একটি প্রেমের গপ্প - ২
রুদ্র বের হয়ে এসে গাড়ীতে উঠে বসল। গাড়ী চালিয়ে ফিরছে আর বার বার ওর অগ্নিলার কথা মনে হচ্ছে। ধ্যাৎ মেয়েটাকে কিছুই ও বলতে দেয়নি নিজেই এক তরফা ভাবে বলে বের হয়ে এসেছে। নাহ ব্যাপারটা একদম ঠিক হয়নি। ভাসা ভাসা চোখ, সজিবতা , উচ্ছলতা সর্বোপরি সারা চেহারায় স্বর্গীয় লাবন্য। নাহ! এতো সুন্দর একটা মেয়ে কি করে হয়! গত কয়েকদিন দূর থেকে ওকে দেখেই বেশ ভালো লেগেছে রুদ্রর।
এদিকে অগ্নিলা বাসায় ফিরছে । আর ভাবছে রুদ্রর কথা। এইকি তবে সেই ছেলে যার জন্যে তার এতো দিনের অপেক্ষা। অগ্নিলা ঠিক করল রুদ্রর সাথে ক্লোজ হতে হবে। যেতে হবে তার গভীরে। জানতে হবে রুদ্রর মাঝে কি আছে যে ওর কথাগুলো ওকে এমন অশান্ত করে তুলল।
পরের ক্লাসে গিয়ে দেখল অগ্নিলা রুদ্র আসে নি। পর পর তিন ক্লাস রুদ্রর দেখা নেই । চক্ষুলজ্জার মাথা খেয়ে কারো কাছে জানতেও চাইতে পারছে না রুদ্র কেনো আসছে না বা রুদ্রর সেল নাম্বার ও চাইতে পারছে না । এই দিকে ভেতরে অস্থির লাগছে তার ।
ক্লাস করে ফেরার পরে রুদ্র কিছুতেই কোন ভাবে মন বসাতে পারছিল না। বার বার খালি অগ্নিলার কথা মনে হচ্ছে । নাহ , মেয়েটা কি তাকে জাদু করল নাকি!!!! এইদিকে কয়েক সপ্তাহ পরে একটা বাজানোর প্রতিযোগীতা আছে। গুরুজীর অনেক আশা অনেক চাহিদা অনেক স্বপ্ন ওকে নিয়ে। মন বসাতে না পারলে সব ডুববে। সেদিন রাতেই ওর বাবা বাসায় ফিরে বললেন, দার্জিলিং যেতে চাচ্ছেন তিনি এই ভ্যাপসা গরমে ঢাকায় আর ভালো লাগছে না। মাও ইতস্তত করে রাজী হয়ে গেলেন। দুইদিন পরে ওরা সপরিবারে রওনা হলো দার্জিলংয়ের দিকে।
দার্জিলিংয়ে গিয়েও রুধ্রর কিছুই ভালো লাগছিল না। বার বার অগ্নিলার কথা মনে পড়ছিল। বিকেলে বাবা জানালেন আজকে ভোরে তারা যাবেন টাইগার হিলে সূর্যোদয় দেখতে। সকালে যথা সময়ে উঠেই রওনা হলো ওরা। গিয়ে এতো মানুষ দেখে রুদ্র অবাক। চারদিক অন্ধকার আলোকে স্বাগতম জানাতে এসেছে যেনো সবাই । কিছুক্ষন পরে যখন সূর্য উঠল । রুদ্র কিছুক্ষন বাকরুদ্ধ হয়ে রইলো। সদ্য উঠা সূর্যের আলো পাহাড়ে পরে প্রাকৃতিক যে সৌন্দর্য তা বিমোহিত হয়ে দেখতে রইল। ওর মনে হলো আহা অগ্নিলা যদি থাকত পাশে এখন!!
হঠাৎ রুদ্রর খেয়াল হলো বাবা কিছু বলছে। রুদ্র হঠাৎ যেনো ফিরে এলো বাস্তবে। ওর বাবা জিজ্ঞেস করলেন কি হয়েছে তোমার?
- নাহ বাবা কিছু না ।
- সত্যিতো ?
- হ্যা বাবা , কিছুই হয়নি শুধু দেখছিলাম এই সৌন্দর্য। ভাবছিলাম সৃষ্টিকর্তা কত বড় শিল্পীযে এতো সুন্দর করে সাজিয়েছেন পৃথিবীটাকে।
বাবা হাসলেন। মা দুইজনের দিকেই তাকিয়ে বললেন এখন কি বাবা ছেলে সাহিত্য আর গীটার নিয়ে বসবে? খাবে না ? সবাই হাসল। ভাড়া করা গাড়ীতে করে ফিরে চলল হোটেলে। রুদ্র কিছু না বললেও বাবা ঠিকই বুঝলেন ছেলের কিছু একটা হয়েছে।
সপ্তাহ দুইয়েক পরে ফিরে গীটার ক্লাসে গেলো রুদ্র । ঢুকতে ঢুকতে খুজতে থাকল বহু কাঙ্খিত সেই মুখশ্রী । যে মুখ তাকে গত দুইটা সপ্তাহ বার বার ডেকেছে। যেই মুখের কারনে সে দার্জিলিং গিয়েও মনের গভীর থেকে অনুভব করতে পারেনি হিমালয়ের বিশালতা । টাইগার হিলে গিয়ে সূর্যোদয় দেখতে গিয়ে কাউকে মনে করেছে বার বার। চোখে চোখ পড়ল । হাসল রুদ্র। অগ্নিলার চোখে খুশীর ঝিলিক দেখল। ভুল দেখলো কি?





ভিলেন কই? একটু ঝুটঝামেলা থাকলে আরও জমতো।
দার্জিলিংএর সানরাইজ স্পটটার নাম টাইগার হিল। টাইগার পাস চট্টগ্রামে।
থ্যাঙ্কস। এই পর্বটা লেখার সময় চট্টগ্রাম নিয়ে একটা লেখা লেখছিলাম। টাইগার পাস আর টাইগার হিল চেঞ্জ করে ফেলেছি। আল্লাহই জানে ঐ লেখায় টাইগার হিল লেখা নাকি !!!!!!!!!!!
হে হে সেইটা হৈপে না।
ভাল্লাগলো
একটা মুভি করন যাইবো?
কিরম একটা প্রেম প্রেম ভাব :)
ভাল লাগতাছে :)
হয় মামা প্রেম প্রেম উপন্যাস
এক দফা এক দাবি
ভিলেন তুই কবে আসবি......
ভিলেন আয়েগি আয়েগি ভিলেন আয়েগি...
আবার পড়লাম
এর পরে কি হইলো

চলুক ..................
আসিতেছে।
এবার অবশ্য এট্টু ছিঃনেমা ছিঃনেমা হচ্ছে। চলুক বস।
হে হে একটা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক সাজেস্ট করেন
মন্তব্য করুন