ইউজার লগইন

অভিমানী বালক'এর ব্লগ

ভালবাসা কেন এত অসহায় ?

--- এই যে অভিমানী
---- হুমম ৷
-- চিনতে পারছো না ?
- তোমার চেহারাটাতো ভুলের মতো নয় ৷
- অনেকদিন পর দেখা তাই না ?
- হুমম প্রায় ৭ বছর ৷
- কেমন আছো ?
- সবসময় ভালোই থাকি ৷
- আজ এই রাস্তায় ?
- নিশ্চুপ বিকেলে প্রতিদিনে হাটি ৷তুমি হঠাৎই!
- গতকালেই দেশে ফিরেছি ৷মনে আছে এই রাস্তায় হাত
ধরে হাটার কথা ?
- সবই স্মৃতি ৷
- তো অভিমানী বিয়ে করেছ ?
- স্কুল জীবনে কোন এক কিশোরীকে বিশ্বাস
করেছিলাম ৷
- কেন শুধু শুধু অপেক্ষা করছো ?
- কেউ ফিরবে বলেতো কথা দেয় নি ৷ তোমার
কোলে কে?
- আমার ছেলে নির্বাক ৷
- আমার পছন্দের নামটাই রেখেছ?
- চকলেট খাওয়াবানা?
- কতদিন কিটকাট দেখি নি ৷
- এখনো ভালোবাসো ?
- জানিনা তবে এখন আর কারো জন্য কষ্ট পাই না ৷
কারো কলের অপেক্ষা করি না ৷
- আর অভিমান ?
- সেটা সবার উপর করা য়ায় না ৷যার উপর
করি সেইতো ছেরে যায় ৷করে লাভ কী ৷
- এখনও কবিতা লিখো ?
- অবাঞ্ছিত লাইন ৷
- আর গল্প ?
- গল্পের রাণী হারিয়ে গেছে ৷
- নতুন কাউকে খুজে নাও ৷
- কেউতো পুরাতন হয়নি ৷
- কেন শুধু শুধু বাচ্চাদের মতো এমন করো ? ৷
ভালো থেকো ৷নিজের যত্ন নিও ৷
- বলেছি তো কখনো খারাপ থাকি না ৷

বুক পকেট

-------- বুক পকেট
আমার একটা আকাশ আছে ৷
যখন সবাই ঘুমিয়ে পরে তারাগুলো জেগে উঠে ৷
ছোট্ট করে ভাজ করে,আকাশটাকে বুক
পকেটে ডুবিয়ে রাখি আলতো করে ৷
পকেটে তো স্বপ্নগুলো দিনের বেলায় করে খেলা ৷
স্বপ্নগুলোর জোসনা দিয়ে আকাশটাকে রাঙিয়ে তুলি ৷
সবাই যখন ঘুমিয়ে পরে মাঝরাতে নিজ নিরে ,
জোসনাগুলো মেখে নিতাম শরীরটাও ডুবিয়ে নিতাম ৷
কেউ জানেনা বুক পকেটে আরো কিছু কষ্ট ছিলো ৷
কষ্টগুলো নিজ মনে জলত সে যে ক্ষণে ক্ষনে ৷
ছোট্ট একটা নদীও ছিল বুকপকেটের মাঝখানটে ৷
কষ্টগুলো জ্বলত যখন নদীর পানি আপন ধারায় ছুটতে তখন আবেগ হারায়

সাথে কিছু দুঃখ ছিল চুপটি করে বুক পকেটে থাকত সেতো নীরব
মনে ৷
নদীর পানি শুকিয়ে গেলেই দুঃখ তাকে ভরিয়ে তোলে ৷
লোনা পানির আপন ধারায় ছুটত নদী নিজ গতিতে ৷
আকাশটা আজ অনেক বর ৷ পুব আকাশে মেঘ জমেছে ৷ তারাগুলোও
হারিয়ে গেলো ৷ আকাশের
পানে তাকিয়ে দেখি জোসনাগুলোও নেই সেখানে ৷ আবার
কবে ভরবে আকাশ ?
জোসনাগুলো করবে খেলা ৷
আমি তখন সুখের ধারায় গুনবো আকাশে কয়টি তারা ৷

অনুপ্রেরণামূলক কিছু কথা

যখন একা থাকার
অভ্যাস হয়ে যায়,
ঠিক তখনি স্রষ্টা কিছু মানুষের
সন্ধান দেন ।
যখন তাদেরকে নিয়ে ভাল
থাকার অভ্যাস হয়ে যায়,
ঠিক তখনি আবার
একা হয়ে যেতে হয় |
________জর্জ বার্নাড

অভিমান হল হৃদয়ের অতি গোপন
প্রকোষ্ঠের ব্যাপার,যে কেউ
সেখানে হাত
ছোঁয়াতে পারে না
.........সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

ছোট্ট বেলায় অভিমান
করলে অনেক কিছু পেতাম,
আর এখন অভিমান করলে অনেক কিছু
হারাই..
কারণ তখন ভালবাসায় ছিল পূর্ণতা,
আর এখন ভালবাসা পায় শূন্যতা !
অপ্রিয় হলেও সত্য !
__হুমায়ুন আহমেদ

প্রায় প্রত্যেক মানুষেরই
প্রেম করার আগ্রহ থাকে,
কিন্তু এর বাস্তবায়ন
খুব কম মানুষই করতে পারে|
আর যারা করতে পারে
তারা আসলেই ভাগ্যবান|
_____পি.এইচ.রুপক

দুঃখ কখনো একা আসে না- দল
বেধে আসে
- সেক্সপিয়ার

"আজকালকার মেয়েদের
ডায়েরি লেখার মত
সময় নেই। নিজেদের কথা তারা শুধূ
গোপন
করতে চায়। লিখতে চায় না"
---হুমায়ূন আহমেদ

"মানুষের জীবনটা হচ্ছে একটা সরল
অংক। যতই দিন যাচ্ছে,ততই
আমরা তার সমাধানের
দিকে যাচ্ছি।"
হুমায়ূন_আহমেদ

প্রত্যেকেই বিশ্ব বদলে দেয়ার
চিন্তা করে কিন্তু
নিজেকে বদলানোর চেষ্টা কেউ

বন্ধুত্বের পরিসমাপ্তি

ক্লাস ৩তে নতুন স্কুলে ভতি হওয়া সদ্য নতুন
ছাত্র সাদাত ৷ পথম দিনে বন্ধুত্ব হয়ে গেল মৌন
নামে এক ছেলের সাথে ৷ সেও আজ নতুন ৷
যাইহোক দুজনের বন্ধুত্ব গারো হতে থাকলো ৷
একদিন তো তুমুল ঝগড়া মৌন নাকি সাদাতের
কলম নিছে এই নিয়ে ৷ স্বাভাবিক নিয়মেই
আরি হয়ে গেল ৷ আবার ভাবো হয়ে কয়েকদিনের
মধ্যে ৷ এখন ওরা বেস্ট ফেন্ড ৷
দেখতে দেখতে ৩ বছর কেটে গেলো ৷ দুজনেই এখন ৬
এ ৷ নতুন দামী একটা জেল কলম গিফট
পেয়েছে মৌন তার বাবার কাছ থেকে ৷
স্কুলে আসার পর সাদাত বললো কলম
টা তো জোস কত নিছিস দোস্ত ? মৌন
বললো কেনো দোস্ত
ভালো লাগছে নিয়ে নে আমি আরেকটা নিবো বাব
কাছ থেকে ৷
২ বছর পরের কথা নাইনেও ওরা বেস্ট ফেন্ড ৷
সেদিন সাদাতের পেকটিকাল খাতা হারায়
গেলো অথচ কাল পরীক্ষা ৷ মৌনকে বললো ৷ পচন্ড
জোরাজোরি করে নিজের
খাতাটা সাদাতকে দিয়ে দিলো মৌন ৷ আর
নিজে সারের সই নকল করে পেকটিকাল
জমা দেওয়ায় অনেক মাইরো খেলো ৷
এখন ওরা আর ঝগড়া করে না কারণ এখন
ওরা দশম শেণীতে ৷ হঠাৎ একদিন সাদাত
বললো দোস্ত ঐ মেয়েটকে আমার খুব
ভালো লাগে মনে হয় পেমে পরে গেছি ৷ কিশোর
বয়সে এইটা অস্বাভাবিক কিছু নয় ৷ তারপর মৌন

বিদায় ২০১৩

প্রিয় ২০১৩,