ইউজার লগইন

নীল শিয়ালের কাহিনী

আমরা সকলেই নীল শিয়ালের কাহিনী জানি। আমার বন্ধু লতু কানাডা প্রবাসী যার সাথে গতকাল অফিসের ফাঁকেও বলতে গেলে অর্ধ দিন ফেবুতে গেজাইছি। সাথে বরাবরের মত চাটনি হিসেবে নর্থ সাঊথ বিশবিদ্যালয়ের শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় বন্ধু ইকবাল। সত্যি কথা হলও কোন মজাদার আড্ডার সূভ সুচনাটা সকল সময় ইকবালুর রহমান রোকনেই করে থাকে। কালও তাই হয়েছিল। ওর চাটনি সদৃশ পিনচিং ফেবালুচনাকে মধুময় করে তোলেছিল যা বাসায় ফিরে কম্পিঊটার খোলার পড়ও রেশ পেয়েছি। বাকি জীবনটা যেন আল্লাহ তায়ালা এভাবেই কাটিয়ে নেন তাই কামনা করি।
গতকাল ফেবুতে লতুর সঙগৃহীত পোষ্টে আমি কড়া কমেন্টস করেছিলাম আর ভাবছিলাম এই বুজি লতু তাঁর লম্বা লম্বা হাত নিয়ে আমার উপর ঝাপায় পড়ল। অনেক রাত জেগেও ছিলাম। কিন্তু না ও এলো না। মনটা বিস্বাদে ভরে গেল। কি আর করি বিষন্ন মন নিয়েই ঘুমুতে গেলাম। মনটা বিষণ্ণ হলেও অনেক খুশি হয়েছি। ইকবালই আমাকে শিখিয়ে ছিল তুই লিখে যা, অনেক সময় অনেক বাজে মন্তব্য আসবে। কখনও রাগবি না। রাগলে লিখতে পারবি না। লতুর এ গুনের গভীরতা আজও জানিনা। তবে তা অনেক ...।
ঘুম থেকে ঊঠে ছেলে মেয়ের সাথে শুভ নববর্ষ বিনিময় এবং বউকে ফোন করে তাকেও নববর্ষের শুভেছা জানালাম। খাবার টেবিলে দেখি পান্তা ভাত, আলু ভর্তা, শুকনো মরিচ ভাজা ও সাধের ইলিশ মাছ ভাজা। ফ্রিজে ইলিশ মাছ আছে জানতাম, কিন্তু এত বেশী আছে ভাবিনি। মেয়েকে জিজ্ঞেস করলাম। মেয়ে বলল আম্মু যাবার সময় কিনে সাইজ করে ভেজে রেখে গিয়েছিল। আমি বললাম এবার তা হলে তোমার আম্মুকে আদর্শ বউ বলা যায় কি বল? মেয়ে বলল, তুমি মান বা নাই মান আমার আম্মু আদর্শ বউ ও আমাদের আদর্শ মা। আদর্শ মায়ের কাহিনীটা মাস খানেকের। আমার বউ চাকরি সুত্রে দিনাজপুর থাকে। মাসে দুবার ঢাকায় আসে। এসে ও না থাকার দিনগুলোতে নিজের ও ছেলে মেয়ের কাপড় চোপড় যা ময়লা হয়ে থাকে তা ওয়াশ করে লন্ড্রী করে রেখে যায়। আর আমি মজা করে অফিস করি। একদিন হলকি অফিস যারার জন্য জুতা পায়ে দিতে গিয়ে চোখ চড়ক গাছ। জুতার ভিট্রিফাইট মার্কা গ্লোসি চেহারা দেখে অবাক। প্রতিদিন অফিস যাবার আগে ছেলে মেয়েকে দরজায় পেরুবার আগে আদর দিতে হয়। মেয়েকে বললাম কে জুতা পালিশ করেছে। মেয়ে বলল আম্মু। তাহলে তো তোমার আম্মুকে আদর্শ বউ বলতেই হয়। সাথে বঊয়ের প্রতিবাদ কেন আমি কি আদর্শ বউ না? আমি বিষয়টাকে হালকা ও মধুময় করার জন্য বললাম, এবারের গেট টুগেদারে আমাদের বন্ধুদের আদালতে তুলব কি কি করলে আদর্শ বউ হওয়া যায়।
বছর দেড়েক থেকে কি হইছে, সব বিষয়ে তুমি তোমার বন্ধুদের টান, আমার বন্ধুরা যে পৃথিবীর সকল বন্ধুদের চেয়ে ঊত্তম! তাই, বুড়া বয়সেও যে একজনের জন্য আরেকজনের অন্তরে কত দরদ তা তো তুমি জানই।
এতদিন কোথায় ছিল তোমাদের এ দরদ। আরে এতদিন তো বিদেশ ছিলাম কারও সাথে যোগাযোগ ছিল না।
কিস্মতসে হায় তুমকো মিলিহো
হাম না ছোড়েংগে হাত
হাম না---- ছোড়েংগে।
টুকড়ে দিল্কে হাম দো মিল্কে,
ফেরছে জোরেংগে হাত
হাম না ছোড়েংগে।
সত্যি দোস্ত আমরা বন্ধুরা কখনও আলাদা হব না।
মোবাইলে দেখি অনেক শুভেচ্ছা। কয়টার জবাব দেই। মেয়েকে সে দায়িত্ব দিয়ে ,পান্তা খেয়ে ফেবু ওপেন করলাম।
প্রথমেই নজরে পড়লো লতুর একটি ভিডিও পোষ্ট। ওপেন করে যা দেখলাম মনটাই ভইরা গেল। কয়েকবার শুনেও মন ভরল না, দুবার অডিও ও দুবার ভিডিও করলাম। লেখাতে লতুকে জানালামও। তাতে, কিন্তু লতুর মন ভরল না, এত ভাল লাগল তোঁ লাইক এত কম কেন? তাই দিলাম অসংখ্য লাইক। ওর বলার জন্য না। সত্যিই পাবার যোগ্য। আমার মেমরি কার্ড দেখি ফুল, কার্ড কিনতে হবে এই লতু ফেবুতে টাকা পাঠা কার্ড কিনতে হবে।
দোস্তরে কেন নীল শিয়ালের কাহিনী দিয়া আরম্ভ করছিলাম বুজলা তো। তুমি কানাডা , আমেরিকা, যেখানেই থাক না কেন? মনটা যে বাঙ্গালী। এমন কি আমি যতদুর জানি তোমার প্রজন্ম হতে প্রজন্ম তক যারাই থাকবে কানাডায় পাস পোর্টে লেখা থাকবে বাংলাদেশী বংশদ্ভুত। বিষয়টা শুনেছিলাম। ঠিক না হলে তুমি দোস্ত আর একটু পরিষ্কার করে দিও।
ভাব যতই নো না কেন? হুক্কা হুয়া ডাক কি কখনও ভুলা যায়।
গতকাল লতুর স্টেটাসে যে কমেন্টস করেছিলাম। তাঁর জবাব দিলেন বাদলুর রহমান খান। অনেকটা গায়ে পড়ে ঝগড়া করার মত।
বাদলুর রহমান খানের আমার উপর অভিযোগ বিদেশ নিয়ে আমার ধারনা নেগেটিভ কেন? আমি অল্প কদিন বিদেশ ছিলাম তাই আগুর ফল টক। আমি দীর্ঘ দিন বিদেশ ছিলাম তাঁর পরও আংগুর ফল টক, হতেই পারে কারন তাঁর মত অর্থ হয়ত আমি করতে পারিনি। তবে তোমাকে দোস্ত মন খুলে বলি শোন, তোমরা কষ্ট করে আংগুর ফল পার বলেই আমারা এখানে বসে আরাম আয়েশ করে তাঁর ফল ভোগ করি, পুরো জাতি করে। তোমাদের পাঠানো টাকাতেই আমরা জমজমাট রিয়েল ষ্টেট বা অন্য সকল ব্যবসা করি। দেশের রেমিটেন্স বাড়ে। প্রসঙ্গ ছিল কি আর তুমি নিয়ে গেলে কোথায়।
তুমি সেদিন বলেছ তোমার লেখায় কমেন্ট না করতে। একজন সামাজিক মাধ্যমের লেখক হয়ে তুমি কি করে বলতে পার। তোমার বা যে কারও লেখায় পক্ষে বিপক্ষে কমেন্টস আসবে এটাই তোঁ স্বাভাবিক।
তুমি লিখেছ আমি দুবাইয়ের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করি কোন মাপ কাঠিতে।
কেন দুবাইয়ের অর্থ আছে বলে তাদের নিয়ে কিছু বলা যাবে না এটা তোমাকে কে বলল। আমার কাছে আমার দেশই বড়। আমার মায়ের বা আমরা অনেক ভাই বোন আমরা দুবাই না হলেও যে কোন দেশ থেকেই অর্থ কামাই করতে পারি। কিন্তু ওদের আমাদের না হলেও অন্য দেশ থেকে লোক নেবে কিন্তু ওদের নিতেই হবে। প্রবাসী বিভিন্ন দেশের জনশক্তি ছাড়া ওদের কি চলবে এমন কি ওদের পুলিশ বাহিনীও তো অধিকাংশ পাকিস্তানী? এক মাত্র ইরান ছাড়া মধ্য প্রাচ্যের কোন দেশটার নিজের সার্বভৌমত্ত রক্ষা করার ক্ষমতা আছে। অথচ সে ইরানী শিয়াদেরকেই সুন্নী মুসলমানরা কাফের বলে। যাক এ বিষয়ে আমার জ্ঞানের পরিধি খুবই কম তাই এ প্রসঙ্গ পরিহার করাই বাঞ্ছনীয়। (তবে আমি দেশে ইরানি কোম্পানি sanergy এর সাথে দু, বছর থেকে কুমিল্লা বিবিয়ানা ট্রান্সমিশন লাইনে কাজ করছি। ওরা মানুষ হিসেবে ভীষণ ভাল। ) আমরা নিজেরাই আমাদের দেশকে সকল দিক থেকে চালাতে সক্ষম। এবার চল ওদের অর্থনৈতিক ইতিহাসটা একটু দেখি।
৩:২৬ কুলিল্লাহুম্মা মালিকাল মুলকি তু,তিল মুল্কা মান্তাশা-ঊ, অয়া তানযিঊল মুল্কা মিম মান্তাশাও, অয়া তু ইজ্জু মান্তাশাও, অয়া তু জিল্লু মান্তাশাও, বি-ঈয়াদিকাল খাইর। ইন্নাকা আলা কুল্লি সাইয়িন কাদির।
অর্থঃ বলুন, হে আল্লাহ, রাজ্যের মালিক তো আপনিই। যাকে খুশি রাজ্য দান করেন আর যার কাছ থেকে ইচ্ছা ছিনিয়ে নেন। আপনি যাকে ইচ্ছা সন্মান দান করেন। যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি করেন, আপনার হাতেই রয়েছে সকল কল্যাণ। নিশ্চয়ই আপনিই সর্ব শক্তিমান।
মধ্যপ্রাচ্যে ১৯৩২ সালে প্রথম তেলের সন্ধান পাওয়া গেলেও প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারনে ১৯৪৯ সালের আগে কোন দেশই তেল উৎপাদন করতে পারেনি। ১৯৪৯ সালে প্রথমে কুয়েত তারপর এক এক করে মধ্য প্রাচ্যের সকল দেশ তেল উৎপাদন করতে আরম্ভ করে ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হয়। তাঁর আগে আরবরা আসত আমাদের দেশে অর্থাৎ ভারতীয় ঊপমহাদেশে জীবিকার সন্ধানে। আমাদের ঢাকার আজিমপুরে দুইটা গোরস্তান আছে নাম ইরানি ও ইরাকি গোরস্তান। আমার বাপের বয়সী ভাতিজা থাকতেন আজিমপুরে ঊনার কাছ থেকে শুনেছি, আরব মুল্লুক থেকে আসা কেঊ মারা গেলে তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার কারনে লাশ দেশে পাঠান সম্ভব হতো না। তাই তাদেরকে সমাহিত করার জন্য জায়গা দুইটা দেয়া হয়। হয়তবা ইরাক ও ইরানিরাই ছিল বেশি তাই নাম গুলো হয়েছে ইরাকি ও ইরানি গোরস্তান। বাহরাইনে আমার এক কলিগ ছিল বাহরাইনই। সে শেফটী অফিসারের কাজ করত। তাকে প্রশ্ন করেছিলাম আরবরা হিন্দিতে এত পারদর্শী কেন? তাঁর কাছ থেকে একই রকম বক্তব্য পাই। অর্থাৎ তারা আমাদের ভারতীয় ঊপমহাদেশে আসত। আমি হিন্দী যত গুলো ছবি দেখেছি আর এক্টাই শুধু হলে দেখেছি সেটা বাহরাইনে। ছবিটির নাম ছিল” কাভি খুশি কাভি গম।“ অমিতাভ বচ্চন,জয়া বচ্চন, শাহরুখ খান, ৠতিক,কাজল, কারিনা, ও আরও অন্যন্যের অভিনীত আমার কাছে ভাল লাগার মত একটি ছবি।
আরবী আয়াতটি সঙযোজন করার উদ্দেশ্য হল আজ অর্থ আমার কাছে কাল থাকবে তোমার কাছে। কিন্তু মানুষ মানুষের মুল্য সকল সময়ই সমান।
বাহরাইনে থাকার সময় আমার মনে একটা প্রশ্ন জাগতে আরম্ভ করে, কারন আমি ৪০-৫০ বৎসর আগে থেকে বাহরাইনে বসবাসকারী বহু পাকিস্তানিকে বাহরাইনে দেখলেও ২৫-৩০ বছর আগের কোন বাঙ্গালীকে দেখতে পেতাম না।
আমি ছুটির দিনে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনিক্যাল এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাহরাইন শাখার কাজ করতাম, অথবা বাংলাদেশ স্কুল অব বাহরাইন শাখার চেয়ারম্যান ঊনি ডাকলে ঊনার সাথে সময় কাটাতাম। ঊনি আল, আহলী ব্যাংকে ঊচ্চ পদে আসীন ছিলেন। বৃটিশ পাস পোর্ট ধারী। ঊনাকে একদিন এর কারন জিজ্ঞাসা করি।
ঊনার কাছ থেকে জানতে পারি, ১৯৪৯ সনের পর থেকেই মধ্য প্রাচ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিক আসতে আরম্ভ করলেও পাকিস্তানিদের পূর্ব বাংলার বাংগালীদের উপর বৈষম্য নিতীর কারনে বাঙ্গালীরা আস্তে পারত না। তা হলে দেশ স্বাধীন না হলে আমি কি পারতাম বাহরাইনে আসতে? ঊনি বললেন প্রশ্নই আসে না। আপনি পাস পোর্টই বানাতে পারতেন কিনা বাহরাইন আসা তো অনেক পরের ব্যাপার। আমার মনে পাকিস্তানিদের প্রতি আগে মুসলিম দেশ হিসেবে যে একটু অনুভুতি ছিল। সেটিও সেদিন হতে তিরোহিত হল।
তুমি বলেছ পাচ বছর একসাথে পড়েছি বাংলা নব বর্ষ পালন করতে আমাদের দেখনি। আমাদের বলতে তুমি কাদের বুঝিয়েছ বুলঝলাম না। বি, আই, টি তে আমরা অনেক কিছুই তো করতাম না। গতকাল আমার একটি লেখা ফেবুতে দিয়েছি। তাঁর পুড়াটাই আমার বাল্যকালের স্মৃতির উপর ভিত্তি করে নববর্ষ উপলক্ষে লেখা।
তুমি বলেছ কমেন্টস না করে স্ট্যাটাস লিখতে। আমি তো কমেন্টস ও করি আবার ছাই-পাস প্রায়ই লিখি তবে তা তোমার স্ট্যাটাস লেভেলে পড়ে কিনা জানিনা। তবে কমেন্টস সব সময় করি সব ব্লগেই করি। বিখ্যাত সব লেখকদের লেখাতেও করি। জানিনা কোন যোগ্যতা বলে কিছু ব্লগ আমাকে Top commentator এর খেতাব দিল।
তুমি বলেছ দেশ প্রেম কাকে শেখাচ্ছ। তওবা তওবা অধমের কি সাধ্য তোমাকে দেশ প্রেম শিক্ষায়। মাফ চাই দোস এ অপবাদ থেকে মুক্তি চাই।
তপশ্বঃ নিঃশ্বেষ বায়ে মোর মৌরী গাণ উড়ায়ে..বর্ষার আবর্জনা দুর হয়ে যাক যাক যাকএসো এসো...দাদা বিেশে বসে এই একবারই পান্তা ইলিশ খাই তাও আবর ওপার বাংলার দাদা.. আসুন না একবার আমাদের এখানে আপনাদের ওই পদ্মার ইলিশ নিয়ে...

উপরের লাইন দুটো তোমার লেখা। কবি সাহিত্যিকরা কখন কোন মেজাজে থাকে কোন আবেগে কি লেখে অনেক সময় বুজা মুশকিল। আমি রবি ঠাকুর বা বিদ্রোহী কবির অনেক গানের অর্থ বুজি না তাও ভাল লাগে শুনি। কখনও কখনও এড়ে গলায় গাইও।
কিন্তু একজন লেখক এক মাত্র নিজেই পারেন তাঁর গানের শব্দ মালা পরিবর্তন করতে। তা ছাড়া সেটি অপরাধ। আর তুমি এমন একটি গানের বিকৃতি করেছ যা কি না বাংলা নববর্ষের মুখ বন্ধ সঙ্গীত হিসেবে আমরা গেয়ে থাকি।
তোমার এ গানটির বিকৃতি দেখে গতকাল লিখেছিলাম
ভ্রজগোপী খেলে হরি হরি
খেলে আনন্দ নব ঘন শ্যাম অ সাথে।
কবি নজরুলের লেখা হরি কীর্তনের এ গানটির একটা বিকৃত রূপ দিতে। তা তো দিলে না। কারন সে আমাদের মুসলমানের কবি। কিন্তু তাঁর বাড়িও কিন্তু ওপার বাংলায়। আর তাঁর কত যে পুজা অর্চনা নিয়ে গান আছে তাঁকে কি তুমি মুসলমান থেকে বাদ দিবে। না কি তাঁর দেশ প্রেম নিয়ে সংশয় প্রকাশ করবে।
লেখক কবি সাহিত্যিক ওরা আবেগ প্রবন। (সংক্ষেপিত)
বাদলুর খানের পোষ্টটি
দোস্ত@ যতটুকু জানি তুমি কিছুদিন বিদেশে কাজ করেছো । বিদেশ নিয়ে তোমার নেগেটিভ ধারনার ও কথার উদাহরন মালার হেতু কি ? আঙ্গুর ফল কি আসলেই টক । তুমি বাংলাদেশের সাথে দুবাইয়ের তুলনা কর কিসের মাপকাটিতে ? দুবাইয়ের কোন রাস্তায় এগুলি হয় ?? আমিত অনেকবার দুবাই গেলাম কখনো দেখলাম না । অলি গলিত ভালই চেন !! বাংলা নববর্ষ পালনে লতিফ কিছু লিখেছে বা বারন করেছে এমন কিছুত আমি পেলাম না । পাচ বছর একসাথে পড়াশুনা করলাম কখনও বাংলা নববর্ষ পালন করতে দেখেনি তোমাদের-- আসলে এরকম কিছু তখন ছিল না । দেশ প্রেম কাকে শিখাচ্ছ....?? নিজে শক্ষিত হও---- অযাতিত হস্তক্ষেপ শুধু আপনা মোরলদেরই মানায়-- এ গুলি ভাল লক্ষন নয়... কমেন্ট না লিখে স্টেটাস দাও.. আমরা কষ্ট করে পড়ব... নষ্ট না করে সৃষ্টি কর । বাংলা নববর্ষের যা জান তাই লিখ..... শুভ হোক নতুন বর্ষ...।

পোস্টটি ৩ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


ভাল লাগলো নীল শিয়ালের কাহিনী।

আহসান হাবীব's picture


ভাল লাগল, তাই অনুপ্রেরনা পেলাম। নিভৃত সবপ্নচারী-২ তোমাকে দিলাম।

তানবীরা's picture


ঝগড়াঝাটি উপাদেয় Big smile

আহসান হাবীব's picture


তবুও আপনার সাথে আমি কখনও ঝগড়া করব না।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আহসান হাবীব's picture

নিজের সম্পর্কে

তোমার সৃষ্টি তোমারে পুজিতে সেজদায় পড়িছে লুটি
রক্তের বন্যায় প্রাণ বায়ু উবে যায় দেহ হয় কুটিকুটি।।
দেহ কোথা দেহ কোথা এ যে রক্ত মাংসের পুটলি
বাঘ ভাল্লুক নয়রে হতভাগা, ভাইয়ের পাপ মেটাতে
ভাই মেরেছে ভাইকে ছড়রা গুলি।।
মানব সৃষ্টি করেছ তুমি তব ইবাদতের আশে
তব দুনিয়ায় জায়গা নাহি তার সাগরে সাগরে ভাসে।
অনিদ্রা অনাহার দিন যায় মাস যায় সাগরে চলে ফেরাফেরি
যেমন বেড়াল ঈদুর ধরিছে মারব তো জানি, খানিক খেলা করি।।
যেথায় যার জোড় বেশী সেথায় সে ধর্ম বড়
হয় মান, নয়ত দেখেছ দা ছুড়ি তলোয়ার জাহান্নামের পথ ধর।
কেউ গনিমতের মাল, কেউ রাজ্যহীনা এই কি অপরাধ
স্বামী সন্তান সমুখে ইজ্জত নেয় লুটে, লুটেরা অট্টহাসিতে উন্মাদ।
তব সৃষ্টির সেরা জীবে এই যে হানাহানি চলিবে কতকাল।
কে ধরিবে হাল হানিবে সে বান হয়ে মহাকাল।।