নিভৃত স্বপ্নচারী-২
পড়ন্ত বিকেল,
দিগন্তে প্রসারিত খোলা মাঠ
সমুখে তাকাই,রৌদ্রকর রৌদ্রহীন হয়ে
কোথায় যেন হাঁড়িয়ে যাচ্ছে।
অথবা শরতের শেষ বিকেল
মেঘহীন ঊত্তরাকাশে তাকিয়ে
ঊদ্ধত শিরে দন্ডায়মান হিমালয়ে
ধাক্কা খাওয়া শ্বেত শুভ্র মেঘ
দেখতাম,
আর হাজারও রকম ভাবনা
মস্তিষ্কে কিলবিল, কিলবিল করত
কিন্তু বর্ণের চ্ছটায় কখনও তা
স্থান পায়নি কাগজে।
কিন্তু মনটা যে হতো নিস্কুলুষ
সেই সে শ্বেত শুভ্র মেঘের মত।
যেদিন থেকে শহুরে মানুষ
সুঊচ্চ দালান কোঠার ভীরে
হাঁড়িয়ে ফেলেছি সব।
তাই এত টাকা কড়ির মাঝেও
মনটা হয়না কখনোও
শ্বেত শুভ্র নিস্কুলুষ।
হে নিভৃত স্বপ্নচারী
তোমার প্রোফাইল
আমাকে ফিরিয়ে দিল
দুরন্ত সে কৌশোরের স্মৃতি।
আমি কয়টা তোমাকে লিখি
আমার তা সাধ্যের বাহিরে।
তোমাকে কি দিব বিনিময়
তাও তো জানি না।
তাও দিলাম মুল্যহীন,
অমুল্য ভাললাগার মুল্যটুকু
উপহার।
আর চাইলাম,
বলনা কি দেখছ সুদুরে,
ঐ দিগন্তে।
০২/০৫/২০১৩ইং





নিভৃত স্বপ্নচারীকে নিয়ে কবিতা! এ উপহার আমি কোথায় যে রাখি!!
নিভৃত স্বপ্নচারী আসলে আহামরি কেউ না, খুব সাধারণ একজন মানুষ। তাকে লেখক বা কবি ভাবা মোটেই উচিৎ হবে না। নিজের ছোট ছোট অনুভুতিগুলো সেয়ার করতেই মূলত ব্লগে লেখা! হাবিজাবি গদ্য-পদ্য যা লেখার চেষ্টা করি তা আসলে কিছু হয় কিনা জানিনা, মাঝে পুরোনো আনাড়ি লেখা পড়ে নিজেরই হাসি পায়!
অনেক ধন্যবাদ আহসান হাবীব, ভাল থাকুন আর লিখতে থাকুন হাত খুলে। শুভকামনা।।
কবিতা ভাল লেগেছে।
স্বপ্নচারী ভাই অনেক লাকি একজন মানুষ।
এত মেধা নাই বুঝার মত। পরিস্কার করে লিখুন।
মন্তব্য করুন