যাপিত জীবন ২
আমি মানুষটা দেখতে বেশ ছোট খাট। ঠিক এই কারনে কিনা জানি না। আমার চাহিদাটা সবসময় বেশ কম। সেটা কাপড় চোপড়ের মতন অগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই বলেন অথবা ক্যারিয়ারের মতন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি খুব বেশি চাই না। খুব অদ্ভুত ব্যাপার, আমার ছোট ভাই বোন দুইটার মধ্যেও এই ব্যাপারটা বেশ খুঁজে পাই। এর কারন মনে হয় অল্পতে ভাল থাকার দুর্লভ ব্যাপারটা কিছুটা হলেও আমরা আয়ত্ত্ব করতে পেরেছি। এই বাক্যটা পড়ে কি মনে হচ্ছে কিছুটা অহমিকা কিছুটার দাম্ভিকতার প্রকাশ? হলে হয়েছে, মধ্যবিত্ত নীতির মধ্যেই পড়ে এটা। অন্যের জন্য ক্ষতিকর নয় এমন নিজস্ব কিন্ত খুব সামান্য বিষয়ে হাল্কা একটু দাম্ভিকতা মনের অজান্তেই হয়তো আমরা মধ্যবিত্তরা করে ফেলি আর পরক্ষনেই ইশ একটু বেশি হয়ে গেল, ভেবে লজ্জ্বা পাই। এভাবেই এগিয়ে যায় আমাদের প্রতিদিনের যাপিত জীবন।
শুক্র আর শনিবার আম্মা একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সকাল ৯টায় আমার ঘুমের বারটা বাজানোর জন্য একটা ফোন করেন। এই কলের নাম হইল ব্রেকফাস্ট এলার্ট। ঘুম ঘুম ঘোরে ফোন ধরতেই আম্মা জিজ্ঞেস করে 'আজকে সকালে কি খাইছ? এখনো নাস্তা করো নাই? হায় হায়, উঠ তাড়াতাড়ি আর যাও নাস্তা করো। আজকে বাজার করতে হবে না? তার উপর জুম্মা আছে, বাজারে সব শেষ হয়ে যাবে। যাও তাড়াতাড়ি যাও।' এইটা নিশ্চয়ই বলতে হবে না যে ফোন রাখার সাথে সাথে আমি আবার ঘুমিয়ে পড়ি এবং রিকারেন্ট এলার্মের মতন ১ ঘন্টা পরে আম্মা আবার ফোন করেন। একসময় বাধ্য হয়ে আমি বিছানা ছাড়ি। সেইদিনও শুক্রবার সকাল ৯টা বাজে, আম্মার ফোন পেয়ে আমি ঘুম ঘুম ঘোরে বললাম 'হ্যালো'। 'রাকিব, তুমি সুস্থ আছ? শরীর খারাপ করে নাইতো? আরো শুকায় গেছ নাকি? খাওয়া দাওয়া কর না? আমাকেতো কিছু বলও না।' উত্তেজনার আঁচ পেয়ে আমার ঘুম ছুটে গেল। আমি বোঝানোর চেষ্টা করলাম আমি ঠিক আছি, আর সাথে এটাও বোঝার চেষ্টা করলাম এসব কথা হুট করে কোত্থেকে আসলো। আগেরদিন রাতেই কথা হইছে। যা বুঝতে পারলাম তার সারর্মম অনেকটা এমন, আম্মা কয়দিন আগে একটা স্বপ্ন দেখছে আমি অনেক অসুস্থ হইয়ে পড়ছি। একা একা থাকি, ঠিক মতন সেবা করারও কেউ নাই। তাই অসুখে পড়ে আমি অনেক শুকিয়ে গেছি। এইটুকুতেই শেষ না। এইটুকু কাহিনী শুনে আমাকে কিছু বললে আমি হেসে উড়িয়ে দেব উনি খুব ভালো করেই জানেন। তাই উপযুক্ত প্রমান পাবার পরেই আমাকে ফোন দিয়ে এসব বলেছেন। প্রমানটা একটু দীর্ঘ, ধৈর্য্য নিয়ে পড়তে হবে।
গতমাসে সুন্দরবন বেড়াতে গিয়েছিলাম। ডিপার্টমেন্টের এক্স স্টুডেন্ট হিসেবে। (যারা জানেন না তাদের জন্য বলি, আমি শাহজালাল ইউনির সি,এস,সি র এক্স স্টুডেন্ট)। জাফর স্যারও গিয়েছিলেন ট্যুরে। কটকা বিচে গিয়ে হঠাৎ মনে হলো পাঁচ বছর ইউনিতে ছিলাম, স্যারের সাথে আমার কোনো ছবি তোলা হয় নাই। স্যার ঠিক সেই মুহুর্তে সুমনের (আমার বন্ধু, সাস্ট সি,এস,সি র বর্তমান শিক্ষক) ছেলেকে কোলে নিয়ে ছবি তুলছিলেন। স্যারকে বললাম স্যার আপনার সাথে আমার কোনো ছবি নাই, একটা ছবি তুলতে চাই। স্যার রাজী হলেন, আমি স্যারের পাশে দাড়ালাম। হঠাৎ কে যেন পাশ থেকে বললো স্যার এইটা আর আগেরটার (সুমনের বাচ্চা) মধ্যে সাইজে তেমন কোনো তফাৎ নাই। এইটারেও কোলে নিয়া নেন। স্যারের মাথায়ও কি ভুত চাপল কে জানে? স্যার বলে 'আসো তোমারে কোলে নিই। আমার ধরো আর শরীরটা একটু হাল্কা করো।' আমি স্যারের অবাধ্য হই নাই। ব্যস উঠে গেল একটা ইন্টারেস্টিং ছবি, যেইটা দেখে অনেকেই ভাবল নতুন নতুন ফটোশপ শেখার ফলাফল। অনেকে প্রচন্ড হিংসিত হইল। অনেকে বুড়া মানুষটারে কষ্ট দেয়ার জন্য তীব্র নিন্দা জানাইল। অনেকে ছবির একটা কপি চাইল। তো এই ছবি তোলার বিষয়টা আমার কাছে ততটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় নাই যে এইটা আম্মাকে জানাইতেই হবে। কিছুদিন পরে আম্মা আমার এক বন্ধুর বাসায় গেল, সেইখানে গিয়ে বন্ধুর ল্যাপ্টপে ফেসবুকের মাধ্যমে এই ছবি দেখার পর তার মনে হইল প্রায় ৬০ বছরের একজন বৃদ্ধ মানুষ তার তাগড়া জোয়ান ছেলেরে কোলে নিয়া নিল। নিশ্চয় ছেলে অসুস্থ হইয়া শুকাইয়া কাঠ হইয়া গেছে। এর চেয়ে বড় প্রমান কি আর কিছু হইতে পারে? আমি কি বলবো বুঝতে না পাইরা হাসতেছিলাম।
এই সুস্থতা অসুস্থতা, কিংবা একা থাকা নিয়া আম্মার টেনশনের শুরু সেই ২০০২ সাল থেকে। তারে এখনো বুঝাইতে পারি নাই যে এই দীর্ঘ সময়ে এখন আমি অনেক কিছুই করতে পারি, হিসেব করে চলতে পারি। কাপড় ধোয়ার সময় সার্ফ এক্সেল দিয়া ভিজাইলে যে কাপড় ধোয়া সহজ হয় এইটা আমি অনেক আগে থেকে জানি। এখন আর বোঝানোর চেষ্টা করি না। মায়েরা মনে হয় এইসব কইরা অনেক বেশি আনন্দ পায়। অনেক বড় কোনো আনন্দের উপলক্ষ্য নাইবা এনে দিতে পারি, কিন্ত এইটুকুতে হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার মনে হয় আমার নাই। তাই শুধু হাসি, মনে মনে।
চাকুরী পাবার পর আমরা ৩ বন্ধু আমি, আরাফাত, প্রসূন একসাথে থাকতাম। প্রথম বছরেই প্রসূনের বিয়ে হয় এবং সে অন্য একটা বাসা নিয়া চইলা যায়। তখন আরেক বন্ধু সেলিম আইসা উঠে আমাদের বাসায়। আরো বছর খানে পরে আরাফাত এর বিয়ে হলো। আরাফাত বাসা ছেড়ে দেয়ার পর নতুন কাউকে না পেয়ে আমি আর সেলিম ঐ বাসা ছেড়ে দুই রুমের নতুন বাসায় উঠলাম। কিছুদিনের মধ্যেই জানা গেল গোপন সংবাদ, সেলিমের গোপন অভিসার সফলতার মুখ দেখছে আর সে খুব দ্রুত বিয়ে করতে যাচ্ছে। আমি পড়লাম বিপাকে। ভাবলাম আর কাউকে বোধহয় পাওয়া যাবে না, বিয়ে না করা পর্যন্ত একাই থাকতে হবে। কিন্ত কাহিনী হইল উলটা। আমার আরো ৩-৪ জন বন্ধু হুমড়ি খেয়ে পড়ল। সেলিম বাসা ছাড়ার সাথে সাথে আমার সাথে উঠবে। কারন কি? কারন হল ওদের সবার ধারনা আমার সাথে একি বাসায় থাকলে খুব দ্রুত ওদেরও বিয়ে হয়ে যাবে।
এটা গেল বন্ধুদের প্রতিক্রিয়া। আর আম্মা এক নাগারে ৫-৬ মিনিট যা বললো তার সারমর্ম করা খুব কঠিন হবে। সহজ কথায় বললে ঐ ভাষন ছিল কোন কোন মেয়ের বাবারা আব্বাকে কি বলছে আর কোন কোন মেয়ের মায়েরা ওনাকে কি বলেছেন। আমার ঠিক এই মুহুর্তে বিয়ে শাদী করার কোনো প্ল্যান না থাকায় (কেন নাই সেইটা নিয়ে পরে কোনো এক সময় আলোচনা করা যাবে) আমি এই কথাগুলা এক কান দিয়ে ঢুকাইয়া অন্য কান দিয়ে বাইর কইরা দিলাম। এইসব কথা বইলা পাত্তা না পাবার পরে আম্মা বলে ঠিকাছে 'তুমি নিজে একটা মেয়ে ঠিক করে ফেলো তোমার পছন্দ মতন। মেয়ে খোঁজা আজকাল অনেক ঝামেলার ব্যাপার'। আমি যতটা সম্ভব মোলায়েম গলায় বলি 'এই কথাটা আরো ৫-৬ বছর আগে বলা উচিত ছিল। তখন ইউনিতে পড়তাম,একটা চান্স নিয়ে দেখতাম। এখন ১০টা-৭টা অফিস করে মেয়ে দেইখা বেড়ানোর সময় কই?'
আম্মার সাথে খুব বন্ধুত্বপূর্ন এই আলোচনার পর মাঝে মাঝে আমার খুব সন্দেহ হয়, আমার বিয়া নিয়ে আম্মার আগ্রহটা কি এই কারনে বেশি যে আম্মা জানে আমার এখন বিয়ে করার প্ল্যান নাই। ব্যাপারটা যদি এমন হত যে আমার একটা পছন্দের মানুষ আছে, এবং আমি তাকে খুব দ্রুত বিয়ে করতে চাই তাইলে আম্মার চিন্তাভাবনাটা কেমন হত খুব জানতে ইচ্ছা করে। গত বৃহস্পতিবার ঘুম থেকে উঠে মনে হল আমি আজ খুব অসুস্থ,আজ অফিসে যাব না, বাড়ি যাব।
অবেলায় বাসে চাপলাম। বাসায় আগে থেকে বলা হয় নাই যে আমি তখনি রওনা হচ্ছি। কিছুসময় পর আম্মাকে ফোন করে বললাম, 'আম্মা ইয়ে, মানে, কেম্নে যে বলি। আসলে বলি বলি করে বলা হয় নাই, একটা মেয়ে আছে আমাকে অনেক পছন্দ করে। তাকে বললাম বিয়ে শাদীর জন্য বাসা থেকে খুব করে বলতেছে। এইটা শুনে সে লাফাতে লাফাতে খুব জোর করল আমার সাথে নাকি বাসায় যাবে। আপনার সাথে দেখা করবে। আমি অনেক না করছি, কিন্ত আমার কথা শুনে নাই। জোর করে আমার সাথে বাসে উঠে গেছে। সেও আমার সাথে আসতেছে। জানি আপনার (অজানা কারনে শুধু আমি আম্মা আব্বাকে আপনি আপনি করে বলি) ঝামেলা হবে। একটু ম্যানেজ করে নেন। আর আমার মোবাইলের চার্জ নাই। এখনি বন্ধ হয়ে যাবে।' আম্মা একটু মিন মিন করে বলে 'এইসবের মানে কি?' আর আমি সাথে সাথে লাইনটা কেটে মোবাইল অফ করে দেখি, আমার পাশের সিটের পিচকা আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। আমি ওর দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি হাসি দিলাম। মনে হয় আমার হাসি আসলে ততটা মিষ্টি না। নইলে কি আর এমন কাহিনী বানিয়ে বানিয়ে বলতে হয়?
একটা দিনের শেষে কাগজ কলম নিয়ে ভাল সময় আর মন্দ সময়ের অনুপাত হিসেব করতে বসি না। সকালের শুনশান আবহাওয়াটা যতটা ভালো লাগে, বিকেলের মিষ্টি রোদের স্পর্শটাও ঠিক ততটাই ভালো লাগে। আর সন্ধ্যে ঘনিয়ে ধীরে ধীরে রাতের নীরবতা, মনে হয় একান্তই আমার নিজস্ব চাওয়া পাওয়ার সময়। সব মিলিয়ে বেঁচে থাকার প্রতিটা মুহুর্ত উপভোগ করে যেতে চাই। এ যেন যাপিত জীবনের প্রকৃতি থেকে সর্বস্ব নিংড়ে নেয়ার অবচেতন প্রতিজ্ঞা।
(চলবে)





সকাল বেলার ব্রেকফাস্ট এ্যলার্ট কলের মত অনেক মধ্যবিত্ত ব্যাবস্থা গুলা ভাঙ্গার চেষ্টা কৈরো না ভাইডি....কিছু সরাইলে, আরো কিছু জিনিষও সৈরা যায়...আমি জানি..
আর এত স্লো কেন, পোষ্টানের সংখ্যা? ঘন ঘন দিবিরে ব্যাডা...
না না ভাঙার চেষ্টা করি নাতো। বরং এইটা না হইলেই কেমন জানি খালি খালি লাগে। তুমারে মেলাদিন বাদে দেখা গেল মনে হয়? আছ কেমুন?
আর স্লো। আমিতো আর কাঁকন্দি না? আমার এত্ত এত্ত স্টক নাই। মাসে ২-৩ টার বেশি পোষ্টতো কোনোদিন করি নাই। আসলে করতে পারি না। মাথা কাম করে না। অকেজো হইয়া গেছে।
বিয়া করবার চাস এইডা সরাসরি কইলেও পারস ...ঢং করস ক্যা?
ট্যাকা নাই। থাকলে কইরা ফালাইতাম। অহন সব ইনভেস্টমেন্ট অন্য জায়গায়।
রম্য ভাষার অন্তরালে কি এক দুঃখের ইঙ্গিত পাইলাম মনে হইলো?
ব্লগ ব্লগে যদি এইভাবে জেমস বন্ড আর শার্লক হোমস রা আইসা ভিড় করে তইলেতো মুশকিল।

না না কোনো দুঃখ টুঃখ কিছু না। ব্যাপক ভালো আছি।
প্রথম প্যারার উপলব্ধিটা অসাধারণ!
ছবিটা দ্যান না...আম্রাও দেখি
ধইন্যা ভাঙা পেন্সিল।
ছবিটা ব্লগে দেয়াটা কেমন পাবলিসিটির মতন দেখাইব। এক কাম করেন, মুক্ত রে কন, ও দেখাইয়া দিবে নে।
মুক্তরে ফটুক প্রদানপূর্বক একখান পোষ্ট দেওনের অনুরোধ করা হইলো
...রোহান, এত বছর হৈয়া গেলো তোমার এবি'তে নিক, তুমি এখনো পোষ্ট দেওনাই, কাহিনী কি?
পোষ্ট দে ফাযিল পুলা...
রোহান এখনো সামুর ছাগু তাড়ানো আর আশু উটু নিয়া বিজি আছে। তাই পুষ্টানোর সময় পাইতাছে না। খিক খিক খিক।
বলগে ফটু দিলে খপর আছে।
ওক্কি.. ওক্কি.. আসিবেক বই কি..
একটু সবুর করেন। পরীক্ষাটারে একটু যুইত কইরা নেই!!!
যদি ব্লগে ফটু দিছ মাইর একটাও মাটিত পড়বে না কইলাম।
যদি ব্লগে ফটু দিছ মাইর একটাও মাটিত পড়বে না কইলাম।

এইখানে একটা হাসির ইমো হইবে।
আপনার ঢোল আপ্নি না বাজাইলে বয়ামদা কি ভালু বাজাইতে পারবে?
খিক খিক খিক। এইডা কিন্ত কথা হাছা কইছেন।
@ভাঙ্গা: ফাজিল পোলাপান!!!
আমিও সাঁঝুরসাথে একমত আন্টি যখন বিয়া দিতেই চাইতেসে তাইলে আর জল ঘোলা কইরা খাট কাটাকাটির কি দরকার; বিবাহ করেফেলেন; আপনার বন্ধুদের আপনার সাথে থাকারউদ্দেশ্য পড়ে লাকি চার্ম সিনেমার কথা মনে পরলো ঐখানে নায়ক্যে মেয়ের সাথেই ডেট করতো ঐ মেয়ে পরেরদিনই তার সোলমেট পেয়ে্যাইত
আসলে জল ঘোলা না। চাইলেই রাজী হওয়া যায়, কিন্ত আসলে যায় না। অনেক ধরনের সমস্যা আছে। আর বাড়ির বড় ছেলেগো অনেক টেকনিক্যাল সমস্যা থাকে। থাওক সেই সব কথা।
এই নিয়া দ্বিতীয়বার আমার লেখা পইরা আপনার লাকি চার্ম সিনেমার কথা মনে পড়ল। আমার বন্ধু হ্যারীর কাহিনী শুইনাও আপ্নের এই কথা মনে পড়ছিল। আফসোস সিনেমাটা এখনো দেখা হইল না।
হ বড় ছেলেগো অনেক সমস্যা তারচেয়েও বেশি পিতলা সমস্যা থাকে, আমি জানি ।
লাকি চার্ম এমন কোন সিনেমা না নাদেখার জন্য আফসোসকইরেন না জাস্ট আপনার কাহিনীগুলা পড়লে সিনেমাটার কথা মনে পরে আরকি
হ নাম শুইনাই তাই মনে হয়, এমুন কুনু সিনেমা হইবার কথা না। আফসোস, আমার কাহিনী আপনেরে এরাম একখান সিনেমার কথা বার বার মনে করাইয়া দেয়। চরি।
বিয়া না করাই উত্তম... বিয়া করলেই মফিজ কট
... ৩৫ এর আগে ছেলেদের বিয়া করা উচিত ই না ... ৩৫ পর্যন্ত লাইফরে এক্সপ্লোর করা উচিত...ব্যাচেলার থাকলে আমের সীঝন চাপাইনবাবগন্জ গিয়া আম খাইবা; জামের সীঝন গ্রামের বাড়ি গিয়া জাম খাইবা, দুইদিন পর পর জব চেইন্জ করবা... বিয়া করলে এইসব কই পাবা, কেমনে করবা? বিয়া করিসনারে... দে দুইটা টাকা দে 
৩৫ কেন ৫৩ তে বিয়া করলেও সমস্যা নাই খালি দেখি ৩৫ থিকা ৫৩ সব বয়সের নর রা সমবয়সি নারী না খুইজা অষ্টাদশী বালিকা খুজে ৬১ পার করলে তো ষোরষি খুজে সেইটাই সমস্য
৩৫ থিকা ৫৩'র নর রা অষ্টাদশী খুজলে, আর ৬১'র এরা ষোড়শী খুজলে আমি তাগোরে কেমনে বাধা দেই... গালিবের শায়েরী আছেনা 'হাঝারো খোয়াইশে অ্যয়সি কে হর খোয়াইশ পে দম নিকলে'' ৫৩'র নর রা মনে হয় ঐ শায়েরি জানে তাই দম বাইরায়া ঠুস হওয়ার আগে এইরাম ''অ্যাম্বিশাস'' খোয়াইশ ফুলফিল করার মাধ্যমেই মরতে চায় ;)
খিক খিক খিক, বাফড়া ভাইরে জাঁঝা। শায়েরী ব্যাপক ভালা পাইলাম।
আমার এক কলিগ হের ইন্টার ৯১ সালে। অহনতর বিয়া করে নাই। হের লিগা এক মাইয়ার খুজ আনলাম মাইয়া ২৭-২৮, কলিগে কয় নাহ রোহান আসলে আমি আরেকটু জুনিয়র মেয়ে প্রেফার করি। আর কি কমু, ভাবছিলাম কমু ভাই আপনে আরেকটু ওয়েট করেন, আপনারই কুনো ব্যাচমেটের মেয়ে বড় হইলে বিয়ার প্রপোজাল দিয়া দেখতারেন...
বহুৎদিন আগে একটা কৌতুক শুন্ছিলাম, ডাইনোসর আমলের জুক্স; এক লোক বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে গেসে তো পাত্র দেইখা মেয়ের মা অজ্ঞান হইয়া পড়ে গেসে কারন এই পাত্র মেয়ের মারেও দেখছিলো বিয়া করার জন্য
আহারে বেচারা ওই বেটারে কও। ওর উচিত ছিল ওর বয়স যখন ২০ তখন থেইকা একটা বাচচা মাইয়া পাইলা পুইলা বড় কইরা তার বাদে বিয়া করা।
এইটার একটা লজিক্যাল কারন আছে। আমি চাইলেই এখন আমার সম বয়সী মাইয়া পামু না বিয়া করার লাইগা। কারন সব মাইয়ারাই এট্টু ম্যাচিউর পুলার খুজে থাকে। ম্যাচিউর কইতে ওরা কি বুঝে ওরাই কইতে পারব, তয় বয়স ডাজ ম্যাটার, এইতা আমি কইতে পারি।
খিক খিক খিক। হ আমিতো অহন এইডাই করি। পুরা ঘোরাঘুরির উপর আছি। জব চেঞ্জটা অবশ্য করা হয় নাই অহনো। লন বস দুই ট্যাকা। লগে কিছু বরই আর আমলকি।

আইচ্ছা, এত বড় পোস্টে এত কম এন্টার মারা হইল ক্যান?
এত বড় বড় প্যারা একসাথে পড়তে গিয়া মাথাব্যাথা হয়া গেল
.... প্যারাগ্রাফিংয়ে সতর্ক হইলে ভালো হয় 
হ প্রয়োজনে বাফড়ার কাছথিকা প্যারা শেষ কোর্স ওকরা যাইতে পারে
খেক খেক খেক... আমিও সেইটাই কই
হাউ টু এন্টার, এই শিরোনামে একটা টিউটরিয়াল লেইখা ফালানা বস। তয় এট্টু ডিটেইলসে কইয়েন কই এন্টার কিয়ের এন্টার।
আসলে আমি ওয়ার্ডে লেইখা এইখানে পেস্ট করছিলাম। তাই খেয়াল করি নাই। আর অনেকদিন পোষ্ট লেখা হয় নাইতো, তাই ইয়ে মানে এট্টু বড় হইয়া গেছে, নইলে এত বড় পোষ্ট লেখার ঢৈর্য্য আমার কুনু কালেই আছিল না। এই আর কি। তয় পরের বার থেইকা আপনের প্যারা শেষ থিউরী এপ্লাই করমু।
আমারো একি কথা (প্যারা শেষ) এত বড় একটা প্যারা দেখলেই টায়ার্ড হৈয়া যাই (প্যারা শেষ) ঠিক এরম কৈরা যদি পাব্লিকরে বৈলা দেওন যায় তাইলে মন্দ হয় না (কমেন্টস শেষ)
বিয়া করতে চাইলে আম্মারে জোর কইরা ধরো নাইলে ঘটক পক্ষী ব্রো এর কাছে যাও... খামাখা বলগে কান্দন দিয়া লাভ কি
অবশ্য মাইয়া দেখতে গেলে মাইয়ারা ভাবতে পারে তুমি হইলা পোলার ছুডু ভাই, বড় ভাই এর লিগা মাইয়া দেখতে আইছো
এইডা অবশ্য দেখাদেখি কইরা বিয়া করায় তুমার একখান প্রতিবন্ধকতা হইতারে।
যাই হউক মিডল ক্লাস অনুভূতিগুলোর তূলনা নাই। বিয়া করলে এর অর্ধেকই কইমা যাইবো। সো বাফড়ারে উপরে দুই টেকা দিয়া আইতে পারো। তয় ৩৫ পার হইয়া গেলে আবার বিবাহিত লাইফের মজা বুঝতারবা না... ৩৫ এর পরে বিয়া একখান সোসাল চাহিদা হয়া যায়, হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপারগুলান তখন এক্সপায়ার্ড
অট: জাফর স্যার কারে জানি কোলে তুলছিলো এরাম একখান ফটুক দেখছিলাম। আমি তো ভাবছিলাম কুনু ছুটু পুলাপাইন, আরে এখন তো মনে হইতাছে ঐডা তুমিই আছিলা...
আরেকখান অট: উপরে প্যারাগ্রাফির কোর্স হইতাছে দেইখা আমি কমেন্টেও তিনখান প্যারা দিয়া দিলাম। প্যারাগ্রাফ কোচিং সেন্টার খুললে পার্টটাইম কেলাস নিবার পারি কি কও
আসলে হাছা কথা হইল আমার এখনি বিয়ার কুনু প্ল্যান নাই। প্রেম ট্রেম থাকলে ভিন্ন কথা আছিল। সেইটা যখন নাই, এত তাড়াহুড়ার কোনো কারন দেখি না। ভালাই আছি। দিন কাইটা যাইতাছে। আর দেখাদেখি কইরা বিয়ার যেই সমস্যা কইলা, মনে হয় না তেমন এক্তা সমস্যা হইব। সাইজ ডাজ নট ম্যাটার।
বাফড়া ভাইরে দুই ট্যাকা শুধু না বরই আর আমলকিও দিয়া দিছি। হাছা কথা কইছে এক্কেরে।
অঃটঃ হইতারে। ঐটাই দেখছ। আমারে অনেকেই কইল। এই ছবি নাকি ব্যাপক পপুলার হইছে।
আর দেখাদেখি কইরা বিয়ার যেই সমস্যা কইলা, মনে হয় না তেমন এক্তা সমস্যা হইব। সাইজ ডাজ নট ম্যাটার।
মিডল ক্লাসের অনুভূতি গুলান আসলেই জোস। কুনু তুলনা নাই। বিয়া করলে ঝামেলার ঠেলায় অনুভুতি জানালা দিয়া পালাইব। এইটাও বুঝি। ৩৫ এর হিসাব নিয়া কি কমু বুঝতাছি না।
....আলাপ কৈ থেইকা কুন দিকে মোড় নিছে?
এইটাতো আর গোল টেবিল বৈঠক না যে আলোচনা টপিকে থাকতে হইব এইটা পোলাপানের আড্ডা এইখানে আ কইলে আম,আমড়া,আমেরিকা, আসমানী সবনিয়াই আলোচনা হইব
সেটাই (কমেন্টস শেষ)
হ হাছা কথা। আলোচনা হইল উন্মুক্ত। এর দ্বার হইব অবারিত। আসলে আমি কি কইতে চাইতাছি? আমি নিজেই জানি না।
আলাপের আবার মোড় কি? যেদিক যায় যাইতে দেও।
তর
কমেন্টটা মনে হয় আসে নাই।
আবার কষ্ট কইরা টাইপ করেন।
কি লিখেছিলাম ভুলে গেছি। শুধু বলে যাই আপনার লেখা দুই পর্ব পড়েছি। ভীষন ভালো লেখেন আপনি। তাড়াতাড়ি পরের পর্ব ছাড়ার অনুরোধ রইল।
বিবাহ কৈরা ফালাও। শামসুর লাইগা বইসা থাইকা লাভ নাই। হেয় আর এই জীবনে বিবাহ কর্পে না।
সবাই দেখি পোষ্ট বহির্ভুত আলোচনা করে। কাহিনী বুঝলাম না।
আর বিবাহের ব্যাপারে শামসুর লাইগা ওয়েট করার মতন দুর্ভাগ্য যেন আমার শত্রুরও না হয়।
কমেন্ট পইড়া পোষ্ট পইড়া যে কমেন্ট দিমু ভাবছিলাম তা ভুইলা গেছি
এর লাইগা আগে কমেন্ট দিয়া পরে কমেন্ট পড়বেন। খুব অন্যায় হইল আমার সাথে। সবাই খালি অফটপিক নিয়া কথা কয়। আর যারা টপিক নিয়া কথা কইতে চায় তারা অফটপিক আলোচনায় নিজেগো কথা ভুইলা যায়। আফসোস।। খালি আফসোস।
ভাইয়া আপনার পোস্টের অনটপিক টপিক কোনটা- আপনার বিবাহ/আপনার ফটো/প্যারা শেষ/
কোনটা অনটপিক বলেদিলে আমিও একটু অনটপিক আলোচনা করতাম
আপনে যা যা নিয়া কথা কইবেন সবই অনটপিক। কথা কইলেই আমি খুশি।

পাত্রী পক্ষকে দেখানোর জন্য জাফর ইকবালের কোলে চইড়া ছবি তোলার আইডিয়া ইউনিক (ইহা একটি অন্টপিক মন্তব্য)
হা হা হা হা হা। ভালো বলছেন। তয় সেক্ষেত্রে পাত্রের স্মরূপ অনুসন্ধান না করিয়া বাল্য বিবাহের মামলা করতে পারে কওন যায় না।
উল্টাটাও হইতে পারে পাত্র কে এই ব্যাপারে কনফিউজড হইয়া রাজিও হইয়া যাইতে পারে
আহমেদ রাকিব | মার্চ ১৬, ২০১০ - ১:২৬ অপরাহ্ন
আলাপের আবার মোড় কি? যেদিক যায় যাইতে দেও।
ওরে অন্টপিক অফটপিক কথাডা জয়ীতাদীরে সান্ত্বনা দেয়ার লাইগা কইছিলাম। আফসোস, ব্লগ ভর্তি সব শার্লক হোমস।

আমারো একি অবস্থা --
যেমুন পোষ্ট তেমুন কমেন্ত ।
জিরো দারে আমার এবি ব্লগে স্বাগতম।
আরে! ঘটনা কি মাঝপথেই শেষ!
আমার এক বন্ধু তার মাকে এক মেয়ের কথা বলছিলো, এক বড় ভাইর মাধ্যমে দেখতে যাইতে বলছিলো। মা গা করেনা। একদিন বুদ্ধি দিলাম যে এইখানের কোন কাল্পনিক মেয়ের গল্প শুনাও, দেখবা কি হয়! ওষুধের মতো কাজ করলো, ঐদিনই তার মা ঐ বড় ভাইর সাকিন জানতে চাইলেন, পুরা ডাইরেক্ট এ্যাকশন!
খিক খিক খিক। ওষুধে কাজ হইছে ঠিক মতন।
ঘটনা মাঝ পথে শেষ না আসলে। পরে কি হইল সেইটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাহিনী না আসলে। এর লাইগা স্কিপ করছি।
আপনার লেখা চমৎকার।
আর আসল কথা হইলো আপনার বিবাহের সময় হইয়া গেছে।
লেখা চমৎকার, এইটা কওয়ার লাইগা ধইন্যা।
পরের কথার লাইগা কি ধইন্যা দেয়া উচিত নাকি অন্য কিছু কওয়া উচিত বুঝতাছি না।
আমি অনেক কিছু বলতে এসেছিলাম.......কিন্তু, দেখছি, অন্যেরাই সব বলে শেষ করে ফেলেছেন.......বিশেষ করে, শওকত ভাইয়ের কথার পরে আর কোন কথাই চলে না........আসল কথা হইলো আপনার বিবাহের সময় হইয়া গেছে।
হ তুমি আবার অনেক কথা কইতে পারো নাকি? ঝান্তাম না। জীবনে দুইলাইনের বেশি কমেন্ট দিছ?

রাকিব ভাই কেমন যেন ঠাকুর ঘরে কে আমি কলা খাই না টাইপ কথা লাগতেছে ----- প্রব্লেম হ্যাজ
vallaglo khub....
অনেক ধন্যবাদ রুমিয়া।
এই ব্লগে বিবাহেচছু লোক বেড়ে গেসে। ব্লগের নাম "আমাদের পাতে দৈ দাও" দেয়া হোক
হা হা হা হা। নামডা পছন্দ হইছে। রোবোট নানারে ধইন্যা।
ঐ যে হাত ধরার পর ব্লাড সার্কুলেশন হইছিলো, সেই প্রবাসিনী দেশে আসতে আর কতোদিন? অবশ্য শাদীবাদী আগেও টেলিফোনে হইছে আজকাল নেটেও হয়
এই এয়ারপোর্টে আমি তারে বিদায় দিছি, আর কানাডায় তখন এক ভদ্রলোক এয়ারপোর্ট পার্কিং এ গাড়ি রাইখা টেনশনে দাঁত দিয়া নখ কাটতে কাটতে তার লাইগা অপেক্ষা করতেছিল।
বিয়া কৈরা ফেলাও, নাইলে পরে কবিতার বৈ লেখবা, "একদিন সব নারী পরস্ত্রী হয়ে যায়"
।ভাইজান -- জীবন অনেক ছোট -- এখনই কারাগারে ঢুইকেন না ।
বিয়েশাদীর জন্য দিন পড়ে আছে অনেক ।
মানুষেরে দাবায় রাখতে নাকি তিনটা উপায় আছে -- বিয়ে করায় দেয়া , ভোটে দাড় করায় দেয়া -- আরেক্টা ভুইলা গেছি ।
এই বেশ ভালো আছেন ।
হা হা হা হা হা। না না এখনি কারাগারে ঢোকার কোনো প্ল্যান নাই এইটাতো পোষ্টেই কইছি। ব্লগ জেমস বন্ডরা জোর কইরা এই পোষ্ট থেইকা বিবাহের গন্ধ খুঁইজা বাইর করছে।
তিন ন্ম্বর কারনটা মনে পড়লে জানাইয়েন। জাইনা রাখা দরকার মনে হইতাছে। 
যাপিত জীবেনর বয়ান ভাল লাগছে.................
জাফার ইকবালের কোলে উঠে ছবি তোলা.বেশ ইন্টারেস্টিং।
চলুক যাপিত জীবনের বয়ান।
অনেক ধন্যবাদ শামীম ভাই।
চমৎকার লাগছে । ফটুক টা দ্যান দেখি
আর আপনার লগে থাকতে হইবো!! বিয়া যেন তাড়াতাড়ি হয়
আর কয়দিন বাকী আছে গ্র্যাজুয়েশনের? আইসা পরেন। আপনেরেও স্বাগতম।
শীর্ষেন্দুর দ্বিচারিনী কোন টা বলেন তো- নায়িকার নাম স্বাতি আর দুই যমজ ভাই সুকান্ত-সুসান্ত ঐটা?
আসলে ঠিক মনে করতে পারতেছিনা দ্বিচারিনী এইতাই কিনা। এইতা আসলে ওই রকম টাচি গল্প নাতো, তাই এত কিছু মনে নাই। শুধু মনে আছে যখন পড়ছিলাম, বেশ ভালো লাগছিল। তবে আপনের কথাডা শুইনা মনে হইতেছে এইটা হইতেও পারে। শিউর না।
আমার নিজের দ্বিচারিণীর কথা মনে ছিল না আপনার কমেন্ট পড়ার পর হঠাৎ এই কাহিনীটা উঁকি দিতে শুরু করলো তাই শিওর হইতে চাইছিলাম
মন্তব্য করুন