যানে বইমেলায় নির্বাসিত তসলিমা। তিনি বইমেলা চত্ত্বর থেকে ছিটকে পড়েছেন ফুটপাথে, সেখানে তার আত্মজৈবনিক উপন্যাসের সবগুলোর পাইরেটেড ভার্সন পাওয়া যায়, বইমেলা চত্ত্বরে পাওয়া যায় তার কবিতা সংকলন, তার নির্বাচিত কলামের বিভিন্ন সংস্করণও পাওয়া যায় এখানে, যদিও তার কবিতাসমগ্রপ্রকাশের আগে প্রকাশক তার অনুমতি নিয়েছেন এমনটাও আমার মনে হয় না,আমাদের প্রকাশকদের রয়ালিটির টাকা দেওয়ার প্রবাদতূল্য কার্পন্যতা আছে।
আমার ধারণা বিগতযৌবনা তসলিমার যৌননিবৃতি হওয়ার পর যখন তিনি আমার বৃদ্ধবেলা লেখা শুরু করবেন তখন বাংলাদেশের প্রকাশকেরা তার বই প্রকাশ করবে এবং পরিবেশক হবে, বৃদ্ধ বয়েসে তসলিমা অন্তত অতীত স্মৃতিচারণের নামে এইসব স্বাত্তিক লেখকদের প্যান্ট টেনে নীচে নামাবেন না, লুঙ্গীর বিপদজ্জনক গিট্টু ধরে আচমকা টান দিবেন না। আমাদের লেখকদের মূনি-ঋষিবত চরিত্রে কলংকস্থাপনের অভিযোগে অভিযুক্তা তসলিমা মক্কা-মদীনায় দশ দিন স্মৃতিকথা লিখেই একমাত্র বাংলা একাডেমীতে স্মৃতিকথা নিয়ে প্রবেশের অনুমতি পাবেন।





তসলিমা নাসরীনের বইটা তো দেখলাম রাসেল ভাই। স্টলের নাম ভুলে গেছি, কিন্তু পুকুরের ঐ পাড়ের একটা বড় স্টলে নির্বাসিত দেখলাম। কালকে জ্যোতি কিনছেও ঐ স্টল থেকে।
তাহলে তো ভালো,
আমি তো শুধু ফুটপাতেই দেখলাম,
যদিও বইটা কিনবো না তারপরও চোখে না পরায় মনে হইলো মহিলাকে ধরে বেধে বইমেলা থেকে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে।
চৌদ্রি ব্রাদার্সরা সিআইএর পে রোলে ছিলো
সিআইএ, কেজিবি, মোসাদ, র আর আইএসআই বাংলাদেশের সব কিছু করে। বাংলাদেশের মানুষ এমনই স্টুপিড তারা নিজেদের মতো কোনো বিক্ষোভও করতে পারে না।
বুদ্ধিজীবী হত্যায় সিআইএ-র অন্তর্ভুক্তির হাইপোথিসিস একই সাথে মুনির চৌধুরী হত্যায় তাদের অন্তর্ভুক্তিকে বিশাল একটা প্রশ্নের মুখোমুখি করে দেয়। যে মানুষটা বেশ আন্তরিক ভাবে তাদের হয়ে কাজ করছিলো তাকে হত্যা করার প্রয়োজন হবে কেনো?
অসাধারণ। প্রিয়তে।
তসলিমার বইটি আগামীতে পাবেন। তথ্যে নির্ভুল হবেন তা একটু বেশীই হয়ে যায়, লেখার আগে একটু খোঁজ নিলেই পারতেন।
তসলিমা পুরুষ লেখকদের মতো এতোটা হিপোক্রেট নন, যা করেন তা বলেন-লেখেন।
তসলিমা দেখলাম অভিযোগ করেছে তাকে বাংলাদেশের প্রকাশকেরা রয়ালিটি বাবদ প্রাপ্য টাকা দেয় নি।
আনিসুর রহমানের বইতে পড়লাম কবির চৌধুরী ১৯৭৩ সালে বলেছিলেন বুদ্ধিজীবী হত্যার পেছনে সিআইএ আছে। তারাই একাজটি করিয়েছে।
তিনি নিজে কি করলে একবার মাতৃভূমিতে পা রাখতে পারবেন?
সৈয়দ শামসুল হক বা তসলিমা যাদের কামতৃষ্ণা নিয়া লিখছিলো তার আগের আত্মজৈবনিক বই ক'তে, আমি তাদের সাত্ত্বিকতা প্রচার করতে দেখি নাই কোনোখানে। আমরা যারা ভক্তবৃন্দ তাদের এক্সপেক্টেশনের সাথে মনে হয় তুমি নিজের ক্ষোভটারে গুলাইয়া ফেলতেছো খানিকটা। তবে সৈয়দ হক যদি তসলিমা'র বিরুদ্ধে মামলা কইরা থাকে (আমার মনে পড়তেছে না, কিছুটা কনফিউজ্ড) তারেও সাত্ত্বিকতার প্রতি আগ্রহী বলাটা ঠিক হয় না। আমাগো দেশের যা অবস্থা তাতে একজন লোক রজনীশ'এর মতোন সদম্ভে যৌনতার প্রার্থনামূলক বা ধ্যানমূলক বাস্তবতা বুঝাইয়া শির উচা কইরা চলতে পারবো বইলা মনে হয় না...আর তসলিমা ক বইটাতে মূলতঃ সুবিধাবাদী রাজনৈতিক ধান্দাওয়ালা সেলিব্রিটিদের সাথে তার যৌনসম্পর্ক বা এইসব সেলিব্রিটিদের কামকাতরতা নিয়া লিখছিলো, এই দেশের প্রেক্ষাপটে হইলে ক্লিন্টনরে কই থাকতে হইতো সেইটা অনুমান করতে তো খুব কষ্ট হওয়ার কথা না। সৈয়দ হক বা ইমদাদুল হক মিলন'রা কিন্তু ভালোমতোই রাজনৈতিক ধান্দাবাজীতে থাকতে চায়। তাদের কামকাতরতা নিয়া লিখিত অভিযোগ মানে শত্রুর হাতে অস্ত্রাগারের চাবি তুইলা দেয়া।
তোমার অভিযোগ বা ক্ষোভ নিয়া ভাবতে গিয়া মনে পড়লো দুইদিন আগে ভারতে দুই লোকসভা সদস্যরে সংসদ অধিবেশন চলাকালে পর্নগ্রাফি দেখার সময় ধরা হইছে। এইটা কি কাজে ফাকি দেয়ার জন্য ধরা হইছে নাকি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পর্ন দেখা নাজায়েজ বইলা ধরা হইছে এই বিষয়টা নিয়া আমি একটু কনফিউজ্ড। কারণ মোবাইলে পর্নগ্রাফি দেখার কালচার তো উপমহাদেশে পুরুষদেল জাতীয় সংস্কৃতির মতো হইয়া উঠছে...
মন্তব্য করুন