foundation
আইজাক অসিমভের ফাউন্ডেশন সিরিজের দুই কিস্তি পড়া শেষ হলো, তৃতীয় ও শেষ কিস্তি হয়তো অচিরেই পড়বো, সাম্প্রতিক সময়ের ড্যান ব্রাউন এবং সায়েন্স ফিকশনের আইজাক অসিমভ একই ধারার থ্রিলার লেখক, একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পাঠককে টেনে নিয়ে যেতে পারেন এবং অপ্রত্যাশিত চমকের মুখোমুখি করতে পারেন। তবে অসিমভের সায়েন্স ফিকশন মূলত বিজ্ঞানের ছদ্মবেশে "ফিকশন" যেখানে তেমন নতুন কোনো ধারণা উপস্থাপিত হয় না বরং সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক বিবর্তনের ধারায় মানুষের সাম্ভাব্য ভবিষ্যতের ছবি আঁকা হয়। সে ছবিতে ভবিষ্যতের প্রতি এক ধরণের নৈরাশ্যজনক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকট হয়ে ওঠে।
মোটা দাগে অসিমভের মানব সম্প্রদায়ের ইতিহাসের ধারাবাহিকতার প্রতি এক ধরণের ঋণাত্মক মনোভাব বিদ্যমান, মহাশূণ্য, স্পেসশীপ, রোবট, আন্ত:নাক্ষত্রিক যোগাযোগ জাতীয় শব্দগুলোকে মহাসাগর, জাহাজ, টেলিগ্রাফ, টেলিফোন শব্দে প্রতিস্থাপিত করলেও মূল গল্পে তেমন তারতম্য হবে না। পৃথিবীর মানচিত্রের বদলে অসংখ্য নক্ষত্র ও বাসযোগ্য গ্রহের নাম দিয়ে সেটাকে সায়েন্স ফিকশনে রূপান্তরিত করা হলেও আদতে এটা সোশিও পলিটিক্যাল ফিকশন।
মূল ফাউন্ডেশন সিরিজ আসলে কতগুলো জনপ্রিয় বিচ্ছিন্ন গল্প, যেসব গল্পের অসম্ভব জনপ্রিয়তায় প্রকাশক অসিমভকে বাধ্য করতে চেয়েছিলো এই সিরিজের আরও গল্প লিখতে, অসিমভ সেই চাপ মোকাবেলা করে প্রায় ৩ দশক ফাউন্ডেশন সিরিজের দ্বিতীয় কিস্তি লিখতে আগ্রহী হন নি।
ফাউন্ডেশনের শুরু হয়েছিলো " ফাউন্ডেশন( ১৯৫১), ফাউন্ডেশন এন্ড এম্পায়ার(১৯৫২) এবং সেকেন্ড ফাউন্ডেশন(১৯৫৩)" দিয়ে। সাইকোহিস্টোরিয়ান হ্যারি সেলডন আন্ত:নাক্ষত্রিক সাম্রাজ্যের পতন উপলব্ধি করে একদল মানুষকে দ্বিতীয় ফাউন্ডেশন তৈরির দায়িত্ব দিয়ে গ্যালাক্সির বিচ্ছিন্ন একটি প্রান্তে পাঠিয়ে ছিলেন, তার





মন্তব্য করুন