একটি প্রেমের গপ্প - ৩
রুদ্রকে ক্লাসে ঢুকতে দেখে অগ্নিলা একটু কেমন যেন হয়ে গেল। দেখলো রুদ্র কাকে যেনো খুজছে। ওর চোখে চোখ পড়ার পরে যখন হাসল অগ্নিলার মনটা অকারন পুলকে ভরে উঠল। নিজেই খুশীর পরিমান উপলব্ধি করতে পেরে অবাক হয়ে গেল। গত কয়েকটা দিন যে কিভাবে কেটেছে ওর সে শুধু ওই জানে। প্রতিদিন ক্লাসে এসে খুজে ফেরা কাঙ্খিত মুখ। রুদ্র কখন আসে সেইদিকেই ছিলো ওর সম্পুর্ন মনযোগ। শুধুই শুধুই অপেক্ষা করেছে ও রুদ্রর। কেমন জানি অভিমানও হচ্ছিলো রুদ্রর উপর। এভাবে তার মনে ঝড় উঠিয়ে তাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে চলে যাওয়া তাকে এভাবে অপেক্ষায় রাখা এযেনো সহ্যই করতে পারছিল না অগ্নিলা।
ক্লাস শেষ করে রুদ্র এগিয়ে এলো অগ্নিলার দিকে ।
- হাই
- হাই ।
- কেমন আছেন ?
- ভালো । আপনি ?
- আমিও ভালোই আছি । দেখুন আমি ওইদিনের জন্যে স্যরি।
- না না । ইটস ওকে। বলতে বলতে কি যেনো গলে যাচ্ছিল অগ্নিলার ভেতর। এযেনো অপার্থিব
এক অনুভুতি ।
- সত্যি তো?
- হ্যা।
- আপনার বাজানোর কি অবস্থা?
- ভালো না। তুমি আমার মনে যেই ঝড় তুলেছ এরপরে কিছুই করতে পারছি না ভালো কি করে হবে?
শেষের লাইনটা অবশ্য মনে মনে বলল অগ্নিলা। রুদ্র হাসল।
- তা এই কয়দিন যে আসেননি?
- মা বাবার সাথে দেশের বাইরে গিয়েছিলাম।
- কোথায়?
- দার্জিলিং।
- ছুটিতে?
- হ্যা।
- খুব বেড়ালেন বুঝি ।
- হ্যা। মনে মনে বলল, “তুমি সাথে গেলে আরো বেড়াতাম। ভালো লগত। নিজেকে পরিপূর্ন লাগত।”
- কি ভাবছেন?
- নাহ কিছু না।
অগ্নিলার বন্ধুরা ওকে ডাকা শুরু করল। এইখানে এসেও ও বন্ধু বানিয়ে ফেলেছে। রুদ্র সেদিকে তাকিয়ে দেখল। ভ্রু জোড়া কুচকে উঠল ওর। বলল, “ আজকে আসি পরে কথা হবে। ভাল থাকবেন । ” অগ্নিলাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে হেটে চলে গেল । অগ্নিলা কিছুক্ষন তাকিয়ে রইল ওর গমন পথের দিকে। অজানা এক কষ্টে ভেতরটা মুচড়ে উঠছিলো। ওর মনে হলো এরই নাম কি ভালোবাসা?
বাসায় ফিরতে ফিরতে নিজেকে গাল মন্দ করল রুদ্র । অগ্নিলাকে ওর বন্ধুরা ডেকেছে তো এতো লাগার কি আছে? তার এতো লাগে কেন? ওর চারদিকে কত বন্ধু গুনে শেষ করা যাবে কি? সবসময় ভীড় লেগেই আছে। ও মনে হয় নিজেও জানে না ওর বন্ধুর সংখ্যা কত। ওর ভক্তের সংখ্যা কত! পরক্ষনেই তিরস্কার করল নিজেকে এসব কি ভাবছে সে। ওকে এইভাবে ভাবার? হয়ত অগ্নিলার বয়ফ্রেন্ড আছে। সে কেন এইভাবে করে ওকে নিয়ে ভাবছে। নাহ উচিত হচ্ছে না এইসব ভাবা। এতো সব পেরিয়ে ওর সাথে কথা বলতে ওর পৌরুষের অহংবোধে বাধছিল। হয়ত গুরুজী ডেকে পরিচয় না করিয়ে দিলে কথাই বলত না এতো সব বাধা পেরিয়ে। নাহ ঠিক হচ্ছে না ব্যাপারটা। নিজের ইমোশনকে বাধা দিতে হবে। এটাও তো ওর মাথায় আসেনি যে অগ্নিলার বয়ফ্রেন্ড থাকতে পারে। স্বাভাবিক । ওর মত এমন সুন্দর চঞ্চল মেয়ের বয় ফ্রেন্ড থাকাই স্বাভাবিক।





হ, স্বভাপিক ঃ)।
তবে এখানে অগ্নিলাকে দিয়ে একটা গান মাষ্ট, কাছে এসো আরো কাছে দূরে থেকো না, আজ দুজনার হারিয়ে যাওয়ার নেই কোন মানা ...... না না না না ঃ)
গানা সেইরম হুয়া
ভিলেনের আগমন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে...
চলুক
হে হে
ঘটনা মনে হয় এইবা ঘটপে :)
ভিলেন আইলে সব্বাই হাত তিলে দিয়েন :)
ধৈর্য্য ধরেন এত জল্লি হাত তালি দিলে ক্যামনে কি?
গতকালই পড়ছিলাম, দৌড়ের উপ্রে থাকায় মন্তব্য করা হয়নি।
কাহীনিতে টুইষ্ট আইতেছে।
ভালো লাগা জানান দেয়া সহ বৃদ্ধাঙ্গুলী উঁচাইলাম :)
টুইস্টের কথা হুনলে মিস্টার টুইস্ট চিপ্সের কথা মনয়। পিকনিকে সবাইরে মিস্টার টুইস্ট দেওয়ার ধাবি জানাইলাম
টুইস্ট এর অপেক্ষায় আছি...
তাত্তারি টুইস্টরে ডাকেন...
পিকনিক ওর্গানাইজারগো কাছে দিয়া দিছি। বুইঝা লৈয়েন কৈলে
প্রতিটি পর্বে আগের গুলোর লিঙ্ক দিলে ভাল হইত ,১ম থেকে
ডাইন পাশে দেখেন লিংক আছে
মন্তব্য করুন