ভাঙাচোরা দিনকাল ৪
এর আগে যেখানে ছিলাম, সেখানে অক্টোবরেই বাংলাদেশের মাঘমাসের শীত। কাগজে কলমে মার্চের প্রথম সপ্তাহে বসন্তবরন হলেও এপ্রিলের মাঝ পর্যন্ত বরফ পরার সম্ভাবনা ছিলো প্রবল। পহেলা বৈশাখে সবাই যখন ক্যাম্পাসে পাঞ্জাবীর হাতা দিয়ে ঘাম মুচছে আমি তখন একটা সোয়েটারের উপরে হালকা জ্যাকেট পরে বন্ধুর সাথে গল্প করছি, বন্ধু বলছে গরমে প্রাণ যায় যায় অবস্থা। ডিসেম্বরের শেষ থেকে জানুয়ারীর প্রায় সম্পূর্ণটা জুড়েই গভীর রাতে তাপমাত্রা -২ থেকে -১৫তে ঘোরাফেরা করতো। এই প্রচন্ড শীতের ভেতরেও এতটা শীত কাতর হই নি, যতটা ভয়ংকর মনে হচ্ছে জাপানের শীত।
আমেরিকার লোকজন প্রচুর অপচয় করে, সে তুলনায় জাপানের লোকজন মিতব্যয়ী কিংবা যদি বিদ্যুৎ এর ব্যবহারের কথা বিবেচনা করা হয় তাহলে বলতে হবে ব্যয়কুণ্ঠ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল র্যাংকিং যেমনই হোক না কেনো ভয়াবহ শীতের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো ভবনে ঢুকলে শীতের অস্তিত্ব বোঝা যাবে না। সম্পূর্ণ ভবনের তাপমাত্রাই ২২ থেকে ২৪ ডিগ্রী, এখানে প্রতিটি ঘরের জন্যে আলাদা আলাদা হিটিং। শক্তির অপচয় কমে।
এপার্টমেন্টে হাউজেরও একই অবস্থা। সেখানেও সেন্ট্রাল হিটিং এর কোনো বন্দোবস্ত নেই।
এখানকার ভবনগুলো মিতব্যয়ী না কি ব্যয়কুণ্ঠ বন্দোবস্তে চলছে





মন্তব্য করুন