জাপান ডায়েরী ৩
এখানে নদীর নাব্যতা নেই তেমন তবে তীব্র স্রোত, পাহাড় আর সমুদ্র খুব কাছাকাছি তাই পাহাড়সেঁচা জল সমুদ্রে ছুটে যায়। ঘরের পাশেই শানবাঁধানো নদী, কিংবা বড় ড্রেন, ঠিক জানি না, গভীরতা যেমনই হোক ঢাকা শহরের উপকণ্ঠে জমিখেকো আবাসন ব্যবসায়ীরা যেভাবে রাজনৈতিক প্রশাসনের সাথে সমঝোতা করে স্রোতহীন নদী দখল করে প্লট বানিয়েছেন, এখানে পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। নদীর দুই পার বাঁধানো আর তীর থেকে নদীতট অবধি সিঁড়ি বানানো আছে, সপ্তাহান্তে সপরিবারে নদীর তীরে বনভোজনে যায় মানুষেরা, উচ্ছিস্ট খাওয়ার আর আবর্জনা ব্যাগে ভরে কাছের ডাস্টবীনে ফেলে।
নদী শাসনের সাথে সাথে এরা নিয়মিত পাহাড় পরিচর্যা করে, বিশেষত রাস্তার পাশের পাহাড়গুলোর গা সিমেন্ট আর স্টিলের পাতে মুড়ে উপর দিয়ে মাটি ছড়িয়ে দেয়। রাস্তার দুপাশের পাহাড়ে সার বেধে দাঁড়িয়ে থাকা পাইন গাছের সারি দেখে মনে হয় দুরের পাহাড়গুলোও আদতে সাজানো বন, প্রশিক্ষিত সান্ত্রীর মতো নির্দিষ্ট দুরত্ব মেপে প্রাকৃতিক বনের গাছগুলো দাঁড়িয়ে থাকে না।





মন্তব্য করুন