ফেমিন
অনেক আগে সেক্স ট্রাফিকিং এর উপরে একটা ডকুমেন্টারী দেখেছিলাম, কিভাবে নারী পাচার হচ্ছে, কিভাবে তারা প্রলোভনে উন্নত জীবনযাপনের প্রত্যাশায় বৈধ কিংবা চোরাই পথে রাষ্ট্রের সীমান্ত অতিক্রম করে যৌনসেবাদাসীতে পরিণত হচ্ছে, তাদের দেশে ফেরার পথ নেই, কয়েকবার হাত বদল হয়ে তারা চলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে কিংবা ভারতে কিংবা ইউরোপের অন্যান্য দেশে এবং সেখানেই দেহের বিনিময়ে নিজের মুক্তিপন পেতে মরীয়া নারীরা মৃত্যু বরণ করছে।
Our God is woman, our mission is protest, our weapons are bare breasts!
বিভিন্ন দেশে পাচার হয়ে যাওয়া নারী ও শিশুই নয় বরং ইউক্রেন ইউরোপের সেক্স এডভেঞ্চারিস্টদের কাছে আকর্ষনীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে, বলকান অঞ্চলের সামাজিক পরিস্থিতি অনেকটাই আমাদের মতো, সেখানের সমাজে নারীর অবস্থান , নারীদের অভ্যস্ত ভাবনা আমাদের মতোই, সমাজটাকে মোটা দাগে পুরুষতান্ত্রিক হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে যেখানে মেয়েদের অন্যতম দায়িত্ব পরিবারকে গুছিয়ে রাখা।

ইউক্রেনের পোলান্ডের সাথে এবার ইউরো ২০১২ আয়োজন করেছে, এ সময়ের পর থেকেই ফেমিনের সদস্যারা নিজেদের অভ্যস্ত কায়দায় বিভিন্ন ভেন্যুতে প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছে, তাদের বক্তব্য মোটা দাগে- ইউক্রেন কোনো বড় পতিতালয় নয়, এখানকার সবাই পতিতা নয়
বিশ্বকাপ অলিম্পিক কিংবা ইউরোর মতো বড় প্রতিযোগিতায় যেখানে বিভিন্ন দেশ থেকে দর্শকেরা আসে, সেখানে অন্যান্য ব্যবসার সাথে পতিতাবৃত্তির প্রকোপও বৃদ্ধি পায়, ফেমিনের সদস্যারা মূলত পতিতাবৃত্তিকে বেআইনী এবং অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করতে কাজ করছে। তারা এ লক্ষ্যে একটি এনজিও তৈরি করেছে।
“We understand that the solution to female problems needs some political will, not just shouting and drawing a wide response.
তাদের এই প্রতিবাদ পদ্ধতির সাফল্য সম্পর্কে আমার নিজের সংশয় আছে, পুরুষতান্ত্রিক মিডিয়ায় নগ্নবক্ষা নারী আলোচিত উপাদানে পরিণত হতে পারে, ব্যপক সংবাদ রসও তৈরি হতে পারে কিন্তু এভাবে আলোচিত হয়ে সমাজ পরিবর্তন কি সম্ভব? এভাবে আলোচিত হওয়া যায়, ক্ষেত্র বিশেষে সমালোচিতও হওয়া সম্ভব কিন্তু নিজেদের লক্ষ্যকে কতটুকু সাফল্যের সাথে সামনে নিয়ে আসা সম্ভব?
“ If we succeed we will be the very first Ukraine’s independent political party made up of ordinary girls who dragged themselves out of the gutter to become democratic politicians.” ---Aleksandra Shevchenko

এই প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের রাজনৈতিক লক্ষ্য বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভবনা কতটুকু সময়ই বলে দিবে,আপাতত নারী মুক্তির লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে এমন প্রতিবাদ কর্মসুচি অব্যহত থাকবে আশা করা যায়।






রাসেল ভাই, আপনার সব লেখাই খুটায় খুটায় পড়ি। সেরকম লেখাই আপনি লেখেন আসলে। এটা নিয়ে বিশেষ কিছু বলার নাই।
এই লেখাটায় এসে দেখা গেল হঠাৎ করে 'হটে পারে', 'অপরাঢ' এরকম কয়েকটা ফিঙ্গারস্লিপের ঘটনা ঘটেছে। কেন? বিক্ষিপ্ত কোনো কারণে? হয়ে থাকলে শেয়ার করেন। দেখবেন অনেক কিছু লাইট হয়ে যাবে তখন।
আর ভিন্ন আঙ্গিকের একটা তথ্য উপস্থাপনের জন্য এক বস্তা
-ও
দেয়া হইলো আপনারে, খুশি হন
একটা কারণ অবশ্য লেখাটা কয়েক ধাপে লেখা হয়েছে- বিকাল বেলা যখন শুরু করছিলাম তখন এক ধরণের ভাবনা ছিলো আর রাত ১১টায় যখন মোটামুটি লেখাটা শেষ করলাম তখন আর দেখা হয় নি, লেখা হওয়ার পর এই প্রথম লেখাটা দেখলাম, এ কারণে বানান ভুল চোখে পরে নি, বানান ভুলগুলো চোখে পরলে ঠিক করার চেষ্টা করি-
এই বিষয়ে জানার আগ্রহ ছিল, আপনার মাধ্যমে কিছু জানলাম তাই ধন্যবাদ! আপনার দেখা ডকু'র নাম বা ভিডিও লিঙ্কটা কি দেয়া যায়?
আমি পুরোপুরি নিশ্চিত না তারপরও মনে হচ্ছে ডকুমেন্টারীটা সেক্স স্লেভস
পড়লাম
মন্তব্য করুন