এখন এই সময়, আমি ও তোমরা
অনেকদিন আকাশ ছুঁইনা,
হাঁটি নিঃশব্দে ছায়ায়। লুকিয়ে যতটুকু শিকড় ছড়ানো যায়, ছড়াই,
বাধা এলে গুটিয়ে ফেলি গন্তব্য, একে বেঁকে এগলি ওগলি পেরিয়ে খুব সাবধানে ফিরে আসি।
কখনো বা কেউ কিংবা দুজনে বসে খুনসুটিরত, নির্লজ্জ ভারী শব্দ সকল,
কোন কোনদিন দিব্যি কাউকে বলতে শুনি নিষিদ্ধ আহবান,
জমে জমে নীলে ছেঁয়েছে জমিন, তাকাই না।
ক্ষয়ে যাওয়া মেরুদন্ড নিয়ে হামাগুড়িতেও বড় কষ্ট আজ
ছোবল হানতেও ভুলে গেছি অনেকদিন কিংবা
আমার থেকেও বিষধর যে জন তাকে খেলতে দেখতেই ভাল লাগে আজকাল।
জল, সবুজ ছাপিয়ে যে লাল ছড়ায় পশ্চিমে,
তার কাছাকাছি হলেও,ও পাশে থাকলেও,
মাথা নিচু, চুপ, কোন কবিতা পড়ি না ।
মাঝে মাঝে এসবেও বড় ক্লান্ত,
পথ চলতে, মাটি খুড়তে বড়ই অস্বস্তি হয়
পায়ের বুড়ো আঙ্গুলে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মনে হয়,
বড্ড অচেনা কোন শ্বাপদের রক্তাক্ত নখর শান্ত কিছুটা,
স্থির সাময়িক
বড় কোন লক্ষ্যের জন্য।
যদিও রাত্রির অন্ধকার এখন দিনের গলির মুখে। কিংবা টানবাজার হচ্ছে স্বদেশ
ভিখিরি বউ নোলক খুলে প্রস্তুত,
ছেলেটার মুখে দুটো ভাত দিতে,
এর বিকল্প কিছু খুঁজি না।
বাসরের গা বেয়ে হলুদ ঢেউ নেমে গেলেও ফোঁপানো কান্নার বেশী বুঝি না।





সুন্দর লাগলো...
সুন্দরেরা হারায়নি পথ, জানি।
ঘোলা জলে যত প্রতিবিম্ব, হোক আলুথালু
ভাল লাগে কারো। মানি।
বেশ ভাল লেগেছে ।
ধনুক ছেড়ে যেখানেই বাধি ঘর,
জানি, কখনোই হারায়নি পথ।
দৃশ্যে অদৃশ্যে ভাল লাগালাগি সমর
যত অসুর নিশ্চয় হবে বধ।
আপনি এত কম লেখেন কেন?
জুতোর ফিতে ইচেছ করেই বেঁধেছি এমন।এলোমেলো এবং মরা গিট্টু।
যেন খুলতে না পারি, না কাটা অবধী,
ফিতে কিংবা পা
যেনো, দুটোই সমান অপরাধী।
লেখকেরা লিখেন। আমি লেখক নই।
সুনদর কবিতা, ভাল লেগেছে
ভাল লাগায় প্রজাপতির ডানায় নতুন রং যোগ হয়,
যতটুক বা যতটা ক্ষয়, তার পুরোটাই আনন্দময়।
ভালো লাগলো
বিবর্ণ সময়
ভাললাগায় নিমিষেই গহীন হয়।
ডুব দিয়েই উধাও ? চুপ।
মাঝে মাঝে মনে হয়
কোন কিছুই কারো নয়।
সুন্দর লাগলো...
সুন্দর সুগন্ধী হলে বড়ই পোয়াবাড়ো।

মন্তব্য করুন