প্রতিবিম্ব মুখগুলো
আজ একটা কাজে একটু ব্যাঙ্কে যেতে হয়েছিলো। আমার একজন বন্ধুর কাছে অনেকদিন হলো কিছু টাকা ধার নিয়েছিলাম। সেই টাকা ফেরত দেয়ার জন্যই ব্যাঙ্কে যাওয়া।
কতই না ব্যস্ত ব্যাঙ্কের মানুষগুলো। যারা টাকা জমা দিতে এসেছে তারা, যারা তুলতে এসেছে তারাও। চুপচাপ তারা লাইনে দাঁড়িয়ে আছে অথচ তাদের চোখেমুখে কি একটা চাপা অস্থিরতা। যেন কত কাজ ফেলে এসেছে বাইরে, এখুনি ফিরতে না পারলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।
কিন্তু কখনও না কখনও তো এই মানুষগুলোর মুখেও শান্তির ছায়া ফোটে। এই মানুষগুলোও তো মিষ্টি একটা স্বপ্ন দেখে ঘুমের মাঝে মিটিমিটি হাসে। দিনশেষে ক্লান্ত পরিশ্রান্ত হয়ে ঘরে ফিরে তো তারাও টিভির রিমোট হাতে নিয়ে বিছানায় আয়েশ করে হেলান দিয়ে বসে, চায়ের কাপে তৃপ্তির চুমুক দেয়।
কাউন্টারের ওপাশে বসা মানুষগুলোর অবস্থা আরো খারাপ। তখন রীতিমত লাঞ্চ আওয়ার, অথচ কারো খাওয়া হয়েছে বলে মনে হয় না। কাস্টমার সামলাতে সামলাতে তাদের মুখে ফেনা উঠে যাচ্ছে তবু কাজ ফুরোচ্ছে না। কি ভীষণ ত্রস্ত মুখভঙ্গি একেকজনের। কিন্তু তাদের মুখগুলোও তো রঙ বদলায়, তাই না? ঐ যে লোকটা মানি কাউন্টারে মোটা টাকার তোড়া গুঁজে দিচ্ছে, সে নিশ্চয়ই সবসময় এভাবে তাকায় না। তার ছোট্ট শিশুটি 'বাবা' বলে তার দিকে যখন দু'হাত বাড়িয়ে ছুটে আসে, তখন নিশ্চয়ই সে পরম অপত্যস্নেহে হেসে উঠে শিশুটিকে বুকে নেয়।
কিংবা ঐ যে মেয়েটা উদভ্রান্তের মত একটার পর একটা রিসিপ্ট সই করে সিল মেরে যাচ্ছে, তার দৃষ্টিও তো ভাষা বদলায়। হাতে পাতলা কয়েকটি সোনার চুড়ি পরে আছে, মাত্র বিয়ে হয়েছে হয়তো। মেয়েটির স্বামী যখন ভালোবেসে পরম আশ্লেষে মেয়েটির মুখে হাত ছোঁয়ায়, তখন এই বিবর্ণ মুখটিও তো নিশ্চয়ই তীব্র অনুরাগের রঙে লাল হয়। যে চোখদু’টি এখন লাশের মত ভাষাহীন, তাদের কোণেও তো তখন একপলকের জন্য স্বপ্নমায়া চিকচিক করে ওঠে।
আমি শুধু চেয়ে চেয়ে এই মুখগুলো দেখি, আর যতই দেখি ততই শুধু নিজের মুখটাই আয়নায় দেখছি বলে মনে হয়।
০৯/১১/২০০৯





এই রোমান্টিসিজম পছন্দ হয় নাই। বুয়েটের সোনালী ব্যাংকে একবার গেলেই আর এত সুন্দর ভাবনা থাকবে না। আমরা একেকটা ছাত্র-শিক্ষক একেকটা চামচিকা গোত্রীয়, আর তারা ঈশ্বরের কোন প্রেরিত মহাপুরুষ এমন একটা ভাব।
তারা এটা করেন, ওটা করেন, এখানে ঘুরান, ওখানে ঘুরান, কিন্তু, মুখে বলেন না, এখানে যান, এভাবে করেন।
লেখার প্যাটার্ন পছন্দ হইছে।
বুয়েটের সোনালি ব্যাঙ্কে আর যায়ো না কুনোদিন। অহন থিকা খালি গুলশান ১ এর ডাচ বাংলা ব্যাঙ্কে যাইপা। চ্রম 'ভাব' এ থাকবার পার্বা। হাহাহা!
[লেখা ভাল্লাগসে শুইনা ভাল্লাগলো। আমার আর লেখা! এই পোস্টটা সামুতে একদম ভিন্ন একটা নিকে পাইবা। আগে ঐ নিকটা আমরা কয়েকজন মিল্যা শেয়ার করতাম। তার মধ্যে এইটা ছিলো আমার লেখা। এখন অবশ্য দেইখা বোঝনের উপায় নাই যে কুনটা কার লেখা।]
হায় হায়!! কন্কি!!!
নিক শেয়ার করতে করতে নিজেদের লেখার স্টাইলও শেয়ার কইরা একটা কমন স্টাইল হইয়া গেছে!!! নাউজুবিল্লাহ!!
খুব খ্রাপ!!!
কি নিক আছিল?
আর, খালি ডিবিবিএল না, যেকোন বেসরকারি ব্যাংকেই এইরকম সেবা পাওয়া যাবে। এরা যেমন গলা কাটে, তেমনি আপনাকে চরম সুবিধা দিয়ে খুশি করে দেবে।
অ:ট: কয় ট্যাকা দিছিলেন?? আমারে কিছু ট্যাকা দান-খয়রাত করেন না? একটা জিনিস কিনমু নিয়ত করছি।
দীপ আহসান।
লেখার স্টাইল কি মিলে যাচ্ছে নাকি কারও সাথে? এমন তো হওয়ার কথা না... ঠিক করে বলো তো?
মিয়া টেকা তো অহন তুম্রা দিবা আমাগোরে! পাশ করবা, ভালা জব পাইবা, খাওয়াইবা না? খাওয়াইলে পরে গিফটু দিমু, নাইলে দিমু না!
হেহ!! সেইটা তো পরে। পাশ করা, তারপরে চাক্রি করা, তারপরে বেতন পাওয়া, তারপরে খানা-পিনা!!!
বহুতগুলা তারপরে আছে মাঝখানে!!!
আপনে বরং এইবেলা খানা-পিনা বাদ্দিয়া আমারে ধার দেন।


বড় বইন হিসাবে সেইটা ফেরত না নিলে আরো ভালা হয়। আমি একটা ক্যাম্রা কিনি।
বাসায় কইছি, দাম শুইনা আম্মায় কয়, "এত দামি জিনিস কি তুমি আলগাইতে পারবা!!"
মেজাজ খারাপ কইরা ফোনটাই রাইখা দিলাম!!!
ছুডুমানুষ ক্যাম্রা লয়া নাড়াচাড়া করন ভালা না। "ছাত্রনং অধ্যয়ং তপঃ" এই হওয়া উচিত ছাত্রজীবনের মূলমন্ত্র।
এই নিকটা একজনের তো?
চিন্তাইতাছি
দাদা ভালো বলেছেন। বুয়েটের সোনালী ব্যাংকের অভিজ্ঞতা যাদের আছে তারা ব্যাংক নিয়ে রোমান্টিসিজম করবার আগে অন্তত তিনবার ভেবে দেখবে। এবং তারপর ভেবে ভেবে বলবে
আমরা প্রি কমপিউটার যুগে যাইতাম বুয়েটের সোনালী ব্যাংকে। আমাদর দ্ৃঢ় বিশ্বাস ছিলো ঐখানে সময় সথির। কোনদিন ২ ঘনটার কমে কাজ শষ হয়নাই। লাইব্রেরীর বই জমা দিতে সবচেয়ে অলস ছেলেটারও দেরী হৈত না। ৬ পয়সা ফাইন দিতে ১২৬ মিনিট নষ্ট করতে কে চায়?
আরে, কিসের প্রি-পোস্ট!!

কোন পরিবর্তন নাই।
এখন এই শাখায় এটিএম বসাইছে। সেইটা নিয়া নতুন কৌতুক চালু হইছে বুয়েটে। জানেন নাকি??
ভদ্র হৈলে বলতে পারো। তবে ইমোটা ভালো ঠকছে না।
১ম কমপিউটার চালু হবার পর অবশ্য দিন বদলাইসিলো।
আরে ভদ্রই মন্তব্য!!
এটিএমে কার্ড দিলে কি হয়? টাকা বের হয়ে আসে না?
কিন্তু, এই সোনালী ব্যাংকের এটিএমে কার্ড দিলে কতক্ষণ পর একটা মানুষ এসে ব্যাংকের ভেতর থেকে টাকা এনে দিয়ে যাবে!!
হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা
মজার।
সালাম রোবোটাঙ্কেল। ভালা আছেন্নি? আপ্নেরা যাইতেন বুয়েটের সোনালী ব্যাঙ্কে, আর আমরা যাইতাম রুয়েটের রূপালি ব্যাঙ্কে। তেমন ঝামেলা হইতো না অবশ্য। ছাত্রছাত্রী কম, ছোটখাট জায়গা... কাজ চইলা যাইত মোটামুটি।
সবাই শুধু ব্যাঙ্ক নিয়ে আলোচনা করছে কেন?... আমি তো ঠিক ব্যাঙ্কের কথা বলতে চাইনি এখানে...
হিংসায় জ্বলে-পুড়ে খাক হয়ে গেলাম আপা। অনেক সুন্দর লেখা!
লজ্জায় বেনীআসহকলা হয়া গেলাম গো আপা! অনেক ধন্যবাদ। :">
কত
এত
Dhur...ki comment dite gesilam ki galo. koite chaisilam j tpr ei lekhata amar khub pochonder. akta snigdho chimcham sundor lekha. ekgheye doinondin zantrik ziboner bishadbilash. othoba aktukro shottikarer bishad. khub onuvutimoy lekha.
হ খালি শুকনা পের্শংসা। এত পচন্দৈলে হইলদা বাত্তিতে টিপি দ্যান!
সুন্দর লেখা আপু
অনেক ধন্যবাদ শাতিল।
হৈল্দা বাত্তি কো? দেহিনাতো।
সর্বপ্রথম যে কমেন্টটা এসেছে ওটার ঠিক উপরেই। একটু ডান দিকে। (চশ্মায় পাওয়ার নাইক্কা??!!)
আরে ঐডাতো দেকচি। এইহানে অইন্য কুটনীতি চল্তাছে।
আইচ্ছা গিয়ানি আফা, পুস্ট কয়জন পিওতে লৈলো এডি দেহার্কুনো ব্যাবস্থা আচে?
এই ব্লগে মুনয় পোস্ট কয়জন পিরিয়তে লৈলো, কেডা কেডা ব্লগ দ্যাখলো, কমেন্ট মুছা, এইগুলান কুনো অপশনই নাইক্কা। আপ্সুস!
খালি কূটনীতিই কর্লি সারাজীবন। ভেবুর ভুত ঘাড় মটকায়া খাইবে তর!
কাউন্টারের এপাড়ে আর ওপাড়ের মানুষগুলো সব কিছুর পরেও শেষ পর্যন্ত মানুষই। এপাড়ের যারা দুই মিনিটের কাজ আধাঘন্টা-এক ঘণ্টা লাগে বলে ওপাড়ের উনাদের চৌদ্দগুষ্ঠী উদ্ধার করি, ওপাড়ে একদিন বসে দেখুন;- পাল্টে যাবেন।
নাহ... কারো চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধারের কথা বলিনি। প্রতিটি মানুষই যে আসলে একই এবং তাদের আচরণগুলো শুধুমাত্র পরিস্থিতি অনুযায়ী বদলায়, শুধু এটাই বলতে চেয়েছি।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাঙ্গা পেন্সিল। ভালো থাকুন।
আজকাল আর ব্যাংকে যাওয়া হয়না। দিন বদলাইছে না ? এটিএম কার্ডে টাকা তোলা হয় সব সময়। ফলে, দেখা হয় নাই
চক্ষু মেলিয়া অবস্থা ... লেখা ভালো হৈছে...
আমি আসলে ডিপোজিটের লাইগা গেসিলাম (মনে হয়)। এটিএমে ডিপোজিট করে ক্যাম্নে জানি না তো। লেখা ভালো বলার্লিগা ধন্যা য়াযাদ ভাই।
লেখার বক্তব্য ভাল। আমাদের সচরাচর জীবন যাপনের প্রতিদিনের মুখচ্ছবি। চিন্তা ভাবনা। তবে তোমার লেখায় একটা টোন আছে। তুমি ব্যাপারটার সাথে যুক্ত থাকার সময় যেভাবে ব্যাপারটা ফিল করো, লেখার মধ্যে মনে হয় আবেগ কিছুটা বেশি আইসা পরে। ব্যাপারটা ভাল না তা কইতাছি না। তবে সব বিষয়ে আবেগ সমান হয় না। ধর তুমি রাস্তায় একটা ছোট শিশুকে খুব কষ্টে পরে থাকতে দেখলা। কিংবা একটা অন্ধবৃদ্ধরে রাস্তা পার হইতে দেখলা। আবেগ কিন্ত সব জায়গায় একি সমান ভাবে আসে না। কিছু জায়গায় ফিলটা অনেক ডীপ হয়। কিছু জায়গায় একটু কম। আমরা যেভাবে ফিল করি সেইটাই হিওল রিয়েল ফিল। এইটারে প্রকাশ করার সময় লেখক গুনে এইটাতে একটু এদিক ওদিক হয়। সেইটাই স্বাভাবিক। আসলে আমি যা কইতে চাইতেছি তা বুঝাইতেই পারতাছি না।
এক কথায় লেখার শুরুর দিকের হাল্কা আবেগটাই শেষ পর্যন্ত থাকলে ভালো হইত। তয় আমার ধারনা ঐ মাইয়াটার হাতের সোনার চুড়ি দেইখা, নয়া বিয়া হইছে এইটা ধরতে পাইরা তুমি হিংসিত হওয়াতে শেষের দিকের আবেগটা বেশি হইছে।
এই ব্লগের নীতিমালা পড়ছ কিনা জানি না।
গ. বন্ধুদের কাছে অনুরোধ, এখানে নতুন লেখা পোস্ট দিন। অন্য কোনো কমিউনিটি
ব্লগে প্রকাশিত লেখা এখানে না দিতে অনুরোধ রইলো। পত্রিকায় বা ব্যক্তিগত
ব্লগে প্রকাশিত নিজের লেখা এখানে প্রকাশ করা যাবে। আর এখানে প্রকাশিত কোনো
লেখা অন্তত ৪৮ ঘন্টায় অন্য কোনো কমিউনিটি ব্লগে প্রকাশ করা যাবে না।
যদি সম্ভব হয়, মাইনা চলতে কোনো দোষ দেখি না।
আমি অনেককে দেখেছি অন্য ব্লগের লেখা এখানে দিতে। তাই দিই। নইলে দিতাম না।
"অনেককে দেখেছি"
এই অনেক কারা?
নতুন ব্লগ তাই আমরা সকলকে অনুরোধ জানাই ... আশা কারি আমাদের অনুরোধের অসন্মান হবে না
চেষ্টা করবো টুটুল ভাই
টুটুল ভাই, অনেকেই করে। কথা সত্য। আমিও একটা নিয়ম ভাঙ্গছি। অবশ্য আগে নীতিমালা না পরায় এই ভুল হইছে। ৩৪ ঘন্টা পরে অন্য ব্লগে লেখাটা দিছি।
পরের বার থেকে এই ভুল আর হবে না নিশ্চিত। 
এ এক রকম অন্তর্দৃষ্টি...বর্ননা খুব ভালো লাগলো...
অনেক ধন্যবাদ নাহীদ। ভালো থাকবেন।
যে মানুষটি সিরিয়াল কিলার সেও তো একজন বাবা। সেওতো তার সন্তানকে আদর করে, বুকে টেনে নেয়। নেয়না কি?
হ্যাঁ, মাসুম ভাই। অনেক আগে একবার একটা কথা শুনেছিলাম, একজন মানুষ অবশ্যই খারাপ হতে পারে কিন্তু একজন বাবা কখনও খারাপ হতে পারে না। কথাটা মনে পড়ে গেলো।
ভালো লাগলো লেখাটা
ধন্যবাদ নজরুল ভাই।
দীপ আহসানের আরেকটা লেখা মনে হয় আজকে হা.মা. পোস্ট করছে লেখার বেসিক ভাষাগত প্রকাশের পার্থক্য থাকলেও মিলটা চোখে পড়লো...
আমার মনে হয় পুরানা লেখা দেওনের অভ্যাস হইয়া গেলে আপনের নতুন লেখা থেইকা আমরা বঞ্চিত থাকুম...
দেবো নতুন লেখা। ভালো থাকুন ভাস্করদা।
ভাংগা পেন্সিল এর ব্যাংক নিয়া একখান জটিল গল্প আছে । অইটা পইড়া পুলাডার পাংখা হইছি ।
লিঙ্কু ওর কাছ থেইকা লন
শেষ প্যারাটা মন ছুয়ে গেল ।
চলুক ...
(বুইড়া আঙ্গুল দেখায় কেম্নে? )
আইচ্ছা লমুনে লিঙ্কু। তুমার ভাল্লাগসে বৈলা ধইন্যা।
বুইড়া আঙুল তো ইমোগুলার মইধ্যেই আছে, লাস্টের দিকে। পাও নাই?
ব্যাংকে পারতপক্ষে না যাওয়ার চেষ্টা করি ,আমার এই বিষয়ে কিছুটা অ্যালার্জি আছে
।
এতগুলো অনুভূতির কথা পড়ে তোমার শুধু ব্যাঙ্কের কথা মাথায় এলো?
লেখাটা চমৎকার হয়েছে।
কেবল ভুগোল দেখেই যেন অনুমিত ইতিহাস লিখে ফেলা হলো সংক্ষেপে।
হাহা! ভালো বলেছেন, নীড় সন্ধানী।
ভালো থাকুন।
ব্যাঙ্কের লোকদের ঝিমানি দেইখাও যার এমন ভাবনা আসতে পারে, সে ভাবতে পারে বটে...আমার তো উনাদের ঝিমানি দেখলেই হাই চৈলা আসে...
হাহা! এতই কি কঠিন ওনাদের দেখে এরকম ফিলিং হওয়া?
আসলে এটা সব জায়গার মানুষ দেখেই মনে হতে পারে। নেহাত আমি সেদিন ব্যাঙ্কে গিয়ে হাজিরা দিয়েছিলাম বলেই বোধহয় আমার ঐখানে এমন মনে হয়েছিলো।
ভাল।
তবে, দুইটি ভিন্ন ব্লগে দুইট ভিন্ন নিকে একই গল্প-আরো ভাল!
পড়ার মজাই আলাদা!
লেখা ভালো লাগল।
থ্যাঙ্কস অভি দা।
চমৎকার! আগে পড়িনি তাই পুরোপুরি উপভোগ করলাম। দর্শকের চোখ মানুষকে কতোভাবেই না যাচাই করে!
আমি একসময় ব্যাংকে কাজ করতাম তবে আমার ডেস্কের কাজ যান্ত্রিক হওয়ার মতো ছিলো না। একদিন রেমিট্যান্স ডেস্কের (পেঅর্ডার ডিডি টিটি এসব ইস্যু করে) মেয়েটাকে নিয়ে বাইরে লাঞ্চ করতে গেছি, আমরা গল্প করছি হাসছি। একটা অচেনা ছেলে এগিয়ে এসে মেয়েটাকে বললো, "যাক জানা গেলো আপনি মেশিন না, হাসতেও জানেন"। মজার ব্যাপার, একথার সঙ্গে সঙ্গে মেয়েটার মুখভঙ্গি আবার যন্ত্রের মতো হয়ে গেলো।
হাহা! আসলেই খুব মজার ব্যাপার আপা। আসলে আমি নিজে যে চাকরিটা করি সেটা সরাসরি এরকম পাবলিক রিলেশনের সাথে জড়িত না তো, তাই হয়তো ঐ মানুষগুলোকে ওভাবে দেখার সুযোগ পেয়েছি।
ঠেলা!
আহারে দীপু!
নিকটা হবে ভেবে ভেবে লিখি। অসম্ভব সুন্দর।
লাইকর্লাম
থ্যাঙ্কস তানবীরা আপা। খুব ভালো লাগলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে।
ভাল লাগলো।
ভেবু আপু কিরাম আছেন?
আরে আকাশনীল দেখি! কি খবর? ভালো লাগলো আপনাকে দেখে।
মন্তব্য করুন