আষাঢ় মাসে আষাঢ়ে গপ্পো করি আসেন সবাই মিলে
[ আষাঢ় মাসে আসেন আষাঢ়ে গপ্পো করি। গল্প টা শুরু করলাম আমি , এরপর মনের মাধুরী মিশায়ে বাকীটুকু যোগ করে ফেলেন ঝটপট]
আমরাবন্ধু থেকে পিকনিকে যাওয়া হবে। এবারের পিকনিক স্পট ঠিক করা হয়েছে এভারেস্টের চূড়া। একটা বড় প্লেনে করে সব্বাইকে নিয়ে যাওয়া হবে এমনটাই ঠিক করা হয়েছে। প্লেন ভাড়া করার দায়িত্ব পড়েছে মীর এর উপর। মীর তো প্লেন ভাড়া করতে গিয়ে বিশাল নাজেহাল অবস্থা।
একদিকে এমিরেটস ডাকে অন্যদিকে গালফ টেনে ধরে। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স মীরের হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে তাদের প্লেন দেখায়া বলে - ''এইডা ভাড়া লন ছার। নতুন প্লেন, একদম ফ্রেশ। ধোলাইখাল থেকে নাট বল্টু টাইট করায়া আনছি''
এসব টানাটানি , ধাক্কাধাক্কি থেকে কোনমতে গালফ এয়ারলাইন্সের একটা বোয়িং ভাড়া করে মীর বাসায় পৌঁছে।
অন্যদিকে পিকিনিকের বাজার করার দায়িত্ব পড়ছে জ্যোতির উপর। জ্যোতি ছাগল কিনতে গেছে বাজারে । কয়েকটা ছাগলের আস্ত রোস্ট করা হবে এভারেস্টের উপরে বসে। প্লেন নিয়ে ল্যান্ড করে তারপর রান্না করা শুরু হবে। রান্না করার জন্য বাবুর্চি না নিয়ে এবার নিজেরাই রান্না করবে সবাই। মেসবাহ ভাইয়ের নেতৃত্বে এক দল রান্না করার জন্য প্রস্তুত।
বাজারে ছাগলের দাম দেখে জ্যোতির আক্কেল গুড়ুম ........................
বিষন্ন বাউন্ডুলেঃ
বাজারে ছাগলের দাম শুনে তো জ্যোতির আক্কেল গুড়ুম অবস্হা। দুইটা ছাগলের দাম চায় ৩০ টাকা, টাকা যেন গাছে ধরে।
আর ছাগলগুলাও জানি কেমন কেমন, একটা নিজের দাড়ি খাওয়ার চেষ্টা করতেছে আরেকটার গায়ে বোটকা গন্ধ। বাজারে আসার সময় ইস্প্রে দিতে ভুলে গেছে মনে হয়।
আক্কেল গুড়ুম অবস্হায় বাজার থেকে বের হয়ে মেসবাহ ভাই কে কল করে বলতেই অবশ্য মুশকিল আসান।
রণ নাকি বলছে গুলিস্তানে ভাল ঊটের গোস্তের ফ্রেন্চ ফ্রাই পাওয়া যায়, প্যাকেজে নিলে সাথে বাঘের দুধের ইস্পিশাল আইসক্রিম ফ্রি।
রাসেলরে পাঠানো হবে স্হির হইল। সে ছিল আম্রিকায় ওবামার সাথে জরুরী আড্ডায়। ওই ব্যাটায় সুপারিশ করতেছিল ইওরো কাপে আম্রিকা কে খেলতে দেওয়ার জন্য। রাসেল হইল উয়েফার য়ুগ্ম অসাধারণ সম্পাদক।
ঘটনা শুইনা রাসেলরে খুশি করতে বিএমডাব্লুর নিও মঠেলের দুইটা বোয়িং ঠেলাগাড়ি পাঠিয়ে দিল ওবামা। একটার দায়িত্বে তানবীরা আরেকটার দায়িত্বে নরাধম।
নরাধমের গাড়ি আটকা পড়ল বিমানবন্দরের কাস্টমসে, নাম্বারপ্লেটে সমস্যা। তানবীরা রওয়ানা দিতে দিতেই চাক্কা পাংচার।
এত্ত ভাল গাড়ির তো চাক্কা পাংচার হবার কথা না। এ ভীষন রহস্য উদঘাটনে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হল, দায়িত্ব পেলেন মাসুম ভাই আর কামাল ভাই। প্রথমে ধারনা করা হইল যে এই ঘটনার সাথে বিরোধী দল জড়িত থাকতে পারে অথবা দেশের সকল জিনিসপত্রের দাম কমে যাওয়ায় এটা দেশদ্রোহীদের নাশকতামূলক একটা কিছু হতে পারে। জাতীয় গনমাধ্যমে বিশেষ তর্ক বিতর্কের পর সাঈদ ভাই আর জোনাকি বিবৃতি দিল যে, এটা বিদেশী শক্তির ষরযন্ত্র ছাড়া আর কিছু না।
এদিকে বিমা গোপন তল্লাশী চালাইতেছিল এভেঞ্জার এর হেইচডি প্রিন্ট এর খোঁজে, তখনি উদঘাটিত হইল আসল ঘটনা।
চাক্কা পাংচার হইছে বাড়তি ওজনের চাপে,
বিশেষ কৌশলে চাক্কার সাইডপকেটে নাকি লুকিয়ে ছিল মায়াবতী আর প্রিয়।
তারা নাকি আইসক্রিম খাইবার চায়!
অতঃপর.
সাঈদ ভাইয়ের বিয়া শুইনা রাসেল তো রেগে পুরাই বাঁশ। তার মতে, এটা তার থান্ডার চুরি করার ঘৃন্য অপচেষ্টা।
সে হুমকি দিছে শান্ত রে দিয়া সাঈদ ভাইরে টিট করবো। শান্ত অবশ্য এখন একটু বিজি আছে, টুটুল ভাই তার নতুন ক্যামেরা দিয়া মুভি বানাইতাছে। নাম , শান্ত কেন অশান্ত : নেক্স্ট দ্য পরের চ্যাপ্টার। শান্ত অবশ্য একটু মুলামুলি করতেছে যে, মেগান পক্স রে নাইকা না বানাইলে নাকি সে খেলব না! দেখা যাক কি হয়!
ওইদিকে নরাধমের গাড়িও ছাড়া পাইছে। ভাস্কর ভাই কাস্টমসে গিয়া ৩ ঘন্টা ঝাড়ি দিল, ব্যাস ঝামেলা খতম।
লিজা এই ঘটনায় আহ্লাদিত হয়ে এফবিতে স্ট্যাটাস দিয়েছে - আজ গণতন্ত্র পুনঃজাগরনের দিন।
মাসখানেক আগে মীর সুন্দরবন গেছিল ঘুরতে, একটা পিচ্চি কিউট বনবিড়ালের বাচ্চা দেখে নিয়া আসছিল পালতে। এখন একটু বড় হবার পর দেখা যাইতেছে এটা আসলে বাঘের বাচ্চা!
এখন এটা মীরের সাথে সাথেই ঘুরে।
বিসিবি নাকি ঝুলাঝুলি করতেছে এটাকে তাদের অফিশিয়াল মাসকট করে নিতে।
গতসপ্তায় যোগাযোগমন্ত্রী অর্ডার দিছিল, আজকে সকালে পুরো শহরে তিনধাপবিশিষ্ট ফ্লাইওভার চালু হইয়া গেছে। মীর রে গনভবন থিকা পিক করে সবাই মিলে গুলিস্তান যেতে পুরা পৌনে পাঁচ মিনিট লেগে গেছে।
কম্পিওটারাইজড কাউন্টারে অর্ডার সেট করে সবাই মিলে রেস্টুরেন্টের ৩৭৮ তলায় রেস্টুরেন্টের ওয়াচ টাওয়ারে বসতেই শোনা গেল, মীরের বাঘের বাচ্চা সব ইস্পিশাল আইসক্রিম খেয়ে শেষ করে ফেলছে!
এ খবর শুনে, প্রিয় আর মায়াবতীর সে কী কান্না! সব টিস্যুপেপার শেষ!
শাপলাঃ
এভারেস্টের চূড়ায় উঠিয়া বাঘের দুধের আইসক্রিমের আ্য়োজন দেখিতে হইবে, ইহা অবশ্য তানবীরার কষ্মিনকালেও ভাবে নাই। সে কিঞ্চিত নাসিকার ডগা ধরিয়া ইয়াক ইয়াক চতুর মাত্রার ছন্দ তুলিয়া দুই পাক নাচিয়া লইল। এদিকে প্রিয় আর মায়াবতী চাক্কার সাইড পকেট হইতে সভয়ে মস্তক উত্তোলন করিয়া আমসি মুখে আইসক্রীমের জন্য হা পিত্তেশ করিতেছে আর তানবীরার রাগ পরিমাপ করিবার চেষ্টা লইতেছে। উহাদের মুখে বাক্য নাই।
সাইদ আর জোনাকির "বিদেশী ষড়যন্ত্র মূলক" বিবৃতিকে অধিক আপন ভাবিয়া মাসুম ভাই খানিকটা লুফিয়া লইয়া তাহার সহিত খানিকটা রঙ্গরস মিশাইয়া রাত বিরেতে গণ মাধ্যমে ঝড় তুলিয়া ফেলিলেন, মুখ বইয়ে নানান ইনাইয়া বিনাইয়া স্ট্যাটাস দিলেন।
এদিকে অভিজ্ঞতার অভাবে, পরিকল্পনার অনেক কিছুই উড়োজাহাজ ব্যাতীত এভারেস্টের চূড়ায় উঠিবার যোগাড় হইয়াছে। কারণ জ্যোতি ছাগুর বাজারে গিয়া, মেজাজ অতিশয় চড়িয়া যাইবার কারণে -দুই চারিটি ছাগুকে উপুর্যপরি ল্যাং মারিয়া বিদায় হইয়াছে। আসার সময় মস্তকে বা্যু চড়িবার ন্যায় কিঞ্চিত বায়ুগ্রস্তের আকার ধারণ করিয়া -"ছাগুর রোস্ট কাভি নেহি", বলিতে বলিতে ফিরিয়া আসিয়াছে।
আশরাফ রাসেল কেবলই ওবামার সহিত তাহার নবপরিণীতার গল্প লইয়া জমাই্য়া বসিয়াছে। ক্ষণে ক্ষণে সেই সুখ স্ম্বতি স্মরণ করিয়া যখন পুলকিত চিত্তে ওবামার সহিত টাকোর প্লেটে ছুরি বসাইতেছে তখনি ঝন ঝন করিয়া রাসেলের ফোন বাজিয়া উঠিল.
রাসেল গার্ল ফ্রেণ্ডরে স্মরণ করিয়া মোলায়েম উত্তর দিতে যাইবার প্রাক্কালে...তানবীরার চিতকার শুনিয়া,ওবামার কোলে গিয়া পড়িল।
নরাধম, "ওরে অধম আবার তোরা মানুষ হ, বলিয়া বাবড়ি চুল নাচাইয়া ঝাপাইয়া পড়িয়া কাস্টমসের দুই-চারিজনকে ইচ্ছামত প্যদানী দিয়া দিল। গাড়ির নম্বর প্লেটে কি বা আসে যা্য়? বোয়িং ঠেলা গাড়ির নম্বর প্লেটে এয়ারফোর্স ১ ১ লেখা থাকা সত্বেও উহারা কেন তাহাকে আমলে আনিতেছে না, উহা ভাবিয়া- আবিস্কার করিল যে, সে মগের মুলুকে আসিয়া পড়িয়াছে।
মীর গাল্ফ এয়ার লাইন্সের ঐ ভাঙ্গা বোয়িংটা কিছুতেই ভাড়া করিতে চাহে নাই, কিন্তু গালফ সুন্দরীরা যে হারে তাহার কদলী-অঙ্গুরি টানাটানি করিতে করিতে তাহার কানে কানে কিসব বলিয়া ফেলিয়াছে, তাহার পর হইতে মীর আর তাহার দুই কর্ণে কিছুই শুনিতেছে না। দুই চোক্ষে সুন্দরীদের ছাড়া কিছুই দেখিতেছে না। জনাব আহারে খাতুনকেও মীরের অতীব সুন্দরী বলিয়া মনে হইতেছে। মীর তাহার কর্কশ গলা্য, "এই ব্রিষ্টিভেজা রাতে চলে যেও না গাহিতেছে।"
এদিকে পিকনিকের কথা শুনিয়া টু চৌ এর আর টিকির নাগাল পাওয়া যাইতেছে না। তিনি ক্যামেরার চার্জার কিনিতে ধোলাইখালে গিয়া পড়িয়া রহিয়াছেন.।তাহার মাথায় বিস্তর কল্পনা। তিনি এভারেস্ট জয়ীদের খাতা্য় নাম লিখাইতে চান।
টু চৌ কে খুঁজিয়া খুঁজিয়া হয়রান সাইদ সাহেব.....তাহাকে সাহায্য করিতে আগাইয়া আসিয়াছেন রা্যহান ভাই.....
একজন মায়াবতিঃ
মায়াবতী খুবই আইলসা টাইপ একটা মেয়ে। সে যখন দেখলো আইসক্রীম খাইসে বাঘের বাচ্চা আর ছাগু না কিনা ফেরত আসছে জ্যোতি আপু তখন সে কতক্ষণ প্রিয়র কানে ‘ক্ষিদা লাগসে’ প্যান প্যান কইরা ঘুম দিল। প্রিয়ও শাপলা আপুকে বলল, যে কোনো ধরনের খাওয়ার ব্যবস্থা হওয়া মাত্র যেন ওদের ঘুম থেকে ডাইকা তোলা হয়। তারা পিকনিকে আসছে শুধুই খাইতে।
এদিকে জেবিন আপু তো চিল্লা-পাল্লা কইরা অস্থির তারে নাকি কেউ দাওয়াত দেয় নাই যে ব্লগ থেকে সবাই পিকনিক এ যাইতেছে। শুইনা সাঈদ ভাই তো মহা ক্ষ্যাপা। সাঈদ ভাইও সমান তালে চিৎকার করতেসে, ‘আরে ব্লগের পিকনিক এর জন্য দাওয়াত দিতে হবে কেন?? এইটা কি আমার বিয়া নাকি যে দাওয়াত দিমু?’
জেবিন আপু আর সাঈদ ভাইয়ের ঝগড়া তুমুল পর্যায়ে যাওয়ার আগেই লীনা আপা আইসা হাজির। দুলাভাইয়ের বন্দুক নিয়া আইসা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করতেই ভয়ে সাঈদ ভাই দুমদাম দৌড় দিয়া কই যে লুকাইলো কেউ তারে খুঁজতেও গেলো না Tongue
এদিকে একটু পরই আরেক লীনা আপু আসলো। আর লীনা আপু আসা মাত্র জেবিন আপু আর জ্যোতি আপু ওনাকে নিয়া টানাটানি শুরু করল জ্বীনের গল্প শোনার জন্য। লীনা আপুও একটু ভাবসাব দেখাইয়া শুরু করল জ্বীনের গল্প। কাজকাম ফালায়া সেই গল্প শুনতে আরো বসল মাসুম ভাই, বিষন্ন, অনিমেষ, নিলিমা, সাগরিকা, ৬টি তারা, কর্নফুলির মাঝি, কাদের ভাই, মিশু ভাই, আশিক ভাই সহ আরো অনেকে।
কি গল্প বলল লীনা আপু কে জানে হঠাৎ মাসুম ভাই ভয়ে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলো…
নাঈমঃ
অবশেষে সকল ঝুট-ঝামেলা পার কইরা দলবল লইয়া সকলে এভারেস্টের দিকে যাত্রা করিল। কিন্তু বিধি বাম, যাত্রা শুরু করিবার কিছুক্ষণ পরেই গালফের লক্কর ঝক্কর বোয়িং এর ফুয়েল আই মিন গ্যাস শেষ হইয়া গেল। নিকটবর্তী সিএনজি স্টেশনটা ছিল দার্জিলিং এর চূড়ায়। কিন্তু সেইখানে যাইয়া সকলে শুনিল বাংলাদেশে যেই হারে জ্বালানী গ্যাসের দাম বাড়িতেছে , দার্জিলিং-এর সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের দাম বাংলাদেশের দামের চাইতেও চল্লিশ গুণ বাড়িয়া গিয়াছে, কারণ পাহাড় পর্বতে গ্যাসের চাপ এমনিতেই কম, যাও বা সাপ্লাই পাওয়া যায়, সেইগুলার দাম অত্যন্ত ব্যয়বহুল। অগত্যা কি আর করা, সকলের কাছে হাত পাইতা একটাকা,দুইটাকা কইরা জোগার করল আশিক ভাই। সকলের পকেট খালি হইবার পরে দেখা গেল সর্বসাকুল্যে ৫০ টাকা জোগার হইছে। এখন ৫০ টাকা দিয়া তো আর বোয়িং এর গ্যাস খরচ মিটবেনা। কি করা যায়???
পরে সকলের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া সকলের মুরুব্বী মাসুম ভাই মতামত দিল, ৫০ টাকার গ্যাসের সাথে সকলের সাথে রক্ষিত মিনারেল ওয়াটার এর বোতল হইতে পানি দিয়া আপাতত জ্বালানী সমস্যার সমাধান করা যাইতে পারে। সকলে মতামত দিল ঠিক ঠিক! এইটাই উত্তম সমাধান!
অবশেষে ৫০টাকার সিএনজি গ্যাসের সাথে ২০০লিটার মিনারেল ওয়াটার মিশাইয়া জ্বালানী টাঙ্কির মধ্যে ভরিয়া বোয়িংকে সচল করা হইল। বোয়িং আবার এভারেস্টের দিকে যাত্রা করিল........
(এরপর একজন যোগ করেন। তারপরের অংশ আবার আরেকজন যোগ করবেন। পরে গপ্পো তে আপডেট করে দেয়া হবে। আষাঢ়ে গপ্পো , তাই বাস্তবের সাথে মিল না থাকাই বাঞ্ছনীয়।)





ছাগলের গন্ধে তো বমি আসে আমার। এই কাজ তো আমারে দিয়া হবে না। তাইলে আপনেরে যে বিরানী পাঠায় রোজ তারে ডাকতে হপে ছাগল কিনতে। কতা হইলো ছাগু খাইব কেডা পিকনিকে? ছাগু বাদ দেন।
বাজারে ছাগলের দাম শুনে তো জ্যোতির আক্কেল গুড়ুম অবস্হা। দুইটা ছাগলের দাম চায় ৩০ টাকা, টাকা যেন গাছে ধরে।
আর ছাগলগুলাও জানি কেমন কেমন, একটা নিজের দাড়ি খাওয়ার চেষ্টা করতেছে আরেকটার গায়ে বোটকা গন্ধ। বাজারে আসার সময় ইস্প্রে দিতে ভুলে গেছে মনে হয়।
আক্কেল গুড়ুম অবস্হায় বাজার থেকে বের হয়ে মেসবাহ ভাই কে কল করে বলতেই অবশ্য মুশকিল আসান।
রণ নাকি বলছে গুলিস্তানে ভাল ঊটের গোস্তের ফ্রেন্চ ফ্রাই পাওয়া যায়, প্যাকেজে নিলে সাথে বাঘের দুধের ইস্পিশাল আইসক্রিম ফ্রি।
রাসেলরে পাঠানো হবে স্হির হইল। সে ছিল আম্রিকায় ওবামার সাথে জরুরী আড্ডায়। ওই ব্যাটায় সুপারিশ করতেছিল ইওরো কাপে আম্রিকা কে খেলতে দেওয়ার জন্য। রাসেল হইল উয়েফার য়ুগ্ম অসাধারণ সম্পাদক।
ঘটনা শুইনা রাসেলরে খুশি করতে বিএমডাব্লুর নিও মঠেলের দুইটা বোয়িং ঠেলাগাড়ি পাঠিয়ে দিল ওবামা। একটার দায়িত্বে তানবীরা আরেকটার দায়িত্বে নরাধম।
নরাধমের গাড়ি আটকা পড়ল বিমানবন্দরের কাস্টমসে, নাম্বারপ্লেটে সমস্যা। তানবীরা রওয়ানা দিতে দিতেই চাক্কা পাংচার। তারপর...
এত্ত ভাল গাড়ির তো চাক্কা পাংচার হবার কথা না। এ ভীষন রহস্য উদঘাটনে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হল, দায়িত্ব পেলেন মাসুম ভাই আর কামাল ভাই। প্রথমে ধারনা করা হইল যে এই ঘটনার সাথে বিরোধী দল জড়িত থাকতে পারে অথবা দেশের সকল জিনিসপত্রের দাম কমে যাওয়ায় এটা দেশদ্রোহীদের নাশকতামূলক একটা কিছু হতে পারে। জাতীয় গনমাধ্যমে বিশেষ তর্ক বিতর্কের পর সাঈদ ভাই আর জোনাকি বিবৃতি দিল যে, এটা বিদেশী শক্তির ষরযন্ত্র ছাড়া আর কিছু না।
এদিকে বিমা গোপন তল্লাশী চালাইতেছিল এভেঞ্জার এর হেইচডি প্রিন্ট এর খোঁজে, তখনি উদঘাটিত হইল আসল ঘটনা।
চাক্কা পাংচার হইছে বাড়তি ওজনের চাপে,
বিশেষ কৌশলে চাক্কার সাইডপকেটে নাকি লুকিয়ে ছিল মায়াবতী আর প্রিয়।
তারা নাকি আইসক্রিম খাইবার চায়!
অতঃপর..
চাকা পাংচার করা বাইর করবেনে আসিতেছে!!

==================
তবে দুইটাই জটিল হয়েছে।
বিষণ্ণ বাউন্ডুলে অসাধারণ হয়েছে। চলুক আমি রাতে লিখবো। নিশি না হলে লিখতে পারি না।
রাসেল আশরাফ, তোমার লেখা কোথায়???!!!!!
জট্টিল হইতেছে। আরো আসুক। তাতাপুর লেখার অপেক্ষায় বসে আছি।
এদিকে সাঈদ ভাইয়ের বিয়ে
আপডেট কইরা দিলাম
সাঈদ ভাইয়ের বিয়া শুইনা রাসেল তো রেগে পুরাই বাঁশ। তার মতে, এটা তার থান্ডার চুরি করার ঘৃন্য অপচেষ্টা।
সে হুমকি দিছে শান্ত রে দিয়া সাঈদ ভাইরে টিট করবো। শান্ত অবশ্য এখন একটু বিজি আছে, টুটুল ভাই তার নতুন ক্যামেরা দিয়া মুভি বানাইতাছে। নাম , শান্ত কেন অশান্ত : নেক্স্ট দ্য পরের চ্যাপ্টার। শান্ত অবশ্য একটু মুলামুলি করতেছে যে, মেগান পক্স রে নাইকা না বানাইলে নাকি সে খেলব না! দেখা যাক কি হয়!
ওইদিকে নরাধমের গাড়িও ছাড়া পাইছে। ভাস্কর ভাই কাস্টমসে গিয়া ৩ ঘন্টা ঝাড়ি দিল, ব্যাস ঝামেলা খতম।
লিজা এই ঘটনায় আহ্লাদিত হয়ে এফবিতে স্ট্যাটাস দিয়েছে - আজ গণতন্ত্র পুনঃজাগরনের দিন।
মাসখানেক আগে মীর সুন্দরবন গেছিল ঘুরতে, একটা পিচ্চি কিউট বনবিড়ালের বাচ্চা দেখে নিয়া আসছিল পালতে। এখন একটু বড় হবার পর দেখা যাইতেছে এটা আসলে বাঘের বাচ্চা!
এখন এটা মীরের সাথে সাথেই ঘুরে।
বিসিবি নাকি ঝুলাঝুলি করতেছে এটাকে তাদের অফিশিয়াল মাসকট করে নিতে।
গতসপ্তায় যোগাযোগমন্ত্রী অর্ডার দিছিল, আজকে সকালে পুরো শহরে তিনধাপবিশিষ্ট ফ্লাইওভার চালু হইয়া গেছে। মীর রে গনভবন থিকা পিক করে সবাই মিলে গুলিস্তান যেতে পুরা পৌনে পাঁচ মিনিট লেগে গেছে।
কম্পিওটারাইজড কাউন্টারে অর্ডার সেট করে সবাই মিলে রেস্টুরেন্টের ৩৭৮ তলায় রেস্টুরেন্টের ওয়াচ টাওয়ারে বসতেই শোনা গেল, মীরের বাঘের বাচ্চা সব ইস্পিশাল আইসক্রিম খেয়ে শেষ করে ফেলছে!
এ খবর শুনে, প্রিয় আর মায়াবতীর সে কী কান্না! সব টিস্যুপেপার শেষ!
তারপর হল কি..
এভারেস্টের চূড়ায় উঠিয়া বাঘের দুধের আইসক্রিমের আ্য়োজন দেখিতে হইবে, ইহা অবশ্য তানবীরার কষ্মিনকালেও ভাবে নাই। সে কিঞ্চিত নাসিকার ডগা ধরিয়া ইয়াক ইয়াক চতুর মাত্রার ছন্দ তুলিয়া দুই পাক নাচিয়া লইল। এদিকে প্রিয় আর মায়াবতী চাক্কার সাইড পকেট হইতে সভয়ে মস্তক উত্তোলন করিয়া আমসি মুখে আইসক্রীমের জন্য হা পিত্তেশ করিতেছে আর তানবীরার রাগ পরিমাপ করিবার চেষ্টা লইতেছে। উহাদের মুখে বাক্য নাই।
সাইদ আর জোনাকির "বিদেশী ষড়যন্ত্র মূলক" বিবৃতিকে অধিক আপন ভাবিয়া মাসুম ভাই খানিকটা লুফিয়া লইয়া তাহার সহিত খানিকটা রঙ্গরস মিশাইয়া রাত বিরেতে গণ মাধ্যমে ঝড় তুলিয়া ফেলিলেন, মুখ বইয়ে নানান ইনাইয়া বিনাইয়া স্ট্যাটাস দিলেন।
এদিকে অভিজ্ঞতার অভাবে, পরিকল্পনার অনেক কিছুই উড়োজাহাজ ব্যাতীত এভারেস্টের চূড়ায় উঠিবার যোগাড় হইয়াছে। কারণ জ্যোতি ছাগুর বাজারে গিয়া, মেজাজ অতিশয় চড়িয়া যাইবার কারণে -দুই চারিটি ছাগুকে উপুর্যপরি ল্যাং মারিয়া বিদায় হইয়াছে। আসার সময় মস্তকে বা্যু চড়িবার ন্যায় কিঞ্চিত বায়ুগ্রস্তের আকার ধারণ করিয়া -"ছাগুর রোস্ট কাভি নেহি", বলিতে বলিতে ফিরিয়া আসিয়াছে।
আশরাফ রাসেল কেবলই ওবামার সহিত তাহার নবপরিণীতার গল্প লইয়া জমাই্য়া বসিয়াছে। ক্ষণে ক্ষণে সেই সুখ স্ম্বতি স্মরণ করিয়া যখন পুলকিত চিত্তে ওবামার সহিত টাকোর প্লেটে ছুরি বসাইতেছে তখনি ঝন ঝন করিয়া রাসেলের ফোন বাজিয়া উঠিল.
রাসেল গার্ল ফ্রেণ্ডরে স্মরণ করিয়া মোলায়েম উত্তর দিতে যাইবার প্রাক্কালে...তানবীরার চিতকার শুনিয়া,ওবামার কোলে গিয়া পড়িল।
নরাধম, "ওরে অধম আবার তোরা মানুষ হ, বলিয়া বাবড়ি চুল নাচাইয়া ঝাপাইয়া পড়িয়া কাস্টমসের দুই-চারিজনকে ইচ্ছামত প্যদানী দিয়া দিল। গাড়ির নম্বর প্লেটে কি বা আসে যা্য়? বোয়িং ঠেলা গাড়ির নম্বর প্লেটে এয়ারফোর্স ১ ১ লেখা থাকা সত্বেও উহারা কেন তাহাকে আমলে আনিতেছে না, উহা ভাবিয়া- আবিস্কার করিল যে, সে মগের মুলুকে আসিয়া পড়িয়াছে।
মীর গাল্ফ এয়ার লাইন্সের ঐ ভাঙ্গা বোয়িংটা কিছুতেই ভাড়া করিতে চাহে নাই, কিন্তু গালফ সুন্দরীরা যে হারে তাহার কদলী-অঙ্গুরি টানাটানি করিতে করিতে তাহার কানে কানে কিসব বলিয়া ফেলিয়াছে, তাহার পর হইতে মীর আর তাহার দুই কর্ণে কিছুই শুনিতেছে না। দুই চোক্ষে সুন্দরীদের ছাড়া কিছুই দেখিতেছে না। জনাব আহারে খাতুনকেও মীরের অতীব সুন্দরী বলিয়া মনে হইতেছে। মীর তাহার কর্কশ গলা্য, "এই ব্রিষ্টিভেজা রাতে চলে যেও না গাহিতেছে।"
এদিকে পিকনিকের কথা শুনিয়া টু চৌ এর আর টিকির নাগাল পাওয়া যাইতেছে না। তিনি ক্যামেরার চার্জার কিনিতে ধোলাইখালে গিয়া পড়িয়া রহিয়াছেন.।তাহার মাথায় বিস্তর কল্পনা। তিনি এভারেস্ট জয়ীদের খাতা্য় নাম লিখাইতে চান।
টু চৌ কে খুঁজিয়া খুঁজিয়া হয়রান সাইদ সাহেব.....তাহাকে সাহায্য করিতে আগাইয়া আসিয়াছেন রা্যহান ভাই.....
লোকজন বেশি, আস্ত হাতির বারবিকিউ জমতো ভাল, খাওয়ায় টান পড়তো না। সাথে তিমি মাছের কাটলেট...আহা
প্লেন গ্যাঞ্জাইম্মা, পচুর তেলখোর। তার চেয়ে ম্যাজিক কার্পেট পরিবেশ-বান্ধব, শাহাজানী ডেরাইভার-হেল্পার লাগে না, কোন আবুলীয় রাস্তায় ঠেকে না, তেল খ্রচ নাই, এভারেস্টে ল্যান্ড করতে সুবিধা হপে। তবে ম্যাজিক কার্পেটটা সাইজে বেশ বড় হতে হবে যাতে যাত্রাকালীন সময়ে ফুটক্রিকেট খেলা যায়। সাথে চিয়ার-গার্লস থাকবে কিনা, তাদের বাছাই কমিটিতে কোন কোন বিবাহিত ব্যক্তি থাকবেন, সেই ব্যাপারে আলাদা সিদ্ধান্ত নিতে হপে।
এবি'র পিকনিক কে পুরাই স্পন্সর করতে চাইছিলো মাতৃ-মাইর কোম্পানীর দিশাহারা সাহেব। কিন্তু, সদ্য-পঁচা হিন্দী গান পিকনিকের সারা দিন চালাতে হবে এই রকম শর্ত দেয়ায় স্পন্সর বাতিল।
~
যথারিতী নির্ধারিত দিনে আমরা সবাই রাজশাহীর পদ্মার চরে হাজির হল্যাম। পেলেনও চইল্যা আস্যাছে। কিন্তুক পেলেন ছাড়ার সুমায় পেলেন আর ইস্টাট লিছে না। পুরাই খিদিরবিদির অবস্থা। তখন সাইকেল মেকার বাবু ভাই আস্যা সব চেক কর্য বুইললো পেলেনের ফিরি কাট্যা গিলছে। ফিরি লাগায়্যা সবাই মিল্যা ধাক্কা দিয়া পেলেন গড়ায়া দিনু। আকাশে উঠার পর মুনে হোল্যো খাওয়ার পানি তো লিনি। তকন ওয়াসা র অফিসে ফোন কর্যা দিলে অরা মই লাগাইয়া পানি বিসকুট আর চানাচুর দিয়া গেল। আমি তো চানাচুর বিসকুট খায়্যা আমার ঘের যায়্যা শুত্যা পড়নু। দিয়া আমার জবর ঘুম লাগ্যাছে। এখন আপনারা বুলেন আমি শ্যুনতে শ্যুতে ঘুম পাড়ি।
মায়াবতী খুবই আইলসা টাইপ একটা মেয়ে। সে যখন দেখলো আইসক্রীম খাইসে বাঘের বাচ্চা আর ছাগু না কিনা ফেরত আসছে জ্যোতি আপু তখন সে কতক্ষণ প্রিয়র কানে ‘ক্ষিদা লাগসে’ প্যান প্যান কইরা ঘুম দিল। প্রিয়ও শাপলা আপুকে বলল, যে কোনো ধরনের খাওয়ার ব্যবস্থা হওয়া মাত্র যেন ওদের ঘুম থেকে ডাইকা তোলা হয়। তারা পিকনিকে আসছে শুধুই খাইতে।
এদিকে জেবিন আপু তো চিল্লা-পাল্লা কইরা অস্থির তারে নাকি কেউ দাওয়াত দেয় নাই যে ব্লগ থেকে সবাই পিকনিক এ যাইতেছে। শুইনা সাঈদ ভাই তো মহা ক্ষ্যাপা। সাঈদ ভাইও সমান তালে চিৎকার করতেসে, ‘আরে ব্লগের পিকনিক এর জন্য দাওয়াত দিতে হবে কেন?? এইটা কি আমার বিয়া নাকি যে দাওয়াত দিমু?’
জেবিন আপু আর সাঈদ ভাইয়ের ঝগড়া তুমুল পর্যায়ে যাওয়ার আগেই লীনা আপা আইসা হাজির। দুলাভাইয়ের বন্দুক নিয়া আইসা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করতেই ভয়ে সাঈদ ভাই দুমদাম দৌড় দিয়া কই যে লুকাইলো কেউ তারে খুঁজতেও গেলো না
এদিকে একটু পরই আরেক লীনা আপু আসলো। আর লীনা আপু আসা মাত্র জেবিন আপু আর জ্যোতি আপু ওনাকে নিয়া টানাটানি শুরু করল জ্বীনের গল্প শোনার জন্য। লীনা আপুও একটু ভাবসাব দেখাইয়া শুরু করল জ্বীনের গল্প। কাজকাম ফালায়া সেই গল্প শুনতে আরো বসল মাসুম ভাই, বিষন্ন, অনিমেষ, নিলিমা, সাগরিকা, ৬টি তারা, কর্নফুলির মাঝি, কাদের ভাই, মিশু ভাই, আশিক ভাই সহ আরো অনেকে।
কি গল্প বলল লীনা আপু কে জানে হঠাৎ মাসুম ভাই ভয়ে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলো……
সবার লেখা পড়তাছি।
আরো পরে লেখবাম।
করুম না গপপো!
আপডেট কইরা দিলাম
)
(আল্লাহ্ মালুম, কই যে যাইতাছে কাহিনী
আল্লাহ্ মালুম, কই যে যাইতাছে কাহিনী
কি যে লিখবো ভেবেছিলাম, ভুলেই গেছি
গুড নাইট
মেসবাভাই'র স্টাইলে হুদাই সব্বাইরে ঝাড়ি দেবার ভাব নিতে গিয়ে লিনা'পুর দৌড়ানি খেয়ে সেই যে চিপায় গিয়া বসছে সাঈদ্ভাই, কেউ তো আর পায় না তারে। চিপায় বইসা উদাস মনে মাহবুব সুমনের তোলা বিয়ের কথার চিন্তা বাদ দিয়া ভাড়াটিয়ার যন্ত্রনার কথা ভাবতেছিল সাঈদভাই, ভাড়াটিয়ার বাড়ি থেকে রোজ রোজ পাঠানো খাসির বিরিয়ানী খেয়ে খেয়ে বেহাল দশা তার। ত্যাক্তবিরক্ত হয়ে ভাবছে, কি যন্ত্রনা, কিসের আশায় এই খানা চালাচালি, ভাড়াটিয়ার নাই ও কোন শালি! তীরে এসে তরী ডুবার মতো করে, মাসুম্ভাইয়ের কূটচালের কারনে এক্টুর জন্যে লবংলতিকা কিবা থাপ্পর’ওয়ালি কেউই ভাগ্যে জুটলো না সেবার । দুষ্টু বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে আজতক বিয়েটাও করা হয়ে উঠলো না। কিন্তু এদিকে যার হা-হুতাশে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হতো সেই মুক্লা, আর মডেলিং করে ভাব নেয়া বিমা, যে কিনা থাপ্পর’ওয়ালির রাম থাপ্পড় ও খেয়েছিল একটা (কথায় আছে একগালে থাপ্পর খাইলে বিয়ে হয় না, কিন্তু...), দুটারই বিয়ে সম্পন্ন, চুপা-রান্ধুনি থুক্কু রুস্তম রাসেল ও এই করলো বলে! ...
যামুনা এভেরেস্টে। মুসা, মুহিত, নিশাত আর কাসফিয়া নাই কেনু ?
ইসপিশালি কাসফিয়া (আহ, কী সোন্দর মাইয়াটা)...
ভাবীর ফুন্নং টা জানি কত মেযবাহ ভাই?

নম্বর আগেরটাই
ঠিকাসে, আগেরটাতেই ফুনাইতেসি, আম্নের এইবার খবর দি নিউজ আছে, ভাবী দাবড়ানি দিলে বুঝপেন মজা, হাউ মেনি গম হাউ মেনি আটা....

পড়তেছি!!
অবশেষে সকল ঝুট-ঝামেলা পার কইরা দলবল লইয়া সকলে এভারেস্টের দিকে যাত্রা করিল। কিন্তু বিধি বাম, যাত্রা শুরু করিবার কিছুক্ষণ পরেই গালফের লক্কর ঝক্কর বোয়িং এর ফুয়েল আই মিন গ্যাস শেষ হইয়া গেল। নিকটবর্তী সিএনজি স্টেশনটা ছিল দার্জিলিং এর চূড়ায়। কিন্তু সেইখানে যাইয়া সকলে শুনিল বাংলাদেশে যেই হারে জ্বালানী গ্যাসের দাম বাড়িতেছে , দার্জিলিং-এর সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের দাম বাংলাদেশের দামের চাইতেও চল্লিশ গুণ বাড়িয়া গিয়াছে, কারণ পাহাড় পর্বতে গ্যাসের চাপ এমনিতেই কম, যাও বা সাপ্লাই পাওয়া যায়, সেইগুলার দাম অত্যন্ত ব্যয়বহুল। অগত্যা কি আর করা, সকলের কাছে হাত পাইতা একটাকা,দুইটাকা কইরা জোগার করল আশিক ভাই। সকলের পকেট খালি হইবার পরে দেখা গেল সর্বসাকুল্যে ৫০ টাকা জোগার হইছে। এখন ৫০ টাকা দিয়া তো আর বোয়িং এর গ্যাস খরচ মিটবেনা। কি করা যায়???
পরে সকলের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া সকলের মুরুব্বী মাসুম ভাই মতামত দিল, ৫০ টাকার গ্যাসের সাথে সকলের সাথে রক্ষিত মিনারেল ওয়াটার এর বোতল হইতে পানি দিয়া আপাতত জ্বালানী সমস্যার সমাধান করা যাইতে পারে। সকলে মতামত দিল ঠিক ঠিক! এইটাই উত্তম সমাধান!
অবশেষে ৫০টাকার সিএনজি গ্যাসের সাথে ২০০লিটার মিনারেল ওয়াটার মিশাইয়া জ্বালানী টাঙ্কির মধ্যে ভরিয়া বোয়িংকে সচল করা হইল। বোয়িং আবার এভারেস্টের দিকে যাত্রা করিল........
আমিও যামুনা এভেরেস্টে, "বিদেশী ষড়যন্ত্র মূলক" কোনদলে আমার নাম বাদ পড়সে
(
আপডেট করে দিলাম।
চমৎকার হচ্ছে; পড়ছি!

অনেকদিন ধরেই লিখাটা দেখতেসি আর পইড়া পইড়া হাসতেসি।। কাহিনী কোন দিকে যাইতেসে কে জানে? কমেন্ট করার টাইম পাইনা, তাই কমেন্ট করা হয়ে উঠেনা। তবে একটা কথা খালি বলি বাই হুক অর বাই ক্রুক প্রিয় আর মায়াবতীরে কিন্তুক আইস্ক্রীম খাওয়ানি লাগবোই লাগবো। নইলে কিন্তু খেলুম্না।
এই ডরেই কেউ আর লেখে না!

যারা অংশ গ্রহন করেছেন , সবাইকে ধন্যবাদ।
আশা করেছিলাম আরো অনেকেই হয়তো অংশগ্রহন করবেন কিন্তু সেরকম সাড়া না পাওয়াতে আমার পক্ষ থেকে এরকম আষাঢ়ে গপ্পোর আসর একেবারেই শেষ করতে হচ্ছে এখানেই।
সবাই ভালো থাকুন ।
কয়েক দিন ব্রেকের পর রি-ওপেন করতে পারেন।
সাঈদ ভাই সর্যি। অনেক ঝামেলার মধ্যে আছি। নইলে ইচছের কোন অভাব ছিল না ভাই। লেখালেখিতো করি না, অনেকদিন।
কোন একদিন আবার ফিরে আসবো, এই আশায় আছি।
রাগ লাগে জানি তাও এটা মানতে পারলাম না
(
এই গল্প পড়ে ঠা ঠা করে বেহুশ না হয়ে উপায় নাই
মন্তব্য করুন