ইউজার লগইন

খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে!

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব দেখার স্বপ্ন নিয়ে যারা বসে আছেন, তারা সবাই জানেন আমাদের অনেক দূরের পথ পাড়ি দিতে হবে। এশিয়া মহাদেশের মানে পৌছনোটাই এখনো বাংলাদেশী ফুটবল সংশ্লিষ্টদের মূল লক্ষ্য হিসাবে নির্ধারিত হয়ে আছে। তবু ফিফা বিশ্বকাপের মৌসুমে এদেশের ফুটবল প্রিয় মানুষের আগ্রহ হৃদয় ছুঁয়ে যায়। আশা জাগে এতো ফুটবল প্রেম যে জাতির অন্তরে নিহিত আছে তারা একদিন জেগে উঠবেই। ছুঁয়ে দেবে স্বপ্নের বিশ্বকাপ।

ফুটবল নিয়ে এমন হৈচৈ কেবল বাংলাদেশেই হচ্ছে তা কিন্তু নয়; সারা পৃথিবীতেই বিশ্বকাপ মৌসুম মানুষের জীবনাচরণ পাল্টে দেয়। বিশ্বকাপ আয়োজনের মাসে ফুটবল বিদ্বেষী মানুষরা বাদে আর সবার উৎসাহ উদ্দীপনা ছাড়িয়ে যায় দিগ্বিদিক। ফুটবল বিদ্বেষী অভীধাটা খুব জুৎসই না হলেও ইতিহাসে দলবেধে পা আর বলের এই খেলা নিষিদ্ধ হয়েছে বেশ কয়েকবার, বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রে। যার মধ্য দিয়ে অবশ্য ফুটবলের কোন ক্ষতি হয়নি, বরং মধ্যযূগের প্রলয়ঙ্করী রূপ পাল্টে ধীরে ধীরে ফুটবল নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে সভ্যতার একটি অনুসঙ্গ হিসেবেই।

ফুটবল, একসময় পা আর বল নিয়ে বিশেষ ধরনের খেলার প্রচলন ছিলো এশিয়াতে। চীন আর জাপানে বল নিয়ে সৌকর্য্য দেখানোর নমূনা পাওয়া যায় ত্রয়োদশ শতকের ইতিহাসে। আর উল্টো দিকে গ্রীক আর রোমানদের মধ্যে প্রচলিত ছিলো বল নিয়ে কাড়াকাড়ি করে হিংস্রতার প্রদর্শনী। ইউরোপ জুড়েই এই হিংস্র ফুটবলের প্রচলন ছড়িয়ে পড়ে, দ্বাদশ-ত্রয়োদশ খ্রীষ্টাব্দে। সহিংস এই খেলা বেশ কয়েকবার যেকারনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয় সেসময়কার ইউরোপ মহাদেশীয় বিভিন্ন শাসকেরা। তবে নিষিদ্ধ হওয়াতেই ফুটবল প্রিয় মানুষেরা খেলাটিকে নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসে। ষোড়শ শতকে ব্রিটেনের লন্ডন শহরে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথম ফুটবল ক্লাব।

ফুটবলের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয় অলিম্পিক'এ একটি ডিসিপ্লিন হিসাবে অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে। পর পর চারটি অলিম্পিকে সফল ভাবে ফুটবল ইভেন্ট আয়োজনের পর নবগঠিত ফিফা সিদ্ধান্ত নেয় একটি বিশ্বজনীন ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য। আজকের যূগে চাইলেই একটি দেশ বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে না, কিন্তু প্রথম বিশ্বকাপে ঘটেছিলো ঠিক তার বিপরীত। উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত সে বিশ্বকাপে প্রস্তুতির অভাব থাকায় ইউরোপ থেকে অংশ নিয়েছিলো মাত্র চারটি রাষ্ট্র। অংশগ্রহণকারী তের দেশের সাতটিই ছিলো দক্ষিণ আমেরিকার আর বাকী দুটি ছিলো উত্তর আমেরিকার। স্বাগতিক উরুগুয়ে অলিম্পিকের সাফল্য ধরে রাখতে পেরেছিলো প্রথম বিশ্বকাপেও।

তারপর সময়ের সাথে পাল্লা দিয়েই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন দূর্যোগের দশকটিকে বাদ দিলে প্রতি চার বছর পর পরই বিশ্বকাপের আসর বসেছে বিভিন্ন দেশে। এখন তো বিশ্বব্যাপী রীতিমতো যুদ্ধ শুরু হয়ে যায় ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসাবে মনোনীত হওয়ার জন্য। এ যুদ্ধ কেবল এখন ইউরোপ আর ল্যাটিন আমেরিকার মধ্যে থেমে নেই ছড়িয়ে পড়েছে এশিয়া পেরিয়ে আফ্রিকাতেও। ফুটবল বিশ্বকাপ পেয়েছে একটি যথার্থ আন্তর্জাতিক রূপ।

বিশ্বকাপের উনিশ তম আসরটি প্রথমবারের মতো আফ্রিকা মহাদেশে নিয়ে গেছে বিশ্বকাপ আয়োজনের ঝান্ডা। আজ ১১ জুন নতুন একটি মহাদেশে বিশ্বকাপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সূচীত হচ্ছে ইতিহাসের নতুন একটি অধ্যায়। গতো ক'বছরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে কয়েকগুণ। বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীরা পর্যন্ত চোখ পেতে রাখে ইউরোপিয়ান আর লাতিন আমেরিকার ফুটবল লীগগুলোর খেলাগুলোতে। পছন্দের দল আর খেলোয়াড়ের খেলা তো আর বাদ দেয়া যায় না!

পৃথিবীর সব খেলোয়াড়ের স্বপ্নের সীমানা একটি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ আর সাথে যদি হয় বিশ্বকাপে চুমু খেয়ে টূর্নামেন্টের পরিসমাপ্তি, সেতো সোনায় সোহাগা। প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলের নিদর্শনে তাই বিশ্বকাপ অতুলনীয়। সব খেলোয়াড়রাই তাই তাদের সেরাটাই ঢেলে দিতে চান এই প্রতিযোগিতার প্রত্যেকটি অংশগ্রহণে।

আজ বিশ্বকাপের অবমুক্তি ঘটছে প্রথম যে খেলাটি দিয়ে সে খেলায় অংশ নিচ্ছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মেক্সিকো। বলা হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি সবচাইতে অনাকর্ষণীয় উদ্বোধনী ম্যাচ। এর আগে ৭০'এর মেক্সিকো আর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার ম্যাচটিই কেবল এর তুলনা হতে পারে। তবু আজকের এই উদ্বোধনী খেলার আকর্ষণ তৈরী হতেও সময় নেয়নি ফুটবল পাগলদের প্রাণে। বিশ্বকাপের এতো বছরের ইতিহাসে স্বাগতিক দেশ কখনো লজ্জাজনক ফুটবল খেলেনি। নিদেনপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার যোগ্যতা অর্জন করেছে সব স্বাগতিক আয়োজক দেশের দল। বর্তমান বিশ্ব ফুটবল সেনারিও অনুযায়ি মেক্সিকোকেও ফেলে দেয়া যায় না। গতো বেশ কয়টি বিশ্বকাপে তারা সুন্দর ফুটবলের প্রদর্শনী দেখিয়েছে বিশ্বকে। এমনসব যূক্তিতে আজকের এই খেলাটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সবার চোখে। প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে ভালো ফুটবলের নজীর দেখিয়ে দুটি দলই ফুটবলবোদ্ধাদের নজর কেড়েছে। স্বল্পসময়ের মধ্যেই কার্লোস আলবার্তো পাহেইরা দক্ষিণ আফ্রিকান দলের খেলায় আশাতীত পরিবর্তন দেখাতে পেরেছেন বলেই ভাবা হচ্ছে। দঃ আফ্রিকার রক্ষণে আছেন শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ফেলা অভিজ্ঞ আরন মোকিনা। ইংলিশ লীগে পোর্টসমাউথের হয়ে খেলা দঃ আফ্রিকান অধিনায়কের সাথে আছেন তেল আবিব লীগের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ সেপো মাসিলেলা। তাদের নেতৃত্বে জমাট রক্ষণভাগ গোল বাচিয়ে বল বাড়িয়ে দেবে মধ্যমাঠের স্টিভেন পিয়েনারের পায়ে, যার দায়িত্ব বেনি ম্যাকার্থির অনুপস্থিতিতে আক্রমণ ভাগের মূল ভরসা কাটলেগো এমফেলাকে সুযোগ করে দেয়া। স্টিভেন পিয়েনার এবছর এভারটনের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। দঃ আফ্রিকানরা অতীতের বিশ্বকাপ ম্যাচগুলোতে খানিকটা কাউন্টার এটাক নির্ভর খেলায় মনোযোগী হলেও এবছর ব্রাজিলিয়ান কোচ পাহেইরা এবং আক্রমনাত্মক মিডফিল্ডার পিয়েনারের নির্ভরতায় তাদের খেলার ধাচ বেশ খানিকটাই পাল্টে ফেলেছে। যার নিদর্শন মেলে প্রস্তুতি ম্যাচ গুলোতে। অন্যদিকে মেক্সিকো হয়তো চ্যাম্পিয়ন দল হয়ে উঠতে পারেনি কখনো। বিশ্বকাপে তাদেরই রয়েছে সর্বোচ্চ ২২ ম্যাচে পরাজয়ের রেকর্ড কিন্তু এতো কিছুর পরেও গতো কয়েকটি বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় তাদের উত্তীর্ণ হওয়া এবং টূর্নামেন্টে তাদের খেলার ধরণ বোদ্ধাদের আকর্ষণ করেছে। ছোট ছোট নির্ভূল পাসে আক্রমণে উঠে যাওয়ার কৌশলে তারা অদ্বিতীয়। তাদের রয়েছে বার্সেলোনায় বেশ ক'বছর ধরেই খেলে আসা ডিফেন্ডার রাফায়েল মার্কেজ, যার খ্যাতি রয়েছে মধ্যমাঠে বিপজ্জনক লম্বা পাস বাড়িয়ে দেয়াতে। খেলার গতি নিয়ন্ত্রণেও তার দক্ষতা বেশ। কোচ হ্যাভিয়ের অ্যাগুইয়েরের কৌশল নিয়েও কারো তেমন সন্দেহ নেই। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সাবেক কোচের সুনাম রয়েছে পরিস্থিতি বুঝে কৌশল প্রয়োগের সামর্থ্যের জন্য। মেক্সিকো দলে এবার রয়েছে ইউরোপিয়ান লীগে খেলা বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়। পিএইচভি এ্যইন্ডহোভেনের দুই ডিফেন্ডার হ্যাভিয়ার রড্রিগেজ এবং কার্লোস স্যালসিডো, বার্সেলোনার রাফায়েল মার্কেজ, ডেপোর্তিভো লা করুনার আদ্রে গুয়ার্দাদো, টটেনহ্যামের জিওভান্নি ডস সান্টোস এবং সম্প্রতি অ্যালেক্সি ফার্গুসনের নজরে পড়া ২২ বছর বয়সী স্ট্রাইকার হ্যাভিয়ার হার্নান্দেজ, যিনি আগামী বছর খেলবেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে।

স্বাগতিক হিসেবে কোটি মানুষের সমর্থনে হয়তো বাফানা বাফানা'রা বাড়তি অনুপ্রেরণা পাবে নিজেদের পরিচিত স্টেডিয়ামের সবুজ ঘাসে খেলার সময়, কিন্তু মেক্সিকানরা সম্প্রতি ইতালিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে মানসিকভাবে অন্য যেকোনো সময়ের চাইতে চাঙ্গা। মেক্সিকো দল খেলায় বাফানাদের চাইতে বল প্লেতে এগিয়ে যাবে এটা নিশ্চিত করেই বলা দেয়া যায়। খেলার ফলাফল মেক্সিকোর দিকেই ঝোকার সম্ভাবনা তাই বেশি। পৃথিবীর অন্য কোন মাঠে খেলা হলে আমি নিশ্চিত করেই বলে দিতে পারতাম মেক্সিকো অন্ততপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জেতার ক্ষমতা রাখে। তবু উদ্বোধনী এ খেলাটির ফলাফল উপভোগ্য ড্র হওয়ার সম্ভাবনাতেই আমি বাজী রাখতে চাই যদি ভুভুজেলা তারস্বরে বেজে উঠে জাগিয়ে তোলে নেলসন ম্যান্ডেলার দেশের খেলোয়াড়দের।

বাংলাদেশ সময় রাত বারটার সময় মাঠে গড়াবে ফ্রান্স বনাম উরুগুয়ের খেলাটি। ফ্রান্স গতোবারের রানার্সআপ এবং লাতিন আমেরিকার রেটিঙে উরুগুয়ে এখন দঃ আমেরিকার তৃতীয় স্থান অধিকারী দল। ফ্রান্সের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স হতাশাজনক। প্রস্তুতি ম্যাচেতো তারা এশিয়া থেকে সুযোগ না পাওয়া দেশ চীনের কাছে ১-০ গেলো পরাজিত হয়েছে। ফ্রান্সের রিবেরি, মালুদা, গ্যালাস কিংবা অ্যানেলকারা যদি ঝলসে উঠতে পারেন বিশ্বকাপের উত্তাপে তাহলে খেলায় তারা আধিপত্য বিস্তার করতে পারবে বলে দেয়া যায় অনায়াশে। কিন্তু জার্মান লীগে ফেনেরবাখের সাথে মাঠ মাতানো দিয়েগো লুগানো, স্পেনের ভিলারিয়েলের দিয়েগো গদিন, পর্তুগীজ চ্যাম্পিয়ন পোর্তোর হোর্হে ফুসিলে কিংবা য়ুভেন্টাস ডিফেন্ডার মার্টিন সেসেরেসে'র সমন্বয়ে গড়া উরুগুয়ান রক্ষণভাগের জবাব যে খুব সহজ হবে না তা নিশ্চিতভাবেই বলে দেয়া যায়। তবে খেলায় পার্থক্য গড়ে দেয়ার সামর্থ্য রাখেন যে খেলোয়াড়, তিনি হলেন দিয়েগো ফোরলান। লা লিগায় তিনি দু'বার সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন। দুবার ইউরোপীয় অঞ্চলের সোনার বুট জিতেছেন। তার গোল করার ক্ষমতার উপরেই নির্ভর করছে আজকের খেলার সম্ভাবনা।

এ খেলার সম্ভাব্য ফলাফল নির্ণয় করাটা বেশ কঠিন। ফ্রান্সের কোচ ডমেনেখ কৌশলী কোচ, গতোবারও ফ্রান্সের একেবারেই জিদান নির্ভর দলটিকে তিনি টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন শেষ অব্দি। অন্যদিকে উরুগুয়ের অস্কার তাবারেজের রয়েছে ইন্টার মিলানের মতোন দলকে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত ভাবে আমি ফ্রান্স নামের প্রতি অধিক আস্থাশীল থাকবার পক্ষে। খেলার ফলাফল ১-০ হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি প্রবল। তবে চুপিচুপি বলি ড্র হলেও আমি আগামীকাল জোর গলায় বলবো আমার ভবিষ্যদ্বানী সফল হয়েছে।

বিশ্বকাপে চলুন আমরা বন্ধুরাও কাঁপি

বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে আমরা বন্ধুরাও চলেছি চরম শিহরণ নিয়ে। ইতোমধ্যেই কে ব্রাজিল সমর্থক আর কে আর্জেন্টিনা তা নিয়ে চলছে চরম উত্তেজনা। একে অন্যের দিকে ছুড়ে চলেছি মন্তব্যের তীক্ষ্ণ বান। ব্লগের প্রথম পাতায় কাউন্টডাউন করা হয়েছে, দেয়া হয়েছে টূর্নামেন্ট স্কেজ্যুয়াল। এছাড়া আরেকটি উদ্যোগও শুরু হচ্ছে আজ থেকেই। আমরা পরখ করতে চাই কে কতোটা ফুটবল বিশেষজ্ঞ। কার ফুটবল বোধ কতোটুকু। আর সেজন্যই প্রতিটি খেলা নিয়েই সবার ভবিষ্যদ্বানী নিয়ে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ বাজী। এই বাজীতে জয়ী বন্ধু পাবেন একটি বিশেষ পুরস্কার। নিয়মিত অংশগ্রহণই আপনাদের সুযোগ করে দিবে এই বিশেষ পুরস্কার জিতে নেয়ার।

দেখা হবে আবার আগামীকাল...খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে!

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

বিশ্লেষক's picture


প্রথম খেলার ফলাফল দঃ আফ্রিকা ১ - মেক্সিকো ১। পোস্টে আমি বাজী ধরেছিলাম ঠিক এই ফলাফলের উপর। আজকে ম্যারাদোনা তার নিজস্ব কলামে বলেছিলেন দঃ আফ্রিকা খেলাতে জিতে যাবে। ম্যারদোনার সাথে বাজী ধরতে পারলে আজই আমি হয়তো লাখপতি হয়ে যেতে পারতাম Tongue । পরবর্তী খেলাতেও আমার প্রেডিকশনের উপর বাজী ধরছি। আছেন কোন মমিন!

পুতুল's picture


ফ্রান্স।।

বিশ্লেষক's picture


সিস্টার পুতুল আমিও পোস্টে ফ্রান্সের পক্ষেই ভবিষ্যদ্বানী করেছি। খেলার ফলাফল
ফ্রান্স ১ - উরুগুয়ে ০ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


উরুগুয়ে

বিশ্লেষক's picture


আপনার সাথে বাজী ধরছি ব্রাদার ভাঙ্গা পেন্সিল। যদি ফ্রান্স জিতে যায় তাহলে আপনি কাল ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে একটি পোস্ট দিতে বাধ্য থাকবেন। আর যদি উরুগুয়ে জেতে তাহলে আপনাকে আমার পক্ষ থেকে প্রাণ ঢালা ভালোবাসা Tongue

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


ড্র হইলে কে পোস্ট দিবে? Wink

বিশ্লেষক's picture


ব্রাদার ভাঙ্গা পেন্সিল পোস্টে আমি ড্র'এর পক্ষেও আমার অবস্থান বলেছি :D। তবে আমার বিশ্লেষণে ফ্রান্স বনাম উরুগুয়ের খেলাতে ফ্রান্স জিতে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি দেখছি। ড্র হলে আমার ভালোবাসাই পাবেন তবে পরিমানে একটু কম।

পুতুল's picture


আর আমাকে?

বিশ্লেষক's picture


সিস্টার পুতুল ফ্রান্স হারুক কি জিতুক আপনাকে ভালোবাসা দিতে আমার কোনো সমস্যা নেই।

১০

অপূর্ব সোহাগ's picture


"সিস্টার পুতুল ফ্রান্স হারুক কি জিত আপনাকে ভালোবাসা দিতে আমার কোনো সমস্যা নেই।"
আমারও নাই Tongue

১১

আপন_আধার's picture


আজকের ২য় ম্যাচ'টাও ড্র হবে

১২

বিশ্লেষক's picture


বাজী?

১৩

আপন_আধার's picture


কার লগে বাজী ধরুম ? Laughing out loud

১৪

বিশ্লেষক's picture


আমার পোস্টে যেহেতু কথা চলছে, আমার সাথেই ধরতে হবে ব্রাদার।

১৫

আপন_আধার's picture


আমি'তো ড্র'য়ের কথা কইলাম । ড্র হইলে'তো আপ্নের পক্ষেই গেলো । এই অবস্থায় বাজী ধইরা ফায়দা কি ? Laughing out loud

১৬

আপন_আধার's picture


জিতছি জিতছি Laughing out loud Applause

১৭

অপূর্ব সোহাগ's picture


আমিএ কইলাম ড্র হবে।
বিশ্লেষক কি বাজী বলেন। Stare

১৮

বিশ্লেষক's picture


ব্রাদার অপূর্ব ফ্রান্স জিতে গেলে আপনি কালকে বিশ্বকাপ নিয়ে পোস্ট দেবেন। আর ম্যাচের ফলাফল ড্র বা উরুগুয়ের পক্ষে গেলে পাবেন আমার প্রাণ ঢালা ভালোবাসা।

১৯

অপূর্ব সোহাগ's picture


পোস্ট দিতে বিন্দু মাত্র আপত্তি নাই।
আর আপনের ভালুবাসা নেবার আগে জানতে হইবে আপনি ছেলে না মেয়ে, যদি মেয়ে হয়ে থাকেন তাইলে তো Wink আর ছেলে হলে আপনার ভালুবাসা আপনের কাছে রাইখা দেন যেকোন মুহূর্তে কাজে লেগে যাবে ;-)।

২০

অপূর্ব সোহাগ's picture


বিশ্লেষক বাড়িত আছেন নি? ড্র তো হয়ে গেলো। Smile

২১

বিশ্লেষক's picture


আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ ও ভালবাসা।

২২

নজরুল ইসলাম's picture


কোরিয়া গ্রিস ড্র হবে
আর্জেনিটা হারবে নাইজেরিয়ার কাছে
ইংল্যান্ড জিতবে মার্কিনদের হারিয়ে

২৩

শওকত মাসুম's picture


আর্জেন্টিনা ৩-নাজেরিয়া-০
গ্রীস-১, কোরিয়া-০
ইংল্যান্ড ২ যুক্তরাষ্ট্র ০

২৪

সাঈদ's picture


কালকে ফ্রান্সের খেলা দেখে হতাশ ।

২৫

রাসেল আশরাফ's picture


আর্জেন্টিনা-০০০০-নাজেরিয়া-১
গ্রীস-১০, কোরিয়া-০(শালারা খালি নিজেদের খেলা টিভিতে দেখাচ্ছে)
ইংল্যান্ড ২ যুক্তরাষ্ট্র-০

২৬

জ্যোতি's picture


শকুনের দোয়ায় গরু মরে না।

২৭

রাসেল আশরাফ's picture


মরা গরুর জন্য শকুন দোয়া করে না।

২৮

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


আর্জ একটা খাইলে তিনটা দিবে। Cool
ইংল্যান্ডের ম্যাচটা সবচেয়ে জমজমাট হবে, ইংল্যান্ড এক গোলে জিতবে।
গ্রীস-কোরিয়া কইতে পারি না।

২৯

হাসান রায়হান's picture


আর্জেন্টিনা ৩-নাজেরিয়া ১ -২
গ্রীস-২, কোরিয়া-১
ইংল্যান্ড ২ যুক্তরাষ্ট্র ০

৩০

সাঈদ's picture


আর্জেন্টিনা ড্র করবে নাইজেরিয়ার সাথে।

৩১

আপন_আধার's picture


আর্জেন্টিনা জিতবো এইটা বুঝতাছি, কিন্তুক কয়টা গুইন্না কইতে পারতাছিনা Laughing out loud

৩২

তানবীরা's picture


নজু ভাই ফাঁকিবাজ লেখা নিল কিন্তু ই বই কই? টিভি যখন অন্যের দখলে সেই সুগোগে ই বই তা পড়তাম চাই

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

বিশ্লেষক's picture

নিজের সম্পর্কে

যে কোন ধরনের বিশ্লেষণ... আলোচনা... সমালোচনার আশা রাখি

আপাতত ফুটবল বিশ্বকার ২০১০ নিয়ে আছি