চ তুমি কত ভাগ্যবান(শেষ পর্ব)
চ তুমি কত ভাগ্যবান(শেষ পর্ব)
চ তুমি কত ভাগ্যবান দ্বিতীয় পর্ব পড়ে একজন আমাকে THANX দিয়েছেন বিনিময়ে আমি উনাকে Thanks দিয়েছি। কারন একমাত্র উনিই আমার মত নির্বোধের নির্বুদ্ধিতার স্বরূপটা উন্মোচন করে চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়েছেন,নির্বোধেরাই কেবল মান্যগণ্য ব্যক্তিদের সমালোচনা করতে পারে। তা পবিত্র মহান সংসদে দাঁড়িয়ে তাঁরা যা খুশি বলবেন যাহা খুশি করবেন তাতে তোমার মত নির্বোধের কি? হউক তা মাননীয় স্পিকারকে লক্ষ্য করিয়া বলা, মাইক দে?
এই সে মহান সংসদ এর অভ্যন্তরে যারা প্রবেশ করবেন তাঁরা প্রত্যেকে প্রত্যেকটি এলাকার এক একজন আদর্শ মানুষ।আদর্শ ব্যক্তিগনকে পছন্দ করে পবিত্র সংসদে পাঠানো হয় যাতে তাদের সংস্পর্শে পবিত্র সংসদ আরও পবিত্র হয়ে উঠে। তারা রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের সন্তানদের জন্য কল্যাণকর আইন করবেন। রাষ্ট্রের সন্তানেরা তাদের কাছ হতে আদর্শ মানুষের মত জীবন যাপন করার দীক্ষা পাবেন।শিশুকালে বাবা মা, স্কুল, কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে আমরা শিখি। তারপর কার কাছ থেকে শিখব?,
আমার বাবা, মা বড় ভাইদের পর দুজন শিক্ষককে আমার জীবনের আদর্শ জ্ঞান করি। একজন আমার হাই স্কুলের প্রয়াত প্রধান শিক্ষক” চঞ্চল কুমার কুণ্ডু” আপনারা কেও তাকে চিনবেন না। অন্যজন বর্তমান বি,এন,পির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। উনি আমার কলেজ জীবনের শিক্ষক। বিকাশদের বিকশিত হওয়া এবং মির্জা ফখরুলের জেল খাটা লেখাটায় উনাকে নিয়ে বিস্তারিত লিখেছিলাম। আমার বিশ্বাস দেশের প্রতিটি এলাকা থেকেই উনার মত ব্যক্তিরাই সংসদে আসেন। তাই আমরা উনাদের কাছ থেকে শিখব, ইহা আশা করতেই পারি। সে জায়গায় যদি বর্তমান পরিস্থিতির সন্মুখীন হতে হয় তবে সাড়া জীবনের শিক্ষাই যে বৃথা হয়ে যায়। তাই তো নির্বোধ না হয়ে পারি না। আমি নির্বোধ হই আপত্তি নেই, আমি নির্বুদ্ধিতার জন্য শাস্তি পাই দুঃখ নেই কিন্তু আমার সন্তান আমার পরবর্তী প্রজন্মকে শিখিয়ে যেতে চাই, লেখ তো বাবা, আমার বাংলা মায়ের একজন আদর্শ ব্যক্তির জীবনী। আমি আপনাকে প্রশ্ন করছি, কুজ্ঝটিকা, আপনি কি পারবেন বলতে একজন ব্যাক্তির নাম যাকে নিয়ে আমি/আপনি আমাদের সন্তানকে আদর্শ ব্যক্তির জীবনী লিখতে দিব। আমি তো খুঁজে পাই না, যারা আছে তাদেরকে যে আমরাই কাদা ছোড়াছুড়ি কদর্য করে ফেলছি, তবে কি আমি আমার সন্তানকে শিখাব তোমার বাবা গ্রামের ছেলে যদিও কোন দিন কাউকে একটি গালিও দেয়নি তোমাকে চুতমারানি এবং তার চেয়েও বড় বড় গাল শিখতে হবে।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার আগে স্পিকারকে দলগুলোর পক্ষ থেকে বলা উচিত, এসব বক্তব্য শুধু প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য প্রযোজ্য। অপ্রাপ্ত বয়স্করা যেন এ সময় টিভিতে না থাকেন তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, সংসদে অশ্লীল কথাবার্তা যারা বলেন, তারা যতটা না দায়ী তার চেয়ে বেশি দায়ী দলগুলো। কারণ, আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো মনে করে, এরাই সংসদ সদস্য হওয়ার উপযুক্ত। এ ধরনের বক্তব্য দলগুলোর মূল্যবোধের প্রতিফলন। আমাদের দুর্ভাগ্য এরাই গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক।
হায়রে আফসোস
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে মহিলা এমপিরা যা বলছেন তা কোনো ভদ্রসমাজে ব্যবহার হয় না। আইন প্রণেতাদের মুখে এ ধরনের বক্তব্য জাতির কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এর মাধ্যমে জাতীয় সংসদের ভাবমূর্তি ও মর্যাদাহানি ঘটেছে। অন্যান্য সংসদ সদস্যের অধিকার ক্ষুণ্ন ও সংসদ অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ার জন্য স্পিকার চাইলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।
মাননীয় স্পিকার চাইলে পারেন, তবে মাননীয় স্পিকার করবেন কি করবেন না, সে জন্য বাংলার মানুষ, সাহসী, মেধাবী এ জাতি ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করবে ঠিকই, কিন্তু সময় মত ঠিক টেনে ছুড়ে ফেলবে। আর আমাদের তরুণ প্রজন্ম তাদের প্রতি আমার যে অনেক আস্তা, তারা যে আরও মেধাবী আরও সম্ভাবনাময়, তাঁরা সকল বাঁধা দুরে ঠেলে আলোর মশাল জ্বালিয়ে অন্ধকারকে তিরোহিত করবেই। তাই সাধু সাবধান। (শেষ)
http://www.amrabondhu.com/ahasan-habib/6479 (প্রথম পর্ব)
http://www.amrabondhu.com/ahasan-habib/6489 (দ্বিতীয় পর্ব)





ভাল লাগলো। লিখতে থাকুন, শুভকামনা
আপনার জন্যও শুভ কামনা। ভাল থাকবেন। পড়া ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
মন্তব্য করুন