অনিদ্রিত রাতের কার্নিশে কিছু কথা
১.
বেশ দক্ষ আঁকিয়ে হয়ে উঠছি ইদানীং, সবগুলো দেয়াল ভরিয়ে ফেলেছি শাদা এবং বিভিন্ন মাত্রার ধূসর দিয়ে। বিন্দুমাত্র বিচলিত নই সিঙ্কে স্তুপীকৃত এঁটো থালাবাসন কিংবা হিমায়িত আঁশের জীবনমুখী জটিলতায়। কারণ এখন ফার্মেন্টেড মোজাদের জন্য গল্প লেখবার সময়। এই নাগরিক জীবনের প্রায় অবিচ্ছেদ্য অংশ লোডশেডিং গত ছ'ঘন্টায় চাঁদি বরাবর সপ্তমবারের মতো ঘা বসানোয় তুবড়ে গিয়েছি আবার, দ্রুত প্রস্তুতি নিচ্ছি ঘোলাটে জ্যোৎস্নাতে চোখজোড়াকে ঝলসে নেবার জন্য। তাই দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়া শার্সির অপর পাশ থেকে চেয়ে থাকা কালো বেড়ালের জন্য দুঃসংবাদ;
তোমার জন্য ইন্দ্রিয়টি সেন্সরড, প্রিয়তমা।
২.
কোণঠাসাদের হেলা করতে নেই; গত পরশু বিকেলে চৌরাস্তার মোড়ে ট্রাফিক পুলিশকে হলদে আলোয় সহসা বদলে যেতে দেখেছিলাম ম্যাটাডরে।
৩.
আমার বাল্যবন্ধুর সাথে কথোপকথনের একটা অংশ মনে পড়ছে এখন,
"আবারো ভিজে গেলাম, ধুর! এই অসময়ে গোসল করবার মানে নাই কোন..." শার্টের হাতা থেকে ধূলো ঝাড়তে ঝাড়তে বলেছিল সে।
"ধূলাভর্তি বাতাসদের বিশ্বাস করতে নাই, যখন তখন ভিজায়ে দ্যায়..." বলেছিলাম আমি।
"তাই নাকি! কোন সমাধান আছে মাথায়?" শ্লেষের সুর টের পেয়েছিলাম মনে হয়।
"অবশ্যই আছে সমাধান। স্থায়ী শীতকাল এবং তুষারপাতের ব্যবস্থা করা হউক।" উৎসাহী কণ্ঠে বলেছিলাম আমি। শোনামাত্রই আমার জুলফি বরাবর দু'আঙুল ঠেকিয়েছিল সে...
"হুমম...তোর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হল।"
৪.
আত্মহত্যাপ্রবণ তারুণ্য কংক্রীটের ডালে বসে দাঁত খিচিয়ে স্বমেহনে রত; এটাই স্বাভাবিক হতো তবে কিনা স্রোতের বিপরীতে যেতে চাইলে মিউনিসিপ্যাল ড্রেনের গভীরতা পরিমাপে হাঁটু ভেজাতে হয়। তো আসুন কাগুজে বাঘেরা, প্রবল আত্মবিশ্বাসে কীবোর্ড থাবড়াই চলুন।





আগের লেখায় লিখছিলেন
(লেখকের কথাঃ এই ব্লগে আমার প্রথম পোষ্ট, উষ্ণ কোনকিছুর বদলে হিমসকালের কাব্য দিয়েই শুরু হল।)
সেপ্টেম্বর ২১, ২০১০ পর আজ পোস্ট দিলেন। হিমসকালের তুষার গলে গলে বর্ষার বৃষ্টিস্নাত সকালের হাতছানি চলে এসেছে। সেই দিকে কি খেয়াল আছে। এতটা ধীরস্থিরতা মানতে চাই না। নিয়মিত হোন
লেখা ভাল লাগল
পাঁচ মাসেরও বেশি পার হয়ে গেছে ১ম পোষ্টের পর, হিসেবটা করে দেখা গেল।
নিয়মিত হবার ইচ্ছে আছে, তবে লেখালেখির চেয়ে পাঠক হিসেবেই বরং বেশি। তবে সাইট লোড হতে সময় বেশি লাগে আমার পাড়ার ব্রডব্যান্ডের টু-ষ্ট্রোক ইঞ্জিনে, এটাও একটা ছোট্ট টার্ন-অফ।
হিউউউজ থ্যাঙ্কস।
দারুণ!!
নাইস পিক ম্যান! আসলেই ইন্টারেস্টিং সিন ছিল ঐটা।
তবে লাইনটার দু'পাশে কিছু এক্সটেনশন দিয়ে প্যাঁচানো হল না, এই আফসোস খালি।
খুব মনকাড়া একটা পোষ্ট পড়লাম। নিয়মিত লেখা চাই আপনার কাছ থেকে।
মন্তব্য করুন