ইউজার লগইন

ধর্মবিশ্বাস

অন্য কিছু লিখবো ভেবে শুরু করেছিলাম, মাঝপথে একজনের সাথে ধারাবাহিক আলোচনার পর মনটা বিক্ষিপ্ত হলো, ও নিজস্ব জীবনে ধর্মপালন করে নি, অন্তত আমি তাকে নামাজ পড়তে দেখি নি, তাকে রোজাও রাখতে দেখি নি। ধর্ম বিশ্বাসে ও নাস্তিক কি না কখনও জিজ্ঞাসাও করি নি, তবে হালের প্রাকটিসিং মুসলিম ও না। ওর নাম ও বেছে নেয় নি, আমাদের অধিকাংশেরই নিজের নাম বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকে না।

সকাল থেকে দেখছি কলোরেডো শ্যুটারের ছবি বিতরণ করছে মানুষজন, সেখানে লেখা যদি ও মুসলমান হতো তাহলে ওকে সন্ত্রাসী বলতো, যদি ও কালো হতো তাহলে দুবৃত্ব কিন্তু সাদা চামড়ার বলে ওকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলা হবে। অপরাপর স্বল্প পরিচিত মানুষেরা ছবিটা বিনিময় করছিলো, আমি তাদের সাথে আলোচনার আগ্রহ পাই নি, কিন্তু ওকে ছবিটা বিনিময় করতে দেখে অবাক হলাম।

ওর সাথে হঠাৎ আলোচনায় জড়িয়ে পড়াটা উচিত কি অনুচিত না বুঝেই ওকে বলেছিলাম তোকে আমার মানুষ হিসেবে দেখতেই বেশী ভালো লাগবে, তবে তুই যদি মুসলিম পরিচয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করিস সেটাতেও আমার তেমন কোনো আপত্তি নেই।
ওর প্রতিক্রিয়াটা যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া অধিকাংশ বাঙালী মুসলমান যুবকের অনুভুতির প্রকাশ। যদিও কোনো অপরাধে জড়িত নয় কেউই, অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের সবটুকু মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করেছে তারপরও সাম্ভাব্য সন্ত্রাসীর তালিকায় তার নাম খোঁজা এবং অপরাপর ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের পর বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে একজন নিরাপদ মুসলিম হিসেবেই তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বাংলাদেশী মুসলিম নাগরিক এক একজন সাম্ভাব্য মুসলিম সন্ত্রাসী এই পরিচায়টা কারো জন্যই স্বস্তিকর না, বরং আত্মমর্যাদাসম্পন্ন যেকোনো মানুষের জন্যই অপমানজনক। তারপরও ভিন্ন দেশের আইনী রীতির প্রতি শ্রদ্ধাবশত সেটা মেনে নিতেই হয়।

গত এক দশকে আমেরিকা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ক্রুসেডে জড়িয়ে গিয়েছে, তাদের অব্যহত মিডিয়া প্রচারণা, মিডিয়া স্টেরিওটাইপ তাদের দেশের ভেতরে এক ধরণের মুসলিম বিদ্বেষী আবহাওয়া তৈরি করতে সফল হয়েছে। সেটা অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে ততটা উপলব্ধি করা যায় না কিন্তু ধর্মীয় বিদ্বেষের পরিমাণ বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বর থেকে দুরত্বের গুণিতক হারে বাড়তে থাকে, এমন কি বিশ্ববিদ্যালয়েও কতিপয় শিক্ষকের ভেতরেও এই ধরণের সাম্প্রদায়িকতার অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়।

তার সাথে আলোচনার এক পর্যায়ে নিজেই বলতে বাধ্য হলাম "নাহ ছবিটার রেসিয়াল প্রোফাইলিং এর প্রেক্ষাপট আলাদা- ওটা তোর সাথে আলোচনা করছি না। তোর সাথে আলোচনা হচ্ছে তোর সাম্ভাব্য মুসলমান সন্ত্রাসী হওয়ার বিষয়ে- সেটা তোর হওয়ার কোনো সম্ভবনা নাই কিন্তু রেসিয়াল প্রোফাইলিং এর শিকার হয়ে তোর পরিচিতি সাম্ভাব্য সন্ত্রাসীতে পরিণত হয়েছে।
অফিসিয়ালী এমন রেসিয়াল প্রোফাইলিং অপরাধ বিবেচিত হয়- ইন্টারন্যাশন্যাল স্টুডেন্ট কম্যুনিটি রেসিয়াল প্রোফাইলিং বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে পারে- মে বি নিজেরা ডিজাইন করে টি শার্ট পড়ে ঘুরতে পারে উই আর হিউম্যান উই আর নট টেরোরিস্ট, স্টপ ডিসক্রিমিনেটিং অন দ্যা বেসিস ওফ রিলিজন, ইটস আ পার্সোনাল ওয়ে ওফ লিভিং- কাউকে না কাউকে কাজটা করতে হবে কোনো এক সময়। এইটার ভবিষ্যত যদি হয় এই উজবুকের মতো আরও কয়েকটা মানুষকে হত্যা করা সেটা কারো জন্য সুখবর না"
তারপর আর অন্য কোনো সুখের কথা লিখতে ইচ্ছা করলো না।

ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ

পাসপোর্টে নিজের ধর্মবিশ্বাস লিখতে গিয়ে বিব্রত হয়েছি, তবে তারচেয়ে বেশী বিব্রত হয়েছি বিভিন্ন স্থানে নিজের ছেলের ধর্মবিশ্বাস লিখতে গিয়ে। আমি ওকে কোনো ধর্ম বেছে দিতে চাই না, ও যদি ভবিষ্যতে কোনো ধর্মে বিশ্বাস করে সেটা তার স্বাধীনতা, ওর ব্যক্তিগত বিশ্বাস নির্ধারণ করে দেওয়ার আমি কে?

আমার সন্তান ধর্মপরিচয়ে সংকীর্ন, বিভাজিত, সংক্ষুব্ধ এবং জিঘাংসু এর যেকোনো একটি হয়ে উঠুক, ব্যক্তিগত ভাবে আমি এটা চাই না। ধর্ম-বরণ-গোত্র কোনো মানুষের পরিচায়ক হয়ে উঠছে এমন কোনো সমাজও আমার কাঙ্খিত না। আমি চাইলেই বাইরে গিয়ে এইসব বিভাজিত পরিচয়ের দাগগুলো মুছে আসতে পারি না, সেটা আমার ব্যক্তিগত অক্ষমতা কিংবা বিদ্যমান সমাজ ব্যবস্থায় ধর্মপরিচয়ের যে গ্রহনযোগ্যতা আছে সেটা আমার চাওয়া, না চাওয়া জাতীয় ব্যক্তিগত ইচ্ছা অনিচ্ছার উপরে নির্ভরশীল না।

আমি একাই এমন একটা সমাজ চাইছি এমন না, হয়তো আমার মতো আশা আকাঙ্খায় বেঁচে থাকা অসংখ্য মানুষ আছে যারা এমন একটা সমাজের স্বপ্ন দেখে যেখানে মানুষের ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য হয়ে উঠবে না, তার ব্যক্তিগত অর্জন, তার ব্যক্তিগত আচরণ তার গ্রহনযোগ্যতার নির্ণায়ক হয়ে উঠবে। তারা সবাই বিচ্ছিন্ন ভাবে একই স্বপ্নযাপন করছে

এইসব মানুষদের অনেক ধরণের বিচ্ছিন্ন লড়াই লড়তে হয়। নিজের পারিবারিক ধর্মের গোঁড়ামি, পারিবারিক সংস্কার, সে ধর্মে বিশ্বাসী অপরাপর মানুষের সামষ্টিক অন্ধতা এমন কি সংক্ষুব্ধ মানুষদের অবিবেচক আচরণের সাথে তাদের লড়াইটা অপরাপর ধর্মে বিশ্বাসী এমনতর অবিবেচক ধর্মান্ধ মানুষের সাথেও।
প্রতিটি লড়াই অনন্য এবং প্রতিটি লড়াই গুরুত্বপূর্ণ- এখানে যেকোনো মুহুর্তে পরাজিত হওয়ার আশংকা আচ্ছে, শাররীক সহিংসতার শিকার হওয়া হয়তো নগন্য একটা ক্ষতি বরং এই অব্যহত চাপে নিজের কাছে পরাজিত হওয়ার লজ্জাটা প্রবল।

যারা একজন মানুষের ধর্মীয়, গোত্রীয়, জাতীয়তা পরিচয়ে অপরাপর সবাইকে বিচার করে, একজনের অপরাধে সম্পূর্ণ সম্প্রদায়কে অভিযুক্ত করে অবিবেচক সহিংসতায় লিপ্ত হয় তাদের সাম্প্রদায়িক ভাবতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই। এই রেসিয়াল প্রোফাইলিং কিংবা সহজে ভেসে যাওয়ার তাড়নায় অনেক ধর্ম উদাসীন মানুষও নিজের বিবেচনাবোধ হারিয়ে ফেলে।
প্রতিটা সমাজেই অপরাধের সংজ্ঞা আলাদা, স্মাজ ও ক্ষেত্র বিবেচনায় অপরাধের ধরণে রকমফের হয় কিন্তু প্রতিটি সমাজেই মানুষ হত্যা অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত, স্বজাতিহত্যা সব সময়ই গর্হিত অপরাধ, সেটা ৩০০০ বছর আগেও অপরাধ ছিলো, সম্ভবত ৩০০০ বছর পরেও অপরাধই বিবেচিত হবে।
নরওয়েতে নিজের অবস্থান আলোচনায় আনতে ব্রেইভিক ৮৩জনকে হত্যা করলো, তার অপরাধের গুরুত্ব কি তার নাগরিকত্ব কিংবা ধর্মপরিচয়ে ম্লান হয়ে যায়। সে হত্যার বর্ষপূর্তির আগে আগে কলোরেডোতে সিনেমা হলে জেমস হোমস ১২ জনকে হত্যা করলো, সাদা চামড়ার হত্যাকারী বলে কি তার অপরাধ বিন্দুমাত্র কমে গেছে

প্রতিটি ব্যক্তির নিজস্ব অপরাধ তার নিজস্ব প্রেক্ষাপটে বিবেচ্য হওয়া উচিত। কোনো কোনো সমাজব্যবস্থায় অপরাধী সৃজনের সম্ভবনা তৈরি হয়, অপরাধী তৈরি হতে পারে এমন পরিস্থিতি সেখানে থাকে , প্রাপ্তবয়স্ক যে কেউ যেখানে অস্ত্র কিনতে পারে সেখানে উচ্চশিক্ষার্থে যাওয়ার সময় সকল শিক্ষার্থীকেই এইসব অযাচিত দুর্ঘটনার বীমা করিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া যায় কিন্তু কখন কোন মানুষটা হঠাৎ অবসাদগ্রস্ত হয়ে হত্যাপ্রবন হয়ে উঠবে সেটার পূর্বানুমাণ করা কঠিন।

যুক্তরাষ্ট্রে গত দুই দশকে নিয়মিত ক্যাম্পাস শ্যূট আউট হয়েছে, ক্ষুব্ধ মানুষ অফিসে, শপিং মলে, সিনেমা হলে গিয়ে মানুষ হত্যা করেছে, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষের জন্য দেশটা বেশ বিপজ্জনক সব্যস্ত হচ্ছে এইসব ঘটনায়। তারাও বিশ্বের অপরাপর দেশে সন্ত্রাস নির্মূলে বদ্ধপরিকর, সসৈন্য হাজির হয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে, সেখানে নিরপরাধ মানুষ খুন করছে সৈন্যরা- এইসব অসংগতির ভেতরেও রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রেরচরিত্রকে দোষারোপ করলেও সেখানকার সাধারণ মানুষদের এমন অপরাধী সব্যস্ত করতে দ্বিধাগ্রস্ত হবো আমি। একই ভাবে যেকোনো ধর্মের অপরাধীর জন্য তাদের সম্পূর্ণ সম্প্রদায়কে অভিযুক্ত করতেও আমার দ্বিধা থাকবে।

সাম্প্রদায়িক হয়ে ওঠা এতই সহজ, বিবেচনাবোধ এবংসাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতার ব্যবধান এতই ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে দিন দিন যে যার যার ধর্ম তার তার কাছে, ধর্ম একজন মানুষের ব্যাক্তিগত বিশ্বাস, তাকে ধর্মপরিচয়ে খর্বিত করা অনুচিত বক্তব্যটা বারবার নিজেকে প্রবোধ দিয়ে বুঝাতে হচ্ছে।

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রায়েহাত শুভ's picture


আমি আসলে শিওর না, যে ধর্মকে ব্যক্তিগত বিশ্বাসের খাতায় রাখা উচিত নাকি সামষ্টিক বিশ্বাসের খাতায়।
তবে আমার সব সময়েই মনে হয়েছে যে, যতই ব্যক্তিগত বিশ্বাসের অবস্থান থেকে ধর্মকে জাজ করা হোক না কেন শেষমেষ ধর্মবিশ্বাস আসলে সামষ্টিক/সামাজিক একটা জিনিস।

রাসেল's picture


সামাজিক রীতি-নীতি একটা নির্দিষ্ট মাণে না পৌঁছালে সম্ভবত প্রথাগত ধর্মের জন্ম হয় না, এক ধরণের বিচ্ছিন্ন কল্পনা কিংবা বিশ্বাসের সমষ্টি হয়ে থাকে জাগতিক পরলৌকিক ভাবনাগুলো। প্রথাগত ধর্মে কিছু সংস্কৃতি পালনের বাধ্যবাধকতা আছে, নির্দিষ্ট উপাসনাকৌশল হয়তো সেটার সবটুকু উপস্থাপন করে না। কেউ সেসব সংস্কৃতি পালন করবে কি না এটা এই সময়ে ব্যক্তির নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয় বলেই মনে হয় আমার। প্রথাগত ধর্মের বিভিন্ন ফর্মা তৈরি হয়েছে- এর যেকোনো একটা কিংবা যেকোনো সবগুলোই কিংবা কোনোটাই না পালন করা সম্ভব।

বিষাক্ত মানুষ's picture


মাঝে মাঝে চিন্তা করি, ধরেন পৃথিবীর সকল মানুষ এক সময় ভুল বুঝতে পারলো এবং সবাই মিলে একযোগে মুসলমান হইলো অথবা খ্রীষ্টান হইলো অথবা বৌদ্ধ হইলো অথবা হিন্দু হইলো .... তাইলে কি এই সমস্থ ইস্যুগুলা আর থাকবে না?

অথবা তারচেয়েও বিপদজনক ভাবনা ... ধরেন পৃথিবীর সকল মানুষ নাস্তিক হইয়া গেলো তাইলে কি আর এই সব খুনখারাবি হবে না ??

রাসেল's picture


তখন অন্য ধরণের অর্থনৈতিক ইস্যু থাকবে, মানসিক ইস্যু থাকবে, ব্যক্তিগত লোভ লালসা অধিকারবোধ লুপ্ত হচ্ছে না এইসব বিলুপ্তির সাথে।

সবাই একই আদর্শে বিশ্বাস স্থাপন করবে এমনটা বোধ হয় অসম্ভব কল্পনা। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই কমবেশী ধর্মউদাসীন কিন্তু তারপরও রাজনৈতিক বিশ্বাসের বিরোধটা মারাত্মক

তানবীরা's picture


তখন অন্য ধরণের অর্থনৈতিক ইস্যু থাকবে, মানসিক ইস্যু থাকবে, ব্যক্তিগত লোভ লালসা অধিকারবোধ লুপ্ত হচ্ছে না এইসব বিলুপ্তির সাথে।

ধরমও একটা ইস্যু বই অন্য কিছুতো না

ভাল লেগেছে লেখাটা

অনিমেষ রহমান's picture


এন্ড অফ দ্য ডে আমরা কি আসলেই জংলী আচরন ছাড়তে পারবোনা। মানুষ আসলে খুব বেশী ক্যাঁচা-ক্যাঁচি পছন্দ করে। আপনার লেখা খুব চমতকার লিখেছেন। সমাধান খোঁজার চেষ্টা করিনি। শুধু একটা কথা খুব দাগ কেটেছে- একটা শিশুর ধর্মপরিচয় কি একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কিভাবে লিখবে। আহা রে শিশু-তাকেও আমরা খোয়াড়ে ঢুকাবো!
ধন্যবাদ ভাবনায় রসদ জোগানোর জন্য।

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


পড়তেছি

আরাফাত শান্ত's picture


ব্যাক্তিগতভাবে যে যেইটা মনে করে বা পালন করে শান্তি পায়!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.