অনিকেত চৌধুরী'এর ব্লগ
কিছু কথা...
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যতম বিদ্যা পীঠ। জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণাধারদের এখানে যোগ্য করে গড়ে তোলা হয় এমনটা মনে করাই স্বাভাবিক। আসলেই তাই। এই বিশ্ববিদ্যালয় তার সবটুকু ঢেলে দেয় আমাদের ঠিক ভাবে গড়ে তোলার জন্য। প্রকৃত শিক্ষার আলোতে আলোকিত হবার সুযোগ এখনে সবার জন্য আছে। কেউ সু্যোগটা নেয়, কেউ নেয় না। এই লেখাটা তাদের জন্য যারা নিজেদের কে ঐ সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে...
জোৎস্না ধরার গল্প
মানুষ দিন বদলের সাথে বদলে যায়। কথাটা সত্যি জেনেও কেন যেন বিশ্বাস হতো না। কিন্তু সময়ের প্রয়োজনে আজ আমিও বদলে গেছি। সেই বদলে যাওয়া আমার কথাই বলব এখন...
জোছনা
মধ্যদুপুরের গনগনে সূর্য মাথায় নিয়ে রাজ পথে হেঁটে চলছে এক যুবক। হলুদ পাঞ্জাবী গায়ে খালি পায়ে পথ চলা নয়। আর আট দশটা তরুনের মতই বেশভূষা তার। হাতে জ্বলন্ত সিগারেট। কোথায় যেন সে পড়েছিল মধ্য দুপুরের সূর্্যটাকে ঠিক ভাবে উপভোগ করতে হলে হাতে রাখতে হয় একটা জ্বলন্ত সিগারেট আর জোছনা উপভোগ করতে লাগে অমৃত সুধা যেটাকে আমরা আদর করে ডাকি লাল পানি। জোছনার কথা মনে পড়তেই তার মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠল। স্বপ্নের ভাঙ্গনের রঙ আর বাস্ততার তুলিতে আঁকা এই হাসি। আমৃত সুধা ছাড়াই জোছনা দেখতে চেয়েছিল সে। নির্মল মনটাকে আলোকিত করতে চেয়েছিল চাঁদের ধার করা আলোতে। তার চোখে জোছনার মতই কোমল, নির্মল, অনিন্দ্য সুন্দর হয়ে ধরা পড়েছিল মেয়েটা। কোন কালেই কবি ছিল না সে। তারপরও মেয়েটাকে দেখা মাত্রই তার মুখের ভাষা হয়ে গেল কাব্যিক। আলোর পাশে কালোর কোন জায়গা নেই। তাই আস্তে আস্তে মনের কালো দাগ গুলো মুছতে শুরু করল সে। নিজেকে গুছিয়ে নিতে
বই মেলা এবং একটি নতুন বই
ফেব্রুয়ারী মাস মানেই ভাষার মাস। আর এই মাসেরই আরেকটা অবিচ্ছেদ্য অংশ বই মেলা। আমারা যে এখনো নষ্ট হয়ে যাই নি তার প্রমাণ বই মেলা। এতো জ্ঞানপিপাসু লোকের ভীড় দেখে এখনো বোঝা যায় আমরা আমাদের আত্মার মৃত্যু ঘটতে দেইনি। সাহিত্যের রস এখনো আমাদের মন থেকে মুছে যায় নি। যাই হোক এইসব দার্শনিক টাইপ কথা না বলে মূল কথায় আসি। কথাটা একটা বই নিয়ে। ছোটদের জন্য লেখা একটি বই। বহুল ব্লগ আলোচিত মাইনুল এইচ সিরাজীর ‘প্রেম পৃথিবীর পাঁচালি’ বইটি কিনতে গিয়ে বইটি চোখে পড়ে। শাহানা সিরাজীর ‘প্রজাপতির দেশে’। ‘প্রেম পৃথিবীর পাঁচালি’ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। উনার লেখা আমি সবসময়ই পছন্দ করি। উনার এই বইটাও আমার প্রত্যাশা পূরণ করেছে। এখন আসছি ‘প্রজাপতির দেশে’ বইটার কথায়। প্রথমেই বলি বইয়ের প্রচ্ছদের কথা। মামুন হোসাইন ছোটদের কথা মাথায় রেখে মানানসই একটি প্রচ্ছদ তৈরি করেছেন। যথেষ্ট আই ক্যাচিং। লেখিকা শাহানা সিরাজী বইটিকে শিশু-কিশোর
কৈশোর, মা এবং স্বাধীনতা
এত দিন জানতাম বিয়ের পর ছেলের যদি একটা ভুল হয় মা বলেন বউএর জন্য এমনটা হয়েছে। তাই ভেবেছিলাম বিয়ে না করে এই বউ-শাশুড়ীর ক্যাচালের হাত থেকে রক্ষা পাব।কিন্তু এখনতো দেখছি শুধু বউ না ছেলের মেয়েবন্ধুটাও এই সমস্যা থেকে রেহাই পায় না। আমার এক বন্ধুর কথা বলছি।বেচারা!কোন ভুতের কিল খেয়ে একটা প্রেম করতে গিয়েছিল। তার আবার অতিরিক্ত সাহস। যা করবো সবাইকে জানিয়ে করব পর্দার অন্তরালে নয় এমন একতা মনোভাব নিয়ে সবাইকে জানিয়ে বেড়াল তার প্রেমের কথা।সবার আগে জানাল তার মাকে। ঐটাই কাল হল তার জন্য। এখন ছেলে যদি মায়ের সাথে একটূ উঁচু স্বরে কথা বলে মা মনে করে ওই হতচ্ছাড়া মেয়েটার জন্নুই তার খোকন সোনা তার সাথে এমন করছে।বেচারার জীবন একেবারে দফারফা। সেদিন বাসায় গেলাম তার আন্টি আমায় বলল তার ছেলে সারাদিন অই মেয়ের সাথে কথা বলে।অই মেয়ের সাথে কথা না বলে কথা গুলো তার সাথে শেয়ার করলে তো খুব একটা ক্ষতিতো আর হয় না।তাও ঠিক মায়ের সাথেতো শ