কল্পনায় ৭১ - ১
আমি প্রায়ই স্বপ্নে দেখি যুদ্ধে গেছি, মুক্তিযুদ্ধে। আমার অবসেশন এটা। মাঝে মাঝে খুব দুঃখ হয় তখন কেন হলাম না। হইনি তো কি হয়েছে? গল্প লেখতে তো দোষ নাই। তাই এই গল্পের প্রয়াস। প্লট হবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেরই। কিন্তু মর্ডান টেকনোলজি থাকবে কিছু। আশা করি এটাকে কেউ খারাপ ভাবে নিবেন না। ও হ্যা, গল্পে আমি নিজের নামটাই ব্যাবহার করলাম। অন্তত গল্পে তো মুক্তিযুদ্ধ করতে পারবো।
দেশের উত্তাল অবস্থা। কাশ্মীর সীমান্তে দ্বায়িত্বে আছে ক্যাপ্টেন জাবির। খুব চিন্তিত। কি হবে শেষ পর্যন্ত ইয়াহিয়া কি ক্ষমতা হস্তান্তর করবে? বাঙ্গালীরা কি শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় যেতে পারবে? নিজেদের অধিকার পাবে নাকি পাকিস্তানীদের অধীনেই কাটবে দিন? ডিউটি শেষ করে কাপড় খুলে ঘুমাতে গেলো সে। ২৪ শে মার্চ রাত, ১১টা। হঠাৎ করে রাতে ২ টার দিকে দরজায় শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল জাবিরের। উঠে গিয়ে দরজা খুলে দিলো। দরজা খুলতেই সে দেখলো তার দিকে তাক করা আগ্নেয়াস্ত্র। তার ইমিডিয়েট জুনিয়র লেফট্যানেন্ট খালেদ বলল “স্যরি স্যার, বাট ইউ আর আন্ডার এরেস্ট। বন করে মাথাটা ঘুরে উঠলো জাবিরের।
তাকে নিয়ে আসা হলো লাহোর ক্যান্টনমেন্টে। সেখানে এসে জানা গেলো পাকিস্তান আর্মি বেঈমান বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে অপারেশন সার্চলাইট অপারেশন শুরু করেছে। দেশপ্রেমিক জোয়ানদের ধৈর্য্য ধরতে বলা হচ্ছে। এবং সকল দেশপ্রেমিক অফিসারদের অনুরোধ করা যাচ্ছে তারা যেনো তাদের মত অফিস করে। গায়ে আগুন ধরে গেলো জাবিরের। অসম্ভব চিন্তিত হয়ে গেলো সে দেশের অবস্থা চিন্তা করে।
সে তার নির্ধারিত কামরার দিকে ফিরতে ফিরতে চেনা গলার শব্দে ঘুরে তাকালো। তার দুই বন্ধু ক্যাপ্টেন মাহফুজ ও জামি, বাঙ্গালী। তাদের পোস্টিং ছিলো করাচী ও রাওয়ালপিন্ডিতে। এদেরও গ্রেফতার করে আনা হয়েছে। গৃহবন্দী হয়ে থাকা লাগবে। তিনবন্ধু দিনের শেষে এক সাথে বসে। বসে আড্ডা দেয়। আড্ডার বিষয় কি করে দেশে যাওয়া যায়। যুদ্ধে যোগ দেওয়া যায়। পাকিস্তানীদের আগ্রাসন প্রতিহত করা যায়।
কয়েকদিন পর হঠাৎ করে মাহফুজ বলল, খবর শুনেছিস? বাকী দুই বন্ধু উদ্গ্রীব হয়ে উঠলো কি খবর? “ মেজর খালেদ স্যাররা পালিয়ে গেছেন। যুদ্ধে যোগ দিবেন।” সেদিন থেকে তাদের প্ল্যান করা শুরু হলো কি করে পালানো যায়।
তিনদিন পর। বারে বসে জামিকে উত্তেজিত দেখা গেল। জানা গেলো সে পুরা লাহোরের ম্যাপ নিয়ে এসেছে। মাহফুজ মানা করলো এখানে বসে না দেখাতে। কারন তাদের উপর অবশ্যই নজর রাখা হচ্ছে। জাবির বলল “ ম্যাপ লাগবে না। আমি এইখানে ২ বছর ছিলাম। আগা গোড়া চিনি। সমস্যা হচ্ছে এখান থেকে পালানো নিয়ে। ” মাহফুজ হাসলো। জামি জিজ্ঞেস করলো “হাসিস কেন?”
- ফিরোজার কথা মনে আছে?
- কোন ফিরোজা?
- জাবির মিয়ার ফিরোজা।
- কর্ণেল বেগের মেয়ে? ফিরোজা বেগ?
- হ্যা।
- কেন?
- বেগ শালার পোস্টিং এখানে। আজকে দেখলাম শালাকে। মেয়েও এখানে আছে তার মানে।
জাবির বলল, বেগ আর বেগের মেয়েকে দিয়ে আমরা কি করবো?
- দেখ মেয়েটা তোর প্রেমে পাগল ছিলো।
- হ্যা তো?
- বেগের মেয়ের সাথে খাতির ঝালাই কর। বের হওয়ার উপায় তুই ঠিকই বের করে ফেলবি।
- রাইট। আমার বাইরে কন্টাক্ট আছে কিছু। ওদের সাথে যোগাযোগ করলে পালানোর উপায় বের করে ফেলবো।
- হুম। এইতো লাইন ধরে ফেলেছিস।
জামি ইতস্তত করলো একটু। “ কাজটা কি ঠিক হবে? একটা মেয়ের আবেগকে ব্যাবহার করা?” জাবির তার দিকে তাকিয়ে বললো “দেখ, ওরা আমাদের দেশে যা করছে সেটা কি ঠিক? এভরিথিং ইজ ফেয়ার ইন লাভ এন্ড ওয়ার।”
ওদের দিকে ব্রিগেডিয়ার ইফতেখার এগিয়ে আসছে দেখে চুপ হয়ে গেল ওরা।
পাদটীকাঃ মেজাজ অনেক খারাপ। আমার পিসি ভাইরাসের মরন কামড়ে আমার সব লেখা হারিয়েছে। অনেক কিছু লেখা ছিলো। বিশেষ করে আমার প্রেমের ধারাবাহিক আর একটা সাই ফাই। সব গেলো। আবার শুরু করা করবো এরপরে প্রেমের গল্পটা শুরু করবো আপাতত এটাই পড়ুন। দুঃখিত।





একবার হাড ডিস্ক ফরম্যাট করে ফেলেছিলাম ভুলে.....সে অনেকদিন আগে..কত লেখা যে গেছে..
আরেকবার ...ল্যাপটপ (অফিসের) নষ্ট হলো, ওখানেও অনেব লেখা ছিল।
তবে সেই ল্যাপটপের অনেক লেখা সামুতে পোষ্ট ছিল।....সেকটাই উদ্ধার হেলা আর গুেলা অতলে কালের
আহা আহা আফসুস
একটা এক্স ডি রাখেন তাতে ব্যাক আপ রাখবেন। যদিও আমার এক্সডি আছে কিন্তু ব্যাকাপ নাই আইলসা আমি।
গল্প সেইরম। চলুক বস
আম্মো ব্যাফক আইলসা
choluk
আপনার কাকন খানি কি স্বর্ণের?
ভাল হইছে, কিন্তু এতটুক?? ইইইই(কান্না)
ভালো জিনিস পরিমানে কম হয় হাহাহাহাহা
ভালো লাগছে, চলুক
পরের পর্বে ফিরোজা বেগ আসবে?
আশা তো করি মনে তো লয়। দেখি পারি কি না পারি
এট্টুক পইড়া আমোদ পাই নাই, পরের পর্ব আসুক
আসিবে ভাইডি ধৈর্য্য রাখেন
এত্ত ছুডু ক্যান ভাইগ্না?
চলুক
চলুক ..
মন্তব্য করুন