আমার "রচনা সমগ্র"
মুখবন্ধঃ দেখিতে দেখিতে ফেব্রুয়ারী মাস আসিলো। বই মেলা আরম্ভ হইলো । কোকিলের কুহু কুহু করিতে লাগিলো। বইমেলায় লেখকগণের বই আসিবে , মোড়ক উন্মোচন হইবে। নিত্য নতুন বই এর পাশা পাশি পুরনো বই মেলায় আসিবে । আসিবে লেখকদের "রচনা সমগ্র"। এইসব ভাবিয়া দেখিলাম আমারো রচনা সমগ্র প্রকাশ করিবার দরকার। যেহেতু সেই ছোটবেলা থেকেই লেখা লেখি করি ( তাহা যতই অখাদ্য হউক না কেন) কাজেই আমি একজন লেখক
। সকলের ন্যায় আমারো তাই "রচনা সমগ্র" থাকা উচিত। যেহেতু ব্লগেই লেখালেখি করিয়া থাকি , তাই ভাবিলাম ব্লগেই আমার রচনা সমগ্র থাকা উচিত।
বিস্তারিতঃ
ছোটবেলা হইতেই রচনা লিখিয়া লিখিয়া হস্ত পাকাইয়া ফেলিয়াছি । আজ হইতে আবার এস এস সি পরীক্ষা আরম্ভ হইয়াছে । ছাত্র জীবনে যে পরিমান রচনা লিখিয়াছি , তাহা একত্র করিবার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করিয়াই আজ রচনা একত্র করিয়া রচনা সমগ্র প্রকাশ করিলাম। আসুন তবে দেখা যাক আমার লিখিত রচনা গুলি।
গরুঃ গরুর ২ টা কান আছে, নাকের ২ টা ফুটা আছে , শিং আছে, ৪ টা পা আছে, লেজ আছে।
গরু খুবই উপকারী প্রাণী ।
অবৈধ ভাবে গরু পাচার করতে চাইলে সাথে ১০০০ টাকা ও মোবাইল ফোন রাখতে হয়।
গরুর গোশত খাইতে খুবই মজা।
বনভোজনঃ বনে গিয়ে ভোজন কে বন ভোজন বলে। আমরা বন্ধু গত ২ বছর বন ভোজনের আয়োজন করলেও এই বছর আয়োজনে ব্যার্থ হয়েছে। ধিক্কার।
এ জার্নি বাই বাস/লঞ্চঃ বাসের জার্নি নিয়ে অনেক লেখালেখি হলেও এখনও দূর্ঘটনায় মানুষ মারা যাচ্ছে প্রতিদিন। তাই আর কিছু বললাম না।
লঞ্চে জার্নি অনেক ভালো। শীতকালে ডুবো চরে আটকাতে পারে কিংবা বর্ষাকালে ডুবে যেতে পারে।
এই সব জার্নি দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতেছে।
সময়ের মূল্যঃ সময়ের মূল্য রচনা খানি বই থেকে উঠিয়ে দেবার সময় এসেছে। আমরা সময়ের মূল্য এতই দেয়া শিখেছি যে এখন বাস, লঞ্চ, ট্রেনে লেখা থাকে - সময়ের থেকে জীবনের মূল্য বেশী।
নিয়মানুবর্তিতাঃ রাস্তায় নামলেই এই রচনার প্রয়োজনীয়তা তীব্র অনুভব করা যায়। দেশে আসলে কোন নিয়ম আছে কি না , অনেকের মনেই এই প্রশ্ন জাগে।
আমার জীবনের লক্ষ্যঃ পরীক্ষার খাতায় তো লক্ষ্য লিখেছিলাম - ডাক্তার হয়ে দেশের , জনগণের সেবা করবো। কিন্তু দেশের রাজনীতিবিদরা সেই সুযোগ না দেয়াতে ডাক্তার আর হই নাই। জীবনে কোন লক্ষ্যও তাই আর ঠিক করতে পারিনাই। একটা কিছু হইলেই তো হইলো।
পরীক্ষার পূর্ব রাত্রিঃ পরীক্ষার পূর্ব রাত্রিতেই শুধু পড়েছি জীবনে। এই রাত্রিতেই আমি বুঝতাম যে আমি ছাত্র, পড়াশুনা করছি।
এসব রচনার বাইরে আরো কি কি রচনা করেছি এই মুহুর্তে মনে আসছে না । মনে আসলেই যোগ করে দিবো।
যদি আপনাদের কারো এরকম রচনার কথা মনে পড়ে বা যোগ করতে চান, বলে ফেলুন। পোষ্টে যোগ করে দেয়া হবে তা।
তখন এই পোষ্ট আমাদের সবার " আমার রচনা সমগ্র" হয়ে উঠবে।





একটি শীতের সকাল আর মানব সভ্যতায় বিজ্ঞানের অবদান এই দুইটা লিখেন নাই?
মনে হয় সিলেবাস এ ছিলো না ।
উট
আপনি লিকছেন উট নিয়ে ?
ছাত্র জীবন ! ( সারা জীবন ছাত্র জীবনই পড়লাম ছাত্রি জীবন চোখ্খেও দেখি নাই)
শুকরিয়া আদায় করেন ছাত্রী জীবন নাই বলে।
কেন বর্ষা নিয়া রচনা লেখেন নাই...............ঐ আসে ঐ অতি ভৈরব হরষে...............................................
হুম , পড়ছিলাম কিন্তু এখন শীতকাল বলে মনে পড়ে নাই ।
বাহ! এই রচনা সমগ্র পড়ে বোঝা যায় যে তিনি কত অবর্ণনীয় পরিশ্রমের মাধ্যমে নতুন ইতিহাস রচনা করেছেন। ।।। ।।এই বইটি পড়ে সমগ্র বাংলার সৃজনশীল মানুষ অভিভূত হয়ে পড়বে, ফনডিতেরা গবেষণা শুরু করবে। তিনি অসাধ্য সাধন করেছেন; আমি বইটির সাফল্য কামনা করি

সেজন্যই তো লিকলাম
"ফনডিতেরা গবেষণা শুরু করবে"-লীনা আপুর সাথে সহমত!
রাজপথের আতম কথা সাজেশান আ ছিলো না তাই পড়ি নাই।
ঐযে কিজানি একখান রচনা (মুখার্জী
) আছিলো না, কি বলে বর্ষন্মুখর সাইঞ্জা কইয়া? ওডি সেখেন্নাই?
ওহ ইয়েস । ভালো রচনাটা মনে করায়ে দিসেন। এইটা পড়তে ভালৈ লাগতো।
গরুর মাংশ ভাস্কর'দা ভালো রান্ধেন, আর সব্বাই মিলে রান্না করলে লবনের উলটাপালটা হবার সম্ভাবনা মারাত্তক, যেটা পরীক্ষিত!

পিকনিক ২বছরে না, একবছরেই ২বার করছিলাম আমরা!
'একটি কলমের আত্মকথা' বাদ গেছে। আমি লিখি নাই যদিও তবে কই জানি পড়ছিলাম!
আরো কথা ছিলো, লিখলে রচনা হইবার সমূহ সম্ভাবনা তাই খ্যামা দিলাম
কেনু খ্যামা দিলেন ? আসুন না আমরা সবাই মিলে রচনা সমগ্র প্রকাশ করি।
কলমের আত্মকথা পড়ি নাই ,
ইম্পর্টেন্ট ছিল না।
আমার জীবনে সর্বাধিক পঠিত রচনা মনে হয় ছাত্রজীবন!!
ঐটা লিখলেন না!!
ছাত্রজেবন নিয়া লিখা দরকার।
আরো পড়সিলাম "দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের অবদান" আর "অধ্যবসায়"।
আমিও পড়ছিলাম কিন্তু ভুইলা গেছি । ২ যুগ আগের কথা তো
রচনা পড়ছিলাম অধ্যবসায়। ঐটা দিয়ে বেশ কয়েকটা কভার হইতো। সময়ের মূল্য, ছাত্রজীবন, চরিত্র ইত্যাদি...
থ্যাঙ্ক্যু। অধ্যাবসায় এর মত এত গুরুত্বপূর্ন রচনা কি করে ভুলে গেছিলাম
কি রচনা যে শিখছিলাম ছুডুকালে মনে নাই। বড়ই আফসুস।
বড় কালে কি পড়ছেন, সেডা মনে আছে ?
ইদানিং আগের সপ্তাহে কি করছি সেইটাও মনে থাকে না, বিশ বছর আগে কি রচনা পড়ছিলাম সেইটা কেমনে মনে রাখুম!
বাহ! এই রচনা সমগ্র পড়ে বোঝা যায় যে তিনি কত অবর্ণনীয় পরিশ্রমের মাধ্যমে নতুন ইতিহাস রচনা করেছেন। ।।। ।।এই বইটি পড়ে সমগ্র বাংলার সৃজনশীল মানুষ অভিভূত হয়ে পড়বে, ফনডিতেরা গবেষণা শুরু করবে। তিনি অসাধ্য সাধন করেছেন; আমি বইটির সাফল্য কামনা করি
ধান/পাট শিখেন নাই ? ক্যাটাগরী ছিলতো, শস্য থেকে একটা/ প্রানী থেকে একটা/ ঋতু থেকে একটা/ জার্নি থেকে একটা ইত্যাদি
লেখা অতিশয় উত্তম হয়েছে। বহুদিন পর পুরনো সাঈদ সাহেবকে দেখলাম যেনো .।.।।
ধান/পাট পড়েছি
কিন্তু মানে ধান/পাট নিয়া কি লিখবো ভেবে ভেবে আর লিখাই হোল না ।
পুরনো সাঈদ আবার কিরাম ?
আপনার চরম স্যাটায়ার মিস করি
আমি ধন্যু হলুম
সাঈদ, গরুর রচনায় আরো দুইটা তথ্য যোগ কইরা দেন। ১. গরুর লেজের সু্যপ খুবই উপাদেয়। ২. গরুর কান ভাজা খাইতে মজা। মানুষ গরুর লেজ এবং কার ফেলিয়া দেয়। ইহা করা ঠিক নহে।
আপু, আপনি কি আমাদের একদিন স্যুপ বানায়ে খাওয়াবেন ?
এডিট: কান (কার)
স্যাটায়ার ভাল পাইলাম
ধন্যু হলুম
এইবার অন্যকিছুও লিখেন। আরো কোন সমগ্র নাই?
আরো সমগ্র বাংলাদেশ ৫ টন আসবে
নতুন পুষ্ট দেন। এক রচনা আর পড়ুম না । এইবার নাম্বার কাটা শুরু করা হবে।
ডরাইছি ।
যেমনে দাত মুখ খিচলেন
ষড়ঋতু, শরৎকাল, বর্ষাকাল, বিজ্ঞানের অবদান এই গুলি শিখেন নাই আপ্নে? আপনার তো আবার স্কুলে ভর্তি হওয়া লাগবে
বাংলা রচনার ভিতরে জেমসের গান লিখে দিলেও স্যার মাইন্ড করতেন না!
এ দেখি এক ধাপ বেশী !!!!
কত্ত রচনাইতো পরীক্ষার খাতায় "রচনা" করেছিলাম। স্মৃতি রোমন্হনে ব্যর্থ হলাম!
মন্তব্য করুন