আমার যাদুমনি (৮)
সেদিন বলছিলাম, কিভাবে হঠাৎ করেই একগাদা ভালো বন্ধু পেয়েছি আমি।
এই শুনে ঋহান আগে ভাগেই জানিয়ে দিয়েছেন যে উনিও নাকি উনার মায়ের মত একসাথে একগাদা বন্ধু পেতে চান। তো আমাদের ঋহান সেদিন সেইসব বন্ধু’র উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ন ভাষন(!) দেয়ার জন্য সবাই’কে ডেকে পাঠালেন পাবলিক লাইব্রেরিতে।
অনেকেই এলো। ঋহানও ঠিক ৫টা বাজার ৫মিনিট আগে উপস্থিত। কিন্তু উপস্থিত হওয়ার সাথে সাথে যেমনে সবাই তারে নিয়া কাড়াকাড়ি আর ডলাডলি শুরু করলো, বেচারা! 
তো সেইসব কাড়া-কাড়ি, ডলা-ডলি, হাসি-ঠাট্টা, খাওতা-খাওই মিলিয়ে বিকেলটা বেশ ভালোই কেটেছিলো। অনেকে আবার ঋহানের ভাষন শুনে খুশি হয়ে ঋহানকে ফুলের মালার পরিবর্তে সুন্দর সুন্দর জামা-কাপড় আর ভালোবাসা উপহার দিয়েছেন। ঋহানও সব মিলিয়ে খুব খুশি। 
তবে সেদিন যারা ছবি তুলেছিলেন, তারা এতই ব্যস্ত যে আমি ঐদিনের একটা মূহুর্তও ব্লগে শেয়ার করতে পারছি না। 
তাই কি আর করা। আমার কাছে যে কয়টা আছে, তাই দিলাম।
এত এত ভালোবাসা, আমার ঋহান মনিটার জন্য? সবাই'কে অনেক থ্যাংকস!
এখানে জেবীন আপু'র একটা মেসেজ কোট করি,
ei thanks ken, rihan ki amader o na? shei jonmabar por theke ee to ettu ettu kore dekhe ashchi ooke...
হ্যাঁ, ঋহান আসলেই আপনাদেরও, ঋহান আপনাদেরই।
নানা, নানু, ছোট মামা আর রোহা আপুনি কে নিয়ে "আমরা বন্ধু ব্লগ" এর বন্ধুদের পাঠানো কেক কাটছে ঋহান। 
কেক কেটে মহা খুশি! মাশাল্লাহ!
আর সব শেষে বোনাস ছবি..

..একা একা-ই দাঁড়িয়ে থাকার প্রচেষ্টা..
সবাই এই পুচকাটার জন্য, আপনাদের ঋহানের জন্য দোয়া করবেন।





৩ নং ছবিটায় কি হাসি!!

ওই, আমি ব্যস্ত না, সাইনাসাইটিস নামে এক বিদঘুইটা জিনিষ বাধাঁইছি, গত পাঁচদিন ধইরা জীবন যায় যায় অবস্থা। মাথা ছিড়া যাইতেছে ব্যথায়, দুইদিন বাদে মনে হয় মইরা যাব, তবে তার আগে ছবিগুলা সিডিতে ভইরা তোমার হাতে পৌঁছাইয়া দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে ডোন্ট ওয়রি।
আরে এইটা দেখি বড় হয়ে যাচ্ছে
থ্যাংকস ফর শেয়ারিং ।
ঋহান দাঁড়াতে শিখে গেছে। আর ক'দিন পরেই সে হাঁটবে, দৌড়াবে, খেলবে। বাহ্।
লক্ষ-কোটি শুভকামনা।
মাশাল্লা...লাভ ইউ ঋহান
সকালবেলা বুলেটটার ছবি দেখে প্রাণ জুড়ায় গেলো।
একবস্তা ভালোবাসা ওর জন্য।

বাহ্ মাশাল্লাহ্। ঋহান বড় হোক মানুষ হোক। শুভেচ্ছা ও ভালবাসা রইল।
গুটলুটা বড় হয়ে গেছে। মাশাল্লাহ। পোটলাটা না পরলে তো হেভ্ভি স্মার্ট পোলা। আমাদের ঋহান সোনা অনেক বড় হোক। অনেক আদর, দোয়া জান্টুসটার জন্য।
কপালের চারপাশে অগুণিত কালোটিপ পরায়া রাখেন
সুইট বেবী ঋহানকে অনেক আদর। ঋহানের জীবনের সব ঘটণার ধারাবাহিক পোস্ট দিতে থাকো, এইটা একটা জোস ব্যাপার হবে।
শেষের ছবিটা জোস। টলমল টলমল দাঁড়াবে দেন ধপাস
তিন নম্বর ছবিটা ফাটাফাটি ... দোয়া করি উনি এভাবেই ভাষন দিতে দিতে বড় হয়ে উঠুক
মন্তব্য করুন